| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সাক্ষাৎকার
  মেশিন দিয়ে সাক করে ড্রেন আউট করলে চট্টগ্রামে পানি জমবে না ----নূরুল আমীন
  3, July, 2017, 5:51:51:AM

ওমর সুলতান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক ও প্রাইম ইন্স্যুরেন্স এর অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক নূরুল আমীন বলেছেন, দ্ুই বছর আগে বর্তমান মেয়র যখন ক্ষমতায় আসেন তখন তার সাথে আমার দেখা হয়। তিনি বলেন, এই জলাবদ্ধতার জন্যে কি করা যায়? আমি তাকে বলি- ‘তুমি সিঙ্গাপুরের মতো করো। সে বলে- সেটা কি? আমি বলি, চারিদিকে ড্রেন করে পানিটাকে মেশিন দিয়ে সাক করে ড্রেন আউট করে ফেলো তাহলে কোন পানি জমবে না। আমার আরেকটি লক্ষ্য আছে। তা হলো- মীরেরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ রোড। এটি ফোর লেন রোড। চাইনীজ প্রেসিডেন্ট যখন এসেছিলেন বাংলাদেশে তখন এই চুক্তি সই হয়েছে। এটি জি টু জি’তে সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট বাংলাদেশের। এই এমব্যাঙ্কমেন্ট রোড টেকনাফ পর্যন্ত যাবে। এ নিয়ে আমি গত ৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছি।

তিনি জানান, ওয়ান স্টপ মল যখন আমি করি ১৯৯৬ সালে তখন বাংলাদেশে এমনকি ইন্ডিয়াতে কোন প্রকার মল ব্যবসা ছিল না। আমি দেশ বিদেশ ঘুরে বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে ভিত্তি নামে একটা প্রতিষ্ঠান আছে একটা ইকবাল সাহেবের তাকে দিয়ে আমি এইটার ডিজাইন করি এবং ইকবাল সেন্টারে প্রথম মল ওপেন করি। জনাব তোফায়েল আহমেদ তখন ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী, তিনি এটির উদ্বোধন করেছিলেন। এই মলের সাড়ার অভূতপূর্ব ছিল। আমার উদ্দেশ্য ছিল স্টুডেন্টদের পার্ট টাইম মলে কাজে লাগাবো এবং এখানে কাজ করে তারা আয় করা অর্থ পড়াশোনার কাজে লাগাতে পারবে। এই মল ব্যবসা আমি ৭/৮ বছর চালিয়েছি। এই সময়ে এই মল ব্যবসা দেখে অনেক প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে যায়। আর দেশ বিদেশে আমার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। আমি মল ব্যবসা থেকে পরে নিজেকে গুটিয়ে নেই। সেই সময় আমার ২০ টা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ছিল এবং ২০ হাজার মানুষ কাজ করতো। আমি সব সময়ই টপ কাজ করতাম সমাজে। সবচেয়ে বেশি এক্সপোর্ট করার জন্যে আমি জাতীয় ট্রফি পেয়েছি। ১০ বছর সিআইপি ছিলাম। ২০০৪ সালে এসে আমি এইসব ব্যবসা গুটিয়ে নিয়ে ওয়েল এন্ড গ্যাস সেক্টরে চলে যাই। ২০ টা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি এর মধ্যে- গার্মেন্টস, ডায়িং, স্পিনিং মিল নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতাম। পক্ষান্তরে আমি প্রিমিয়াম ব্যাংক এবং প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের সাথে জড়িত হই। বর্তমানে আমি ওয়েল এন্ড গ্যাস সেক্টরে নতুন কিছু করার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যবসা বৃদ্ধির কারণে ওয়েল এন্ড গ্যাস সেক্টরে কাজ করছি। অবকাঠামো উন্নয়নের জন্যে কাজ করে থাকি। বাংলাদেশের যেই সাফল্য এটি অভূতপূর্ব। এশিয়াতে আর কোন দেশ এত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে বলে আমি মনে করি না। আমি যখন মল ওপেন করেছিলাম একই সময়ে আমার একটি ফাউন্ডেশন ছিল। ওমর সুলতান ফাউন্ডেশন। ওমর আমার মা সুলতান আমার বাবা। আমি তাদের অনেক ছোট বেলায় হারিয়েছিলাম। গার্মেন্টস সেক্টরে যখন আমি সাফল্য অর্জন করি, তারপরে আমি অয়েল এন্ড গ্যাস সেক্টরের সাথে যুক্ত হই এবং রিফাইনারি বানাই।
অন্যএক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্লেক্সিনেশন প্ল্যান্ট, রিফাইনারি এব পাইপলাইন নিয়ে কাজ করি। এর সাথে সাথে বর্তমানে আমি অবকাঠামো নিয়েও কাজ করে চলেছি। আমার সিটি গ্রুপ, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ইন্স্যুুরেন্স, ই-কম পাওয়ার, ই-কম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এই কয়েকটি কোম্পানির সাথে আমি জড়িত। এই সব নিয়েই বর্তমানে আমার দৈনন্দিন জীবন যাপন। এখন টেকনোলজির যুগ, বিভিন্ন দেশ থেকে নানা রকমের টেকনোলজি আমাদের আনতে হয়। আমি বর্তমানে বেশিরভাগ সময়ই বাংলাদেশে কাটাই এবং সিঙ্গাপুরে আমার যে অফিস আছে তা দিয়ে টেকনোলজি এবং বিভিন্ন রকমের হাই কোয়ালিটির ডিজাইন এবং ইক্যুইপমেন্টস আমি প্রকিউর করে থাকি।
তিনি বলেন, পোর্ট ডেভেলপমেন্ট ইক্যুইপমেন্টস, কনস্ট্রাকশন ডেভেলপমেন্ট ইক্যুইপমেন্টস, সাইবার সিকিউরিটি ইক্যুইপমেন্টসগুলো আমি সিঙ্গাপুর এর থ্রু থেকে বাংলাদেশে এক্সপোর্ট করে থাকি। এমনকি মালয়েশিয়া, মায়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ কাভার করে থাকি। বাংলাদেশে আমি অনেক কাজের সাথে যুক্ত। চাইনীজ গভর্নমেন্টের সাথে জি টু জি প্রজেক্টের সাথে জড়িত। যা আমি আমাদের প্রিন্সিপাল দ্বারা করে থাকি।
তার মতে, অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে পরিশ্রম করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অন্ততপক্ষে আমার কাছেই তা রূপকথার গল্প মনে হয়। অথচ আমি নিজে এই উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি। পদ্মা সেতু, মেরিন ড্রাইভ, ঢাকা-সিলেট, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, আউটার সার্কুলার রোড, পায়রা বন্দর- যে ডেভেলপমেন্টগুলো হচ্ছে বাংলাদেশে তা অকল্পনীয়। বাংলাদেশের উন্নয়ন একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যার দ্বারাই সম্ভব। পাছে লোকে কিছু বলতে পারে কিন্তু তারা ক্ষমতায় আসার জন্যে বলে। এদের অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই। এরা জানে উন্নতি হচ্ছে, তাই ভেতরে ভেতরে এরা জ¦লছে। কিন্তু তারা উন্নয়ন স্বীকার করতে চায় না।
তিনি বলেন, এবারের বাজেট আরেকটু জনমুখী হলে আরও ভালো হতো। আমি মনে করি গণতান্ত্রিক দেশে জনগণ যখন বড়লোক হবেন, জনগণের কাছে পয়সা বেশি থাকলে সরকারের নাম হবে, সুনাম বাড়বে। দেশের উন্নতি হবে। বর্তমান প্রস্তাবিত বাজেট কিছু কিছু জায়গায় এডজাস্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করি। বিভিন্নভাবে শুল্ক আরোপ করে মানুষকে যে হয়রানি করার প্রচেষ্টা- এই দিক থেকে আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়কে বলব, তিনি যেন এইসব এডজাস্ট করেন। সিঙ্গাপুর পৃথিবীর সবচেয়ে কস্টলি কান্ট্রি। সেখানে ভ্যাট বা এআইটি মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ এই গরিব বাংলাদেশে মানুষের বেতন ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার। এক লাখ টাকা কামাতে মানুষের নাভিশ^াস উঠে যায়। সে কীভাবে ১৫ পারসেন্ট করে দেবে? তার উপরে আছে ব্যাংকে টাকা রাখলে নাকি আবগারি শুল্ক- এই কাজ পৃথিবীর কোথাও আমি দেখিনি। এই কাজ করা ঠিক না। কারণ ব্যবসায়ীর অনেক বড় বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংকে রাখতে হবে, নিতে হবে। এই টাকা রাখতে নিতেই যদি ট্যাক্স দিতে হয়- তাহলে ব্যবসা করবে কীভাবে? আমি মনে করি সরকার এটা বুঝবেন। তারা জিনিসটাকে সহনীয় পর্যায়ে নেবেন। জনগণের দিকে তাকিয়ে তাদের জীবনযাত্রার দিকে খেয়াল রেখে এটি এডজাস্ট করা হবে- এই প্রত্যাশা আমার।
তার মতে, আমি এলএনজি নিয়ে কাজ করছি। পাওয়ার নিয়ে কাজ করছি, ড্রেজিং নিয়ে কাজ চলছে। রোস্ট নিয়ে এবং বর্তমানে অ্যাকুরিয়াম নিয়ে আমার উদ্যোগ রয়েছে। কক্সবাজারে সি অ্যাকুরিয়াম রয়েছে আমার। এই রকম অনেক প্রজেক্টের সাথে আমি জড়িত। পোর্ট ইক্যুইপমেন্টস, কন্সট্রাকশন ইক্যুইপমেন্টস, ছোট ছোট প্রজেক্ট বসানোর কাজ করি- সামান্য পরিসরে এই সবই আমার ব্যবসার এরিয়া।
আমাদের ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলো খুবই ভালো। যারা এগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা প্রত্যেকেই শিক্ষিত এবং মার্জিত মানুষ। আমাদেরই বন্ধু, আমাদেরই ছোট ভাই, আমাদেরই সহযাত্রী এরা সবাই। বিভিন্ন ইস্যু, ট্যাক্স, নিয়ম কানুন, পলিসি সাপোর্ট নিয়ে তারা সবসময় সরকারের সাথে দেনদরবার করে থাকে। ব্যবসায়ীদের তারা সাহায্য সহযোগিতা করে থাকেন। এই সংগঠন এবং ব্যক্তিত্বরা প্রায় সবাই খুবই ভালো কাজ করছেন।
তার মতে, এই বিষয়টিকে আমি ইতিবাচক হিসাবে দেখি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হওয়া তো ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক সময় দেখা যায়- অনেকেই যান কিন্তু দেখা যায় তার ফ্যাক্টরি ঠিকমতো চলছে না। তাদের অনেককেই প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে দেখা গেছে। এই বিষয়ে একটু যাচাই বাছাই করে প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ আছে। যাদের ব্যবসায়িক পোর্টফলিও যত সমৃদ্ধ তাদেরকেই প্রাধান্য দেয়া উচিত।
তিনি বলেন, আত্মীয় স্বজন প্লাস পরিচিত বন্ধুবান্ধব নিয়ে এই সব ক্ষেত্রে কিছু উনিশ বিশ তো হবেই? তাই এই সব বিষয়কে নেতিবাচক হিসেবে দেখা ঠিক না। এই সব ছোটখাট অনিয়ম আস্তে আস্তে পরিশীলিত হয়ে যাবে। সামনের দিকে সবকিছু ক্লিন হয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
তার মতে, বিচার করতে দিলে দেশ বিদেশ ঘুরে আমার যে অভিজ্ঞতা আমি বলব, ইন্ডিয়া বাংলাদেশ পাকিস্তান এই তিনটি দেশকে যদি আপনি নাম্বারিং করেন আমি বাংলাদেশকে দেব দশের মধ্যে ৮। পাকিস্তানকে দেব ১০ এর ভেতরে ৩ আর ইন্ডিয়াকে দেব দশের ভেতরে পাঁচ। এ্যাজ এ হিউম্যান বিং, মানুষ হিসেবে বাংলাদেশ ৮ পাওয়ার যোগ্য। কাজকর্ম, সরলতা এবং যোগ্যতাতে বাংলাদেশ ৮ পাওয়ার যোগ্য। সুতরাং বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে- এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
তিনি বলেন, আমার বয়স তখন ২২ বছর। একটা ছোট ব্যবসা দিয়ে কাস্টম হাউজের সাথে শুরু করেছিলাম। ট্রেড ফরোয়ার্ডিং এন্ড ক্লিয়ারিং এই সব ব্যবসা দিয়ে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রথমে কাজ শিখি। কাজ শিখে এসে আমি একটা গার্মেন্টস করি অল্প মেশিন দিয়ে। আমাদের বন্ধু বান্ধব যারা আছে চারিদিকে রব গ্রুপ, ইয়ূথ গ্রুপ, ডেকো গ্রুপ, মোহাম্মদী গ্রুপ- ঢাকার মেয়র আনিসুল হকের দেশ গ্রুপ, আমরা সবাই কিন্তু ১০০/১৫০ মেশিন দিয়ে কারখানা শুরু করি।
ফ্যাশ রব গার্মেন্টস শুরু করে ইমপ্রেস গ্রুপ। ডেকো গ্রুপ শুরু করে কিরণ এন্ড শহীদ। কুদ্দুস ভাই শুরু করে ১৯৯৬ এর পরে এসে সোয়েটার কারখানা। এইভাবে আমরা যারা ওই সময়ের মানুষ, যারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় আছি। আসলে এদের সাথে কোন কিছুর তুলনাই হয় না। কারণ তারা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে, প্রচ- কষ্ট করে এই সব গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি চালিয়ে এক্সপোর্ট করে বিদেশ থেকে টাকা এনে এই দেশকে চালায়, নিজেকে চালায় এবং বাংলাদেশকে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যান। এই সেক্টরে ৩০ বছর কাজ করার ফলে গার্মেন্টস এর প্রতি আমার ভালোবাসা সম্মান অগাধ।
তার মতে, আমি বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুরের মতো দেখতে চাই। বাংলাদেশে এমআরটি দেখতে চাই। বাংলাদেশে কমিউনিটি বাস সার্ভিস দেখতে চাই। শহরের বাসগুলো হবে সিঙ্গাপুর লন্ডন এর মতো। বাংলাদেশের মানুষকে আরও উচ্চ শিক্ষিত দেখতে চাই। এই দেশকে আরও সুশৃঙ্খল দেখতে চাই। তাই আমি বিশ^াস করি বাংলাদেশ পারবে। এই দেশ আশেপাশের দেশ থেকে অনেক উপরে এবং এই জাতি পারবে।
তিনি বলেন, আমরা অলরেডি মালয়েশিয়ার মতো হয়ে গেছি। বর্তমানে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া থেকে পিছিয়ে আছে বলে আমি মনে করি না। সেখানে দুটি টুইন টাওয়ার আছে- তার জন্যে কি আমরা পিছিয়ে আছি? আমাদেরও অনেক সুন্দর সুন্দর বিল্ডিং, সুন্দর সুন্দর অফিস এবং বিভিন্ন এক্টিভিটিজ চলছে। লেখাপড়ায় বলেন, এক্সপোর্টে আমরা সেকেন্ড লার্জেস্ট ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। আমরা কোন দিক থেকে মালয়েশিয়া থেকে পিছিয়ে আছি? একবারও তা আমি মনে করি না। এই দেশে বর্তমানে মালয়েশিয়া থেকে ইন্ডিয়া থেকে ছাত্ররা এসে ডাক্তারি পড়ছে, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। এর মানে কি? আমাদের এডুকেশন সেক্টর অনেক এগিয়ে আছে বর্তমানে। আজ থেকে ৫০ বছর আগেও মালয়েশিয়া থেকে উচ্চশিক্ষার জন্যে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা আসতো। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়েও আসতো। তাই মনে করি আমরা মালয়েশিয়া থেকে পিছিয়ে নেই। আরও সামনের কান্ট্রিগুলোকে আমরা এখন টার্গেট করছি। আমরা এগিয়ে যাব।



       
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     সাক্ষাৎকার
মেশিন দিয়ে সাক করে ড্রেন আউট করলে চট্টগ্রামে পানি জমবে না ----নূরুল আমীন
.............................................................................................
হাঁসের বাচ্চা ফুঁটানো যার স্বপ্ন, সেই পরিশ্রমে আজ স্বাবলম্বী ফাতেমা
.............................................................................................
৬১’এ পা রাখলেন সাংবাদিক মোঃ আতিকুর রহমান স্বপন
.............................................................................................
হৃদরোগ নিয়ে ডাঃ দেবি শেঠির সাক্ষাৎকার
.............................................................................................
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সচিব -ভূইয়া সফিকুল ইসলামের সাক্ষাৎকার
.............................................................................................
মাধবদী থানা বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো
.............................................................................................
প্রফেশনাল একাউন্টিংয়ের চাহিদা বিশ্বব্যাপী, ড. আনিসুর রহমান খান,
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]