| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * পূর্বাচলে আবারো ৬টি এসএমজি উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যাকাত কি, কেন কিভাবে দিতে হবে

 

ইসলামী ডেস্ক:
যাকাত শব্দের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া। রিবা (সুদ) অর্থও বৃদ্ধি পাওয়া। তবে যাকাত আর রিবার বৃদ্ধির মাঝে পার্থক্য আছে। যাকাত সম্পদের বরকত ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; সম্পদকে পবিত্র করে। অপরদিকে রিবা সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, তবে বরকত নষ্ট করে দেয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আল্লাহ রিবার সম্পদ ধ্বংস করে দেন, আর যাকাত-সাদাকাতের সম্পদকে বৃদ্ধি করে দেন”।
নামাজের বিষয়ে রকমারি অলটাইম বেস্টসেলার বইটি দেখুন | নামাজ ও দোয়ার সকল বই দেখতে ক্লিক করুন

যাকাত কখন ফরয হয়?
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর যাকাত ফরয হয়, যদি তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর পর্যন্ত থাকে।
নেসাবের ব্যাখ্যা: নেসাব হলো সম্পদের একটি পরিমাপ; সর্বনিম্ন যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে ব্যক্তির ওপর যাকাত ফরয হয় এবং তাকে বলা হয় সাহিব-এ-নিসাব।
এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া ব্যাখ্যা:
যেদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, সেদিন থেকে এক চান্দ্র বছর পর যাকাত হিসাব করতে হবে। যেমন, কেউ এ বছর রমজানের এক তারিখে নেসাবের মালিক হলো। তাহলে পরের বছর রমজানের এক তারিখ তাকে যাকাত হিসাব করে আদায় করতে হবে।
কোন কোন সম্পদে যাকাত আসে?
ব্যবহারের সম্পদে সাধারণত যাকাত আসে না। রাসূল স. বলেছেন, “একজন মুসলিমের ওপর তার দাস ও তার ব্যবহারের ঘোড়ার ক্ষেত্রে যাকাত নেই”।
এছাড়া ছয় প্রকার সম্পদের ক্ষেত্রে যাকাত আসে। সোনা-রূপা, নগদ অর্থ, ব্যবসার সম্পদ, জীবজন্তু, কৃষিজ উৎপাদন ও খনিজ সম্পদ।
যাকাত কীভাবে হিসাব করব?
প্রথমবার নেসাবের মালিক হওয়ার এক চান্দ্র বছর পর যাকাত আসে এমন সমুদয় সম্পদের মূল্য টাকায় (বা অন্য কোনো মুদ্রায়) রূপান্তর করে নিবে। এরপর সব যোগ করবে। প্রাপ্য ঋণ (receivables) থাকলে তাও যোগ করবে। প্রদেয় ঋণ (loans) থাকলে, তা নগদে পরিশোধ করতে হলে পুরোটা বিয়োগ দিবে। আর কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হলে কেবল পরবর্তী এক বছরের কিস্তি বিয়োগ দিবে। এরপর বিয়োগফলের ২.৫% যাকাত হিসাব করবে।
যাকাতের সম্পদ + প্রাপ্য ঋণ – প্রদেয় ঋণ (নগদ) – প্রদেয় ঋণ (পরবর্তী এক বছরের কিস্তি)
= মোট সম্পদ X ২.৫%
= যাকাত
যাকাত কাকে দেয়া যায়?
বৈবাহিক সম্পর্ক ও ঔরষজাত সম্পর্কের মানুষকে যাকাত দেয়া যায় না। কাজেই স্বামী-স্ত্রী, পিতা-পুত্র, দাদা-নাতী কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না। অনুরূপভাবে রাসূল স. এর বংশের কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না।
এছাড়া যেকোনো গরীবকে যাকাত দেয়া যাবে। গরীব বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার হয়ত কোনো সম্পদই নেই। কিংবা আছে, তবে তার প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিলে তা নেসাবের চেয়ে কম হয়।
আল্লাহ তায়ালা যাকাত আদায়ের সাতটি খাত উল্লেখ করেছেন। ফকীর, মিসকীন, যাকাত উসুল ও আদায়ের কাজে নিয়োজিত, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, জেহাদকারীর জন্য এবং মুসাফির।
ট্যাক্স এবং যাকাত:
সরকারী ট্যাক্স এবং যাকাত এক নয়। যাকাত একটি ইবাদত। কাজেই ট্যাক্সের টাকাকে যাকাত বলে গণ্য করা যাবে না। তবে হ্যাঁ, ট্যাক্সে প্রদেয় টাকা যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ দেয়া যাবে। কারণ এটিও একটি ঋণ, যা ব্যক্তির কাছে রাষ্ট্র পাবে।

যাকাত কি, কেন কিভাবে দিতে হবে
                                  

 

ইসলামী ডেস্ক:
যাকাত শব্দের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া। রিবা (সুদ) অর্থও বৃদ্ধি পাওয়া। তবে যাকাত আর রিবার বৃদ্ধির মাঝে পার্থক্য আছে। যাকাত সম্পদের বরকত ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; সম্পদকে পবিত্র করে। অপরদিকে রিবা সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, তবে বরকত নষ্ট করে দেয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আল্লাহ রিবার সম্পদ ধ্বংস করে দেন, আর যাকাত-সাদাকাতের সম্পদকে বৃদ্ধি করে দেন”।
নামাজের বিষয়ে রকমারি অলটাইম বেস্টসেলার বইটি দেখুন | নামাজ ও দোয়ার সকল বই দেখতে ক্লিক করুন

যাকাত কখন ফরয হয়?
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর যাকাত ফরয হয়, যদি তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর পর্যন্ত থাকে।
নেসাবের ব্যাখ্যা: নেসাব হলো সম্পদের একটি পরিমাপ; সর্বনিম্ন যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে ব্যক্তির ওপর যাকাত ফরয হয় এবং তাকে বলা হয় সাহিব-এ-নিসাব।
এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া ব্যাখ্যা:
যেদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, সেদিন থেকে এক চান্দ্র বছর পর যাকাত হিসাব করতে হবে। যেমন, কেউ এ বছর রমজানের এক তারিখে নেসাবের মালিক হলো। তাহলে পরের বছর রমজানের এক তারিখ তাকে যাকাত হিসাব করে আদায় করতে হবে।
কোন কোন সম্পদে যাকাত আসে?
ব্যবহারের সম্পদে সাধারণত যাকাত আসে না। রাসূল স. বলেছেন, “একজন মুসলিমের ওপর তার দাস ও তার ব্যবহারের ঘোড়ার ক্ষেত্রে যাকাত নেই”।
এছাড়া ছয় প্রকার সম্পদের ক্ষেত্রে যাকাত আসে। সোনা-রূপা, নগদ অর্থ, ব্যবসার সম্পদ, জীবজন্তু, কৃষিজ উৎপাদন ও খনিজ সম্পদ।
যাকাত কীভাবে হিসাব করব?
প্রথমবার নেসাবের মালিক হওয়ার এক চান্দ্র বছর পর যাকাত আসে এমন সমুদয় সম্পদের মূল্য টাকায় (বা অন্য কোনো মুদ্রায়) রূপান্তর করে নিবে। এরপর সব যোগ করবে। প্রাপ্য ঋণ (receivables) থাকলে তাও যোগ করবে। প্রদেয় ঋণ (loans) থাকলে, তা নগদে পরিশোধ করতে হলে পুরোটা বিয়োগ দিবে। আর কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হলে কেবল পরবর্তী এক বছরের কিস্তি বিয়োগ দিবে। এরপর বিয়োগফলের ২.৫% যাকাত হিসাব করবে।
যাকাতের সম্পদ + প্রাপ্য ঋণ – প্রদেয় ঋণ (নগদ) – প্রদেয় ঋণ (পরবর্তী এক বছরের কিস্তি)
= মোট সম্পদ X ২.৫%
= যাকাত
যাকাত কাকে দেয়া যায়?
বৈবাহিক সম্পর্ক ও ঔরষজাত সম্পর্কের মানুষকে যাকাত দেয়া যায় না। কাজেই স্বামী-স্ত্রী, পিতা-পুত্র, দাদা-নাতী কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না। অনুরূপভাবে রাসূল স. এর বংশের কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না।
এছাড়া যেকোনো গরীবকে যাকাত দেয়া যাবে। গরীব বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার হয়ত কোনো সম্পদই নেই। কিংবা আছে, তবে তার প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিলে তা নেসাবের চেয়ে কম হয়।
আল্লাহ তায়ালা যাকাত আদায়ের সাতটি খাত উল্লেখ করেছেন। ফকীর, মিসকীন, যাকাত উসুল ও আদায়ের কাজে নিয়োজিত, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, জেহাদকারীর জন্য এবং মুসাফির।
ট্যাক্স এবং যাকাত:
সরকারী ট্যাক্স এবং যাকাত এক নয়। যাকাত একটি ইবাদত। কাজেই ট্যাক্সের টাকাকে যাকাত বলে গণ্য করা যাবে না। তবে হ্যাঁ, ট্যাক্সে প্রদেয় টাকা যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ দেয়া যাবে। কারণ এটিও একটি ঋণ, যা ব্যক্তির কাছে রাষ্ট্র পাবে।

দক্ষিণাঞ্চলের চাহিদা মেটাচ্ছে ঝালকাঠির হাতে তৈরি সুস্বাধু সেমাই
                                  

মো: খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি থেকে: ঈদকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে হাতে তৈরী সুস্বাধু সেমাই কারখানাগুলোর শ্রমিকরা। দক্ষিণাঞ্চলের চাহিদা মেটাচ্ছে ঝালকাঠির হাতে তৈরি সুস্বাধু সেমাই। রমজানের শুরু থেকেই সেমাই কারখানাগুলোতে ব্যস্ততা বেড়ে যায় দিগুন। ঈদকে সামনে রেখে বাড়তি চহিদা পুরণে এখন দিন-রাত চলছে সেমাই তৈরীর কাজ। পুরুষের পাশাপাশি পিছিয়ে নেই নারীরাও। তবুও বাড়তি সরবারাহ যোগাতে হিমসীম খাচ্ছেন ঝালকাঠি জেলা সদরসহ ২০টি সেমাই তৈরী কারখানার কারিগর ও শ্রমিকরা।

কারখানার মালিকরা জানিয়েছে, এসব কারখানায় উৎপাদিত সাধারণ এবং লাচ্ছা সেমাই স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্নস্থানে। প্রতি কেজি লাচ্চা সেমাই বিক্রি হয় ৮০ টাকা দরে। কিন্তু উৎপাদন খরচ হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ফলে লাভ থাকছে খুবই কম। তার উপর বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সেমাই তৈরির প্রধান কাঁচামাল-ময়দা ও ডালডার দাম বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীক ভাবে লাভ খুব বেশি থাকছেনা।
ঈদকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করছেন ঝালকাঠির সেমাই কারখানাগুলোতে। ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের শ্রমিকরা ঝালকাঠির এসব কারখানায় কাজ করে যে মজুরী পাবেন, তা দিয়ে তাদের পরিবার নিয়ে হবে এবারের ঈদ উদযাপন। পাশাপাশি মালিকক্ষের জন্যও ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তি আয়র পথ তৈরি করে দিয়েছে ঝালকাঠির সুস্বাদু এই সেমাই।”
এদিকে বিগত বছরগুলোর তুলনায় উৎপাদনের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এ বছর ব্যতিক্রম বেশ স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে তৈরি হচ্ছে সুস্বাধু সেমাই। রয়েছে পৌরসভারও তদারকী।
ঝালকাঠি স্যানেটারী ইনেসপেক্টার মো. আব্দুস সালাম সিকদার জানান, সেমাই কারখাখাগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ প্রতীয়মান বিবেচনায় পরিবেশ সনদ দেয়া হয়েছে এবং আমাদের গঠিত মনিটরিং টীম প্রতিনিয়ত তদরকি করছে। তারপরও কোন প্রকার অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যববস্থা নেয়া হবে।

মানব জীবনে রমজানের গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট
                                  

 মুহাম্মদ সেলিম খান চাটগামী: 
মানব জীবনে মানুষ আল্লাহ্ তায়ালার আনুগত্য ও দাসত্ব প্রকাশের যত পন্থা বা আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রমজান একটি অন্যতম পন্থা। দিগন্তের মাগরীব প্রান্তে জেগেছে এক ফালি কুমড়োর মত রমজানের শুভ্র সমুজ্জ্বল নয়া চাঁদ আল হেলাল। আর বয়ে নিয়ে এসেছে বিশ্ব মুসলিমের দ্ধারে আমাদের জাতীয় জীবনে এক বেহেস্তি সওগাত ও মহান আল্লাহ্তালার অফুরন্ত রহমতের ডালি। তার সাথে সাথে জেগেছে দিকে দিকে অপূর্ব প্রাণ চাঞ্চল্য এবাদত বন্দিগীর সাড়া। মাহে রমজান আমাদের জীবন এ অপরিসীম গুরুত্ব ও গভীর তাৎপর্যবহ। আভিধানিক অর্থে রমজান (রমাদান) শব্দটি হতে উৎকলিত। এর অর্থ হচ্ছে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া। রমজান এর সিয়াম সাধনা যেহেতু বান্দার কৃত সকল গৃনাহ্ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয় এজন্য এ মাসের নাম রাখা হয়েছে রমজান। আর ব্যবহারিক অর্থে রমজান এর রোজা বলা হয় সুবহে সাদিক হতে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও যৌনতৃপ্তি থেকে বিরত থাকাকে। মানুষ সংযম সাধনার মাধ্যমে নিজেকে পাক ও পরহেজগার করে গড়ে তুলবে এ উদ্দেশ্যই আল্লাহ তায়ালা রমাজান মাসে রোজাকে বান্দাদের জন্য ফরজ করে দিয়েছেন। তাই আল্লাহপাক পবিত্র কোরানে পাকে এরশাদ করেছেন: হে ঈমানদারগন তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার। এ আয়াতে “লাআল্লাকুম তাত্বাকুন” বাখ্যে আল্লাহপাক রমজান এর মূল উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে সুষ্পষ্টভাবে ঘোষনা করে দিয়েছেন যে, তাকওয়া পরহেজগারী তথা গোনাহ থেকে বেচে থাকার ট্রেইনিং এর উদ্দেশ্যই রমজান মাস এর শুভাগমন। আর তাকওয়া এমন একটি বস্তু যা মানব সমাজকে সকল অবস্থায় গুনাহ থেকে বিরত রাখে। আর তাই আমরা দেখতে পাই, হাতে কাছেই রকমারি সুস্বাদু খাদ্যের প্রাচুর্য, হাত বাড়ালেই সুপের পানি পাওয়া যায়, ঘরের দরজা বন্ধ করে দিলে লোক লজ্জারও ভয় নেবই, তবু ও মর্দে মুমিন রমজান এর দিনে তা কেন, কার ভয়ে স্পর্শ করে না? নির্জন সুন্দরী ষোড়শী তরুনীর ডাকে ও কেন সাড়া দেয় না? কে তাকে এ দুর্বল মুহুর্ত গুলোতে পাহারা দেয়? কে তার রক্ষা কবচ? তা হচ্ছে একমাত্র মহান আল্লাহর ভয়ে তাক্ওয়া। আর সেই তাক্ওয়ার ছবক্ই হাতে কলমে শিক্ষা দেয় মাহে রমজান। এদিক থেকে রমজান সত্যিই নিগুঢ় তাৎপর্য ম-িত। এ জন্মেই প্রত্যেক এবাদত আল্লাহর জন্য হওয়া সত্বেও একমাত্র রোজা সম্পর্কেই আল্লাহপাক বলছেন- রোজা একান্তই আমার জন্ম এবং আমি নিজেই এর পুরস্কার হবো (ছোবাহানাল্লাহ) এক্ষেত্রে আমাদের প্রিয় নবী রাসুলে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন “রোজাদার মানুষের মুখের গন্ধ আল্লাহ পাক এর নিকট মিশকের সুগন্ধি অপেক্ষা অধিকতর প্রিয়। মাহে রমজান হলো নৈতিক উৎকর্ষের একটি সার্থক সাধনার নাম। আল্লাহপাক মানুষের মধ্যে দুটি পরস্পর বিরোধী চাহিদা রেখে দিয়েছেন। একটি হলো জৈবিক চাহিদা, আরেকটি হলো নৈতিক, খানাপিনা, যৌনকামনা ইত্যাদি জৈবিক চাহিদা মানুষকে নৈতিক অধঃপতন ও অবক্র্ষয়ের পথে টেনে নিতে থাকে। এ জন্যই আল্লাহ পাক দীর্ঘ এগার মাস পর পর একটি মাস নির্দিষ্ট সময়ে খানাপিনা থেকে নিজেকে বিরত রেখে আতœ সংযম তথা নৈতিক উৎকর্ষ সাধনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ জন্য অন্য এক হাদীসে রাসুলে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন রোজা মুমিনের জন্য ঢাল স্বরূপ”। এছাড়াও দেহের পরিপাকযন্ত্র যখন ১১টি মাস ধরে ক্রমাগত কাজ করতে করতে আড়ষ্ট ও শ্রান্ত হয়ে আসে তখন রোজার সময়ে বিশ্রাম নিয়ে তা আবার সতেজ ও সক্রিয় হয়ে উঠে। রমজানের সিয়াম সাধনার মধ্যে আল্লাহ পাক মানবতা মমত্ববোধ ও সহমর্মিতা জাগ্রত করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমাদের সমাজে এমন লোকের অভাব নেই যে দুগ্ধ ফেননিভ বিছনায় আরামে আয়াশে অট্টলিকায় কাটায়, কিন্তু গাছতলায় শায়িত ক্ষুৎপিপাসায় কাতর জীর্ন দেহ চক্ষু কোটারাগত প-ুর চেহারা, বীভৎস কঙ্কালসার আদম সন্তানদের প্রতি ফিরে তাকায় না, বুঝে না জটর জ্বালার তীব্র দহন। তাদের কে আল্লাহ তায়ালা রোজার মাধ্যমে বাস্তবে সেই অনুভূতিকে অনুভব করার শিক্ষা দেন। যাতে করে ধনী ব্যক্তির মধ্যে তার আরেক গরীব ভাইয়ের প্রতি সমবেদনা ও সহানুভুতি জেগে উঠে। এ জন্যই প্রিয় নবী রাসুলে পাক (সাঃ) এরশাদ করেছেন “সে ব্যক্তি আমার উম্মত নয় যে নিজের তৃপ্তি সহকারে পানাহার করে আর তার প্রতিবেশী অনাহার থাকে’ হুজুরে পাক (দঃ) বলেছেন এ মাস টাকা পয়সা তারা গরীবকে সাহায্য করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাষ। মানব সমাজকে আল্লাহপাক রূহানিয়ত ও নফ্ছানিয়ত অন্য কথায় ফেরেস্তা খাছলত ও শয়তানী খাছলত এ দুটি পরস্পর বিরোধী গুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। যখন কোন বান্দা নফছে আম্মারার মত খারাফ কাজ করার অত্যন্ত কুপরামর্শদাতার বিরোধিতা করে তাকে নিজের গোলাম বানিয়ে নিতে পারে তখনই সুচিত হয় রূহানিয়তের গৌরবোজ্জল বিজয়। এজন্যই নফছের বিরোধিতা করে সকল প্রকার খারাপ তথা অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা তথা আত্ম সংযমের প্রশিক্ষন রয়েছে সিয়াম সাধানায়। তাই প্রিয় নবী রাসুলে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন “রোজাদার ব্যক্তির মিথ্যা বলা উচিত নয়” রোজাদার ব্যক্তি কাউকে গালি দেবে না ও কোন খারাফ কাজে জড়িত থাকবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায় অথবা কোন খারাফ কথা বলে তখন সে শুধু এই বলে উত্তর দেবে যে “আমি রোজাদার”। বাস্তবিক পক্ষে আত্ন সংযম ঈমানদারের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এটা মানুষের আত্মাকে বলিয়ান করে। একটি দেশ চালাতে যেমন বিশেষ প্রশিক্ষান প্রাপ্ত পুলিশ ও মিলেটারীর প্রয়োজন হয় তেমনি মহান আল্লাহপাক তাঁর দুনিয়াতে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমাদের কে খলিফা বানিয়ে পাঠিয়েছেন। তাই একমাস ধরে দিনে রোজা রাখতে হয় আবার রাত্রে তারাবীর নামাজ পড়তে হয়। নামাজে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনতে হয় মহান আল্লাহ্ তায়ালার দেয়া বিধান গ্রন্থ আল কোরআন যাতে করে আমাদের মনে আল্লাহ তায়ালার অনুশাসন সন্বন্ধে নতুন চেতনা জাগে। আবার রাতের শেষ ভাগে ছেহরী খাওয়ার জন্য উঠতে হয়। যেন যুদ্ধ ক্ষেত্রের অতন্দ্র প্রহরী মুজাহিদ। কুপরির বিরুদ্ধে তার এ জেহাদ। এ জেহাদ মহান রাব্বুল আলামিন ও তাঁর প্রিয় হাবিব (দঃ) এর সন্তুষ্টি অর্জনের জেহাদ। এজন্যই এটা পরীক্ষিত সত্য যে যদি নিবেদিত প্রান নিয়ে সম্পূর্ন রমজান মাস সিয়াম সাধনা” করা হয় তাহলে বাকী এগার মাস-এর প্রভাব থাকে। অন্য দৃষ্টিতে আমরা দেখতে পাই রমজান আমাদের কে ভ্রাতৃত্ব ও একতা শিক্ষা দেয়, এক সাথে ছেহেরী খাওয়া, একই সাথে রোজা রাখা একই সময়ে একই সাথে ইফ্তার করা আবার সকলে একই সাথে তারাবীর নামাজ পড়া এ সবই একতার ছবক। এ মাসের গুরুত্বকে বর্ণনা করতে গিয়ে মহান রাব্বুল আলামিন বলেন এ সেই রমজান মাস যাতে বিশ্ব মুসলমানদের সংবিধান কোরানে পাক নাযিল করা হয়েছে। আর কোরানে পাক ও রমজানের মৌল লক্ষ্যে আমরা দেখতে পাই উভয়টা একই উদ্দেশ্যে আগত মানব সমাজ কে হেদায়াত ও পরিশুদ্ধ করা। রমজান কোরআনের অনুশাসন পালনে বান্দাকে উপযোগী করে তোলে।
আর এ মাসেই মহান রাব্বুল আলামিন দান করেছেন অসংখ্য অসীম নেয়ামত পরম মুবারক রাত্রি লাইলাতুল কদর। হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম যে রাত্রি। একমাত্র উম্মতে মোহাম্মদীর জন্যই আল্লাহপাকের বিশেষ অনুগ্রহ। পাপী তাপী বান্দাদেরকে নাজাত দেয়ার এক বিরাট উছিলা। আল্লাহ পাক রেখে দিয়েছেন তাই এ রাত্রের জন্যও রমজান বিশেষ গুরুত্বের দাবীদার। সুতরাং সম্পুর্ণ রমজান মাসটাই যেন আল্লাপাকের রহমত এক অসীম সাগর। এ রহমতের মাসকে মানুষ মেনে চলে গুনাহগার বান্দাহ সহজেই নবজাত শিশুর মত নিষ্পাপ হয়ে যেতে পারে। তাই রমজান মাসকে সম্বোধন করে প্রিয় নবী রাসুলে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন যখন রমজান মাস আরম্ভ হয় তখন আসমানের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানের পায়ে বেড়ী লাগানো হয়। অন্যত্র প্রিয় নবী এরশাদ করেছেন রমজানের প্রথম দশদিন রহমতের, দ্বিতীয় দশদিন মাগফেরাতের এবং শেষ দশদিন জাহান্নাম থেকে নাজাতের জন্য বিভক্ত। বাস্তবিক পক্ষে রমজান ছওয়াব অর্জন তথা আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক শ্রেষ্ট মাধ্যম এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। তাই প্রিয় নবী রাসুলে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি দরজা আছে, তা কিয়ামতের দিন রোজাদারের জন্য খুলে দেয়া হবে এবং ঢাক শুনা যাবে কোথায় রোজাদার ব্যক্তিরা। যখন রোজাদারদের প্রবেশ করা শেষ হবে তখন সে দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। আরো সুখের বিষয় রোজাদারের জন্য রয়েছে নিশ্চয়ই সুসংবাদ। আরও একটি সুসংবাদ আল্লাহর রাসুল (দঃ) এভাবে দিয়েছেন রোজাদারদের জন্য রয়েছে দুটি শুভ মুহুর্ত মাগরিবের সময় যখন সে ইফতারের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করে এবং যখন আখেরাতে সে “আল্লাহ তায়ালার (সাক্ষাত) দীদার লাভ করবে” (আলহামদুল্লিাহ) এছাড়া ইফতারের সময় দোয়া কবুল করা হয়। আর একটি সুসংবাদ হুজুর পাক (দঃ) এভাবে দেন “যে ব্যক্তি রোজা রাখবে এবং কালামে পাক তেলওয়াত করবে তার জন্য কোরআন ও রোজা কেয়ামতের দিন সুপারিশ করবে। রোজা তার পক্ষ হয়ে বলবে হে আল্লাহ আমি তাকে সর্ব প্রকার খারাপ কাজ ও সারাদিন পানাহার থেকে বিরত রেখেছি সুতরাং তার জন্য আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। এবং কোরআনে পাক তার পক্ষ হয়ে বলবে “আমি তাকে ঘুম থেকে বিরত রেখেছি”। এ ছাড়া আর ও সুসংবাদ রয়েছে রমজান মাসে যে কোন ভাল কাজ করলে অন্য মাসের সত্তরটির ছওয়াব পাওয়া যায়।
এ মাসের নফল কাজগুলির ছওয়াব অন্য মাসের ফরজ কাজের সমান ছওয়াব পাওয়া যায়। এদিক থেকে চিন্তা করলে বুঝা যায় রমজান আমাকের জীবনে অসীম গুরুত্ববহ ও অফুরন্ত তাৎপর্যমন্ডিত। সুতরাং আমাদেরকে এ মাসের সম্মান রক্ষা করা অতি প্রয়োজন তাই হালাল উপার্জন তথা যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং দিনের বেলায় সকল হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখতে হবে। কিন্তু এসব ফজিলত ও ছাওয়াব আমরা তখনই লাভ করবো যখন আমাদের রোজা হবে সকল প্রকার গুনাহ থেকে বিরত ও সংযত। কাজেই যে সুমহান লক্ষ্যে যখন রাব্বুল আলামিন আমাদের এ মুবারক মাহে রমজান দান করেছেন, এর শোকরিয়া যেন আমরা আজীবন করতে পারি আল্লাহ আমাদেরকে সে তৌফিক দিন। আমিন-ছুম্মা আমিন।
ওয়া আখেরু দাওয়ানা আনিল হামদু লিল্লহে রাব্বুল আলামিন ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগ।

উপশহরে শান্তি সেবা’র উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর শহরের উপশহরে শান্তি সেবা’র উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৮ মার্চ শনিবার বাদ এশা শহরের উপশহরস্থ স্টাফ কোয়ার্টার মোড়ে স্থানীয় মুরুব্বী ও যুব সমাজ কর্তৃক পরিচালিত “শান্তি সেবা” এর উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহ্ফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শান্তি সেবা’র প্রধান উপদেস্টা ও দিনাজপুর শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম। মাহফিলে শান্তি সেবা’র সভাপতি আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান আসাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন রংপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবেদ আলী ফারুকী। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে তাফসির পেশ করেন আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা আবুল কাশেম সরকার, আলহাজ¦ মাওলানা ফয়জার আলীসহ স্থানীয় ওলামায়ে কেরামগণ।

অলিতলা দরবার শরীফের ৫৬তম ওরস শরীফ অনুষ্ঠিত
                                  

বরুড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

গতকাল রোজ শনিবার কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার অলিতলা দরবার শরীফের ৫৬তম ওরস শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজার হাজার ভক্ত, মুরিদানদের অংশ গ্রহনে উৎসবের নগরীতে পরিনত হয় অলিতলা। এ বাৎসরিক ওরস শরীফে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে দলে দলে হাজার হাজার মুসল্লিদের জিকির আজগারে ও দেশ বরেণ্য আলেম ওলামাদের উপস্থিতিতে ও সু-মধুর আলোচনায় আরো আকর্ষনীয় রূপধারন করে অলিতলা লতিফিয়া দরবার শরীফ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওঃ আল্লামা কাজী মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ, অনুষ্ঠানের আহবায়ক ছিলেন আল্লামা মুফতি কাজী গোলাম মহি উদ্দিন লতিফি আলক্বাদেরী, আকর্ষনীয় বয়ান রাখেন আল্লামা আবুল কাশেম নূরী, আল্লামা আবু সুফিয়ান আল আবেদী আল কাদেরী, আল্লামা মোশারফ হোসেন হেলালী, মাওঃ হাফেজ অলি উল্লা আশেকি, মাওঃ এ.এইচ.এম. ওমাইর রজভী, মাওঃ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, স্থানীয় বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রধান আলেমগন। আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ সোহেল সামাদ। ওরস শরীফে দেশ জাতি ও ভক্ত মুরিদানদের জন্য বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে দোয়া করা হয়। বাদ ফজর আখেরী মুনাজাত ও তাবারোক বিতরনের মাধ্যমে ওরসের সমাপ্ত করেন।

জানাযা নামাজ আদায়ের উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

জানাযার নামাজে হাজির হওয়া ও কবরস্থান পর্যন্ত যাওয়াতে রয়েছে অনেক উপকার। তার মধ্যে অন্যতম হলো মাইয়েতের উপর জানাযা পড়ে তার হক আদায় করা এবং তাতে সুপারিশ ও দোয়া করা। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পরিবারের হক আদায় করা এবং তাদের এ মুসিবতের সময় তাদের অন্তরে প্রশান্তি দানে উৎসাহিত করা প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। জানাযা নামাজ আদায়ের বিধান তুলে ধরা হলো-

জানাযার নামাজ ফরজে কিফায়া। ইহা প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির ছাওয়াব বর্ধন এবং মৃতদের জন্য সুপারিশ। জানাজায় লোক সংখ্যা বেশি হওয়া মুস্তাহাব এবং যতই লোক সংখ্যা বাড়বে ততই উত্তম।

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “যে মুসলিম মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে আল্লাহর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক করে নাই এমন ৪০জন লোক নামাজ আদায় করবে, তবে মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে তাদের সুপারিশ আল্লাহ তাআলা কবুল করবেন।’ (মুসলিম)

সুতরাং মৃত ব্যক্তির জানাযায় অধিক সংখ্যক লোক সমাগম হয়ে জানাযা আদায় করার উত্তম। আল্লাহ তাআলা মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে উপস্থিত হয়ে তার জন্য সুপারিশ করার এবং নিজেদের মৃত্যুর পর অন্যের সুপারিশ পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

৬১ তম বাৎসরিক পবিত্র ওরশ মোবারক
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আস্সালামু আলাইকুম, দাউদকান্দি থানার কানড়া নিবাসী হুজুর কেবলা পীওে কামেল মজনু হযরত ক্বারী কেরামত আলী আউলিয়া (কেবলা কাবা) (রাঃ) এর পবিত্র ওরশ মোবারক বিগত ৬১ ব’ৎসর যাবৎ আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে পালন করিয়া আসিতেছি। প্রতি বছরের ন্যায় এই বৎসর ও নিদিষ্ট তারিখ ৯ ও ১০ ফাল্গুন ১৪২৩ বাংলা মোতাবেক ২১ ও ২২ ফেব্র“য়ারি ২০১৭ইং রোজ মঙ্গল ও বুধবার পবিত্র ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হইবে।

অনুষ্ঠান বাদ মাগরিব ঃ মিলাদ ও ফাতেহা, হালকায়ে জিকির ও ভক্তিমূলক গান নেওয়াজ বিতরণ রাতঃ ৩.৩০ মিনিট। ওরশ মোবারকে হুজুরের আশেকান ও ভক্তবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ জানানো যাইতেছে। উক্ত ওরশ মোবারকে যে যাহা নজর দিতে ইচ্ছুক তাহা ওরশের আগে ও ওরশের দিন নিজ হাতে খাদেম মোঃ রব ফকির এর নিকট পৌছাইয়া দিবেন। আরজ গুজার ঃ খাদেম মোঃ আঃ রব ফকির ও আতিকুর রহমান স্বপন, মোবাইলঃ ০১৮১৭-৬১৯৪৩৫ (প্রকাশ থাকে যে বর্তমানে মাজারের সমস্ত দায়-দায়িত্ব খাদেম মোঃ আঃ রব এর নিকট ন্যস্ত করা হয়েছে)

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখার লক্ষ্যে শনিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ কথা বলা হয়। ১৪৩৮ হিজরি সনের জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। 
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
 
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
 
যার টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭।
ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১। -বাসস। 
আমবয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা চলছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

টঙ্গীর তুরাগতীরে ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ভারতের মাওলানা শামীম মুসল্লিদের উদ্দেশে আমবয়ান করছেন। বাংলায়  তর্জমা করছেন বাংলাদেশের মাওলানা নুরুর রহমান।আজ শুক্রবার লাখো মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করবেন। আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শেষ হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বিশ্ব ইজতেমার এ পর্বে অংশ নিতে ১৭টি জেলার পাশাপাশি বিদেশের মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় অবস্থান নিতে শুরু করেন। বিশ্ব ইজতেমার মুরব্বি গিয়াস উদ্দিন জানান, প্রথম পর্বে নেওয়া সব প্রস্তুতি দ্বিতীয় পর্বেও বহাল রয়েছে। ইজতেমা ময়দানের উত্তর-পশ্চিম দিকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য বিশেষ আবাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। বিদেশি নিবাসে রয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গতকাল জানান, বিশ্ব ইজতেমার এ পর্বেও ছয় হাজারের মতো পুলিশ সদস্য মুসল্লিদের নিরাপত্তা দেবেন। এ ছাড়া র‍্যাব, আনসার সদস্য ও ইজতেমা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব কর্মীরা থাকছেন।

২৬ খিত্তায় ১৭ জেলার মুসল্লি
যেসব জেলার মুসল্লি ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন, তাঁদের জন্য নির্ধারিত স্থান হলো ঢাকা (খিত্তা ১,২, ৩,৪, ৫ ও ৭), মেহেরপুর (৬), লালমনিরহাট (৮), রাজবাড়ী (৯), দিনাজপুর (১০), হবিগঞ্জ (১১), মুন্সিগঞ্জ (১২ ও ১৩), কিশোরগঞ্জ (১৪ ও ১৫), কক্সবাজার (১৬), নোয়াখালী (১৭ ও ১৮), বাগেরহাট (১৯), চাঁদপুর (২০), পাবনা (২১ ও ২২), নওগাঁ (২৩), কুষ্টিয়া (২৪), বরগুনা (২৫) ও বরিশাল (২৬)।

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব মুসল্লীদের ঢল এখন টঙ্গীর তুরাগ তীরে
                                  

গাজীপুর প্রতিনিধি:
শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে রোববার (২২ জানুয়ারি)। তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশ থেকেই তাবলীগ জামাতের অনুসারী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এতে অংশ নেন। তারা এখানে তাবলীগ জামাতের শীর্ষ আলেমদের বয়ান শোনেন এবং ইসলামের দাওয়াত কাজ বিশ্বব্যাপী পৌঁছে দেওয়ার জন্য জামাতবদ্ধ হয়ে বেরিয়ে যান। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) থেকে জামাতবদ্ধ মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন তুরাগ তীরে। হজ্বের পর মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ তাবলীগ জামাত আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমা। এবারের ৫২তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় গত ১৩ জানুয়ারি। দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ১৫ জানুয়ারি দেশের কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্য, আখেরাত ও দুনিয়ার শান্তি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। বেলা ১১টা ০২ মিনিটে শুরু হয়ে ১১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৩ মিনিট মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ব তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি ভারতের মাওলানা সা‘দ। এর আগে গত ১৩-১৫ জানুয়ারির প্রথম ধাপের বিশ্ব ইজতেমায়ও অংশ নেন অন্য ১৭ জেলার মুসল্লিরা, ছিলেন বিদেশি মুসল্লিরাও।

এবিষয়ে বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপেও দেশের ১৭ জেলার মুসল্লি অংশ নেবেন। ২৬টি খিত্তায় ওইসব জেলার মুসল্লিদের ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ঢাকা জেলার মুসল্লিরা দুই ধাপেই অংশ নিতে পারছেন। দুই ধাপ মিলিয়ে এবারের বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেবেন দেশের ৩৩টি জেলাসহ বিদেশি মুসল্লিরা। দ্বিতীয় ধাপে অংশ নেওয়া জেলা ও খিত্তাগুলো হলো- ঢাকা (১-৫নং ও ৭নং খিত্তা), মেহেরপুর (৬নং খিত্তা), লালমনিরহাট (৮নং খিত্তা), রাজবাড়ী (৯নং খিত্তা), দিনাজপুর (১০নং খিত্তা), হবিগঞ্জ (১১নং খিত্তা), মুন্সীগঞ্জ (১২-১৩নং খিত্তা), কিশোরগঞ্জ (১৪-১৫নং খিত্তা), কক্সবাজার (১৬নং খিত্তা), নোয়াখালী (১৭-১৮নং খিত্তা), বাগেরহাট (১৯নং খিত্তা), চাঁদপুর (২০নং খিত্তা), পাবনা (২১-২২নং খিত্তা), নওগাঁ (২৩নং খিত্তা), কুষ্টিয়া (২৪নং খিত্তা), বরগুনা (২৫ নং খিত্তা) ও বরিশাল (২৬নং খিত্তা)। ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপ আগামীকাল শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার (২২ জানুয়ারি) শেষ হবে। এর আগে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে প্রথম ধাপ শেষ হয় ১৫ জানুয়ারি। বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে জায়গা কম থাকায় এবং মুসল্লিদের উপস্থিতি বেশী হওয়ায় দেশের ৩২ জেলার মুসল্লিদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে এবারের ৫২তম বিশ্ব ইজতেমা জানালেন আয়োজক কমিটির মুরুব্বি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

মাগুরায় আখেরি মোতাজাতের মধ্য দিয়ে তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা সমাপ্ত
                                  

মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরায় গতকাল শনিবার আখেরি মোতাজাতের  মধ্য  দিয়ে তিন দিনব্যাপী জেলা  ইজতেমা শেষ  হয়েছে । দুপুর  ১১ টা ৪৯  মিনিটে  শুরু  হয় ইজতেমার আখেরি মোনাজাত।  প্রায় ২০ মিনিট  ব্যাপী  আখেরি মোনাজাতে জেলার চার উপজেলার  প্রায়  অর্ধ লক্ষাধিক মুসুল্লি অংশ নেয়। ইজতেমার শেষ দিনে  আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে  শনিবার সকাল থেকে জেলা চার উপজেলার গ্রাম-গঞ্জ. হাট-বাজার , শহরের  পাড়া ,মহল্লা থেকে  মানুষ  ইজতেমার  মাঠে ভিড় করে। এমন কি বিভিন্ন স্থান থেকে মহিলারা  মাঠের আশে-পাশের পাড়া-মহল্লার  বাসা  বাড়িতে  ছাদে অবস্থান নিয়ে মোতাজাতে  অংশ নেয় ।
আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করে ঢাকা কাকরাইল জামে মসজিদের মুরুবি। তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমায় পুলিশ প্রশাসনের নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো ।

মাগুরায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা
                                  

মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরায় আজ বৃহস্পতিবার ফজরের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমা। আগামী শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে জেলা ইজতেমা । ইজতেমা উপলক্ষে সরকারি বালক বিদ্যালয়ের মাঠ ও আর্দশ কলেজের দুটি মাঠ প্রস্তুত হয়েছে ।  তিনটি মাঠে ৪ উপজেলার প্রায় ৫০-৭০ হাজার মুসুল্লি অংশ নেবে বলে আয়োজকরা মনে করছেন । তাছাড়া জেলার জামাতের পাশাপাশি বিদেশী জামাতের  মুসুল্লিরা অংশ গ্রহন করবেন ।

ময়দানের জিম্মাদার রুহুল আমিন জানান, দ্বিতীয় বারের মত মাগুরায় বৃহৎ আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমা । গত ২৬ বছর  আগে মাগুরায় ছ্টো পরিসরে অনুষ্টিত হয়েছিল প্রথম ইজতেমা । ইতিমধ্যে বুধবার সকাল থেকে মাঠে জেলার ৪ উপজেলা থেকে মুসুল্লিরা জামাত আকারে  আসতে শুরু করেছে। দুই মাস আগে থেকে মাঠ প্রস্তুতের কাজ চলছে। মাঠে জেলার তাবলিগ জামাতের সাথী মুসুল্লীরা দিনরাত কষ্ট করছে । মাঠে ইতিমধ্যে বাশঁদিয়ে চটের বস্তার সাহায্য চাউনির কাজ  সম্পন্ন  হয়েছে ।   মুসুল্লিদের  অযু  ও গোসলের  জন্য  পর্যাপ্ত  পানি  ও পয়:নিস্কাশনের  ব্যবস্থা  করা হয়েছে । নিরাপত্তার জন্য  মাগুরা  পুলিশ  সুপারের নেতৃত্বে  পুলিশ  কন্টোল  রুম  বসানো  হয়েছে । তিনদিন ব্যাপী  ইজতেমায়  নিরাপত্তার  জন্য  পুলিশ সদস্যরা কাজ করবে। তাছাড়া অসুস্থ মুসুল্লিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সিভিল সার্জন কতৃক মাঠে মেডিকেল টিম কাজ করবে ।

তিনি আরো জানান, তিনদিন ব্যাপী ইজতেমায় ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের মুরুবিগণ ও জেলার মারকাজ মসজিদের মুরুবিরা বয়ান করবেন । ইজতেমার  মুল উদ্দেশ্য  হল-  দুনিয়ার  সমস্ত মুসলমান  কীভাবে    আল্লাহ  সাথে  সম্পর্ক দৃঢ় হয় এবং আল্লাহ ও নবি-রাসুলের পথ অনুসরণ করে  দ্বীনের পথে এসে নিজের ঈমান আমলের মেহনত করা ।

ইজতেমার মাঠে আসা মাগুরা সদরের আলোকদিয়ার মো: চাঁদ আলী জানান, আমরা বুধবার সকালে ৩০ জনের জামাত নিয়ে এখানে এসেছি। আমাদের  জামাতে যুবক থেকে শুরু করে অনেক বৃদ্ধও বয়ান শোনার জন্য এসেছে । মোহম্মদপুর পলাশবাড়িয়ার বাদল মিয়া জানান, নিজের ঈমানের মুজবুতি  ও   আল্লাহ-রাসুলকে রাজী খুশী করার জন্য আমরা ময়দানে এসেছি । আল্লাহর রহমত থাকলে আমাদের দলের থেকে অনেকে দ্বীনের রাস্তায় বের হবে ।   
 
জেলা ইজতেমা থেকে এবার সম্ভাব্য ১২০ জামাত আল্লাহর দ্বীনের রাস্তায় বের হবে বলে আয়োজকরা জানান ।

গোবিন্দগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরাম ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা যৌথ ভাবে হানাদার মুক্ত ও শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত
                                  

গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রিপোর্টার্স ফোরাম ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যৌথ আয়োজনে ১২ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত।

এ উপলক্ষে গত বুধবার সকাল ১১ টায় রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে ফোরাম সভাপতি ও প্রেস ক্লাবের কার্য নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম রফিক এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রধান আতাউর রহমান বাবলু , ফোরাম সহ-সভাপতি ও প্রেস ক্লাবের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শাহ আলম সরকার সাজু , ফোরাম সাধারন সম্পাদক তাজুল ইসলাম প্রধান, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারন সম্পাদক আঃ খালেক মন্ডল ,সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ , নূর আলম আকন্দ , তারাজুল ইসলাম, বাবু কালামানিক দেব, বি কম শিখা দত্ত প্রমূখ।

হবিগঞ্জে লাখো সুন্নী জনতা মহা গৌরবে পালন করেছে জশনে ঈদ এ মিলাদুন্নবী(সা:)
                                  

মোঃ রহমত আলী:

হবিগঞ্জে রাছুল প্রেমিক লাখো সুন্নী জনতার অংশগ্রহনে মহা গৌরবে পালিত হয়েছে জশনে পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ উপলক্ষে হবিগঞ্জ লাখাই আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ্ব মোঃ আবু জাহির বলেছেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করার ঘোষনা দিয়েছেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঈদে মিলাদুন্নবীর বিরোধিতা যারা করবে বা তার বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বিরোধি আইনে যে কোন লোক বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে। আর যারা সিরাতুন্নবী পালন করে তারা যেন মরা নবীর মৃত্যু দিবস পালন করল, আমাদের নবী জিন্দা নবী। এসব নবী ওলির দুশমনেরার দলে আমরা নাই, তাই সাবধান, যা বলবেন বুঝেশুনে বলবেন। উপরোক্ত কথাগুলি তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, জশনে ঈদ এ মিলাদুন্নবী (সা) এর আলোচনা সভায়। হবিগঞ্জ আহলে সুন্নাতওয়ার জামায়াত সমন্বয় পরিষদ এর উদ্যোগে মঙ্গলবার  মসজিদ সমন্বয় সুন্নী সংগ্রাম পরিষদ নানা কর্ম সূচীর আয়োজন করে। সকাল ১১টায় চৌধুরী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য জুলুছ বেড় করা হয়। হবিগঞ্জ মসজিদ সমন্বয় সুন্নী সংগ্রাম পরিষদ এর সভাপতি মোঃ রইছ মিয়ার সভাপতিত্বে জুলুছে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ লাখাই আসনে সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ্ব মোঃ আবু জাহির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুল হক আউয়াল, কোর্ট মসজিদের খতিব মাওলানা গোলাম মোস্তফাসহ ছাত্র, ইমাম, ব্যবসায়ী, আইজীবী, সরকারী কর্মকর্তা, নবী প্রেমিক সর্বস্তরের লাখো সুন্নী জনতা। শহর প্রদক্ষিণ শেষে জুলুছটি জেলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গনে এসে এক আলোচনায় মিলিত হয়।   

মাদারবাড়ীতে বিশাল মাহফিলে মাওলানা মামুনুর রশীদ নূরী
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি:   

রাসুলে করীম (স:) পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ন্যায় বিচারক
বায়তুশ শরফ মজলিসুর ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মামুনুর রশীদ নূরী বলেছেন, অন্যায়ের সঙ্গে আপস, জুলুম-নির্যাতনের সঙ্গে নির্বিকার সহাবস্থান এবং অন্যায়কারীদেরকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ
 সহযোগিতা প্রদান নবীর আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তিনি বলেন, মানুষ তার মায়ের উদর হতে স্বাধীন হয়েই জন্ম গ্রহণ করে তার এই স্বাধীনতায় কোন ব্যক্তি বা শক্তির অস্তিত্ব থাকতে পারবে না। পরাধীন পরিবেশ মানুষের অন্তরনির্িিহত সত্যের অপমৃত্যু ঘটায়।
মাওলানা মামুনুর রশীদ গতকাল রাতে মাদারবাড়ী হাজী আমান উল্লাহ সাওদাগর বাড়ীর সামনে যুব সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বার্ষিক বিশাল ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। মাওলানা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন আল্লামা মুফতি আবু হানিফা মো: নোমান ও মুফতি মাওলানা মো: ওবাইদুল্লাহ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলাম মুন্না, ইসহাক সাওদাগর, গোলাম মো: যোবায়ের, মো: ইব্রাহীম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, রাসুলে করীম (স:) কে পৃথিবীর একমাত্র মর্যাদাপূর্ন ন্যায় বিচারক উল্লেখ করে বলেন, মানব সৃষ্টির ইতিহাস যত পুরাতন, হক-বাতিল ও সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ সংঘাত ও ততপুরাতন। রাসুলে করীম (স:) এর দাওয়াতী মিশনের চিরন্তন চিত্রই হচ্ছে বাতিলদের বিরোদ্ধে অবস্থান, বাতিলকে প্রতিহত করা। এবং সত্যকে পৃতিষ্ঠা করা। তিনি মাহে রবিউল আউয়ালকে রাসলের (স:) আদর্শ প্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক কুরবানীর প্রেরণা চচা ও ঈমানী উত্তাপ নবায়নের মাস উল্লেখ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে সুন্নাতে রাসুলকে ধারণ করে চলার জন্য তিনি মুসলমানদের প্রতি আহবান জানান।

নীলফামারীতে বিলুপ্ত ছিটমহলে কোরআন শিক্ষা
                                  

মোঃ হামিদার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
৩রা নভেম্বর সকাল ১১.০০ টার সময় নীলফামারী জেলা ডিমলা উপজেলা গয়াবাড়ী ইউনিয়নে বাংলাদেশী হওয়া ২৮ নং শান্তিনগর ছিট মহলের ২৮ নং ছিটমহলের সভাপতি মোঃ ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সহজ কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সহজ কোরআন শিক্ষা অনুষ্ঠানের আলোকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলার প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এনামুল হক, সাবেক সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হালিমা বেগম, ইসলামি ফাউন্ডেশন কেয়ারটেকার শওকত ওসমান, মোকছেদুর রহমান, শিক্ষক আতিয়ার রহমান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের বিলুপ্ত ছিটের উন্নয়ন মূলক কর্মধারার জোয়ার ভেসেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের বিলুপ্ত ছিট বিলুপ্ত বাসীর জন্য স্যানিটেশন, বিদ্যুতায়ন, রাস্তা, হাসপাতাল, বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি।


   Page 1 of 4
     ইসলাম
যাকাত কি, কেন কিভাবে দিতে হবে
.............................................................................................
দক্ষিণাঞ্চলের চাহিদা মেটাচ্ছে ঝালকাঠির হাতে তৈরি সুস্বাধু সেমাই
.............................................................................................
মানব জীবনে রমজানের গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট
.............................................................................................
উপশহরে শান্তি সেবা’র উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
অলিতলা দরবার শরীফের ৫৬তম ওরস শরীফ অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
জানাযা নামাজ আদায়ের উপকারিতা
.............................................................................................
৬১ তম বাৎসরিক পবিত্র ওরশ মোবারক
.............................................................................................
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার
.............................................................................................
আমবয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা চলছে
.............................................................................................
শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব মুসল্লীদের ঢল এখন টঙ্গীর তুরাগ তীরে
.............................................................................................
মাগুরায় আখেরি মোতাজাতের মধ্য দিয়ে তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা সমাপ্ত
.............................................................................................
মাগুরায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরাম ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা যৌথ ভাবে হানাদার মুক্ত ও শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত
.............................................................................................
হবিগঞ্জে লাখো সুন্নী জনতা মহা গৌরবে পালন করেছে জশনে ঈদ এ মিলাদুন্নবী(সা:)
.............................................................................................
মাদারবাড়ীতে বিশাল মাহফিলে মাওলানা মামুনুর রশীদ নূরী
.............................................................................................
নীলফামারীতে বিলুপ্ত ছিটমহলে কোরআন শিক্ষা
.............................................................................................
বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১৩ই জানুয়ারি
.............................................................................................
বিশ্বনবির প্রতি দরূদ পাঠই দোয়া কবুলের উপাদান
.............................................................................................
১২ অক্টোবর পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ান এক নারীর ইসলাম গ্রহণের কহিনী
.............................................................................................
হালাল উপার্জনের গুরুত্ব
.............................................................................................
সৎকর্ম ও সেবা দিয়ে মন জয়ের ধর্ম
.............................................................................................
কখন মুমিনের স্বপ্ন সত্য হবে এবং তা কীসের আলামত?
.............................................................................................
স্বপ্নে নিজেকে মৃত্যু বরণ করতে দেখলে যা হয়
.............................................................................................
শ্রবণেন্দ্রীয় ও দর্শনেন্দ্রীয় সম্পর্কে পবিত্র কোরআন
.............................................................................................
নিঃসন্তান হওয়া কি পাপ?
.............................................................................................
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বাড়াতে মহানবী (সা.) যা করতে বলেছেন
.............................................................................................
ইসলামে অবৈধ শারিরক সম্পর্কের শাস্তি কি?
.............................................................................................
পুরুষের মাঝে সুগন্ধি মেখে নারীর চলাফেরা : কী বলে ইসলাম
.............................................................................................
সরল অনুবাদ,সুরা নং – ১১৪ : আন-নাস
.............................................................................................
বিবাহ বৈধ এমন নারীর সাথে করমর্দন করা যাবে কিনা?
.............................................................................................
তাহাজ্জুদের নামাজ কি, কেন এবং কীভাবে আদায় করতে হয়?
.............................................................................................
তুরস্ক, গুলেন ও ইসলাম
.............................................................................................
ইসলামের দৃষ্টিতে শিঙ্গা ও কাপিং থেরাপি
.............................................................................................
বিয়ের নৈতিক দায়বদ্ধতা
.............................................................................................
২১ জুলাই থেকে হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া শুরু
.............................................................................................
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা মঙ্গলবার
.............................................................................................
শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর
.............................................................................................
নামায মু’মিনদের জন্য বেহেস্তের চাবী
.............................................................................................
জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা
.............................................................................................
নামাজ শেষে তাসবিহ পাঠ ও দোয়ার ফজিলত
.............................................................................................
পাপাচার বর্জন শেখায় সিয়াম
.............................................................................................
দেখা মিলেছে চাঁদের, কাল রোজা
.............................................................................................
রোজার পরিচয়
.............................................................................................
যেভাবে কাটাবেন রমজান
.............................................................................................
পবিত্র শবে বরাত আজ
.............................................................................................
২২ মে পবিত্র শবে বরাত
.............................................................................................
শবে বরাত: জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আজ
.............................................................................................
পবিত্র শবে মেরাজ আজ
.............................................................................................
ইসলামে বৈধ যে পতিতালয়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]