| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গণপরিবহণ ব্যবস্থা এখন সিন্ডিকেটের দখলে, সড়ক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। বেপরোয়া সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে এই পরিবহন খাত। আইন-কানুন, নীতি- নৈতিকতা এবং সড়ক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। অধিকাংশ পরিবহন ফিটনেসবিহীন, চালকদের একটি বড় অংশ অদক্ষ ও ভূয়ালাইসেন্সধারী। ফলে সড়ক দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় ঘটেই চলেছে। মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে। গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল এই চার মাসে ৪ মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১,৪৫৯ জন নিহত এবং ৪,৫৪১ জন আহত হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। আজ শনিবার পাবলিক লাইব্রেরি সেমিনার হল, শাহবাগে ‘রোড সেফটি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত ‘জনবান্ধব গণপরিবহন ও সড়ক নিরাপত্তা’ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। প্রবন্ধে তিনি বলেন, সিটিং সার্ভিসের নামে পরিবহন মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চালাচ্ছে। যেহেতু ঢাকা শহরে মানুষের তুলনায় গণপরিবহনের সংখ্যা অনেক কম, সেহেতু হাজার হাজার মানুষকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে মালিকদের বাণিজ্যিক স্বার্থে সিটিং সার্ভিস চালাতে দেয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, পরিবহন মালিকরা চালক এবং হেলপারদেরকে ট্রিপ হিসেবে টার্গেট বেঁধে দেয়ার কারণে চালকেরা রাস্তায় যত্রতত্র যাত্রী উঠানোর প্রতিযোগিতা করছে। এই নির্মম প্রতিযোগিতায় দুর্ঘটনা বাড়ছে। পরিবহনের শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামের সুযোগ নেই, বাথরুম টয়লেটের ব্যবস্থা নেই, ফলে অধিকাংশ পরিবহন শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছে। ঢাকা শহরের হাসপাতালগুলোর সামনে যাত্রী উঠা-নামার কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। রাস্তার ৭০ভাগ প্রাইভেট গাড়ির দখলে, গণপরিবহনের তুলনায় প্রাইভেট গাড়ি ৩৩ গুন বেশি। অথচ এই প্রাইভেট গাড়ি মাত্র ১৩ শতাশ যাত্রী পরিবহন করছে। আর গণপরিবহন ৪৯ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করছে। সেকারণে গণপরিবহন এবং প্রাইভেট গাড়ির জন্য পৃথক লেনের ব্যবস্থা করলে গণপরিবহন প্রাইভেট গাড়ির তুলনায় দ্রুত চলতে পারবে। এ অবস্থায় গণপরিবহনের সংখ্যা এবং সেবার মান বৃদ্ধি করলে প্রাইভেট গাড়ির যাত্রিরাও গণপরিবহনে যাতায়াত করবে। ফলে নগরীর যানজট ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। বিআরটিএকে শক্তিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত এবং বিআরটিসির সার্ভিস উন্নত ও বিস্তৃত করতে পারলে বেসরকারি গণপরিবহন মালিদের নৈরাজ্য কমবে। দেশব্যাপী অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার স্বার্থে রেল ও নৌ-পথকে উন্নত ও বিস্তৃত করা জরুরী। কারণ প্রতি লিটার তেলে সড়ক পরিবহনে ২৫ টন পণ্য পরিবহন করা যায়। সেখানে রেলে ৮৫ টন এবং নৌযানে ২১৭ টন পণ্য পরিবহন করা যায়। দেশব্যাপী গণপরিবহনে চাঁদাবাজী বন্ধ করত হবে। জনবান্ধব গণপরিবহন ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ার পেছনে এই চাঁদাবাজী একটি বড় কারণ।
ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়–য়া বলেন, বর্তমান সড়ক পরিবহন আইনে সড়ক নিরাপত্তার কোনো কথা বলা হয়নি। যদিও পুর্বের আইনে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা কিছুটা ছিল। তিনি বলেন, বিআরটিএ’র লোকবল সংকট রয়েছে। মাত্র ৪০০ পরিদর্শক সহপরিদর্শক দিয়ে দেশের প্রায় ৩০ লক্ষ মটরযান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের নিয়োগপত্র না থাকার কারণে তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ পায় না। চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুলের কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অনেকেই পঙ্গু হচ্ছে। বর্তমান আইনে এগুলোর কোনো এটেনডেন্স নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত আহতদের চিকিৎসার নামে ঢাকা মেডিকেলে দালালরা বাণিজ্য করছে। অন্য হাসপাতালগুলোরও একই অবস্থা। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরকারী পর্যায়ে তিনি ফান্ড গঠনের দাবী জানান।
সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মাহবুব আলম বলেন, চালকদের ব্যক্তিগত স্কিলস বা দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আধুনিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে তাদের চালকদের রোড সেফটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত করে তা আমরা অনুসরণ করতে পারি। বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত বা সমৃদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে ৮৫ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।

বিপ্লবী সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিআরটিএ দুর্নীতিবাজ ও ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান। তারা শুধু মালিকদের স্বার্থ রক্ষা করে। এই প্রতিষ্ঠানের জনবল নেই। ৪ জেলার জন্য একজন ইন্সপেক্টর। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ড্রাইভারদের নিরাপত্তা আইন পাশ হচ্ছে না। ড্রাইভারদের বিশ্রামের কোনো ব্যবস্থা নেই। সরকারকে ড্রাইভার তৈরির লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স সহজীকরণ এবং সিএনজি অটোরিক্সা বন্ধ না করে গ্রামীণ সড়কে চলাচল করতে দেয়ার দাবী জানান। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারী সাইদুর রহমান ন্যায্যতার ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন আইনের সংস্কার সাধন করে তা বাস্তবায়নে সরকারকে কেেঠার হওয়ার আহবান জানান। উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মনজুর আহমেদ বলেন, জনবান্ধব গণপরিবহন প্রতিষ্ঠা করতে হলে একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনার অধীনে সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

গণপরিবহণ ব্যবস্থা এখন সিন্ডিকেটের দখলে, সড়ক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। বেপরোয়া সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে এই পরিবহন খাত। আইন-কানুন, নীতি- নৈতিকতা এবং সড়ক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। অধিকাংশ পরিবহন ফিটনেসবিহীন, চালকদের একটি বড় অংশ অদক্ষ ও ভূয়ালাইসেন্সধারী। ফলে সড়ক দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় ঘটেই চলেছে। মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে। গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল এই চার মাসে ৪ মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১,৪৫৯ জন নিহত এবং ৪,৫৪১ জন আহত হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। আজ শনিবার পাবলিক লাইব্রেরি সেমিনার হল, শাহবাগে ‘রোড সেফটি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত ‘জনবান্ধব গণপরিবহন ও সড়ক নিরাপত্তা’ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। প্রবন্ধে তিনি বলেন, সিটিং সার্ভিসের নামে পরিবহন মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চালাচ্ছে। যেহেতু ঢাকা শহরে মানুষের তুলনায় গণপরিবহনের সংখ্যা অনেক কম, সেহেতু হাজার হাজার মানুষকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে মালিকদের বাণিজ্যিক স্বার্থে সিটিং সার্ভিস চালাতে দেয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, পরিবহন মালিকরা চালক এবং হেলপারদেরকে ট্রিপ হিসেবে টার্গেট বেঁধে দেয়ার কারণে চালকেরা রাস্তায় যত্রতত্র যাত্রী উঠানোর প্রতিযোগিতা করছে। এই নির্মম প্রতিযোগিতায় দুর্ঘটনা বাড়ছে। পরিবহনের শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামের সুযোগ নেই, বাথরুম টয়লেটের ব্যবস্থা নেই, ফলে অধিকাংশ পরিবহন শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছে। ঢাকা শহরের হাসপাতালগুলোর সামনে যাত্রী উঠা-নামার কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। রাস্তার ৭০ভাগ প্রাইভেট গাড়ির দখলে, গণপরিবহনের তুলনায় প্রাইভেট গাড়ি ৩৩ গুন বেশি। অথচ এই প্রাইভেট গাড়ি মাত্র ১৩ শতাশ যাত্রী পরিবহন করছে। আর গণপরিবহন ৪৯ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করছে। সেকারণে গণপরিবহন এবং প্রাইভেট গাড়ির জন্য পৃথক লেনের ব্যবস্থা করলে গণপরিবহন প্রাইভেট গাড়ির তুলনায় দ্রুত চলতে পারবে। এ অবস্থায় গণপরিবহনের সংখ্যা এবং সেবার মান বৃদ্ধি করলে প্রাইভেট গাড়ির যাত্রিরাও গণপরিবহনে যাতায়াত করবে। ফলে নগরীর যানজট ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। বিআরটিএকে শক্তিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত এবং বিআরটিসির সার্ভিস উন্নত ও বিস্তৃত করতে পারলে বেসরকারি গণপরিবহন মালিদের নৈরাজ্য কমবে। দেশব্যাপী অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার স্বার্থে রেল ও নৌ-পথকে উন্নত ও বিস্তৃত করা জরুরী। কারণ প্রতি লিটার তেলে সড়ক পরিবহনে ২৫ টন পণ্য পরিবহন করা যায়। সেখানে রেলে ৮৫ টন এবং নৌযানে ২১৭ টন পণ্য পরিবহন করা যায়। দেশব্যাপী গণপরিবহনে চাঁদাবাজী বন্ধ করত হবে। জনবান্ধব গণপরিবহন ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ার পেছনে এই চাঁদাবাজী একটি বড় কারণ।
ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়–য়া বলেন, বর্তমান সড়ক পরিবহন আইনে সড়ক নিরাপত্তার কোনো কথা বলা হয়নি। যদিও পুর্বের আইনে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা কিছুটা ছিল। তিনি বলেন, বিআরটিএ’র লোকবল সংকট রয়েছে। মাত্র ৪০০ পরিদর্শক সহপরিদর্শক দিয়ে দেশের প্রায় ৩০ লক্ষ মটরযান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের নিয়োগপত্র না থাকার কারণে তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ পায় না। চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুলের কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অনেকেই পঙ্গু হচ্ছে। বর্তমান আইনে এগুলোর কোনো এটেনডেন্স নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত আহতদের চিকিৎসার নামে ঢাকা মেডিকেলে দালালরা বাণিজ্য করছে। অন্য হাসপাতালগুলোরও একই অবস্থা। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরকারী পর্যায়ে তিনি ফান্ড গঠনের দাবী জানান।
সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মাহবুব আলম বলেন, চালকদের ব্যক্তিগত স্কিলস বা দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আধুনিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে তাদের চালকদের রোড সেফটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত করে তা আমরা অনুসরণ করতে পারি। বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত বা সমৃদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে ৮৫ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।

বিপ্লবী সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিআরটিএ দুর্নীতিবাজ ও ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান। তারা শুধু মালিকদের স্বার্থ রক্ষা করে। এই প্রতিষ্ঠানের জনবল নেই। ৪ জেলার জন্য একজন ইন্সপেক্টর। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ড্রাইভারদের নিরাপত্তা আইন পাশ হচ্ছে না। ড্রাইভারদের বিশ্রামের কোনো ব্যবস্থা নেই। সরকারকে ড্রাইভার তৈরির লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স সহজীকরণ এবং সিএনজি অটোরিক্সা বন্ধ না করে গ্রামীণ সড়কে চলাচল করতে দেয়ার দাবী জানান। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারী সাইদুর রহমান ন্যায্যতার ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন আইনের সংস্কার সাধন করে তা বাস্তবায়নে সরকারকে কেেঠার হওয়ার আহবান জানান। উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মনজুর আহমেদ বলেন, জনবান্ধব গণপরিবহন প্রতিষ্ঠা করতে হলে একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনার অধীনে সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

বেড়িয়ে পড়ুন ভ্রমণে একা একাই
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

(প্রিয়.কম) একা একা বেড়ানো নিশ্চয়ই খুব একঘেয়ে হবে, তাই না? আবার নিরাপত্তার ভয়, নতুন জায়গায় ঝামেলায় পড়লে কাউকে না পাওয়ার ভয়! তার চেয়ে বরং সঙ্গী সাথে নিয়ে বেড়াতে যাওয়াই ভালো। সম্ভব হলে দল বেঁধে যাওয়া উচিৎ। দল বেঁধে বেড়ানোর অনেক সুবিধা আছে সত্যি, তবে একা বেড়ানোর অনুভূতিটাও কিন্তু কম রোমাঞ্চকর নয়। একা বেড়াবেন কারণ-
 
সম্পূর্ণ নিজেকে সময় দেওয়া
আমরা আমাদের জীবনের মূল্যবান সময় কাজকে দিই, স্বজনদের দিই, বন্ধুদের দিই। নিজেকে সময় দেওয়াই হয় না আমাদের। একা পথে বেড়িয়ে পড়ে সেই অফুরন্ত সময় কাটানো যায় শুধু নিজের সংগে। কোন বাঁধা নেই, অন্যের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিজের ইচ্ছাকে ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। একান্তই খেয়াল খুশীতে ভরা একটি ট্যুর পেতে হলে একাই বেড়িয়ে পড়া সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।
 
নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজে নেওয়া
দল বেঁধে বেড়াতে গেলে আপনি সাধারণত আপনার নিরাপত্তার ভার দিয়ে দেন অন্যদের কাঁধে। এভাবে আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি সত্যি। কিন্তু নিজেদের নির্ভরতা থেকে মুক্ত হওয়াটা হয়ে ওঠে না। তাই ভ্রমণে প্রায়ই একটা নিয়মের গন্ডি মেনে নিজের ছোট ছোট আকাঙ্ক্ষা পূরণ না করেই হয়ত ফিরে আসেন আপনি। তার চেয়ে বরং দায়িত্বটা নিজেই নিন। সাহস করেই দেখুন।
 
জীবন থেকে শেখা
জীবনের চেয়ে বড় শিক্ষক আর কে আছে? আপনি যত নতুন নতুন পরিস্থিতির মাঝে পড়বেন, নিজেই পথ খুঁজে বেরিয়ে আসবেন ততই আপনি জীবনবোধসম্পন্ন মানুষ হবেন। একা ভ্রমণে জীবন থেকে শেখা যায় অনেককিছু। আশেপাশের মানুষ, তাদের জীবনধারা, ভাবনা, গল্প, সংস্কৃতি সব কিছুই যেন আমাদের হাত ধরে নিয়ে যায় আরও বড় জগতে। নিরিবিলি জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কিন্তু বন্ধুরা মিলে বেড়াতে গেলে পাবেন না। তখন নিজেদের মাঝেই কেটে যাবে সময়।
 
কিছু স্মৃতি তৈরি
হ্যা, স্মৃতির খাতায় তো গল্প জমবে দল বেঁধে বেড়াতে গেলেও। কিন্তু এই স্মৃতিময়তা ভিন্ন। এই অভিজ্ঞতা চূড়ান্ত ভিন্ন। আর অসম্ভব রোমাঞ্চকর। অপরিচিত মানেই খারাপ, অনিরাপদ, ঝুঁকিপূর্ণ, অসৎ উদ্দেশ্য এই ধারণা আপনার ভেঙ্গে যাবে একা ভ্রমণে বের হলেই। নিজেই টের পাবেন কতটা পরিপক্ক হয়ে ফিরে এসেছেন।
গ্রাম বাংলার চীরচেনা শিমুল ফুল ও শিমুল গাছ
                                  

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী,কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ :

শিমুল পত্রঝরা বড় আকারের কন্টকাকৃত বৃক্ষ। শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে যায়। বসন্তের শেষে গাছে নতুন পাতা গজায়। এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চল বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মায়ানমার শিমুলের আদিনিবাস। বাংলাদেশের সর্বত্র কম বেশী শিমুল গাছ দেখতে পাওয়া যায়। গাছ উচ্চতায় ১৫-২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়, শাখা- প্রশাখা বেশ বড় আকারের হয় ও অনুভূমিক। তবে গাছে শাখা-প্রশাখা কম, সরল ও বৃত্তাকারে চারদিকে বিস্তৃত। বড় ও বয়স্ক গাছের গোড়ায় অধিমূল হয়। গাছের কান্ড গোল, গাছের গায়ে, তরু, কান্ডে ও শাখা-প্রশাখায় কৌণিক আকৃতির বড় কাঁটা থাকে। বাকল মোটা, মসৃন ও ধুসুর বর্ণের হয়ে থাকে। গাছ বেশ কষ্ট সহিষ্ণু, পরিবেশ প্রতিকুলতার মাঝেও বছরের পর বছর টিকে থাকে।ফুল দেখতে মাইকের মতো, রক্তিম উজ্জল ও গাঢ় লাল বর্ণের হয়। ফুলে গন্ধ নেই, একই ফুলে পুংকেশর ও গর্ভকেশর থাকে বলেই স্ব-পরাগায়ন ঘটে থাকে এবং গর্ভ কেশর পুংকেশর অপেক্ষা ছোট। মাঘ মাসে গাছের শাখা-প্রশাখায় ফুলের কুঁড়ি দেখতে পাওয়া যায় এবং ফাগুন মাসে সারা গাছ জুড়ে রক্তিম উজ্জ্বল লাল রঙের ফুলে-ফুলে সমস্ত গাছ ভরে যায় ।ফুল ফুটন্ত শিমুল গাছ দূর থেকে দেখে চেনা যায় এবং মনে হয় যেন গাছে আগুন লেগেছে।ফুলের বৃত্ত মোটা ও মখলমের ন্যায় ।ফুল শেষে গাছে ফল হয়। ফলের আকার মোচাকৃতি, লম্বা, বড় ও গোলাকার। ফল পাকে চৈত্র মাসে এবং ফলের ভিতর বীজ ও তুলা থাকে। পরিপক্ক ফল সঠিক সময়ে সংগ্রহ না করলে আপনা আপনি ফেটে যায়। বীজের রং ধুসুর বা কালো হয়ে থাকে।
রৌদ্র উজ্জ্বল সু-নিস্কাশিত উঁচু জমি, দোআঁশ মাটি শিমুল গাছের জন্য উপযোগী। তবে বেলে দোআঁশ মাটিও উত্তম। তাছাড়া রাস্তার ধার, পতিত জমি, নদীর পাড়, বালুকাময় ভূমি, পাহাড়ের পাদদেশ, বরেন্দ্র অঞ্চল, ভাওয়াল অঞ্চল, নদী তীরবর্তী সমতল ভূমি, পতিত জমিতে শিমুল গাছ ভাল জন্মে।
বীজের মাধ্যমে শিমুলের বংশ বিস্তার করা যায়।তাছাড়া ডাল কাটিং এর মাধ্যমেও বংশ বিস্তার করা যায়।
শিমুল কাঠের বহুবিধ ব্যবহার লক্ষ করা যায়। প্যাকিং বাক্স, দিয়াশলাই বক্স/কাঠি, প্লাইউড উৎপাদন, কাগজের মন্ড তৈরিতে, বিল্ডিং তৈরির সেন্টারিং/লিন্টার, ছাদ ডালাইয়ের কাজে ও অন্যান্য আরো নিত্যনৈমিত্তিক কতইনা কাজে শিমুল কাঠ ব্যবহার হচ্ছে। তাছাড়াশিমুল গাছে উৎপাদিত তুলা বালিশ, তোষক তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যপক ভাবে এবং শিমুল তুলা গুণগত মানে অতি উত্তম আরাম দায়ক বলে এর চাহিদা ও বাজার দর বেশী।
 শিমুলের আঠা, শিকড়, বীজ, ছাল, ফুল ভেষজ গুণ সমপন্ন।

                                                       


দ্রুত হাঁটুন অকাল মৃত্যু এড়ান
                                  

লিমন তালুকদার:

‘দ্রুত হাঁটুন- অকাল মৃত্যু এড়ান’। একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, একদল গবেষক প্রায় দশ বছর অন্তত ৫শ’ লোকের হাঁটাচলার ওপর নজর রাখেন।

পরবর্তীতে দেখা গেছে, যারা দ্রুতবেগে হাঁটাচলা করেছেন তাদের মৃত্যুর হার অপেক্ষাকৃত ধীরলয়ে হাঁটাচলায় অভ্যস্তদের তুলনায় অনেক কম। এ সংক্রান্ত গবেষণা রিপোর্ট জেরনটলজিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকার এক সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে গবেষকরা একমত হয়েছেন যে, সুস্থ-সবল শরীরে দ্রুতবেগে হাঁটাচলায় অভ্যস্ত হলে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা যেতে পারে। পরিচালিত গবেষণায় তেমন নজিরই মিলেছে।

এছাড়া অপর এক গবেষণা শেষে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দি জার্নাল অব দি আমেরিকান জেরিয়্যাট্রিকস সোসাইটির নিবন্ধে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে যারা দ্রুতবেগে হাঁটাচলা করেন তারা মৃত্যুঝুঁকি কমিয়ে আনেন। ইউনিভার্সিটি অব পিটস্বুর্গ স্কুল অব মেডিসিনের অন্যতম বিশেষজ্ঞ লেখক ড. স্টিফানি বলেন, দ্রুতবেগে হাঁটাচলার ফলে কেন এমনটি হয় তা আমরা জানি  না, তবে হতে পারে ব্যায়ামের কাজটি এতে হয়ে যায়। যাতে করে শরীর-স্বাস্থ্য ঠিক থাকে। ফলে মৃত্যুঝুঁকিও কমে আসে।

সম্মেলনে পেশকৃত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ৫শ’ লোকের ওপর ৯ বছর নজরদারির পর দেখা গেছে, এদের মধ্যে ৭৭ ভাগ লোক মারা গেছে। যার মধ্যে ৫০ ভাগ ছিলেন ধীর ও মাঝারি গতিতে হাঁটাচলায় অভ্যস্ত। বাকি মাত্র ২৭ ভাগ ছিলেন দ্রুতগতির।

নড়াইলে হারিয়ে যাচ্ছে অপূর্ব সৃষ্টি দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা
                                  

নড়াইল প্রতিনিধি:

বাবুই পাখিকে নিয়ে কবির ‘স্বাধীনতার সুখ’ কবিতাটি আজো মানুষ উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলেও হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির বাসা। বাবুই পাখির বাসা আজ অনেকটা স্মৃতির অন্তরালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১০-১২ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জে তাল, নারকেল ও সুপারি গাছে দেখা যেত বাবুই পাখির নিপুণ কারু কাজে তৈরি দৃষ্টিনন্দন বাসা। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্য ও ছবির ভিত্তিতে জানা যায় তাইতো মানুষকে মানবিকভাবে জাগ্রত করার জন্য কবি রজনীকান্ত সেন বাবুই পাখিকে নিয়ে রচনা করেন কবিতা “বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই! আমি থাকি মহা সুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত পাও কষ্ট রোদ বৃষ্টি ঝড়ে। পাকা হোক তবু ভাই পরের বাসা, নিচ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর খাসা”। তার এ কালজয়ী কবিতাটি এখনো মানুষের মূখে মুখে। আমাদের নড়াইল জেলাসহ আশপাশ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে এখন আর আগের মত বাবুই পাখির নিপুন তৈরি করা দৃষ্টিনন্দন বাসা চোখে পড়ে না। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জাগ্রত এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ এ পাখিটি আমরা হারাতে বসেছি। গাছের ঝুড়ির মতো চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাখির পরিচিতি জগৎ জোড়া। খড়, তাল গাছের কচি পাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতা-পাতা দিয়ে উঁচু তালগাছে চমৎকার বাসা তৈরি করতো বাবুই পাখি। সেই বাসা যেমন আকর্ষণীয় তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙ্গে পড়ে না। বাবুই পাখির শক্ত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া যায় না। এ জন্য অনেকেই একে তাঁতি পাখি বলে ডেকে থাকে। বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট হলো রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। একটি বাসা তৈরি করার পর পুরুষ বাবুই পাখি সঙ্গীর খোঁজে নামে। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুই পাখিকে সাথী বানানোর প্রয়োজনে পরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষণীয় করতে খাল, বিল ও ডোবায় ফুর্তিতে নেচে নেচে বেড়ায় গাছের ডালে ডালে। প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে কালো কালো দাগসহ পিঠ হয় তামাটে বর্ণের। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির রং হয় গাড় বাদামি। বুকের ওপরের দিকটা হয় ফ্যাকাশে; অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির চাঁদি পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়। বুকের কালো ডোরে ততটা স্পষ্ট নয়। দক্ষিন বাইশারী নরুল হক চেয়ারম্যান এর বাগান বাড়িতে দেখা যায় তেমনি একটি তাল গাছ। কিন্তু সেখানে বাবুই পাখির বাসা নেই। জানতে চাইলে এহতেশামুল হক মানিক বাসসকে বলেন, পূর্বে যখন গাছপালা বেশী ছিল তখন বাবুই পাখিরা এই তাল গাছে বাসা বাঁধতো। কত ভাল লাগত। বাবুই পাখি সাধারণত তাল, খেজুর, নারকেল ও আখ ক্ষেতে বাসা বাঁধে। ধান, চাল, গম ও পোকা-মাকড় প্রভৃতি তাদের প্রধান খাবার। একসময় বিলইছড়ি সহ আশপাশ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে দেখা যেত শ’ শ’ বাবুই পাখির বাসা। বর্তমানে যেমন তালগাছসহ বিভিন্ন গাছ নির্বিচারে নিধন করা হচ্ছে। তেমনি হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখিও। বাবুই পাখির এ শৈল্পিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

স্থলপদ্ম ফুল
                                  

লেখা ও ছবি : মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী :
বাহারী রঙ রূপের কারণে আমাদের দেশে স্থলপদ্ম ছোট-বড় সকলের কাছে সমাদ্রিত।এ ফুলের গঠন,পাতার গঠন  প্রায় পদ্মফুলের আকৃতির বলেই একে স্থলপদ্ম বলা হয়।স্থলপদ্ম শরৎ ঋৃতুর ফুল হলেও এর ফুল ফোটার ব্যাপ্তীকাল হেমন্তকাল অবধি।নমনীয় কোমল অসংখ্য পাপড়ির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় পদ্ম ফুলের।মাঝে পরাগ অবস্থিত।ফুল গন্ধহীন,রঙ গোলাপী।আকার-আকৃতিতে দেখতে আবার ঝুমকো জবা ফুলের মতোও দেখায়।বর্ধনশীল শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে পত্র কক্ষ হতে বোটায় ফুল ধরে।ফুল উর্দ্বমূখী এবং ফুল ফোটার পূর্ব সময় পর্যন্ত ফুলের কলিদ্বয় উদ্বমূখী ভাবে থাকে।পদ্মফুলের বিশেষ বৈশিষ্ট হলো ফুল ফোটার সময় হাল্কা গোলাপী রঙ থাকলেও পরবর্তীতে গাঢ় গোলাপী রঙ ধারণ করে।পাতা সবুজ-বড়,ত্রিকোণাকৃতির কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।পাতার বোটাও বেশ বড়,লম্বায় ১০ থেকে ১২ সেন্টিামটার হয়ে থাকে।কিনারা হালকা খাঁজ কাটা থাকে,অগ্রভাগ সূচালো,শিরা,উপশিরা স্প্রষ্ঠ।গাছের উচ্চতা ছাটাই প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে।তবে সাধারণত ১০ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে।গাছের কান্ড  ও শাখা-প্রশাখা সোজা উপরের দিকে বাড়তে থাকে।শাখা-প্রশাখা ও কান্ড খুব বেশী শক্ত  মানের নয় নরম প্রকৃতির হয়ে থাকে। রৌদ্রউজ্জল পরিবেশে প্রায় সব ধরনের মাটিতে স্থলপদ্ম গাছ উৎপাদিত হয়।তবে স্যাঁতসেতে মাটিতেও ওদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়না।এর আদিনিবাস চীন।তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে স্থলপদ্ম ব্যাপক হারে দেখা যায়।আমাদের দেশেও রয়েছে এ ফুলের বিস্তৃতি ও জনপ্রিয়তা।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে স্থলপদ্ম অতিপবিত্র এক ফুল। সকল ধরনের পূজা সহ লক্ষী পূজায় দেবীর প্রতিক হিসেবে এর ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষকরা যায়।ডাল কাটিং এর মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার করা হয় এবং কাটিং রোপনের কম সময়ের মাঝে গাছে ফুল ধরে অথ্যাৎ কাটিং রোপনের ১০ থেকে ১২ মাস পর গাছে ফুল ধরে।বাসা-বাড়ী পারিবারিক বাগানও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাগানে স্থলপদ্ম গাছ উৎপাদন চোখে পড়ে।

ঝলমলে দুবাইয়ের ভিন্নরূপ
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
আভিজাত্য, বিলাসিতা অথবা আধুনিক সভ্যতার প্রায় সকল সুযোগ সুবিধার নগরীর কথা ভাবলে দুবাই শহরের ভাবনা সবার আগে মনে আসে। কল্পনার প্রায় সবই পাবেন আপনি মধ্যপ্রাচ্যের এই শহরে।

কিন্তু এই যাদুর নগরীর বিপরীতে রয়েছে ভিন্ন একরূপ, যা বিশ্ববাসীর নজর এড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি ইরানী ফটোগ্রাফার ফরহাদ তুলে এনেছেন বাস্তব অথচ নির্মম মানবেতর জীবন পার করে চলেছে এমন শ্রমজীবী মানুষের কিছু ছবি।

এশিয়া থেকে দুবাইয়ে ছুটে যাওয়া শ্রমিক, যারা স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন পরিবারের সচ্ছলতা বয়ে আনতে। ভাগ্য অন্বেষণে রঙিন দুবাইয়ে এই কর্মীদের সময় কেটে যায় নোংরা কাজের পরিবেশে, কম বেতনে ও অসহ্য গরমের মধ্যে।  

‘সোনাপুর বা স্বর্ণের নগরী’ যেখানে প্রায় দেড় লাখের বেশি কর্মী কাজ করেন। যাদের বেশীরভাগ প্রবাসীরাই এসেছেন ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চীন থেকে। দুবাইয়ে শ্রমিকদের এসব চিত্র নিয়ে সাজানো হয়েছে ফটো ফিচার।  
সোনাপুর ক্যাম্পে নোংরা রান্নাঘরে ব্যস্ত শ্রমিকরা। নিরাপত্তা নিয়মকে তোয়াক্কা না করে কর্মীরা গ্যাস লাইনের পাইপগুলো বসিয়েছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করে যাচ্ছে্ন। 

সোনাপুরের রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাছ কাটায় ব্যস্ত এক কর্মী, বিমানবন্দরে অনেক কর্মীর পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয় এবং বাধ্য করা হয় দীর্ঘ সময় কাজ করতে। যার বিনিময়ে জোটে সামান্য পারিশ্রমিকে।  
বাংলাদেশি কর্মী জাহাঙ্গীর। দৈনিক চার ঘণ্টা পরিছন্ন কর্মীর কাজ করেন তিনি। তার মাসিক আয় ৮০০ দিরহাম (১৭,০০০ টাকা)। আয়কৃত অর্থের ৫০০ দিরহাম (১০,০০০ টাকা) পাঠান বাড়িতে। বাকি টাকায় নিজের থাকা এবং খাওয়ার খরচ মেটানে।
নোংরা পরিবেশে রাত কাটান প্রবাসী শ্রমিকরা,
ছুটির দিনে অতিরিক্ত আয়ের উপায় খুঁজতে প্রবাসী কর্মীরা খাবারের দোকান দিয়ে বসেছেন  
বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে তারা বেছে নেন ক্যারাম। যা নিজ হাতে তৈরি করে নিয়েছেন তারা
গ্রীষ্মে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় শ্রমিকরা দৈনিক ১৪ ঘণ্টা কাজ করেন। যেখানে পশ্চিমা পর্যটকরা পাঁচ মিনিটের বেশি খোলা পরিবেশে দাঁড়াতে পারেন না
দিন শেষে হাজার হাজার ক্লান্ত তরুণ শ্রমিক ফিরে যান নিজ ডেরায়, যাদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমে কংক্রিটের এই নগরী তিলে তিলে বেড়ে উঠছে

যা হয় পর্যাপ্ত ফল ও সবজি না খেলে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পুষ্টি, ভিটামিন ও মিনারেল দরকার। আপনার যদি চলাফেরা করা বা কাজ করার মতো শক্তি না থাকে তাহলে আপনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকবেন কী করে। এজন্য চাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলমূল ও সবজি খাওয়া।

আমাদের বর্তমান প্রজন্ম বাইরের তৈলাক্ত খাবার বা জাঙ্ক ফুড খেতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু এটা ভুলে গেলে হবে না যে, তাজা ফল ও সবজির কি পরিমাণ দরকার আমাদের শরীরের জন্য। অপর্যাপ্ত ফল বা সবজি খেলে অনেক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসুন জেনে নিই সেই সমস্যাগুলো সম্পর্কে।

ভিটামিনের অভাব
পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক সবজি এবং ফলমূল না খেলে আপনার শরীরে ভিটামিনের অভাব থেকে যেতে পারে। যা পরবর্তীতে বড় ধরনের রোগ আকারে দেখা দেয়। জন হপিংস ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় বলা হয় যে, মাত্র ১১ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ভালোভাবে বাঁচার জন্য সবজি ও ফল খান।

মিনারেলের অভাব
মিনারেল বা খনিজ আসে মূলত সবজি থেকে। আমরা যদি খাদ্য তালিকা থেকে সবজিকে এড়িয়ে চলি তাহলে শরীরে মিনারেলের ঘাটতি হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা ফল ও সবজি থেকে দূরে থাকেন তাদের শারীরিক বৃদ্ধিও কম।

খাবার হজমে সমস্যা
বেশিরভাগ শাকসবজি খাবার হজম করতে সাহায্য করে। কারণ শক্ত আঁশযুক্ত খাবার সহজে হজম হতে চায় না। সবজি সেই খাবারগুলোকে হজম করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিবেলার খাদ্য তালিকায় শাকসবজি রাখা উচিত। সকালে এবং দুপুরে খাওয়ার পরে ফল খাওয়া উচিত। সকালে নাস্তার সঙ্গে ফলের জুস খুবই উপাদেয় খাবার।

ক্যান্সারের সেল বৃদ্ধি
তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল ক্যান্সারের সেল ধ্বংস করতে সহায়তা করে। কিন্তু আপনি যখন এই শাকসবজি এবং ফলমূল থেকে দূরে থাকেন তখন আপনার শরীরে ক্যান্সারের সেল বা কোষ বাসা বাধতে পারে।

ওজন বৃদ্ধি
শাকসবজি না খেয়ে শুধুমাত্র শক্ত আঁশ জাতীয় খাবার খেলে আপনার ওজন বেড়ে যাবে তর তর করে। এছাড়া তৈলাক্ত খাবার বা জাঙ্ক ফুডের কারণেও ওজন বৃদ্ধি পায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি করে শাকসবজি এবং ফলমূল খান।

রক্তচাপ বৃদ্ধি
তৈলাক্ত বা জাঙ্ক ফুড আপনার রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে না। বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। রক্তচাপের মাত্রা ঠিক রাখতে চাইলে শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে।

হৃদরোগের সম্ভাবনা
অতিরিক্ত মাংস প্রিয়তা ভালো নয়। এতে হৃদরোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মৃত্যু ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি এবং ফলমূল খেলে তবেই ভালো থাকবে আপনার হৃদযন্ত্র।

মানসিক সমস্যা
অপর্যাপ্ত সবজি এবং ফল খাওয়ার ফলে যে শুধু শারীরিক সমস্যা হতে পারে এমনটা নয়। এর কারণে মানসিক সমস্যাও হতে পারে। যেমন দুশ্চিন্তা। হ্যাঁ, পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি এবং ফলমূল না খেলে আপনার দুশ্চিন্তার পরিমাণ বৃদ্ধি হতে পারে।

সবার সব ধরনের সবজি বা ফল খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া বয়স ভেদে তালিকাও ভিন্ন হওয়া উচিত। তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার সবজি এবং ফল খাওয়ার তালিকা তৈরি করুন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানালো দুর্গাপূজা উপলক্ষে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ও সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’ শুরুর আগের দিন বৃহস্পতিবার পৃথক বাণীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে শারদীয় উৎসবের সফলতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে অক্ষুন্ন রেখে জাতীয় উন্নয়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলকে অবদান রাখার আহবান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঐক্য, পরমতসহিষ্ণুতা আর ধর্ম-নিরপেক্ষতার চর্চা এ দেশের মানুষের অনন্য বৈশিষ্ট্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে জাতীয় উন্নয়নে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। আবদুল হামিদ শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সারাদেশে যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, নানা অনুষ্ঠানাচারের মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে।

দুর্গাপূজা কিংবা অন্যান্য পূজা-পার্বণ বাংলার শাশ্বত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীর থেকে উৎসারিত- এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ধর্মের গণ্ডিতে কখনো আবদ্ধ থাকেনি উৎসব। ধর্ম সম্প্রদায়ের কিন্তু উৎসব সর্বজনীন হাজার বছর ধরে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সব ধর্মের মূলবাণী মানবকল্যাণ। দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দর আর মঙ্গলালোকে উদ্ভাসিত হোক, দূরীভূত হোক সকল অশুভ আর পঙ্কিলতা। আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি এবং ধর্মের মূলবাণী আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে উদ্বুদ্ধ করুক।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বিশ্ব মানবতার জয় হোক- এটা কামনা করি। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি দুর্গাপূজা দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ঐক্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস। শারদীয় দুর্গোৎসব সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে বন্ধনকে আরো সুসংহত করুক। শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনুক- এটাই আমি প্রত্যাশা করি’।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি আজ সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। আমার প্রত্যাশা, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’- এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আমরা সবাই একসাথে উৎসব পালন করব।

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, সকলে মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই দেশ আমাদের সকলের। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমানাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি আশা করি, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলবো।

প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’। ইতোমধ্যে সারাদেশের সকল পূজামণ্ডপের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার দুর্গতিনাশিনী দশভুজা দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ঢাকের বোল, কাঁসর ঘণ্টা, শাঁখের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে সারাদেশের পূজামণ্ডপ। বছর ঘুরে দেবীর আগমনিবার্তায় উৎসবের আমেজ এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। আর শুক্রবার মহাষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হবে পাঁচদিনের শারদীয় দুর্গোৎসব।

বিশুদ্ধ পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) আসবেন। আর দেবী স্বর্গালোকে বিদায় নেবেন ঘোটক (ঘোড়ায়) চড়ে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হিসাব অনুযায়ী, এবার সারাদেশে ২৯ হাজার ৩৯৫টি স্থায়ী, অস্থায়ী মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ৩২৪টি বেশি। আর রাজধানী ঢাকায় পূজা অনুষ্ঠিত হবে ২২৯টি মণ্ডপে।

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস!
                                  

অনলানই ডেস্ক:
আজ ৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এ দিবসে বিশ্বব্যাপী সকল সম্মানিত শিক্ষকদের প্রতি রইলো আন্তরিক শ্রদ্ধা, সালাম ও অভিনন্দন।
‘তোমরা জ্ঞান অর্জন কর এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য আদব শিষ্টাচার শিখ। তাঁকে সম্মান কর; যার থেকে জ্ঞান অর্জন কর। সুতরাং যার থেকে জ্ঞান অর্জন করা হয় তিনিই হলেন শিক্ষক।
১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ১৪৫টি সুপারিশের মাধ্যমে ইউনেস্কো শিক্ষকদের জন্য বিশ্ব শিক্ষক দিবসের দাবি তোলে। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব ব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
শিক্ষকের অবদানকে স্মরণ করার জন্য শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্বের ১০০টি দেশে ‘এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল’ (Education International - EI) ও তার সহযোগী ৪০১টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রেখে দিবসটি পালন করে।
যা শিক্ষকদের প্রতি জনসচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকতার মহান পেশা ও সীমাহীন অবদানকেও স্মরণ করিয়ে দেয়। এবারের শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- ‘শিক্ষকের মূল্যায়ন, মর্যাদার উন্নয়ন।’
শিক্ষকরা হলেন প্রত্যেক জাতির সুনাগরিক তৈরির করার সুমহান কারিগর। শুধু তাই নয়, শিক্ষকদের মহান শিক্ষা ও পরিশ্রমের ফলেই সমগ্র বিশ্ব অবলোকন করছে দেখছে সুসভ্য সমাজ ও শিক্ষিত জাতি।
মানুষ শিক্ষকের কাছ থেকেই জ্ঞানার্জন করে থাকেন। আর শিক্ষক থেকে আহরিত জ্ঞানই মানুষকে যথার্থ শক্তি ও মুক্তির পথনির্দেশ দিতে পারে।
পরিশেষে...

‘শিক্ষকের মূল্যায়ন, মর্যাদার উন্নয়ন’- এ প্রতিপাদ্যকে সার্থক ও সফল করতে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপরামর্শ এবং হাদিসের অনুসরণ একান্ত আবশ্যক।
আসুন শিক্ষকদেরকে যথাযথ মর্যাদা দিই। শিক্ষকদের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করি।

যেভাবে ঠোঁটের পোড়া দাগ দূর করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

গরমের সময় অনেকেই মুখের রোদে পোড়া দাগ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অথচ আমরা ভুলে যাই রোদের তাপের কারণে শুধু মুখই না, ঠোঁটও কালচে হয়ে যায়। তাই মুখের পাশাপাশি ঠোঁটেরও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে ঠোঁটের রোদে পোড়া দাগ দূর করবেন সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে।দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইন পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো ঠোঁটের পোড়া দাগ দূর করার কিছু নিয়ম।
১. প্রতিদিন বাসায় ফিরে হাতে সামান্য অ্যালোভেরার রস নিয়ে ঠোঁটে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের জালাপোড়াও কমবে এবং রোদে পোড়া দাগ দূর হবে।
২. ঘুমানোর আগে ভিটামিন-ই তেল দিয়ে ঠোঁট ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এটি ঠোঁটের রোদে পোড়া দাগ দূর করার পাশাপাশি ঠোঁটকে নরম ও মসৃণ করবে। এ ছাড়া এটি ঠোঁটের আর্দ্রতাও ধরে রাখে।
৩. এক চা চামচ আলুর রস ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন। আপনি চাইলে আলু টুকরো করে ঠোঁটে ঘসে নিতে পারেন। এই উপাদানটি ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৪. ঠোঁটের রোদে পোড়া দাগ দূর করতে নারকেল তেল সবচেয়ে বেশি কার্যকর। সামান্য নারকেল তেল ঠোঁটে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে দেখবেন, ঠোঁট উজ্জ্বল ও মসৃণ হবে।
৫. একটি বাটিতে বরফ নিয়ে এর মধ্যে পাতলা সুতির কাপড় রেখে দিন। অথবা ঠান্ডা পানি দিয়ে পাতালা কাপড়টি ধুয়ে নিতে পারেন। এবার ঠান্ডা থাকাবস্থায় কাপড়টি ঠোঁটে কিছুক্ষণ চেপে ধরুন। এটি অনেক দ্রুত আপনার ঠোঁটের রোদে পোড়া দাগ দূর করবে।

প্রেমে পরলে কি ভাবে বুঝবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

প্রেম-ভালবাসা বিধাতা প্রদত্ত। পৃথিবী শুরু থেকে আজ পর্যন্ত অভিনশ্বর। প্রতিটা মানুষই জীবনে প্রেমে পড়েন। কাউকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ভালোবেসে ফেলেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় আপনি যে কাউকে অনেক গভীরভাবে ভালোবেসে ফেলেছেন সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারেন নাই। নিজের অজান্তেই অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছেন। কখন সেই মানুষটার গভীর প্রেমে পড়ে গিয়েছেন নিজেও জানেন না।    
এমনটা হয় অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারে না, যে মানুষটার সঙ্গ তার এত ভালো লাগে তাকে সে কতটা ভালোবাসে। ভালোলাগা না ভালোবাসা, এই দ্বন্দ্বের কারণেই সে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করার সাহস পায় না। অথচ সেই মানুষটাকে সে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসে। এমন দ্বিধায় ভুগলে একবার দেখে নিতে পারেন আপনার ভেতর এই পাঁচটি লক্ষণ লক্ষ করা যায় কিনা। তাহলে আপনি নিজেই বুঝে যাবেন আপনি সত্যি প্রেমে পড়েছেন কি না।
১. আপনি কোনো একজন মানুষের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে রাজি। এবং আপনার এ জন্য কোনো আফসোসও হচ্ছে না। এর মানে আপনি সত্যি তাকে ভালোবাসেন এবং তার সঙ্গে জীবন কাটাতে চান।

২. আপনি মানসিকভাবে অনেক সুখ অনুভব করেন, যখন তাকে খুশি দেখেন। তার মন রক্ষার জন্য আপনি সবকিছু করতে রাজি। এরপরও বলবেন আপনি তাকে সত্যি ভালোবাসেন না?

৩. তার সম্মতি ছাড়া কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার জন্য বেশ কঠিন। আর আপনি নিতেও চান না। এর মানে আপনি তাকে অনেক বিশ্বাস করেন, যা সত্যি ভালোবাসার প্রধান লক্ষণ।

৪. আপনি এখন আর নিজের মনমতো কিছু করতে চান না। আসলে আপনি তার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এই নির্ভরশীলতাই বলে দেয় আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন।

৫. আপনি মনে মনে ভাবছেন একটা মায়ার জালে ধীরে ধীরে আটকে যাচ্ছেন। কিন্তু এই জাল থেকে আপনি নিজেই মুক্তি পেতে চাচ্ছেন না। এটাই সত্যিকারের ভালোবাসার লক্ষণ।

ব্রেকআপ পুরুষের উপরও প্রভাব ফেলে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

মোটা দাঁগে বলা যায় নারী-পুরুষের মধ্যে ব্রেকআপ হলে তার প্রভাব নারীর উপর বেশি পড়ে। কিন্তু গবেষণা বলছে এমন ধারণা পুরোপুরি সত্য নয়। পুরুষকে সেটা একইভাবে প্রভাবিত করে। সম্পর্ক ভাঙার কষ্ট যতটা একজন নারী পায়, ঠিক ততখানি পায় পুরুষও। ব্রেকআপের প্রভাব একজন পুরুষের উপর কতখানি পড়ে তা আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইন পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো।
গবেষণা বলছে, পুরুষরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি হিসেবি হয়। তারা ভালো এবং খারাপ দুটো দিকই বিচার করেন। তাই যখন সম্পর্ক ভেঙে যায়, আর সঙ্গী ছেলেটিকে ছেড়ে চলে যায়, তখন সেটা পুরুষের কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়।  
মেয়েরা তাদের আবেগ অনুভূতির কথা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। কিন্তু ছেলেরা পরিবার কিংবা বন্ধুদের কাছে সবসময় তাদের আবেগ শেয়ার করতে পারেন না। আর এ কারণে অনেক সময়ই দেখা যায়, ব্রেকআপের পর তারা খাওয়া অনিয়ম করেন, মেজাজ খিটমিটে হয়, অতিরিক্ত কাজ করেন কিংবা অলস হয়ে পড়েন, অনিদ্রায় ভোগেন কিংবা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।
ব্রেকআপের পর পুরুষ পুনরায় সম্পর্কে জড়াতে চায় না। আবার কখনও কখনও দেখা যায় পরবর্তী সম্পর্কের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে একজন পুরুষ আর আবেগকে প্রাধান্য দিতে চায় না, তারা সবদিক যাচাই করেই নতুন সম্পর্কের দিকে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ৭ অজানা অস্ত্রের পরমাণু
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বারাক ওবামার ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারাভিযানের একটি বড় পয়েন্ট ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের নিরস্ত্রীকরণ। যদিও এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যে পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র আছে তা দিয়ে পৃথিবী ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। চলুন জানা যাক আরো কিছু তথ্য-

২য় সর্বোচ্চ
১৯৭০-এর পর পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রম বন্ধ করার চুক্তি হলেও এখনো আমেরিকাতে যে অস্ত্রের মজুদ আছে তা পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথম অবস্থানে আছে রাশিয়া। তাদের আছে ৮৫০০ পারমাণবিক অস্ত্র। যুক্তরাষ্ট্রের ৭৭০০।

অস্ত্রের প্রকারভেদ
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রে আছে নানান প্রকারভেদ। ভূমি থেকে ছোড়া যাবে এমন ক্ষেপণাস্ত্র  থেকে শুরু করে সাবমেরিনে ব্যবহারযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত আছে। এই নিউক্লিয়ার মিসাইলগুলো যে কোনো লক্ষ্যকে মুহূর্তে ধ্বংস করে দিতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিবেচনা করা হয় সাবমেরিন ক্ষেপণাস্ত্রকে।

প্রতিরক্ষা বাজেটের অংশ নয়
পারমাণবিক অস্ত্রের মজার বিষয় হলো- এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাজেটের অংশ নয়। এটি জ্বালানি ও শক্তি বিভাগের অংশ (ডিওই)।
রক্ষণাবেক্ষণ বেসরকারি

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রাগারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ বেসরকারিভাবে করে থাকে দেশটির সরকার। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ৩০ বছরে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজে খরচ হবে কমপক্ষে ১ ট্রিলিয়ন ডলার।

অনেক অস্ত্র দেশের বাইরে
যুক্তরাষ্ট্রের অনেক পারমাণবিক অস্ত্র রাখা আছে দেশের বাইরে। তবে সবই বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র। এর মধ্যে তুরস্কও আছে। আবার ন্যাটোভুক্ত জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও ইতালিতেও আছে।
হারিয়ে গেছে

রাশিয়ার সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধের সময় বেশক’টি পরমাণু বোমা ও সেগুলোর উপকরণ হারিয়ে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র। কারো মতে সংখ্যাটা ৭ বা ৮।

প্রেসিডেন্টের হাতে ক্ষমতা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চাইলে যেকোনো সময় কারো কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই পরমাণু বোমা হামলা চালাতে পারেন।

রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে উল্টে যাবেন...
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

অদ্ভুতুড়ে কাণ্ডটি দেখতে চাইলে যেতে হবে জার্মানিতে। সেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ‘অগ্রাহ্য করে’ এমন একটি রেস্তোরাঁ তৈরি করা হয়েছে যেখানে খেতে হবে উল্টো হয়ে। জার্মানির ‘টপেলস হাউস’-এ গেলেই বুঝবেন কেমন করে সিলিং বেয়ে হাঁটবেন আপনি, কেমন করে উল্টো সোফায় বসে, উল্টো কাপে কফি খাবেন!

রেস্তোরাঁটি তৈরি হয়েছে জার্মানির ওয়েরথেমে। মাঠের ওপর একটা উল্টে থাকা বাড়ি। আর এটাই ‘আপসাইড ডাউন’ রেস্তোরাঁর ইউএসপি। যদিও এখনও সাধারণের জন্য খোলা হয়নি এই রেস্টুরেন্টের দরজা। কিন্তু হলে কী হবে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের কল্যাণে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁয়েছে ‘টপেলস হাউস’।

যখন ওই রেস্তোরাঁ তৈরির কাজ চলছিল তখনই এর বেশকিছু অভিনব ছবি তুলে পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। রান্নাঘর থেকে বাথরুম, বারান্দা থেকে খাওয়ার টেবিল- এই রেস্তোরাঁর সব কিছুই এমন উল্টো উল্টো দেখে চমকে যান সাধারণ মানুষ। কিন্তু কী ভাবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ‘বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে’ এভাবে সিলিং থেকে ঝুলে রয়েছেন সবাই। সত্যি? নাকি দৃষ্টিভ্রম? নাকি সবটাই ক্যামেরার কারসাজি? এসব একেবারেই পরিষ্কার করে বলেননি রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। রেস্তোরাঁর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যন্ত ব্যাপারটা গোপনেই রাখতে চান তারা। তবে উদ্বোধনীর আগ পর্যন্ত বেশ হুলস্থূল করেই ওয়েব দুনিয়ায় প্রচার চালাচ্ছে মালিকপক্ষ। রেস্তোরাঁর এমন অভিনব আইডিয়ার জন্য খোলার আগেই হিট এই ‘টপেলস হাউস’।

ঈদের দিনের সাজগোজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ হচ্ছে বিশেষ দিন। আর এই বিশেষ দিনের সাজগোজ, পোশাক-আশাক, মেকাপ অর্থাৎ ফ্যাশনটাও বিশেষ হওয়া চাই। ঈদুল আজহাতে তেমন কেনাকাটা করা হয়না। পোশাকের তুলনায় সবার মন থাকে কোরবানির পশু কেনার দিকে।
অনেকে অবশ্য ঈদুল ফিতরে একাধিক পোশাক কিনে রাখেন যাতে করে ঈদুল আজহাতে কেনার ঝামেলাই না যেতে হয়। আর যারা ঈদুল আজহাতে নতুন পোশাক কেনেন তাদের পোশাকের বাজেট কম থাকে। এই কম বাজেটের ভেতর দিয়েও ভালো পোশাক কেনা যায়। সেক্ষেত্রে একটু ঘোরাঘুরি করে অথবা নিজের পছন্দের ব্র্যান্ডের থেকে পোশাকটি কিনে ফেলুন।
আসন্ন ঈদের এই শেষ মুহূর্তে ফিনিশিং টাচটা ভালো হওয়া চাই। পোশাক, জুয়েলারি, মেকাপ কতটুকু ঠিক আছে বা হচ্ছে সেটা দেখে নেওয়াটাও খুব দরকার। সব কিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা মিলিয়ে নিন আরেকবার। যাতে করে ঈদের দিন কোনো জিনিস ঠিকভাবে হয়নি বা কোনো জিনিস আনা হয়নি এটা নিয়ে যেন কোনো অসুবিধা না হয়। তাই ফিনিশিং টাচটা শেষ করে ফেলুন।
ঈদের দিন বাড়িতে কোরবানি, মাংস কাটা ও মাংস বন্টন ছাড়াও আরও অনেক কাজ থাকে তাই সকালে পরিধানের জন্য সুতি কাপড়ের একটু ঢিলেঢালা পোশাক হলে ভালো হয়। এতে কাজ করতে সুবিধা হবে। ঘুরতে যাওয়ার জন্য অবশ্য একটু গর্জিয়াস পোশাক বাছাই করতে পারেন।
আবহাওয়া বলছে এখন শরৎকাল। রোদ বৃষ্টির খেলা আকাশ জুড়ে। যেহেতু গরম এখন পুরোপুরি ভাবে কমে নাই আবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও আছে তাই পোশাকটি বেশি ভারি বা বেশি জাকজমকপূর্ণ না হলেই ভালো হয়।
ঈদের বিশেষ সাজের সঙ্গে চুলের কোনো কাটিং দিতে চাইলে ভেবে নিন যে ওই কাটিংটি আপনার পোশাকের সঙ্গে কেমন যাবে। ঈদে যদি লম্বাটে ধরনের পোশাক পরেন, তাহলে চুল খুব ছোট করে কাটবেন না। মুখের শেপের সঙ্গেও মানানসই হবে এমন কাটিং দিন।
রূপচর্চা করতে চাইলে হাতে সময় নিয়ে আগে থেকে করে ফেলা ভালো। ঈদের দিনের সকালের কাজ শেষ করে উঠতে উঠতে যথেষ্ট বিধস্ত দেখাবে আপনাকে তাই গোসলের সময় আধা ঘণ্টার জন্য একটি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে চেহারার ক্লান্তি কেটে যাবে। আপনাকেও বেশ সজীব লাগবে। আর যদি সেই টুকু সময়ও না পান তাহলে মুলতানি মাটি, চন্দন গুঁড়া, মধু এবং গোলাপ জল মিশিয়ে দশ মিনিটের একটি ফেশ প্যাক বানিয়ে নিন।
ছেলেরা যারা নামাজের আগে শেভ করার সময় পাননি তারা কোরবানির পরে যখন গোসল করবেন তখন শেভ করে নিতে পারেন। অনেকক্ষণ ধরে মাংস কাটাকাটি করলে বা মাংসের পাশে থাকলে শরীর থেকে কেমন একটা মাংস মাংস গন্ধ আসে তাই সব কাজ শেষ করে ভালোভাবে গোসল দিতে হবে। তা না হলে নিজের কাছেই অস্বস্তি লাগবে।


   Page 1 of 4
     ফিচার
গণপরিবহণ ব্যবস্থা এখন সিন্ডিকেটের দখলে, সড়ক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই
.............................................................................................
বেড়িয়ে পড়ুন ভ্রমণে একা একাই
.............................................................................................
গ্রাম বাংলার চীরচেনা শিমুল ফুল ও শিমুল গাছ
.............................................................................................
দ্রুত হাঁটুন অকাল মৃত্যু এড়ান
.............................................................................................
নড়াইলে হারিয়ে যাচ্ছে অপূর্ব সৃষ্টি দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা
.............................................................................................
স্থলপদ্ম ফুল
.............................................................................................
ঝলমলে দুবাইয়ের ভিন্নরূপ
.............................................................................................
যা হয় পর্যাপ্ত ফল ও সবজি না খেলে
.............................................................................................
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানালো দুর্গাপূজা উপলক্ষে
.............................................................................................
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস!
.............................................................................................
যেভাবে ঠোঁটের পোড়া দাগ দূর করবেন
.............................................................................................
প্রেমে পরলে কি ভাবে বুঝবেন
.............................................................................................
ব্রেকআপ পুরুষের উপরও প্রভাব ফেলে
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের ৭ অজানা অস্ত্রের পরমাণু
.............................................................................................
রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে উল্টে যাবেন...
.............................................................................................
ঈদের দিনের সাজগোজ
.............................................................................................
পাহাড়ের জনপ্রিয় খাবার বাঁশকোড়ল
.............................................................................................
বিস্ময়কর কারনে যেভাবে পৃথিবীর কেন্দ্রতে অবস্থিত কাবা শরীফ!
.............................................................................................
যেনে নিন দর্শন কী?
.............................................................................................
হাততালিতে সারে পিঠের ব্যথা
.............................................................................................
যে গাছ ঘরে রাখলে সৌভাগ্য আসবে
.............................................................................................
বঞ্চিত শিক্ষার্থী -বঞ্চিত মেধাবী বাংলাদেশ...
.............................................................................................
হেডফোন ব্যবহার কমিয়ে দিন
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে শয্যাসঙ্গি করুন রসুন
.............................................................................................
চরভদ্রাসনে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ব্যবসায়ীর কান্ড
.............................................................................................
যেভবে চিত্রশিল্পী হয়ে ওঠেন এস.এম সুলতান
.............................................................................................
অবিবাহিত জীবনই বেশি সুখের?
.............................................................................................
কালের সাক্ষ্যি ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি
.............................................................................................
জেনে নিন ,খাটো মানুষের ৭ সুবিধা
.............................................................................................
মাধবকুন্ডের আরেক আকর্ষণ পরিকুন্ড ঝর্ণা
.............................................................................................
মুখের দুর্গন্ধ দূর করা সহজ উপায়
.............................................................................................
শাস্তি পেতে যাচ্ছে রামেক হাসপাতালের রেডিওগ্রাফার তিব্বত
.............................................................................................
আজ হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস
.............................................................................................
বাংলা সাহিত্যের পরিচিতি
.............................................................................................
কাজী নজরুল ইসলাম
.............................................................................................
পাইলস সমস্যায় করণীয়
.............................................................................................
শরীর ও মনের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি অনন্য উপায়- মেডিটেশন
.............................................................................................
কালিজিরার পাঁচটি অন্যরকম ব্যবহার, যা আপনি আগে জানতেন না
.............................................................................................
সারাদেশে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত
.............................................................................................
অবশেষে আবিষ্কার হল ক্যান্সারের টিকা
.............................................................................................
খালি পেটে রসুনের উপকারিতা
.............................................................................................
আদা ব্যবহারে কমবে কোমরের ব্যথা
.............................................................................................
যে ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে পানিশূন্যতার কারণে
.............................................................................................
নাক ডাকায় ক্যানসারের শঙ্কা
.............................................................................................
প্রতিদিন কলা যে কারণে খাবেন
.............................................................................................
বাদাম কেন খাবেন
.............................................................................................
কাঁচা সবজি শরীরে যে কাজ করে
.............................................................................................
ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঢেঁড়স
.............................................................................................
মস্তিষ্কের ব্যায়ামে স্মৃতিশক্তি বাড়ে
.............................................................................................
ধনেপাতার ৭টি অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]