| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী   * চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন আল্লামা শফী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অপরাধ জগত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ গাইড বইতে বাজার সয়লাব

কবির হোসেন, লক্ষীপুর থেকেঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বইয়ের দোকানগুলো নিষিদ্ধ গাইড ও নোটবুকে সয়লাব। তবে এইসব বই এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘সৃজনশীল অনুশীলনের বই’। একটি সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে কয়েকজন বই দোকানী দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রি করে কামিয়ে নিচ্ছে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা। এদের সাথে যোগসাজস রয়েছে কয়েকটি কোচিং সেন্টারের কথিত শিক্ষকদের। এছাড়াও প্রশাসনের সকল অফিস ম্যানেজ করার ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গ্রাম-গঞ্জের শিক্ষার্থীদের সহায়ক হিসেবে বিভিন্ন প্রকাশনা বিভিন্ন নামের গাইড বই বাজারজাত করছে। স্থানীয় একটি লাইব্রেরির বই বিক্রেতা জানান, সব শ্রেণীরই গাইড বই এরই মধ্যে বের হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায়ও চলে গেছে সেগুলো। অপর এক লাইব্রেরির বিক্রেতা জানান, দেদারছে গাইড-নোট বিক্রি হচ্ছে এতে আমরা কোন বাধার সম্মুক্ষিন হচ্ছিনা। উপজেলার বিভিন্ন লাইব্রেরি ঘুরে দেখা গেছে, অষ্টম শ্রেণীর ২০১৭ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাজারে এসেছে কাজল ব্রাদাসের্র গাইড। যদিও বইয়ের ওপর লেখা রয়েছে অনুশীলনমূলক বই। একইভাবে স্কয়ার প্রকাশনীর তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণীর গাইড বই বিক্রি চলছে দেদারছে। জুপিটার প্রকাশনীর বইয়ে লেখা রয়েছে একের ভেতর সব। স্থানীয় লাইব্রেরিগুলোতে নিষিদ্ধ এসব গাইড বই নতুন মোড়কে বিক্রি হচ্ছে। সূত্রমতে, বিভিন্ন প্রকাশনীর গাইড বই এরই মধ্যে মজুদ করা হয়েছে।

নাম পকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, বিশেষ করে রায়পুর আশরাফিয়া লাইব্রেরী, আল-আমিন লাইব্রেরী ও ভাই ভাই লাইব্রেরীর মালিক মোঃ মিজানুর রহমান সবচাইতে বেশী গাইড বই মজুদ ও বিক্রয় করে থাকে। মিজানুর রহমান বিভিন্ন স্কুলের সাথে আগেই কন্ট্রাক করে নেন এই সমস্ত গাইড বই তার (ভাই ভাই) লাইব্রেরী থেকে কিনার জন্য। প্রত্যেক গাইড প্রতি কমিশন দেওয়া হয় ওই স্কুলে শিক্ষদেরকে। এছাড়াও উপরোক্ত ব্যক্তিরাই নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রয় সিন্ডিকেটের মূল হোতা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন করে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত নোট ও গাইড বই নিষিদ্ধ করেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, গাইড বই বিক্রি নিষিদ্ধ। এক্ষেত্রে গাইড বই বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের এখতিয়ারের বিষয় নয়। তবে কোন বিদ্যালয়ের শেণীকক্ষে এই বই পড়ানোর বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে পারিবো এবং করিব।
সচেতন অভিজ্ঞ মহল জানান, ছাত্রছাত্রীদের কাছে বই পৌঁছানোর আগেই গাইড বই চলে আসায় মেধা বিকাশে বাঁধার সৃষ্টি হবে। এসব বই ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের না কেনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ গাইড বইতে বাজার সয়লাব
                                  

কবির হোসেন, লক্ষীপুর থেকেঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বইয়ের দোকানগুলো নিষিদ্ধ গাইড ও নোটবুকে সয়লাব। তবে এইসব বই এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘সৃজনশীল অনুশীলনের বই’। একটি সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে কয়েকজন বই দোকানী দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রি করে কামিয়ে নিচ্ছে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা। এদের সাথে যোগসাজস রয়েছে কয়েকটি কোচিং সেন্টারের কথিত শিক্ষকদের। এছাড়াও প্রশাসনের সকল অফিস ম্যানেজ করার ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গ্রাম-গঞ্জের শিক্ষার্থীদের সহায়ক হিসেবে বিভিন্ন প্রকাশনা বিভিন্ন নামের গাইড বই বাজারজাত করছে। স্থানীয় একটি লাইব্রেরির বই বিক্রেতা জানান, সব শ্রেণীরই গাইড বই এরই মধ্যে বের হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায়ও চলে গেছে সেগুলো। অপর এক লাইব্রেরির বিক্রেতা জানান, দেদারছে গাইড-নোট বিক্রি হচ্ছে এতে আমরা কোন বাধার সম্মুক্ষিন হচ্ছিনা। উপজেলার বিভিন্ন লাইব্রেরি ঘুরে দেখা গেছে, অষ্টম শ্রেণীর ২০১৭ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাজারে এসেছে কাজল ব্রাদাসের্র গাইড। যদিও বইয়ের ওপর লেখা রয়েছে অনুশীলনমূলক বই। একইভাবে স্কয়ার প্রকাশনীর তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণীর গাইড বই বিক্রি চলছে দেদারছে। জুপিটার প্রকাশনীর বইয়ে লেখা রয়েছে একের ভেতর সব। স্থানীয় লাইব্রেরিগুলোতে নিষিদ্ধ এসব গাইড বই নতুন মোড়কে বিক্রি হচ্ছে। সূত্রমতে, বিভিন্ন প্রকাশনীর গাইড বই এরই মধ্যে মজুদ করা হয়েছে।

নাম পকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, বিশেষ করে রায়পুর আশরাফিয়া লাইব্রেরী, আল-আমিন লাইব্রেরী ও ভাই ভাই লাইব্রেরীর মালিক মোঃ মিজানুর রহমান সবচাইতে বেশী গাইড বই মজুদ ও বিক্রয় করে থাকে। মিজানুর রহমান বিভিন্ন স্কুলের সাথে আগেই কন্ট্রাক করে নেন এই সমস্ত গাইড বই তার (ভাই ভাই) লাইব্রেরী থেকে কিনার জন্য। প্রত্যেক গাইড প্রতি কমিশন দেওয়া হয় ওই স্কুলে শিক্ষদেরকে। এছাড়াও উপরোক্ত ব্যক্তিরাই নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রয় সিন্ডিকেটের মূল হোতা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন করে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত নোট ও গাইড বই নিষিদ্ধ করেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, গাইড বই বিক্রি নিষিদ্ধ। এক্ষেত্রে গাইড বই বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের এখতিয়ারের বিষয় নয়। তবে কোন বিদ্যালয়ের শেণীকক্ষে এই বই পড়ানোর বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে পারিবো এবং করিব।
সচেতন অভিজ্ঞ মহল জানান, ছাত্রছাত্রীদের কাছে বই পৌঁছানোর আগেই গাইড বই চলে আসায় মেধা বিকাশে বাঁধার সৃষ্টি হবে। এসব বই ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের না কেনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালীগঞ্জে প্রতারক সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী গ্রেফতার
                                  

মো.মনিরুল আলম কালীগঞ্জ, গাজীপুরঃ 

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতারনার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কে. এম রুবেল (৩৫) নামের এক ভূয়া প্রতারক সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে ভূক্তভোগী নীলা রোজারিও বাদী হয়ে ওই প্রতারক রুবেল ও তার কথিত সাংবাদিক স্ত্রী রিমি আক্তারকে (২২) আসামী করে কালীগঞ্জ থানায় একটি আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত রুবেল ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার আমজাদ হাট এলাকার পশ্চিম বসন্তপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। বর্তমানে তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদিয়া গ্রামের শশুরবাড়ীতে থাকতো।
উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের নীলা রোজারিও জানান, ওরা স্বামী-স্ত্রী নিজেদের সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠন আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাইন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে নীলাকে বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ, সরকারী প্লট ও ত্রানের টিন পাইয়ে দেওয়া এবং তার ভাগিনা রতনকে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ ৫০ হাজার, ভাগনি শিপ্রা গমেজকে বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ, সরকারী প্লট ও ত্রানের টিন পাইয়ে দেওয়া ও তার পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি করার কথা বলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
ওই গ্রামের ভূক্তভোগী হানিফ মীর জানান, বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ, ত্রানের সরকারী টিন ও কম্বল পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে ৮০ হাজার এবং একই প্রলোভনে একই গ্রামের রিনা গমেজের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অঞ্জলী নাগ জানান, চাকুরী ও সরকারী প্লট দেওয়ার প্রলোভনে তার স্বামী মনমোহনের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে প্রতারক রুবেল।
উপজেলার জুগলী গ্রামের আবু নাঈম নামের এক ভূক্তভোগী জানান, অনলাইন পত্রিকার নিবন্ধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ওই প্রতারক কে.এম রুবেল। এ ছাড়াও ওই এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছে ব্যাংক ঋণ, অনুদান ও বিভিন্ন সহযোগীতার কথা বলে প্রায় ৮/১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলেও জানান একটি সূত্র।
কালীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কে. এম রুবেল ও তার স্ত্রীর নিজেদেরকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। সে প্রেক্ষিতে তাদের আসামী করে ভূক্তভোগী নীলা রোজারিও বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় আত্মসাৎ ও প্রতারণার একটি মামলা দায়ের করেন।

আদমজী সন্স দূর্নীতির রাহুগ্রাসে ॥ নেপথ্যে সংরক্ষণ প্রকৌশলী
                                  

কামরুজ্জামান মিল্টন ঃ আদমজী সন্স লিমিটেড এমারত হোসেন নামের জনৈক ভুয়া সংরক্ষন প্রকৌশলীর রাহুগ্রাসে সর্বশান্ত হওয়ার উপক্রম হওয়ায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে সুত্র জানায়। 

সুত্র আরো জানায়,বিগত বিএনপি সরকারের পাট মন্ত্রী হান্নান শাহ’র আশীর্বাদপুষ্ঠ এমারত হোসেন আদমজী সন্স লিমিটেেেডর দপ্তর সহকারী পদে চাকুরী স্থায়ীকরনের আওতায় আসেন। এর পর জ¦ালিয়াতির মাধ্যমে সংরক্ষন প্রকৌশলী পদের দায়িত্ব পেয়ে লুটপাটে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। আর এভাবে দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘেœ আদমজী সন্সের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দাপটশালীদের তালিকাভুক্ত হয়ে যান তিনি। তার দাপটে প্রতিষ্ঠানটির বেশীর ভাগ কর্মকর্তা কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে এক প্রকার জিম্মি ও নায্য সুবিদা বঞ্চিত। সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ একাধিকবার সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে ওই এমারত হোসেনের অনিয়ম দূর্নীতি সহ অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও জ¦ালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত পদে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
আরো জানায়, পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান আদমজী সন্স লিমিটেডের প্রবিধানমালায় সম্পূর্ন অযোগ্য প্রমানিত মোঃ এমারত হোসেন। কিন্তু তার পর ও কৌশলে তিনি উক্ত পদে বহাল থেকে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মোসাৎ করেন এবং সরকারকে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকিতে ফেলেন। যা অর্ডিটে বেরিয়ে আসে। আর এতে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ ও করা হয়। কিন্তু বিষয়টি দিনের পর দিন ধামাচাপা পড়ে থাকায় একদিকে যেমন, উক্ত এমারত হোসেন নির্বিঘেœ অনিয়ম-দূর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়ছেন। অন্যদিকে তেমনি, প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ ও হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আদমজী সন্সের জনৈক কর্মকর্তা জানান,আদমজী সন্স লিমিটেডের দপ্তর সহকারী এমারত হোসেন বিএনপির আমলে ক্ষমতার বলে অযোগ্য হয়েও সংরক্ষন প্রকৌশলীর দায়িত্ব পান। আর এর পর থেকে তিনি নির্বিঘেœ আদমজী সন্সের কোটি কোটি টাকা লুটপাট তো করছেনই, সেই সাথে সরকারের লাখ লাখ টাকার রাজস্ব লোপাট করেছে। আর তা একাধিক বার অর্ডিটে ধরা পড়ার পর তোলপাড় হয়ে গেলে ও অদ্যবদি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আর এতে এমারত হোসেন এখন আরও বেশী বেপরোয়া। কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে উক্ত পদাধিকার বলে প্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়মসহ সেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত রয়েছেন।
এব্যপারে আদমজী সন্স লিমিটেডের ওই ব্যপক সমালোচিত সংরক্ষন প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালনকারী এমারত হোসেনের সাথে মোবাইলে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছুদিনের জন্য তিনি ও্ই পদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমান তিনি ওই পদে নাই।
তবে ওই পদে না থাকার কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, উক্ত পদে একজন যোগদান করায় সরে আসতে হয়েছে।
এব্যপারে পাট মন্ত্রনালয়ের একটি সুত্র জানায়, আদমজী সন্সের অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রকৃয়াধীন রয়েছে। এ সংক্রান্তে বিস্তারিত দেখুন.. . . . . . . . . .আগমীতে

শশুরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কুলিয়ারচরে ভাতিজাকে খুন, অবশেষে খুনি চাচা গ্রেফতার
                                  


মো.মনিরুল আলম, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে ফিরে ঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের দক্ষিন সালুয়া গ্রামে শশুরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে, ভাতিজা রনিকে খুন করে আপন চাচা রবিউল্লাহ। এর আগেও একাদিক খুনের সাথে জড়িত সে। গডফাদারদের কু-পরামর্শে ঘটনার আগের দিন ছেলের বাবা-মাকে মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে হত্যার পরিকল্পণা করে তারা। ঘটনা থেকে নিজেদেরকে আড়াল করার জন্য নিজে বাদী হয়ে পূর্ব পরিকল্পণা অনুযায়ী নিরপরাধ লোকজনদের আসামী করে হয়রানী করার জন্য নাটক সাজায় মুর্শিদ মিয়া। আর গডফাদার সমাজের চোখে ভালো সেজে পর্দার আড়ালে থেকে কলকাটি নাড়েন। নিহত রনির মা সব জানেন কারা তার সন্তানকে খুন করেছে। নিহতের খালা আম্বিয়া বেগম সাংবাদিকদের জনান, রনির মাকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং গরু-কাপড় বিক্রি করে মুর্শিদ মিয়াকে টাকা দেওয়ার জন্য।
দীর্ঘ অনুসন্ধান ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার দক্ষিন সালুয়া গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের দুই ছেলে হাছেন আলী ও হোছেন আলী মধ্যে দীর্ঘ দিন যাবৎ (দরপাড়) ঈদগাঁর মাঠ সংলগ্নে প্রায় দ্ইু বিঘা জমি নিয়ে হেলাল উদ্দিনের দুই ছেলের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে আসছিলো । পরে তা আদালতে মামলা মোকাদ্দমা চলে ১০-১৫(বছর) যাবৎ , এ নিয়ে এলাকায় বহুবার স্থানীয় নেত্রীবৃন্দরা সূরাহা করার চেষ্ট করলেও। সমাজ ধংস্য কারী বহুরুপি গডফাদারেরা দুই ভায়ের মধ্যে জগড়া বিবাদ প্রতিনিয়ত লাগিয়ে রাখতো । ওই জমির বাজার মূল্য হবে প্রায় কোটি টাকা। আর ওই জমির উপর লোভ হয় মৃত হেলাল উদ্দিনের ছোট মেয়ে রাখেলার দ্বিতীয় স্বামী একই এলাকার মৃত গেদুমিয়ার চতুর্থ ছেলে কিলার রবিউল্লাহর (৩৭) ও তার সহযোগি গেদুমিয়ার দ্বিতীয় ছেলে মুর্শিদ মিয়ার (৫০) কিলার রবিউল্লাহ শশুর বাড়ীর ওয়ারিশ সূত্রে জমিটি যেকোন মূল্যে দখল করে নিতে মরিয়া হয়ে পড়ে সে। এই জমির জোট-ঝামেলা যে মিটিয়ে দিবে , তাদেরকেও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল কিলার রবিউল্লাহ ও তার ভাই মুর্শিদ মিয়া।
হাছেন ও হোসেন আলীর জমির জামেলা মিটাতে গত কয়েক মাস পূর্বে ৩মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে ২১-০১-১৭ইং তারিখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বেশ কিছু নেতা কর্মিসহ, সাবেক ইউপি সদস্য মধু মেম্বার, বর্তমান ইউপি সদস্য ছমুমেম্বার, প্যানেল চেয়ারম্যান ছিদ্দিকমিয়া, মধ্যসালুয়ার দুলালমিয়া, তারামিয়া, আক্কাছ প্রধান, দক্ষিন সালুয়া ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ওবাইদুল্লহ, লালমিয়া, ফেরুজমিয়া, লিটনমিয়া, মৃত.আসুমিয়ার ছেলে মুর্শেদুল্লাহ মিলে হাছেন ও হোসেন আলীর জমি সংকান্ত জামেলা মিটিয়ে দেন।
ভাইয়ে ভাইয়ে দীর্ঘদিনের শত্রুতা,জামেলা মিটে গেছে ওই কথা শুনে গেদুমিয়ার ছেলে কিলার রবি ও মুর্শিদ উৎ পেতে থাকে, কখন দুই ভাই জমি দখল নিবে। হাছেন আলী ও হোছেন আলী ঘটনার পরদিন তাদের জমি রবিবার যার যার জমি বুঝে নেওয়ার কথা ছিল। দুঃকৃতিদের কু-পরামর্শে পূর্ব পরিকল্পণা অনুযায়ী বড় ভাই আঃ রাশিদের ফেরীওলা কাপড় বিক্রেতা দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে লিভারের সমস্যায় দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলো বলে জানান এলাকা বাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, ওই রনিকেই (১০) গত ৮এপ্রিল শনিবার রাত্রে তার চাচা মুর্শিদ মিয়ার সহযোগিতায় বাড়ীর উত্তর পাশে মৃত. শাহ্ হোসেনের ছেলে মেশ্রি মিয়ার কলা ক্ষেতে রবিমিয়া ও তার স্ত্রী রাখি আক্তার মিলে গলা কেটে খুন করে লাশ ফেলে রাখে। পরদিন সকালে ওই কলা ক্ষেতে শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে নিহতের লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে খবর দিলে, আশপাশের লোকজন এসে লাশ সনাক্ত করে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে, ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায় । ময়না তদন্ত শেষে পরদিন নিহতের লাশ তার বাবার বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করে ।
পর্দার আড়ালে থাকা বহুরুপি গডফাদারের পরামর্শে, নিরীহ নিরপরাধ ব্যক্তিরা এর সাথে জড়িত না থাকার পরও তাদেরকে আসামী করে ওই খুনের সাথে জড়িয়ে দেওয়া হয় । মুর্শিদ মিয়া মার্ডার বাণিজ্য করার জন্য নিজে বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যাদেরকে আসামী করা হয়েছে ওই খুনের সাথে তারা জড়িত নয়। তারা পুলিশের ভয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে । ওই এলাকার একাদিক সুত্রে জানা যায় , রবি তার ভাতিজাকে খুন করেছে। এই বিষয়টি এলাকাবাসী টের পেয়ে গেলে, রবি বিষ পানে আত্যহত্যার চেষ্টা করলে, পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে “ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপালে” ভর্তি করা হয় ।
এ বিষয়ে এলাকা বাসীর দ¦াবি মাননীয় প্রধানমস্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী সহ পুলিশের (আইজিপি) মহোদ্বয়ের নিকট আকুল আবেদন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সুষ্ট ভাবে তদন্ত করে নিরীহ মানুষকে হয়রানী না করে। পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গডফাদার সহ প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা ।
এলাকাবাসী আরও জানান, এখানেই রবির অপরাধের মিশন শেষ নয় বিগত আনুমান (১১) বছর পুর্বে একই এলাকার বোরো ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক নিয়ে জগড়া বেধেঁ গেলে (ট্রেটা বল্লম) দিয়ে, এক পর্যায়ে সমেদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। তার পর গডফাদাররা তাদের ইচ্ছা মতো মামলায় আসামী দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মার্ডার বানিজ্য করে, মামলা আপোস নামার কথা বলে সমাধান করে। কিন্ত সমাজ ধংস্যকারী গডফাদাররা রবিকে মামলার আসামী না করে তাকে খালাস দেয় ।
আবার কিছুদিন পর একই মৌসুমে এলাকার পশ্চিম পাড়ার রিক্সা চালক আয়েত আলীর সুন্দরী ভাগনী তরুনী আতরীকে, পারিবারিক ভাবে জেলার ভৈরব এলাকায় এক ব্যবসায়ীর নিকট সতিনের সঙ্গে বিয়ে দেন। কিছুদিন পর স্বামী তাকে (৫০) পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে তালাক দেন । রবি ওই টাকার লোভে আতরীকে বুলিয়ে বালিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্তঃসত্তা করে পঞ্চাশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ওই মেয়েকে খুন করে ভৈরবের কালিকা প্রসাদ ব্রিজের নিচে ফেলে রাখে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বেওয়ারিশ হিসাবে থানায় নিয়ে যায়। কিন্ত ওই তরুনীর আত্বীয় স্বজনরা সহজ সড়ল,নিরীহ গরীব হওয়ায় তারা খুনীর ভয়ে পুলিশকে কিছু বলেননি। একটি মহলের দ্বাবী ওই রবিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞ্যসাবাদ করলে সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে সালুয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ছিদ্দিক মিয়া প্রতিবেদকে জানান,আমি মধুমেম্বার সহ বেশ কয়েক জন মিলে হাছেন আলী ও হোসেন আলীর দীর্ঘদিনের দুই ভাইয়ের জোট-ঝামেলা অনেক কষ্টকরে সমাধান করে দিয়েছিলাম । কিন্ত রবিউল্লাহ শশুর বাড়ীর সম্পতি জোর করে দখল করার জন্য নিজ ভাতিজাকে খুন করে আবার ঝামেলা লাগিয়েছে ।
অভিযুক্ত মামলার বাদী নাটকবাজ মুর্শিদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করতে তার বাড়ীতে গেলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি , সে বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে ।
এই হত্যার বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.মকবুল হোসেন মোল্লাহ বলেন, রবিউল্লাহকে গ্রেফতার করে হাজতে পাঠিয়েছি। অন্যদিকে নিরপরাধ ব্যক্তিদের নামে হওয়া মামলা বিবেচনা করা হবে । কিন্ত নির্দোষ কাউকে হয়রানী করবেনা আমার থানা পুলিশ।
অন্যদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক এস আই মো.কোহিনুর মিয়া বলেন, প্রকৃত ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা হবে ।
উল্লেখ্যঃ এই ঠান্ডা মাথার খুনি রবিউল্লাহর প্রত্যেকটি মিশন প্রত্যেক বোরো মৌসুমের সময় ঘটিয়েছে ।

সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ আবার বন্ধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

চালু হওয়ার দুইদিন পর আরেকটি রেল সেতু দেবে সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ আবার বন্ধ হয়ে গেছে।বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের রেলওয়ের ১৪১ নম্বর সেতুর মাটি সরে যাওয়ায় বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে রেল বন্ধ রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল স্টেশনের সহকারী মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, শ্রীমঙ্গল-সাতগাঁও স্টেশনের মধ্যবর্তী একটি জায়গায় ওই রেল সেতুটির মাটি সরে দেবে যাওয়ায় ট্রেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এর আগে, হবিগঞ্জের মাধবপুরে পিলার ভেঙ্গে রেলসেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে। পরে চারদিন পর সোমবার ফের ট্রেন চলাচল সচল হয়।

শেরপুরে পছন্দের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে না দেয়ায় যুবকের আত্মহত্যা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরে পছন্দের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে না দেয়ায় নিজ ঘরে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।নিহতের নাম তীর্থ সরকার (২২)। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেরপুরের বিকাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পবিবার সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর শহরের বিকাল বাজার এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী খগেন্দ্র নাথ সরকারের ছেলে তীর্থ সরকার নাটোরের একটি মেয়েকে পছন্দ করতেন।

ওই মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য তীর্থ তার বাবা-মাকে জানান। কিন্তু তারা এতে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তীর্থ নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

শেরপুর থানার ওসি খান মো. এরফান বলেন, এ ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ছায়াবিঁথীতে সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তায় অনৈতিক ব্যবসা
                                  

কামরুজ্জামান মিল্টন:


রাজধানীর সবুজবাগের বাসাবোস্থ ছায়াবিঁথী নামের আবাসিক এলাকায় কয়েক মাস ধরে শাহাজাহান মল্লিক (৬৫) নামের জনৈক ব্যক্তি রমরমা অনৈতিক ব্যবসা খুলে বসে। ছায়াবিঁথীর বাসিন্ধারা ওই অনেতিক ব্যবসা উচ্ছেদের জন্য বারবার উদ্যোগ নিলে শাহাজাহান মল্লিকের তোপের মুখে পড়ে। আর এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় দেখা দিলে কিছু দিনের জন্য ওই অনৈতিক বন্ধ থাকে। কিন্তু কয়েক দিন পর ফের নতুনভাবে প্রকাশ্যে সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তার আওতায় ব্যবসা ওই অনৈতিক কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। আর এতে বাসিন্ধারা মারাত্বকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে বলে সুত্র জানিয়েছে।
 সুত্র আরো জানায়, এলাকার বাসাবো ছায়াবিঁথীর বেশীর ভাগ বাড়ী শাহাজাহান মল্লিকের ছত্রচ্ছায়ায় গত দুই-তিন মাস ধরে অনৈতিক কারবারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিনত হয়। বেশ কিছুদিন ধরে আশ-পাশ এলাকার বিতাড়িত পেশাদার বেশ কিছু অনৈতিক কারবারী ছদ্মবেশে ছায়াবিঁথীর নিরব পরিবেশে আস্তানা গাড়ে। এভাবে আস্তে আস্তে বিভিন্ন এলাকার অনৈতিক কারবারীদের অবাদ আনাগোনা বেড়ে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শুরুর দিকে ছায়াবিঁথীর কেউ কেউ এর প্রতিবাদ করলে উক্ত মল্লিক ও তার সহযোগী স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় সদস্য ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ফলে বেশ কিছু দিনের জন্য ওই অনৈতিক কারবার কিছুটা দমে যায়। তবে তা বেশী দিন নয়, ফের ওই শাহাজাহান মল্লিক প্রকাশ্যে ওই সব অনৈতিক কারবারীদের দেখভালের দায়িত্ব নেন। সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তার আওতায় অনৈতিক কারবার জমিয়ে তোলে। ফলে আশ-পাশের বাড়ীগুলোর বাসিন্ধারা তাদের উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে।
আরো জানায়,  প্রায় দু মাস ধরে ছায়াবিঁথীর বাসিন্ধারা রমরমা অনৈতিক ব্যবসা উচ্ছেদের জন্য তোড়জোড় করে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু মল্লিক ও সবুজবাগ থানার ওসির অনিহার কারনে কোন সুফল হয়নি। সবুজবাগ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুসের সাথে উক্ত মল্লিকের গভীর সখ্যতা থাকায় অিৈতক আস্তানা উচ্ছেদের রহস্যজনক পালন করেন। এতে একদিকে যেমন ছায়াবিঁথীর বাড়ীগুলো ধীরে ধীরে অনৈতিক কারবারীদের নিরাপদ অনৈতিক আস্তানা হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে তেমনি নানা অপরাধ প্রবনতা ও বেড়ে চলছে। আশ-পাশের উঠতি বয়সের ছেলেরা বিভিন্ন ভাবে ওই সব অনৈতিক কারবারের সাথে জড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছায়াবিঁথীর একজন বাসিন্ধা জানান,এর আগে ও ছায়াবিঁথীতে মাঝে মধ্যে ওই সব অনৈতিক কারবারীরা ঢুকে পড়তো। কিন্তু বাসিন্ধাদের তোঁপর মুখে তারা বেশী দিন থাকতে পারেনি। তখন ওই সব অনৈতিক কারবারীদের সাথে শাহাজাহান মল্লিকের যোগশাজস থাকলে ও এতটা প্রকাশ্যে ছিল না। কিন্তু বর্তমানে তিনি নিজেকে ছায়াবিঁথীর সভাপতি পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে ওই সব অনৈতিক কারবারীদের দেখভাল করেন এবং তাদের যে কোন ধরনের সমস্যায় স্ব-শরীরে এগিয়ে আসেন। স্থানীয় প্রশাসনসহ কিছু অসাধু লোকের সাথে আতাত রেখে এলাকার পেশাদার অনৈতিক কারবারী জহির ও রহমতকে  দিয়ে বিভিন্ন এলাকার অনৈতিক কারবারীদের যোগাড় করেন। তাছাড়া ও প্রশাসনের আনেক বড় বড় কর্মকর্তাদের সাথে তার বেশ সখ্যতা থাকায় যে কোন সময়ে যে কেউকে হয়রানি করে ও তিনি বেশ নাম ছড়িয়েছে। আর ইদানিং ছায়াবিঁথী অনৈতিক কারবারের সাথে মাদকের কারবার ও অনেকটা ওপেন সিক্রেট হয়ে উঠেছে। বাসিন্ধারা একাধিক বার সবুজবাগ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুসকে অবগত করলে ও তিনি এ ব্যপারে েেকান পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বরং এব্যপারে বিরোধীতাকারীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছে।
আরো জানান, প্রায় মাস দুই ধরে ছায়াবিঁথীর পরিবেশ এতটা খারাপ হয়ে উঠেছে যে ছেলে মেয়েদের সাথে নিজেরা ও ভয়ে ভয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। কারন প্রায়ই কোন না কোন বাড়ীতে ওই অনৈতিক ঝামেলা লেগেই থাকে। আর এ নিয়ে দেনদরবার চেচামেচিতে পুরো এলাকা মাঝেমধ্যে থমথমে হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে শাহাজাহান মল্লিকের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে নিজেকে ছায়াবিঁথীর একাংশের সভাপতি বলে পরিচয় দেন এবং নিজেকে ডিসি ও সবুজবাগ থানার ওসির লোক বলে দাবি করেন।  
খোজ নিয়ে জানা যায়, কয়েক  মাস ধরে বাসাবো এলাকার ছায়াবিঁথীর নিরিবিলি পরিবেশে বিভিন্ন এলাকার থেকে বিতাড়িত বেশ কিছু পেশাদার অনৈতিক কারবারী আশ্রয় নেয়। এর পর ধীরে ধীরে উক্ত শাহাজাহান মল্লিকের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অনৈতিক কারবার শুরু করে। আর এভাবে ছায়াবিঁথী অবাদ অনৈতিক বাজারে পরিনত হয়। শাহাজাহান মল্লিকের দাপটে এব্যপারে নাক গালাতে পারে না। বাসিন্ধাদের তৎপরতায়  ওই অনৈতিক কারবারী একটু নড়ে বসলে ও  আবার বেশ শক্ত হয়ে বসেছে। সবুজবাগ থানার এস আই জাহিদ ওই অনৈতিক কারবারে হানা দিতে গিয়ে শাহাজাহান মল্লিকের রোষানলে পড়ে সাময়ীক বরখাস্ত হন। এঘটনার পর অনৈতিক কারবারীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাছাড়া ও তিনি নিজেকে আবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারন লোকজনের মধ্যে বেশ  প্রভাব বিস্তার করেছেন। কিন্তু আদৌ তিনি পুলিশ সদস্য ছিলেন কিনা, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। এভাবে কয়েক মাস ধরে ছায়াবিঁথীর অনৈতিক কারবারীদের তৎপরতা এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে,  বাসিন্ধারা সম্মলিত ভাবে ওই অনৈতিক কারবার উচ্ছেদ শাহাজাহান মল্লিকের অসামাজিক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকতার রুখে দাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।                                        

অসামাজিক কার্যকলাপে খদ্দেরসহ মা ও মেয়ে কে আটক
                                  

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

ঘাটাইলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে  খদ্দের আমিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ(৩০) সহ মা মেয়েকে আটক করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ। সে ঘাটাইলে চেংটা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। রোবার রাতে ঘাটাইলে শান্তি মহল নামক মহল্লার একটি বাসা থেকে মা মেয়ে সহ একে আটক করা হয়। আটককৃত অন্যরা হলো- মা ফাতেমা জামান শান্তি (৪২) ও মেয়ে শারমিন শৈলি রীতি (১৯)। তদন্ত কারী ঘাটাইল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক কামাল হোসেন জানান, শান্তি মহলের নিজ  বাসায় দীর্ঘ দিন ধরে মা মেয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। গত রাতে  খদ্দের সহ ঐবাড়িটি এলাকাবাসী ঘেড়াও করে পুলিশ খবর দেয়। পরে  ঘটনা স্থল থেকে খদ্দের সহ এদের কে আটক করা হয়। এদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপ ছাড়াও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।  এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন ঘাটাইল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন। এদের কে টাঙ্গাইল  আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঘাটায় কৃষক হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
                                  

এস এম বিপ্লব ইসলাম:

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় রমজান আলী নামে এক কৃষককে হত্যার দায়ে ৩ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশ দিয়েছেন আদালত।


সোমবার বিকেলে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরিফুল ইসলাম এ দন্ডাদেশ দেন। তারা হলেন, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মথরপাড়া গ্রামের ফেরদৌস সরকার নান্নু (৩৭), একই গ্রামের হেলাল মিয়া (৩২) ও লাভলু মিয়া (৩৫)।

জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ সকালে মথরপাড়া গ্রামের রমজান আলী তার ছেলে আব্দুর রহিমসহ বোনারপাড়া যাচ্ছিলেন। পথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের ফেরদৌস ও তার পক্ষের লোকজন তাদের বেধরক মারপিট করে। এতে আব্দুর রহিমের বাবা রমজান আলী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় আব্দুর রহিম বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় ১৪ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০০৫ সালের ৫ জুন আদালতে চার্জশীট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। বিচারক শুনানি শেষে বিকেলে এ দন্ডাদেশ দেন।

বড়াইগ্রামে ৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক একজন
                                  

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের বড়াইগ্রামে বনপাড়া বাইপাস সংলগ্ন কলাহ্টাায় ৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক জনকে গেস্খফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসিজি.এম.সামসনূর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে আরপি পরিবহনের এশটি বাসে তল্লাসি চালিয়ে ৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মো. মজনু (৩২) আটক করে। মজনু রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার বরবরিয়া গ্রামের জান মোহাম্মাদের পুত্র। এ ব্যাপাওে বড়াইগ্রাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে এশটি মামলা হয়েছে।

স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে যুবক আটক
                                  

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কমলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে শামীম শেখ (২০) নামে এক বখাটে যুবককে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসি আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাগান উত্তর পাড়া গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয়টির প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।

কমলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক সরওয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, আমার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার সময় বাগান উত্তর পাড়া গ্রামের ওমর আলী শেখের ছেলে বখাটে শামীম শেখ প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি ওই ছাত্রীর পরিবার থেকে আমাদেরকে জানানো হলে আমরা স্কুলের ফটকে লোক লাগিয়ে রাখি। ঘটনার দিন ওই ছাত্রী স্কুলে আসার পথে শামীম তাকে উত্ত্যক্ত করে। এ সময় আমরা শামীমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করি।


কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ বখাটে শামীমকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুষ্টিয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় তিনজনের ফাসির আদেশ
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খবির উদ্দিন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় তিনজনের ফাসির আদেশ দিয়েছে আদালত।

সেই সাথে প্রত্যেককে আরো ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। ফাসির দন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন সালাম শেখ(২২), জামেল মন্ডল(৩০) ও হামিদ মালথা(৩৫)। বুধবার বেলা ১২টায় কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিজ্ঞবিচারক রেজা মো. আলমগীর হাসান এ রায় প্রদান করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় জেলার দৌলতপুর উপজেলার গোয়ালগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা খবির উদ্দিন প্রতিবেশী বজলুর রহমানের চরের মাঠে সেচের জন্য বৈদ্যুতিক মোটর চালু করার জন্য বাড়ির বাইরে বের হয়। ভোরবেলা স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক মটরের পাশে গলায় মাপলার পেচানো অবস্থায় তার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঐদিন নিহতের স্ত্রী উরজিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে দৌলতপুর থানায় এশটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে হত্যার সাথে জড়িতদের নাম বের হয়ে আসলে কুষ্টিয়া কোর্টে সালাম শেখ, জামেল মন্ডল ও হামিদ মালিথার নাম উল্লেখ করে পুনরায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন। স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আজ বিচারক তাদের ফাসির আদেশ দেন। পওে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

রেজিস্ট্রেশন বিহীন মটরসাইকেল ও ইয়াবা ব্যবসায়ী তারক হাজরাসহ ৫জন আটক
                                  

উজ্জ্বল রায়:

নড়াইল পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযানে তারক (৩০)  নামের এক চি‎ি‎হ্নত মাদক ব্যবসায়ী (ইয়াবা) কে আটক করেছে নড়াইল ডিবি পুলিশের একটি টিম।পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের নড়াইল-মুলিয়া সড়ক থেকে তাকে ২৫ পিচ ইয়াবা সহ আটক করা হয়। বিস্তারিত আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে, তারক নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের কোড়গ্রামের নিত্ত গোপাল হাজরা এর ছেলে। এ বিষয়ে নড়াইল ডিবির ওসি আশিকুর রহমান জানান, তারক একজন চি‎ি‎হ্নত মাদক ব্যবসায়ী। আমাদের কাছে এরকম আরো অনেক মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা রয়েছে তার ভিতর থেকে কেউ কেউ গ্রেফতারও হয়েছে। তারক তার মধ্যে একজন। অনেক দিন যাবত সে আমাদের টার্গেটে ছিল। আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে মুলিয়া-নড়াইল সড়ক থেকে ২৫ পিচ ইয়াবা সহ আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আশা করি অতি দ্রুত বাকি চি‎ি‎হ্নত মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার হবে। আমাদের মাদক বিরোধী এ বিশেষ অভিযানটি অব্যহত থাকবে। অপরদিকে নড়াইলের লাহুড়িয়া মাগুরা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২০ পিচ ইয়াবা ও ২টি রেজিষ্ট্রেশন বিহিন মোটরসাইকেল সহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে লাহুড়িয়া ফাঁড়ি পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাহুড়িয়ার মাগুরা বাসস্ট্যান্ডে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানের সময় তাদের ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, লাহুড়িয়া ফাঁড়ি ইনচার্জ নজরুল ইসলাম, এস.আই শফিক আহম্মেদ ও এস.আই সঞ্জিত জোয়াদ্দার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা লাহুড়িয়ার মাগুরা বাসস্ট্যান্ডে মাদক বিরোধী অভিযানের সময় মোটরসাইকেলে আসা ৪জনকে তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের দেহ ও গাড়ি তল্লাশি করতে চাইলে তারা আমাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করে।  তাদের আটক করার পর স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাগণ তাদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা চালালে আমরা তৎক্ষনাৎ তাদের থানায় চালান করি। আকটকৃত ব্যক্তিরা হলেন, মিঠাপুর নখখালী গ্রামের বক্কার মিয়ার ছেলে ওবাইদুর (৩৫), লাহুড়িয়া ডহরপাড়ার বুলু মিয়ার ছেলে মাহাবুর রহমান (২৮), নড়াইল সদর উপজেলার ব্রহ্মনীনগরের মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাস এর ছেলে ইখতিয়ার, লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার ফুলমিয়ার ছেলে টিটুল (২০)।

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ  জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ৪ জনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে এবং মোটরসাইকেল আলাদা হিসাবে জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে, কোন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে কুষ্টিয়ার শেখ আহম্মেদ লাপাত্তা
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

পল্লী বিদ্যুৎতের সংযোগ প্রদান, সরকারি চাকুরি পাইয়ে দেওয়া আর স্থানীয় এবং জাতীয় পত্রিকায় সরকারি বিজ্ঞাপন ছেপে প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে শেখ আহম্মদ আলী নামের ভয়ংকর রকমের এক প্রতারক। প্রতারক শেখ আহম্মদ আলীর কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে সর্বস্ব খুইয়ে পথে বসেছে প্রায় শতাধিক মানুষ। লাপাত্তা হয়ে রাজধানী ঢাকায় আত্মগোপন করে থাকায় প্রতারণার শিকার ভুক্তোভুগীরা প্রতারক শেখ আহম্মদ আলীকে খুঁজে পাচ্ছে না। বহুরুপী শেখ আহম্মেদ আলী কখনও সাংবাদিক, কখনও পল্লী বিদ্যুৎতের পরিচালক, আবার কখনও পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে বছরের পর বছর এভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে চলেছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের অনেকেই শেখ আহম্মদ আলীর বিরুদ্ধে আইন-আদালতের আশ্রয় নিতে চাইলেও হুমকীর কারণে মুখ বুজে সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানা গেছে। নিজের অপকর্ম ঢাকতে প্রতারক শেখ আহম্মদ নিজের একমাত্র ছেলেকে সাংবাদিক বানিয়ে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গুণধর পিতার মত পুত্রের বিরুদ্ধেও রয়েছে অপকর্মের বিস্তর অভিযোগ। ছিনতাই, নারী অপহরণের মত জঘন্য অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে পুত্র নেহাল হাসনাইন ওরফে প্রিন্সের বিরুদ্ধে। ধবধবে ফর্সা, সুর্দশন চেহারার অধিকারী, পোষাক-পরিচ্ছদে সব সময় আভিজাত্যের ছাপ, দামি এ্যাপাচী মটর সাইকেল চড়ে চলা ফেরা করেন শেখ আহম্মদ আলী। মুখে সব সময় হাসি লেগেই আছে। কথা বলেন খুব মিষ্টি করে। ৫ মিনিট কথা বলে যে কাউকে পটিয়ে ফেলার সম্মোহনী ক্ষমতার অধিকারী এই শেখ আহম্মদ আলী। বেশভ্যুষা আর চাল-চলন দেখে ঘুর্ণাক্ষরেও কারো বোঝার উপায় নেই আসলেই অতি সুদর্শন এই মানুষটি যে কত বড় রকমের প্রতারক! কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার আলোচিত কয়া ইউনিয়নের গোট্রিয়া গ্রামের মরহুম নিয়ামত আলীর ৮ ছেলে-মেয়ের মধ্যে শেখ আহম্মদ আলী মেজো। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ছোট বেলা থেকেই শেখ আহম্মদ দুরন্ত টাইপের। অন্যের পুকুরে মাছ ধরা, গাছের ডাব পাড়া আর মেয়েদের পিছনে ঘুরঘুর করে বেড়ানোই ছিল তার কাজ। বখাটে পনার কারণে পড়ালেখা তেমন একটা আগাতে পারেনি। পরিবারের লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় শেখ আহম্মদ আলীকে। ৯০’র দশকের একেবারে শেষের দিকের কথা। কর্মের সন্ধানে ঢাকায় পাঁড়ি জমায় শেখ আহম্মদ। এদিক-সেদিক কর্মের সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে ঢাকার বাংলা বাজার এলাকার একটি প্রেসে মেশিন ম্যানের চাকুরী জুটে যায় আহম্মদ আলীর। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ভাল ব্যবহার আর দিন রাত একটানা পরিশ্রম করতে পারার কারণে অল্প দিনের মধ্যেই মালিকের বিশ^স্ততা অর্জন করতে সক্ষম হয়। বিশ^াস করে মালিক প্রেসের সব দায়-দায়িত্ব আহম্মদের কাঁধে তুলে দেন। মালিকের এই বিশ^াসকে পুঁজি করে একদিন প্রেসের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতারাতি পাঁততাড়ি গুটিয়ে কুষ্টিয়ায় পালিয়ে এসে প্রতারক শেখ আহম্মদ আলী আত্মগোপন করে থাকে। প্রতারক আহম্মদ আলীকে খুঁজতে প্রেস মালিক ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ায় ছুটে আসেন। কিন্তু কোথায় খুঁজবেন আহম্মদ আলীকে ? খুঁজে না পেয়ে হয়রাণ হতে হতে হাফিয়ে উঠে টাকার শোক ভুলে যেতে বাধ্য হন ভদ্রলোক। তবে আহম্মদ আলীর নামে থানায় একটি জিডি করেন। কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর শেখ আহম্মদ আলী কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডে গালর্স স্কুলের পাশে একটি গার্মেন্টেসের দোকান খুলে বসেন। কিন্তু নারী সঙ্গের কারণে দুই/এক বছর যেতে না যেতেই গার্মেন্টস লাটে ওঠে। প্রতারণার জাল বিস্তার করার জন্য এবার শেখ আহম্মদ আলী কুষ্টিয়ার স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার বিজ্ঞাপন সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কাজে লেগে পড়ে। পদ সহকারী বিজ্ঞাপন ম্যানেজার হলেও প্রতারক চতুর শেখ আহম্মদ আলী নিজেকে সব জায়গায় সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিত। বিজ্ঞাপন কালেকশনের জন্য প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরকারি বিভিন্ন অফিস, ব্যাংক এবং কোর্টে ঘোরাঘুরি করায় ছিল শেখ আহম্মদের রুটিন। সুন্দর চেহারা আর সব সময় ফিট ফাট থাকায় এবং কথার যাদুতে খুব অল্প দিনেই আইনজীবী, কোর্টের পেশকার, ব্যাংক ম্যানেজার থেকে শুরু করে সবার খুবই আস্থাভাজনে পরিণত হয়ে ওঠে শেখ আহম্মদ। ২০০৮ থেকে ২০১০ সালের ঘটনা এটি। মাত্র বছর দুয়েকের মধ্যেই কুষ্টিয়া জজ কোর্টের সব বিজ্ঞাপন শেখ আহম্মদ আলী দখল করে নেই। সে সময় জজ কোর্টে বিজ্ঞাপনের রমরমা ব্যবসা ছিল। বিভিন্ন ব্যাংকের নিলাম বিজ্ঞপ্তি বের হত আইনজীবীদের মাধ্যমে। চতুর আহম্মদ আলী কৌশল হিসেবে এ্যাডভোকেট নিয়ামত উল্লাহকে বাপ ডেকে ( যেহেতু আহম্মদ আলীর পিতার নামও ছিল নিয়ামত উল্লাহ) এবং এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুবকে তার পেশকার শফির সাথে গভীর সখ্যতা গড়ে তোলার সুবাধে ম্যানেজ করে জজ কোর্টের বিজ্ঞাপনের বাজার দখল করে ফেলে। সে সময় প্রতিদিন জজ কোর্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার একাধিক বিজ্ঞাপন বের হত। সুচতুর শেখ আহম্মদ সবাইকে ম্যানেজ করে জজ কোর্টে বিজ্ঞাপন সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। শেখ আহম্মদের ইচ্ছা ছাড়া কেউ সেখান থেকে একটি বিজ্ঞাপনও নিতে পারত না। গভীর জলের মাছ আহম্মদ আলী দেখলো শুধু এক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছেপে পোষাবে না। তাই স্থানীয় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন মূল্যের অর্ধেক তাকে দিতে হবে এই শর্তে অন্য পত্রিকাতেও বিজ্ঞাপন ছেপে মোটা অংকের কমিশন লাভ করতে থাকে। জাতীয় পত্রিকার বেশ কয়েকজন প্রতিনিধির সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে স্থানীয় পত্রিকার পাশাপাশি শেখ আহম্মদ তাদের মাধ্যমে একই বিজ্ঞাপন জাতীয় পত্রিকায় মোটা অংকের (বিজ্ঞাপনের আকার অনুযায়ী) কমপক্ষে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা কমিশন আদায় করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেই। সে সময় সবচেয়ে বেশি বিজ্ঞাপন প্রকাশ হত দৈনিক আজকের কাগজ এবং দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায়। ইংরেজী পত্রিকায়ও বিজ্ঞাপন ছেপে শেখ আহম্মদ মোটা অংকের কমিশন তুলত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুষ্টিয়ায় কর্মরত জাতীয় দৈনিকের কয়েকজন প্রতিনিধি জানান, শেখ আহম্মদ আলী বিভিন্ন ব্যাংক ম্যানেজারকে ম্যানেজ করে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার বিল চেক না নিয়ে নগদে গ্রহণ করে সমুদয় টাকা তুলে নেই। সূত্র জানায়, এভাবে শেখ আহম্মদ আলী দৈনিক আজকের কাগজের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা, দৈনিক ভোরের কাগজের ৪-৫ লক্ষ টাকা, দৈনিক মানবজমিনের ৩-৪ লক্ষ টাকা, দৈনিক জনতার লক্ষাধিক টাকা, সমকালের ৩-৪ লক্ষ টাকাসহ বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে। এত কিছু করেও মন ভরত না শেখ আহম্মদ আলীর। এবার সে নিজেই ঢাকার একাধিক নাম সর্বস্ব বাংলা ও ইংরেজী পত্রিকায় শতকরা ৫০ ভাগ কমিশন নিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেই। এমনকি শেখ আহম্মদ আলী এসব পত্রিকার নামে কুষ্টিয়ায় ব্যাংক একাউন্টও খুলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে। দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার মোটা অংকের টাকা মেরে দিয়ে ২০১২ সালের দিকে শেখ আহম্মদ বিজ্ঞাপন ম্যানেজার হিসেবে কুষ্টিয়ার প্রভাবশালী দৈনিক আন্দোলনের বাজার পত্রিকায় যোগদান করে। জজ কোর্টে শেখ আহম্মদের মনোপুত জাতীয় এবং স্থানীয় পত্রিকা ছাড়া কেউই বিজ্ঞাপন পেতে না। এমনকি এ নিয়ে জজের কাছে বিচার দিয়েও কোন লাভ হত না। শেখ আহম্মদ যাকে ইচ্ছা তাকে বিজ্ঞাপন দিত। সূত্র জানায়, দৈনিক আন্দোলনের বাজার পত্রিকারও বিজ্ঞাপন বিলের কয়েক লক্ষ টাকা নগদে তুলে আত্মসাত করে শেখ আহম্মদ। শুধু বিজ্ঞাপন বাণিজ্য নয় জজ কোর্টে প্রবেশ করতেই বাম হাতে শেখ আহম্মেদ একটি ফটোকপি ও কম্পিউটার কম্পোজের দোকান দেয়। এই দোকানে বসেই সে কোর্টের বিজ্ঞাপন এবং জামিন বাণিজ্য করত। এক সময় শেখ আহম্মেদ বসুন্ধরা গ্রুপের কালের কন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং ডেইলী সান পত্রিকার কুষ্টিয়াস্থ বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি হিসেবে চাকুরী নেই। মাত্র এক বছরের মধ্যে এই বসুন্ধরা গ্রুপের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বিজ্ঞাপন বিল নগদে তুলে নিয়ে আত্মসাত করে। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে শেখ আহম্মদের বিরুদ্ধে থানায় জিডিও করা হয়। বিজ্ঞাপনের ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলে শেখ আহম্মদ আলীর নজর পড়ে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দিকে। ২০১২ সালে শেখ আহম্মদ আলী কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক নির্বাচত হন। ৪ বছর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শেখ আহম্মদ আলী বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে কুমারখালী উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎতের লাইন (বিদ্যুৎ সংযোগ) দেওয়ার নাম করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেই। পল্লী বিদ্যুৎতের লাইন দেওয়ার নাম করে টাকা নিলেও হাতে গোনা দুই একজন ছাড়া কাউরের লাইন দিতে পারেননি শেখ আহম্মদ। অথচও তাদের টাকা ফেরৎ না দিতে আত্মসাত করেছে শেখ আহম্মদ। প্রায় শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে এভাবে বিদ্যুৎতের লাইন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২০১২ সালের ঘটনা। কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের খলিসাদহ গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান ও তার ভাই হান্নানের কাছ থেকে স্যালো মেশিনের লাইন দেওয়ার নাম করে ৯০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাত করে শেখ আহম্মদ। কাজ না হলেও আজও তাদের টাকা ফেরৎ দেয়নি সে। কয়া ইউনিয়নের রাধারপাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান ঝন্টুর কাছ থেকে রাইচ মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাত করে শেখ আহম্মদ। ভেদেরিয়া জাহিদপুর গ্রামের শুকুর আলী মেম্বারের ছেলে সাইদ হোসেনের স্যালো মেশিনের লাইন দেওয়ার নাম করে ৯০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাত করে শেখ আহম্মদ। রাধাগ্রামের নূর মহম্মদের ছেলে রিপনের কাছ থেকে স্যালো মেশিনের সংযোগ দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে শেখ আহম্মদ। বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় এক পর্যায়ে ফুঁসে ওঠে ভুক্তভোগী মানুষ। বেশ কয়েকজন শেখ আহম্মদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ করে। কিন্তু শেখ আহম্মদের প্রভাবের চাপে সে দরখাস্ত ধামাচাপা পড়ে যায়। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নির্বাচনে এ ঘটনার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। যে কারণে ২০১৬ সালের নির্বাচনে পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও আর্থিক কেলেংকারীর কারণে নির্বাচনে পরাজিত হয় শেখ আহম্মদ। শুধু পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার নাম করেই নয়; বিভিন্ন দফতরে সরকারি চাকুরি দেওয়ার নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক শেখ আহম্মদ। সদর উপজেলার আলামপুর গ্রামের মাহাফুজুল আলম ও কুমারখালীর জগন্নাথপুর গ্রামের কবির হাসান কুষ্টিয়া জজ কোর্টে পেশকার হিসেবে চাকুরি পাওয়ার আশায় শেখ আহম্মদের হাতে নগদ ১২ লক্ষ টাকা তুলে দেয়। আজ-কাল করতে করতে বছর পেরিয়ে যেতে থাকে কিন্তু চাকুরি আর পাইনা মাহাফুজ আর কবির। শেখ আহম্মদের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে জুতার সুখতলা ক্ষয় করেও যখন টাকা ফেরৎ পাচ্ছে না এমন এক পর্যায়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে তারা জজ কোর্টের শেখ আহম্মদের ফটোকপির দোকানে তালা মেরে দেয়। এ নিয়ে অনেক সালিস দরবারের পর আহম্মদের স্ত্রী গুলশান আরার হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ১১ লক্ষ টাকা ফেরৎ দেওয়া হয় তাদেরকে। শুধু মাহাফুজ আর কবিরই নয় এরকমের অনেককেই চাকুরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে আহম্মদের বিরুদ্ধে। টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীরা শেখ আহম্মদকে পথে-ঘাটে ঘেরাও করতে থাকলে ভুক্তভোগীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য গত বছর শেখ আহম্মদ ঘুমের ঔষধ খেয়ে আত্মহত্যার নাটক করে। কিন্তু পরিবারের লোকজন প্রচার করে হার্ট এ্যাটার্ক করেছে। কয়েক দিন কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেখ আহম্মদ চিকিৎসার নাম করে ঢাকায় চলে যায়। এর পর থেকে সে লাপাত্তা। প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া বিপুল পরিমাণ এই অর্থ দিয়ে শেখ আহম্মদ আলী এনএস রোডস্থ কারামায় চাইনিজের নিচে একটি দোকান ক্রয় করেছে। নফরশাহ’র মাজারের কাছে ৩ কাঠা জমি এবং শ^শুড় বাড়ি ছেঁউড়িয়ায় বিশ^াসপাড়া ও মন্ডলপাড়ায় কয়েক বিঘা জমি কিনেছে বলে জানা গেছে। কথায় বলে বাপকা বেটা। বাপের চাইতে কোন অংশেই কম যায় না ছেলে নেহাল হাসনাইন ওরফে প্রিন্স। কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে পড়া অবস্থায় বখাটের খাতায় নাম লেখায়। বখাটেপানার কারণে বন্ধুরা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত অবস্থায় জিলা স্কুলের সামনের রাস্তায় ফেলে রাখে। বেশ কয়েক দিন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি থাকা লাগে প্রিন্সকে। কলেজে পড়া অবস্থায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের কিশোরী কন্যাকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে বখাটে প্রিন্স। এ ঘটনায় প্রিন্স ও তার প্রতারক পিতা শেখ আহম্মদ আলীর নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নারী ও শিশু অপহরণ মামলা দায়ের হয়। পরে পুলিশের হাতে কিশোরীসহ প্রিন্স আটক হয়। বেশ কিছু দিন গারদে থেকে মুক্তি পাই প্রিন্স। উপয়ান্তর না পেয়ে শেখ আহম্মদ ছেলেকে ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেয়। এই বলে প্রচার করা হয় ছেলে জার্নালিজমে মাষ্টার্স পাশ করেছে। আদৌও সে জার্নালিজমে মাষ্টার্স পাশ করেছে কিনা এ নিয়েও যথেষ্ট গুঞ্জন রয়েছে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা যাই হোক না কেন ছেলে ঢাকার একটি পত্রিকার সাংবাদিক তাই প্রতারক আহম্মদ বেপরোয়া। রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

দুর্র্ধষ সন্ত্রাসী বাহিনীর মফিজকে একটি সর্টগান তিন রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার
                                  

উজ্জ্বল রায়:

নড়াইলের দুর্র্ধষ সন্ত্রাসী মফিজুল ইসলাম মফিজকে (৩৭) অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছেন র‌্যাব-৬ ক্যাম্পের সদস্যরা। দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর বাজারের আরজি হোমিও কিনিকের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মফিজ (৩৭) নড়াইলের ভোমবাগ গ্রামের মৃত জালাল বিশ্বাসের ছেলে। র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের এএসপি খোদাদাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল ফোর্স গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে তুলরামপুর বাজারে অবস্থান নেয়। তারা ওই কিনিকের সামনে পৌঁছালে এক ব্যক্তি দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পিছুৃ ধাওয়া করে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় আটক ব্যক্তির নাম মফিজ। তার বাড়ি নড়াইলের কালিয়ায়। শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর বাজারের আরজি হোমিও কিনিকের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয় তার কাছ থেকে একটি সর্টগান ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তার নামে নড়াইল সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। পরে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, মফিজের নামে নড়াইলের কালিয়া থানায় ৫ টি মামলা রয়েছে। সে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করে থাকে। মফিজের বিরুদ্ধে দখলবাজি, নারীপাচার, চাঁদাবাজি, মারামারি, অপহরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তার ভয়ে এলাকাবাসী সন্ত্রস্থ।

গৌরীপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে পিতা খুন
                                  

মজিবুর রহমান:

ময়মনসিংহ গৌরীপুরে শনিবার (১১ মার্চ) মাদকাসক্ত পুত্রের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পিতা খুন হয়েছে। নিহত ব্যক্তি পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়া মহল¬ার মৃত শহর আলীর ছেলে মজিবুর রহমান (৫৫)। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়- মজিবুর রহমানের ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে। বড় ছেলে সুজন (২৫) প্রায়ই বাসায় নেশার টাকার জন্য মা-বাবার সাথে ঝগড়া করতো। গত ৪ মার্চ রাতে এমনি ঝগড়ার এক পর্যায়ে মজিবুর রহমানের আতœচিৎকার শোনা যায়। প্রতিবেশিরা ছুটে গিয়ে দেখে সুজন তার বাবাকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মারা যান। সুজনকে নেশার জগৎ থেকে ফেরানোর জন্য একাধীকবার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রেখে চিকিৎসা করিয়েও ব্যার্থ হয়েছে তার পরিবার।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার আহাম্মদ জানান- লাশ পোষ্ট মর্ডামের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ১০।


   Page 1 of 12
     অপরাধ জগত
লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ গাইড বইতে বাজার সয়লাব
.............................................................................................
কালীগঞ্জে প্রতারক সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী গ্রেফতার
.............................................................................................
আদমজী সন্স দূর্নীতির রাহুগ্রাসে ॥ নেপথ্যে সংরক্ষণ প্রকৌশলী
.............................................................................................
শশুরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কুলিয়ারচরে ভাতিজাকে খুন, অবশেষে খুনি চাচা গ্রেফতার
.............................................................................................
সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ আবার বন্ধ
.............................................................................................
শেরপুরে পছন্দের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে না দেয়ায় যুবকের আত্মহত্যা
.............................................................................................
ছায়াবিঁথীতে সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তায় অনৈতিক ব্যবসা
.............................................................................................
অসামাজিক কার্যকলাপে খদ্দেরসহ মা ও মেয়ে কে আটক
.............................................................................................
সাঘাটায় কৃষক হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
.............................................................................................
বড়াইগ্রামে ৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক একজন
.............................................................................................
স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে যুবক আটক
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় তিনজনের ফাসির আদেশ
.............................................................................................
রেজিস্ট্রেশন বিহীন মটরসাইকেল ও ইয়াবা ব্যবসায়ী তারক হাজরাসহ ৫জন আটক
.............................................................................................
বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে কুষ্টিয়ার শেখ আহম্মেদ লাপাত্তা
.............................................................................................
দুর্র্ধষ সন্ত্রাসী বাহিনীর মফিজকে একটি সর্টগান তিন রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার
.............................................................................................
গৌরীপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে পিতা খুন
.............................................................................................
নড়াইলে ২২ পিচ ইয়াবা সহ আটক ১
.............................................................................................
১০০পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক
.............................................................................................
ভালুকায় এক ইভটেজারের ভ্রাম্যমান আদালতে জেল জরিমানা
.............................................................................................
বিশ্বম্ভরপুরে হাসান উদ্দিন ভূট্রো’র খুনিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন
.............................................................................................
৩ লাখ টাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে জমি বিক্রী ১৫ লাখ টাকা আত্মসাত
.............................................................................................
প্রতারনা করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা
.............................................................................................
ফেসবুকে অশ্লীল ছবি, দুই বোন ঘরবন্দি
.............................................................................................
সোনাইমুড়ীতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আটক
.............................................................................................
ভালুকায় ইয়াবা সহ আটক - ৬
.............................................................................................
নগরকান্দায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার
.............................................................................................
শ্রীনগরে ফেন্সিডিল সহ ১জন আটক
.............................................................................................
বেনাপোলে পিস্তলও ম্যাগাজিনসহ অস্ত্র ব্যাবসায়ি আটক
.............................................................................................
বড়াইগ্রামে গাঁজা বিক্রয়ের দায়ে ২ জনের কারদন্ড
.............................................................................................
গৃহবধুকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা
.............................................................................................
নড়াইলে ফেনসিডিল সহ একাধিক ইয়াবা মামলার আসামী আটক
.............................................................................................
ঘোড়াঘাটে ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক
.............................................................................................
নড়াইলে ডিবি পুলিশের হাতে ফেন্সি ব্যবসায়ী মাতুব্বর আটক
.............................................................................................
ডিমলায়-মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
.............................................................................................
ফেনীতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে ৩ পরিবারকে অবরুদ্ধ
.............................................................................................
শ্রীপুৃরে দু’ ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার
.............................................................................................
ধর্ষন ও ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগে পৃথক ২টি মামলা দায়ের এ গ্রেফতার-২
.............................................................................................
নড়াইলে সিপনের ইয়াবা সেবনের দৃশ্য মোবাইলে তুলা নিয়ে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম
.............................................................................................
গৌরীপুরে হত্যার ঘটনায় আসামীদের পরিবার-পরিজন গ্রাম ছাড়া
.............................................................................................
ভোলায় স্কুল শিক্ষক কর্তৃক অসহায় মোশারেফ এর জমি দখল করে ভবন নির্মাণ
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে চোরাই মোটর সাইকেলসহ গ্রেফতার ৩
.............................................................................................
আপন চাচার পরিবার ধ্বংশ করলো ভোলার ভুমিদুস্য কাদের
.............................................................................................
বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের যত কর্মকান্ড
.............................................................................................
নড়াইলে ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ ঢাকার (আরআরএফ) পুলিশের কনস্টেবল আটক
.............................................................................................
নড়াইলে ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল আটক
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জে বাসার তালা ভেঙ্গে মোটর সাইকেল চুরি
.............................................................................................
ভ্যানচালক আবু বকর সিদ্দিক হত্যা মামলায় ছয় আসামীর ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
গাইবান্ধায় ভূয়া সাংবাদিকের একমাস কারাদন্ড
.............................................................................................
নড়াইলে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল ইদার আটক
.............................................................................................
সাঁওতাল পল্লীতে অগ্নিসংযোগে কিছু পুলিশ জড়িত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]