| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জলঢাকায় গ্রীষ্মকালিন তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মূখে উজ্জ্বল হাঁসি!

মোঃ মশিয়ার রহমান:


শাহিনুজ্জামান খোকন (৩৫), বাবা আফছার আলী কাজ করেন কায়িক শ্রমের। স্বনির্ভর বাংলাদেশ কৃষি বিপ্লবের নেই শেষ এ ধারণা টুকু বাংলার গড়ে-গড়ে পৌছে দিয়েছে সফল কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। উৎপাদনে সরকার কর্তৃক ভর্তুকিও পাচ্ছে কৃষক। এ সুযোগটি থেকে খোকনও পিছপা হয়নি নিজ উদ্যোগে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বালুর চরাঞ্চলে আবাদ করেছে গ্রাষ্মকালিন ফসল তরমুজ। এর আগে ঐ জমিতে ভুট্টার আবাদ করে যা পারিশ্রমিক পেয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। খোকন এক বিঘা জমিত তরমুজের বীজ রোপন করে চরাঞ্চলে সবুজের সমারহ সৃুষ্ট করেছে। উত্তরের বিভিন্ন স্থান থেকে আশা পাইকাররা তার ক্রয় করছে আবাদকৃত তরমুজ গুলো। প্রথম অবস্থায় এর দাম বেশি থাকলেও মাস খানিক না কাটতেই এর দাম চলে আসে সর্ব নি¤েœ। মঙ্গলবার চরাঞ্চলে এ প্রতিবেদক কৃষকদের আবাদকৃত তরমুজ দেখতে গিয়ে বাম্পার ফলনে দৃষ্টি নন্দন হয়। কৃষক খোকন জানায়, প্রতিবারেই বিভিন্ন ফসল আবাদ করি ভাবলাম এবার তরমুজ আবাদ করে কত টাকা ঘরে নিয়ে আসতে পারি। তার পরেও ভয় থেকে গিয়ে ছিল প্রাকৃতিক দূর্যোগের। এমনিতে মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি দেখা যায়। বলেই জমির ফল জমিতেই পাইকারদের কাছে বিক্রি করেছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ শাহ মুহাম্মাদ মাহফুজুল হক বলেন, উৎপাদনে জেলার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে এ উপজেলা। কৃষি কাজ করে ভাগ্য খুলেছে এ অঞ্চলের মানুষের। জলঢাকা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মানিক লাল দত্ত বলেন, বিভিন্ন ফসলের পাশা-পাশি ফল চাষ নিঃসন্দেহে দারিদ্র দূরীকণের সহায়ক। বাড়ীর আশ-পাশেই পরিত্যক্ত জায়গায় যদি প্রত্যেকেই ফল করে তাহলে পুষ্টিহীনতায় ভূগবেনা এ উপজেলার মানুষ। 

জলঢাকায় গ্রীষ্মকালিন তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মূখে উজ্জ্বল হাঁসি!
                                  

মোঃ মশিয়ার রহমান:


শাহিনুজ্জামান খোকন (৩৫), বাবা আফছার আলী কাজ করেন কায়িক শ্রমের। স্বনির্ভর বাংলাদেশ কৃষি বিপ্লবের নেই শেষ এ ধারণা টুকু বাংলার গড়ে-গড়ে পৌছে দিয়েছে সফল কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। উৎপাদনে সরকার কর্তৃক ভর্তুকিও পাচ্ছে কৃষক। এ সুযোগটি থেকে খোকনও পিছপা হয়নি নিজ উদ্যোগে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বালুর চরাঞ্চলে আবাদ করেছে গ্রাষ্মকালিন ফসল তরমুজ। এর আগে ঐ জমিতে ভুট্টার আবাদ করে যা পারিশ্রমিক পেয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। খোকন এক বিঘা জমিত তরমুজের বীজ রোপন করে চরাঞ্চলে সবুজের সমারহ সৃুষ্ট করেছে। উত্তরের বিভিন্ন স্থান থেকে আশা পাইকাররা তার ক্রয় করছে আবাদকৃত তরমুজ গুলো। প্রথম অবস্থায় এর দাম বেশি থাকলেও মাস খানিক না কাটতেই এর দাম চলে আসে সর্ব নি¤েœ। মঙ্গলবার চরাঞ্চলে এ প্রতিবেদক কৃষকদের আবাদকৃত তরমুজ দেখতে গিয়ে বাম্পার ফলনে দৃষ্টি নন্দন হয়। কৃষক খোকন জানায়, প্রতিবারেই বিভিন্ন ফসল আবাদ করি ভাবলাম এবার তরমুজ আবাদ করে কত টাকা ঘরে নিয়ে আসতে পারি। তার পরেও ভয় থেকে গিয়ে ছিল প্রাকৃতিক দূর্যোগের। এমনিতে মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি দেখা যায়। বলেই জমির ফল জমিতেই পাইকারদের কাছে বিক্রি করেছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ শাহ মুহাম্মাদ মাহফুজুল হক বলেন, উৎপাদনে জেলার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে এ উপজেলা। কৃষি কাজ করে ভাগ্য খুলেছে এ অঞ্চলের মানুষের। জলঢাকা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মানিক লাল দত্ত বলেন, বিভিন্ন ফসলের পাশা-পাশি ফল চাষ নিঃসন্দেহে দারিদ্র দূরীকণের সহায়ক। বাড়ীর আশ-পাশেই পরিত্যক্ত জায়গায় যদি প্রত্যেকেই ফল করে তাহলে পুষ্টিহীনতায় ভূগবেনা এ উপজেলার মানুষ। 

জলঢাকায় রাজস্ব খাতের পেঁয়াজ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস
                                  

মোঃ মশিয়ার রহমান:


পেঁয়াজ চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নীলফামারীর জলঢাকায় মঙ্গলবার পেঁয়াজ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জলঢাকার আয়োজনে কৈমারী ইউনিয়নের কান্ডেশ্বর খলান এলাকায় রাজস্ব খাতের অর্থায়নে বাস্তবায়িত পেঁয়াজ প্রদর্শনীর এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। আদর্শ কৃষক আজগার আলীর সভাপতিত্বে জলঢাকা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিভা আক্তার এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আমজাদ হোসেন। প্রধান অতিথি কৃষক বান্ধব সরকারের এহেন কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করেন। উপজেলা কৃষি অফিসার পেঁয়াজের গুরুত্ব ও চাষাবাদের কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিসমূহ গ্রহন করাসহ পেঁয়াজ চাষাবাদ বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের উৎসাহ প্রদান করেন। মাঠ দিবসে কৈমারী ইউনিয়নের প্রায় ১৫০ জন কৃষক-কৃষাণী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে কৃষক র‌্যালী
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

“পেয়ারাফল দেহে আনেবল খেতে ভারিমজাভিটামিনেররাজা”“বাড়িরপার্শ্বে সজিনা, কাঁচকলাসবজিপাবেন রোজ দু’বেলা”এই সব শ্লোগাননিয়েকুষ্টিয়ারসদরউপজেলায়আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সচেতনতাবাড়াতে কৃষকর‌্যালীহয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় মুজিবনগরসমন্বিত কৃষিউন্নয়নপ্রকল্পেরসহায়তায় ও কুষ্টিয়াসদরউপজেলা কৃষিসম্প্রসারণঅধিদপ্তর’রআয়োজনেএকটিবর্ণাঢ্য র‌্যালী বেরকরাহয়। র‌্যালীটিউপজেলাচত্তর থেকে বেরহয়েশহরেরবিভিন্নসড়কপ্রদক্ষিণকরেউপজেলায়এসে শেষ হয়। সদরউপজেলা কৃষিঅফিসার সেলিম হোসেন’রপরিচালনায়র‌্যালীতে অংশ গ্রহনকরেনপ্রধানঅতিথি অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিসম্প্রসারণঅধিদপ্তরযশোরঅঞ্চলযশোরেরচন্ডীদাসকুন্ডু,ওবিশেষঅতিথি গন জেলাপ্রশিক্ষণকর্মকর্তাডিএইকুষ্টিয়া, খুরশিদ আলম, মুজিবনগরসমন্বিত কৃষিউন্নয়নপ্রকল্পের উপ- প্ররিচালকরুহুলকবির, অতিরিক্ত পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) ডিএইকুষ্টিয়ারবিভাস চন্দ্র সাহা, সদরউপজেলামাধ্যমিকশিক্ষাকর্মকর্তা, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনাকর্মকর্তা, যুবউন্নয়নকর্মকর্তাসহ দুইশতাধিক কৃষক কৃষাণী। পরেআধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সমুহেরউপরকৃষক কৃষাণীদেরকেনিয়েএক মতবিনিময়সভাঅনুষ্ঠিতহয়।

ধোবাউড়ায় ৪০০ একর জমির ফসল পানির নিচে।
                                  

শামসুল হক মৃধা ,ধোবাউড়া(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষন আর পাহাড়ী ঢলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় প্রায় ৪০০ একর জমির বুরো ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে নষ্ট হওয়ার আশংকায় হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা। কেউ কেউ কৃষি ব্যাংক থেকে ঋন নিয়ে ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে বেড়াচ্ছেন। বাঘবেড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরহাদ রব্বানী সুমন জানান চন্ডিকান্দা,ঝিগাগাছিয়া ও গেইরাবিলে প্রায় ১৫০ একর,গোয়াতলা ইউনিয়নের কৃষক আরজ আলী বলেন আমার কয়েক একরসহ বাতুয়াকুড়ি বিলের প্রায় ৩০ একর,পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বপন তালুকদার জানান নিদইয়া বিল,বরবিল,পদনাইবিল,পাতাম,কালিনগর,শ্রীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১৫০ একর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়াও কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় ধোবাউড়া সদর,দক্ষিণ মাইজপাড়া ও ঘোষগাঁও এলাকার কিছু কিছু জমি পানির নিচে রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন যে ধানগুলোতে তৌড় ছেড়েছে সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙকা রয়েছে।

গোপালগঞ্জের কৃষকদের বারি ২ জাতের সূর্য্যমুখি চাষে সাফল্য
                                  

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জে কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি ২ জাতের সূর্য্যমুখি ট্রায়েলে সাফল্য এসেছে। এ সূর্য্যমুখির বীজ সংরক্ষণ করে কৃষক আগামী আবাদ করতে পারবেন। হাইব্রীড সূর্য্যমুখির মতোই এ সূর্য্যমুখি বিঘায় ১৮ মন উৎপাদিত হয়। আগে হাইব্রীড সূর্যমুখি ছাড়া অন্য কোন জাতের সূর্য্যমুখি ছিলো না। ফলে কৃষক পরবর্তী বছরের চাষাবাদে জন্য বীজ রাখতে পারতে না। প্রতি কেজি হাইব্রীড বীজ ১৬ শ’ টাকায় ক্রয় করতে হতো। এ কারণে কৃষক সূর্য্যমুখি চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো।

বারি ২ জাতের সূর্য্যমুখির বীজ সহজ লভ্য। প্রতি কেজি বীজের মূল্য ২ শ’ ৫০ টাকা। এছাড়া কৃষক এ সূর্য্যমুখি আবাদ করে পরবর্তী বছরের জন্য এ বীজ সংরক্ষণ করতে পারেন। ফলে আগামীতে সূর্য্যমুখি চাষ সম্প্রসারিত হবে বলে কৃষি বিভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। বারি ২ জাতের সূর্য্যমুখি চাষাবাদের উন্নত প্রযুক্তির উপর কৃষক মাঠ দিবস থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞরা এ সব তথ্য জানান।

গতকাল গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা গ্রামে পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প আয়োজিত এ মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের ডিডি সমীর কুমার গোস্বামী। প্রকল্পের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম খায়রুল বাসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মাঠ দিবসে গোপালগঞ্জ হর্টি কালচার সেন্টারের ডিডি মোঃ আব্দুল মজিদ, জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ব্রক্ষ, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হরলাল মধু, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, বৈজ্ঞানিক সহকারী ওয়ালিউর রহমান, কৃষক মোঃ আমজাদ ফকির, মোঃ জাফরউল্লাহ মোল্যাা বক্তব্য রাখেন।

গোবরা গ্রামের কৃষক মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, এ জাতের সূর্য্য মুখি বিঘায় ১৮ মন ফলেছে। কলাই ফসলের তুলনায় এ ফসল চাষাবাদ লাভজনক। আগে হাইব্রিড সূর্য্যমুখির চাষ করেছি। সে সুর্য্যমুখির বীজ রাখা যেত না। পরিবর্তী বছর ১৬ শ’ টাকা দিয়ে প্রতি কেজি বীজ কিনে এনে আবাদ করতে হতো। হাইব্রিডের তুলনায় এ সূর্য্যমুখির ফলন বেশি। নতুন এ সূর্য্যমুখির বীজ রাখা যায়। ফলে আমাদের এলাকায় এ সূর্য্যমুখির চাষ সম্প্রসারিত হবে।

পিরাজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম খায়রুল বাসার বলেন, ভোজ্য তেল হিসেবে সূর্য্যমুখির তেল মানব দেহের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ। এর চাষাবাদ সম্প্রসারিত করতে কৃষি গবেষণা ইনষ্টিউট বারি ২ সূর্য্যমুখি জাত উদ্ভাবন করেছে। গোপালগঞ্জে এ বছর প্রথম এ জাতের ট্রায়েলে সাফল্য এসেছে। সূর্য্যমুখি চাষ সম্প্রসারিত হলে ভোজ্য তৈলের আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে দেশ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

জলঢাকায় সরিষা প্রদর্শনীর বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ
                                  

জলঢাকা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকায় বৃহস্পতিবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের  আয়োজনে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে স্থাপিত সরিষা প্রদর্শনীর উপকরণ বিতরণ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হকের সঞ্চালনায় উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ: রাশেদুল হক প্রধান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিভা আক্তার, অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান, প্রাক্তন মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান খোকন, গোলমুন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসাইন, শৌলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রাণজিৎ রায় পলাশ। বাস্তবায়িত ২০ টি সরিষা প্রদর্শনীর কৃষকদেরকে সরিষা বীজ সংরক্ষনের জন্য আধুনিক বীজ সংরক্ষণ পাত্র প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষক বান্ধব সরকারের কোন প্রকল্প বা কর্মসূচি ছাড়াই এই ধরনের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিসমূহ গ্রহণ করে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান।

জলঢাকার চাষীরা ধান ও সবজি চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছে
                                  

জলঢাকা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা সহ ৬ টি উপজেলার চাষীরা খাদ্যশস্য উৎপাদনে এখন ব্যতিব্যস্ত। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ বোরো ও আমন মৌসুমে সুগন্ধি ধান চাষ করা সম্ভব করে দিয়েছে বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তি। এ অঞ্চলের মানুষ দারিদ্রতাকে ডিঙ্গিয়ে ইচ্ছা শক্তি কাজে লাগিয়ে উচ্চ ফলনশীল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সুগন্ধি চাউল উৎপাদন করে এখন উত্তরের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা হচ্ছে। ফুল আশা থেকে পরিপক্কতা পর্যন্ত যথাযথ সুগন্ধি শস্য দানার প্রয়োজন সামান্য আর্দ্রাতা, মৃদু বাতাস, শিতল রাত্রী এবং রৌদ্রজ্জ্বল দিন। সব ধরণের মাটিতে এ খাদ্যশস্য উৎপাদন করা যায়। কাঁদাময় বীজতলায় অঙ্কুরিত বীজ রোপন করতে হয়। কাঁদা বেশি হলে বীজ মাটিতে ডুবে যায়। বুধবার সরেজমিনে গেলে জলঢাকা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, এ ফসল মার্চ থেকে অক্টোবার মাসে উৎপাদিত হয়। বেশিরভাগ ক্ষতিকর পোকাড় আক্রমণ শুধু পোকামাড়ের কারণে প্রতি বছর গড়ে ২০% উৎপাদন ১৫% চিনি আহরণ হৃাস পায়। বাংলাদেশের বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠির খাদ্য ও পুুষ্ঠির চাহিদা মেটাতে আয়-রোজগার বাড়াতে গবাদি প্রাণী ও হাঁস-মুরগি প্রতিপালনের গুরুত্ব অপরিসীম। নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মানিক লাল দত্ত বলেন, দারিদ্র জনগোষ্ঠির নাজুক অর্থনীতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অধিক নির্ভরতা পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের মূলে রয়েছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা এ তামাত্রার উপর নির্ভর করে পানি, বরফ, তরল ও বাষ্পীয় অবস্থান করে ফলে বায়ু প্রবাহ অব্যাহত থাকে।   

জলঢাকায় তিস্তার চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন
                                  

জলঢাকা প্রতিনিধি:

ধূ-ধূ তিস্তার বালু চরে অন্য কোন কিছু চাষাবাদ না হলেও মিষ্টি কুমড়া, তরমুজ, ভুট্টা সহ সহনশীল জাতীয় ফসল আবাদ করে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষ। নীলফামারীর জলঢাকার চর হলদি বাড়ী ও ডিমলা উপজেলায় তিস্তার নদীর গর্ভ থেকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে অন্যান্য কৃষি ফসলের মধ্যে মিস্টিকুমড়ার চাষ করে তিস্তা পারে কৃষক-কৃষানিরীর মুখে উজ্জ্বল হাসির ঝিলিক দেখা গেছে। গত বছরের তুলনায় তিস্তার ধু-ধু বালু চরে বেশি ভাগেই দেখা মিলে কুমড়ার ক্ষেত আর ক্ষেত। উপজেলা তিস্তা নদীর বালু চরে কুমড়ার হলুদ ফুলে নান্দনিক শোভায় মুগ্ধ কৃষক-কৃষানি, তা দেখে থমকে দাঁড়ায় মেঠো পথ দিয়ে চলা হাজারো মানুষ। এবারে বালু চরে বাম্পার কুমড়ার ফলন পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফোটার দৃশ্যের দেখা মিয়ে তিস্তার চরে।  সরেজমিনে উপজেলা তিস্তা চর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যে  বালুর চরে কোনদিন ভালোমত কোন ফসল ফলানো সম্ভব হয়নি সেই খসখসে তপ্ত বালু চরে কুমড়ার চাষে হলুদ আর সবুজে ছেয়ে গেছে। চরের মাঝে লতাপাতা যুক্ত কুমড়া গাছে ডালে ডালে হলুদ আর বড় বড় মিস্টি কুমড়া যা বর্তমানে সকলের নজর কেরেছে। এসব চরে কৃষক-কৃষানি কোন দিন ভাবতে পারেনি ধু-ধু বালু চরে ফসল ফলানো সম্ভব হবে। তবে এবারের মৌসমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের পরামর্শে কৃষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায়  চলতি মৌসমে উপজেলায় কুমড়ায়র বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান জলঢাকা উপজেলার উৎপাদিত কুমড়া নিজ এলাকার চাহিদা পূরণ করে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হচ্ছে। তিস্তা ও ভাবনচুরের গোলনা  ইউনিয়নের চর এলাকার কৃষক রোস্তাম আলী ও কৃষানী অলিমা বেগম ও আব্দুল গফুর, জানান তাদের তিস্তা নদীর জেগে উঠা চরে সামান্য খরচে কুমড়ার বীজ রোপন করে তাতে অনেক টাকার কুমড়া বিক্রি করেছে। আরও যে পরিমান কুমড়া রয়েছে তাও বেশ লাভবান হবে বলে জানান।

১৭০ জন কৃষককে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরন
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে খরিপ-১/২০১৭-১৮ মৌসুমে আউশ ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক আয়োযিত আউশ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১৭০ জন কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরন করা হয়।

সার বিতরন উদ্ধোধনী অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম রাব্বানী,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তরু বালা রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো:আইয়ুবুর রহমান শাহ্ ,উপজেলা কৃষি অফিসার মো মাহমুদুল হাসান, কৃষি সম্পসারন কৃষিবিদ মো:শরিফুল ইসলাম,কৃষি সম্পসারন বিভাগের উপ-সহকারী বৃন্দ সহ দুই শতাধিক কৃষক কষাণীগন।

প্রতিজন কৃষক বিঘা প্রতি ৫ কেজি বীজ, ইউরিয়া২০ কেজি, ডিএপি১০ কেজি, এমওপি১০ কেজি এবং সেচ খরজ বাবদ মোবাইল একাউন্টের মাধ্যমে ৪ শত টাকা, এছাড়া নেরিকা আউশ চাষে ১০ জন কৃষকে প্রতিজন বিঘা প্রতি ১০ কেজি বীজ, ইউরিয়া ২০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি-১০ কেজি এবং সেচ খরচ বাবদ ৪ শত টাকা, আগাছা দমন বাবদ ৪ শত টাকা মোবাইল একাউন্টের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি কুমড়া জাতীয় সবজির সেক্স কেরোমন ট্রাপ ব্যবহারের জন্য ৫ জন কৃষককে প্রতিজন কৃষককের জন্য ৫০ শতকের জন্য ১৮টি পট এবং ৩৬টি লিউর সরবরাহ করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান জানায়, আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে সরকার কর্তৃক গৃহীত এ প্রণোদনা কর্মসূচী কৃষকের আউশ চাষে উৎসাহিত করেছে। এ কর্মসূচরি আওতায় উফশী  আউশ চাষে ১৭০ জন কৃষককে প্রণোদনা প্রদান করা হয়।

রসুনের উৎসবে ভাসছে চিরিরবন্দর
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

যেদিকে তাকাই শুধু নজরে আসে রসুন আর রসুন। মাঠ থেকে রসুন তুলে বিভিন্ন জায়গায় বস্তা কওে রাখা হয়েছে। বাম্পার ফলন, দামো খুব ভালো। প্রতি বস্তা রসুন ৪ হাজার টাকা দওে বিক্রি হচ্ছে।
এবারে রসুন চাষে উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় ৩ গুন বেশী লাভ হচ্ছে। রসুন মাঠে এমন অবস্থা দেখে মনে হয় কোন উৎসব শুরু হয়েছে চিরিরবন্দরের রসুনের মাঠ গুলোতে। উপজেলার দিগন্ত মাঠে শুধুই রসুনের শ্রমিক। কেউ উত্তোলন করছে, কেউবা রসুনের গাছ কাটছে, আবার কেউ রসুন শুকানো হলে বাজাওে নিয়ে যাওয়ার জন্য বস্তাকরছে। কোনধরনেরধম ফেলারসুযোগ নেইচাষি ও শ্রমিকদের।  এমন কি বহিরাগত মহিলা শ্রমিক এসে মেটাচ্ছেন রসুন উত্তোলনের চাহিদা।

উপজেলা কৃষি সম্পাসারন সূত্র বলছে, চলতি মৌসুমে রসুনের ভালো দাম থাকায় রেকর্ড পরিমান জমিতে রসুনের চাষাবাদ করা হয়েছে। এ বছর ৩ শত ৪৭ হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু রসুন চাষ হয়েছে ৬শত ৮০ হেক্টও জমিতে। যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকের পাশাপাশি অনেক দিন মজুর রসুন চাষ করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। দেখা দিয়েছে চাষির মুখে হাসির ঝিলিক।

বিশিষ্ট রসুন চাষী রফিকুল ইসলাম জানান, দুই বিঘা জমিতে রসুন চাষে বীজ, সার, বপন, হালচাষ, নিড়ানী ও অন্যান্য খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৮০ মণ। যার বর্তমান বাজারমূল্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। উৎপাদন ও আনুসাঙ্গিক খরচ দিয়ে মুনাফা থাকে প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মত।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান জানান, উত্তরবঙ্গে কৃষি শস্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে বৃহত্তর চিরিরবন্দর উপজেলা। এই অবদান চিরিরবন্দর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের। তিনি আরো জানান,  চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রসুন ক্ষেতে কোন ধরনের ইনজুড়ি কিংবা অন্যান্য রোগের আক্রমণ কম হয়েছে।

ঘোড়াঘাটে ভূট্টার আবাদ ভালো হওয়ায় খুশি চাষিরা
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ধানের তুলনায় বেড়েছে ভূট্টার আবাদ। চলতি মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব না হলেও ভূট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধান আবাদ করে অব্যহত লোকসান গুনতে হয়। তাই কৃষকরা ঝুঁকছেন ভূট্টা আবাদে। তুলনামুলক দাম ভালো পাওয়ার আসায় খুশি এ অঞ্চলের ভূট্টা চাষিরা। সরকার ভুট্টা ক্রয়ে উদ্ব্যোগ নিলে আরও দাম পেতো কৃষক।দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় এবার বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১২ হাজার হেক্টর জমিতে। এর স্থলে আবাদ হয়েছে ১০ হাজার  হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হাজার হেক্টর কম। ঘোড়াঘাট উপজেলায় ভূট্টা চাষ হয়েছে ২ হাজার হেক্টর জামিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধানের চেয়ে ভূট্টা আবাদ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। আর এর ফলে বেড়েছে ভূট্টার চাষ। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এখলাছ হোসেন সরকার  বলছেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এঅঞ্চলের ভূট্রার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘায় ৩২ থেকে ৩৫ মন ফলন পাওয়ার আসা করছেন। প্রতি মন ভুট্টা ৪শ থেকে ৫শ টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে।ধান ও চালের মতো সরকারী ভাবে ভূট্টা ক্রয়সহ পোল্ট্রি ফিডের পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্য তালিকায় ভূট্টার ব্যবহার বাড়ানো গেলে কৃষকরা ভূট্টা চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন ভূট্টা চাষিরা।

আম গাছের মুকুলের সমারোহ ভাল ফলনের সম্ভাবনা
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এই বছর আমের গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ দেখা দিয়েছে। আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে এখন মাতোয়ারা চারিদিকে। ডালে ডালে সোনালী মুকুল গুলো যে উজ্জ্বল রৌদের মত ভাসছে। আম গাছ গুলোতে ফাল্গুন মাসের প্রথম দিক থেকেই প্রচুর কুড়ি এবং মুকুলের সমারোহ হয়। গাছ ভর্তি মুকুল বর্তমানে গুটিতে রুপান্তর হতে যাচ্ছে। গোটা আম বাগানের গাছ গুলো মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে। এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর লক্ষাধিক গাছের আমের মুকুল এসেছে। ফাল্গুন মাসের শুরুর প্রথম থেকেই আম উৎপাদনের জন্য অনুকুল আবহাওয়া রয়েছে বলে আম চাষী ও বাগান ব্যবসায়ীরা জানান। পুরনো আম বাগানের পাশাপাশি ফসলের আবাদী জমিতেও এবার অনেক উদ্যোক্তা আম বাগান তৈরী করেছেন। একই ভাবে আম বাগান তৈরী ছাড়াও অনেক কৃষক আবাদী জমিতে সাথী ফসল হিসেবে আম বাগান লাগিয়েছেন। এবার ফজলি আম, রুপালী গাছে বেশি মুকুল ফুটতে দেখা যাছে। এছাড়া দেশিও উন্নত জাতের ল্যাংড়া, খিরসাপাতি, গোপালভোগ, লক্ষনভোগ গাছে মুকুল আস্তে শুরু করেছে। আম চাষী ও আম বাগানের মালিকরা রুটিন মাফিক আম গাছের পরিচর্যা সহ কীটনাশক স্প্রে করে আমের উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফুট পাম্প এবং পাওয়ারপাম্প দিয়ে আম গাছে স্প্রে চলছে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আম বাগান গুলোতে মুকুল কেবল গুটি ধরতে শুরু করেছে। এবার আগাম জাতের আম গাছে মুকুল এসেছে দেরিতে। আম চাষীরা জানান, চলতি বছর আমের ফলন গত বছরের ফলনকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি। আগামী মে মাসে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আম গাছ থেকে আম ভাঙ্গানো শুরু হবে। প্রথমে বাজারে আসবে গোপাল ভোগ পরিচর্যাক্রমে ল্যাংড়া, খিসরাপাত, আ¤্রপালী, ফজলি আম সহ সবশেষ বাজারে আসবে আশ্বিনা আম। এব্যাপারে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি অফিসার সাফীয়ার রহমান জানান, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাতে এবার আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবছর আমের চাষ যেমন বেশি হয়েছে তেমনি আম গাছে মুকুল এসেছে বেশি। আম বাগান গুলোতে দেখা গেছে, ৯০% গাছে মুকুল এসেছে। অনুকুল আবহাওয়ায় এবং কৃষকরা আম বাগানের পরিচর্যা যতœবান হওয়ায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আমের উৎপাদন সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা বাদ ব্যক্ত করেন।

চিরিরবন্দরে রসালো লিচুরবাগান এখন মুকুলে ভরপুর
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর লিচুর জেলা হিসেবে সারাদেশব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে। এই জেলার ১৩টি উপজেলাতেই লিচু চাষ বেড়েই চলছে।এদিকে এবার মধুমাসের ফল  লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে দিনাজপুরের বৃহত্তর উপজেলা চিরিরবন্দরে। প্রতিটি লিচু গাছে শোভা পাচ্ছে থোকায় থোকায় মুকুল।প্রতি বছরই চিরিবন্দরে ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে লিচু চাষের জমির পরিমাণ। এখন সারা দেশে কম বেশি লিচু চাষ হলেও দিনাজপুরের লিচুর কদর আলাদা। রসালো ফল লিচু অনেকের কাছে ‘রসগোল্লাা’ হিসেবে পরিচিত।

চিরিরবন্দরলিচু চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবছর দিনাজপুরের ১৩ উপজেলার লিচু দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। লিচুর ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই উপজেলাতে লিচু চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।চিরিরবন্দরের লিচুর মধ্যে চায়না থ্রি, বেদেনা, বোম্বাই ও মাদ্রাজি, কাঁঠালী উল্লেখয্যেগ্য।  আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবারওএসব প্রজাতির লিচু চিরিরবন্দরে রেকর্ড পরিমাণ ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন।

উপজেলা কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,চলতি বছরে উপজেলায় ৫শত হেক্টর জমিতে লিচু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।এখন পর্যন্তউপজেলার লিচু বাগানে ও বসতবাড়ীতে অর্জিত লিচু গাছের মুকুল থেকেলিচুর গুটি ভাল রয়েছে। ভালো ফলনের আশায় লিচু চাষিরা পরিচর্যা পুরো দমে চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বাড়ির বসতভিটায় বা আঙ্গিনার লিচু গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। মুকুলের সঙ্গে ফুলে ফুলে মৌমাছির গুঞ্জন আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার ঝিঁ ঝিঁ শব্দে এলাকা মুখরিত হতে শুরু করেছে। লিচু বাগানগুলোতে ফুল আসা থেকে লিচু নামানো পর্যন্ত ৩-৪ মাস লিচু বাগানের সঙ্গে সমপৃক্তদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায়। ফুল আসার ১৫ দিন আগে এবং ফুল আসার ১৫ দিন পরে সেচ দিতে হয়। সেই অনুযায়ী গাছে মুকুল আসার সঙ্গে সঙ্গেই মুকুলকে টিকিয়ে রাখতে লিচু চাষি ও ব্যবসায়ীরা স্প্রে করে চলছেন। এছাড়াও মুকুল যাতে ঝড়ে না পড়ে সেজন্য গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি ও সার দেয়া হচ্ছে।

নশরতপুর ইউনিয়নের লিচু চাষি ভবেশ চন্দ্র জানান, লিচুর ফুল আসা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই পরিচর্যা শুরু করে দিতে হয়। নিয়মিত স্প্রে ও সেচ দেয়া শুরু হয়েছে। লিচু গাছগুলোতে ফুল আসতেই রাজশাহী, রংপুর, চট্রগ্রাম, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার লিচু ব্যবসায়ীরা আসতে শুরু করেছেন। তারা আগাম লিচু বাগান ক্রয় করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান জানান, লিচু চাষে ব্যঘাত না ঘটার জন্য কৃষি কর্মকর্তারা চাষীদেরকে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছে। কোন সময়ে কোন কীটনাশক, বালাইনাশক ব্যবহার করা উচিৎ তা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভুট্টা চাষে কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বৃহত্তর চিরিরবন্দরেবেশি লাভের আশায় ধান ছেড়ে লাভজনক ফসলভুট্টা আবাদে ঝুঁকছে চাষিরা। উপজেলার বিভিন্নএলাকা ঘুড়ে দেখা যায় চাষিরা গত এক মাস ধরে ভুট্টা পরিচর্য়ায় ব্যাস্ত সময় পার করেছে। তারা জানান, ভুট্টা আবাদে খরচ কম, ফলন বেশি। বাজারে দামও ভালো পাওয়া যায়। বোরো ধান আবাদের তুলনায় ভুট্টা আবাদে সেচ ও পরিচর্যা খরচ তুলনামূলক অনেক কম।

সম্প্রতি সরেজমিনে চিরিরবন্দরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠজুড়ে ভুট্টাক্ষেত। যেসব মাঠ গত বছরও বোরো ধানে পূর্ণ ছিল সেগুলো এবার সবুজ ভুট্টায় ভরে আছে। সাতনালা গ্রামের কৃষক মো:জাকির হোসেন জানান, জমি চাষ দিয়ে ভুট্টা রোপণ করার পর আর তেমন কাজ নেই। পরে এক বা দু’বার সেচ দিলেই হয়।তাছাড়া ভুট্টার ফলন ও পুষ্টি বেশি। পরিশ্রমও কম। ধানের তুলনায় ভুট্টায় লাভ বেশি এবং ভুট্টার চাহিদাও দেশ-বিদেশে সমানভাবে রয়েছে।

উপজেলা কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৭ শত ৮০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।  যা অর্জিত হয়েছে ১৮ শত ৫০ হেক্টর জমিতে। যা গতবছরের তুলনায় তিন গুন বেশি।এছাড়া ২০১৬সালে ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ শত ৩৫ হেক্টর জমি। যার অর্জিত হয়ে ছিলো ৫ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এ বছর এ আবাদের লক্ষমাত্রা বেড়েছে ১ শত ৪৫ হেক্টর জমি। যার অর্জিত বেড়েছে ১২ শত ৭০ হেক্টর জমিতে।

আলোকডিহি ইউনিয়নের গছাহার গ্রামের কৃষক সোহেল রানাজানান, ভুট্টা লাভজনক ফসল। প্রতিবিঘা ভুট্টা আবাদ করতে খরচ হয় ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। বিঘায় ফলন হয় ২২-৩০ মণ। আগাম উঠলে প্রতিমণ ভুট্টা ৫০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হবে।একই ইউনিয়নের বেলাল হোসেনবলেন, তিনি সারাবছরের জন্য গোখাদ্য এবং জ্বালানি পেয়ে যান। মেশিনের মাধ্যমে গাছ থেকে ভুট্টা ছাড়ানোর পর আটি/শাসগুলো স্থানীয় চা দোকানদাররা জ্বালানি হিসেবে ক্রয় করেন।

তেতুঁলিয়া গ্রামের কৃষক মো. মকবুল হোসেনজানান, ধানের আবাদ কমিয়ে লাভের আশায় গম ও ভুট্টা চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে গমের দাম ভালো পাওয়া গেলে আগামীতেও গম চাষ করবেন তিনি। নশরতপুর গ্রামের কৃষক জমির উদ্দিন বলেন, ধানের চেয়ে গম ও ভুট্টা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম লাগে। গমের দামও বেশি। তাই গম উৎপাদনে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো:মাহমুদুল হাসান জানান,ভুট্টালাভজনক ফসল চিরিরবন্দর উপজেলায় ধানের পরে ভুট্টার স্থানএ বছর ভুট্টার ফলন অনেক ভালো। তাছাড়া ধানের চেয়ে ভুট্টার সেচ সুবিদা অনেক বেশী।  আগামীদিনে চাষীরা আরও বেশি করে ভুট্টার চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বারি গম-২৮ ও বারি হাইব্রিড ভূট্টা-৯ এর উৎপাদন কর্মসূচীর উপর মাঠ দিবস
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড প্রকল্পের অর্থায়নে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া শাখার উদ্দ্যোগে বারি উদ্ভাবিত বারি গম-২৮ ও বারি হাইব্রিড ভূট্টা-৯ এর উৎপাদন কর্মসূচীর উপর মাঠ দিবস হয়েছে। সোমবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর চরাঞ্চলে মাঠ  দিবস অনুষ্ঠিতহয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জুলফিকার হায়দার প্রধান। প্রধান অতিতিতার বক্তব্যে বলেন, চরাঞ্চলে কৃষকরা সাধারণত স্থানীয়জাত ব্যবহারের ফলে ফলন খুবই কম পায়। অন্যদিকে বারি উদ্ভাবিত বারি গম-২৮ ও বারিহাইব্রিড ভূট্টা-৯ জাত দুটি উচ্চ ফলনশীল, তাপসহিষ্ণুপরিবর্তিত জলবায়ুতে টিকে থাকাসহ, রোগবালাই ও পোকামাকড়সহ ক্ষতি করতে পারেনা। বর্তমানে প্রতিদিনিই আবাদযোগ্য জমির পরিমান কমে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে চরাঞ্চলে জমিতে পরিবর্তিত জলবায়ু মোকাবেলায় বারি উদ্ভাবিত  জাত দুটি ব্যবহার করলে ভালো  সুফল পাবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিককর্মকর্তা, সগবি, বিএআরআই, কুষ্টিয়াশাখার ড. সাইয়েদুররহমান, ও বৈজ্ঞানিককর্মকর্তা, সগবি, কুষ্টিয়ার তরিকুর ইসলাম। অনুষ্ঠানেআগত কৃষক, সম্প্রসারণবিদ ও বিজ্ঞানীগন ৩০ বিঘা জমিতে বারি উদ্ভাবিতবারি গম-২৮ ও বারিহাইব্রিড ভূট্টা-৯ এর উৎপাদন কর্মসূচী পরিদর্শন করেন। উৎপাদন কর্মসূচী পরিদর্শনে আগত কৃষকেরা চরাঞ্চলে পরিবর্তিত জলবায়ুকে মোকাবেলায় বারি উদ্ভাবিত বারি গম-২৮ ও বারি হাইব্রিড ভূট্টা-৯ এর উৎপাদন কর্মসূচী দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগন আগত কৃষকদের বারি গম-২৮ ও বারিহাইব্রিড ভূট্টা-৯ উৎপাদনের গুরুত্ব, উৎপাদন কলাকৌশল, উদ্ভুত সমস্যা ও তার প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।

দাগনভূঁঞায় বিষ মুক্ত বিটি বেগুন চাষ
                                  

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর দাগনভূঞাঁ উপজেলায় ১৬-১৭ রবি মৌসুমে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে প্রতাপপুর ও লালপুর গ্রামে পরীক্ষামূলক ভাবে পরিবেশ বান্ধব নতুন জাতের বেগুন (বিটি) এর কীটনাশক বিহিন চাষ শুরু হয়েছে ।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বেগুনের এ জাত উদ্ভাবন করেছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হুজ্জাতুল ইসলাম জানান।
তিনি বলেন এই বেগুন ব্যাসিলাস থুরিনজিয়ানসিস নামক এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার জিন ইনোকুলেট করে উদ্ভাবন করা যা এক ধরনের প্রোটিন তৈরী করে যেটা বেগুনের ডগা এবং ফল ছিদ্রকারী পোকার জন্য বিষাক্ত। বেগুনে পূর্ব থেকে পোকার আক্রমন থাকলেও এই প্রোটিনের কারনে মরে যায় বলে তিনি জানান।

বেগুনের মধ্যে এই ব্যাক্টেরিয়ার জিন পূর্ব থেকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রবেশ করানোর ফলে বেগুনের গাছের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা কোনভাবেই আক্রমন করতে পারেনা বলে তিনি জানান। তিনি বলেন এই বেগুন চাষে কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তবে বেগুন গাছ বাড়ন্ত সময়ে পাতার নিচে একধরনের সাদা মাছির আক্রমন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মাছি আক্রমন করলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক এক থেকে দুইবার স্প্রে করলে শেষ পর্যন্ত এর আক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়া যায় বলে তিনি জানান।


   Page 1 of 5
     কৃষি সংবাদ
জলঢাকায় গ্রীষ্মকালিন তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মূখে উজ্জ্বল হাঁসি!
.............................................................................................
জলঢাকায় রাজস্ব খাতের পেঁয়াজ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস
.............................................................................................
সদর উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে কৃষক র‌্যালী
.............................................................................................
ধোবাউড়ায় ৪০০ একর জমির ফসল পানির নিচে।
.............................................................................................
গোপালগঞ্জের কৃষকদের বারি ২ জাতের সূর্য্যমুখি চাষে সাফল্য
.............................................................................................
জলঢাকায় সরিষা প্রদর্শনীর বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ
.............................................................................................
জলঢাকার চাষীরা ধান ও সবজি চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছে
.............................................................................................
জলঢাকায় তিস্তার চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন
.............................................................................................
১৭০ জন কৃষককে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরন
.............................................................................................
রসুনের উৎসবে ভাসছে চিরিরবন্দর
.............................................................................................
ঘোড়াঘাটে ভূট্টার আবাদ ভালো হওয়ায় খুশি চাষিরা
.............................................................................................
আম গাছের মুকুলের সমারোহ ভাল ফলনের সম্ভাবনা
.............................................................................................
চিরিরবন্দরে রসালো লিচুরবাগান এখন মুকুলে ভরপুর
.............................................................................................
ভুট্টা চাষে কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে
.............................................................................................
বারি গম-২৮ ও বারি হাইব্রিড ভূট্টা-৯ এর উৎপাদন কর্মসূচীর উপর মাঠ দিবস
.............................................................................................
দাগনভূঁঞায় বিষ মুক্ত বিটি বেগুন চাষ
.............................................................................................
মাগুরায় মশলা চাষীদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
.............................................................................................
জলঢাকায় গমের বাম্পার ফলন দাম নিয়ে শঙ্কিত কৃষক
.............................................................................................
নড়াইল জেলার চাহিদা মিটিয়ে লাউ দেশের বিভিন্ন স্থানে
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় মুজিবনগর সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষক র‌্যালী
.............................................................................................
বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে কটিয়াদীর চাষীরা
.............................................................................................
নড়াইলে অর্ধশত দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন এখন নতুন প্রজন্মের কাছে কল্প কাহিনী
.............................................................................................
নড়াইলে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ফুলে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন
.............................................................................................
বদলগাছীতে মামালাল জাতের আঁখ চাষে ভাগ্য বদল মিলন মিয়ার
.............................................................................................
নড়াইলে আমের মুকুলের মৌ মৌ সুবাস্ন,বাগানে মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা গাছে ওষুধ স্প্রে শুরু
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জে আখের জমিতে আগুন লেগেেছে এবং জোরপূর্বক আখ কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষ
.............................................................................................
প্রধান শিক্ষককে মারপিট, বড়াইগ্রামে পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষকদের উপজেলা পরিষদ ঘেরাও সাত দিনের আলটিমেটাম
.............................................................................................
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আমন ধান কাটার ধুম ভাল ফলনে ও দামে কৃষক খুশি
.............................................................................................
মুকসুদপুরে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার ধুম
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে পাট চাষীরা পাচ্ছে না ন্যায্য মূল্য: লাভবান হচ্ছে ফড়িয়া-পাইকাররা
.............................................................................................
টুঙ্গিপাড়ায় ভাসমান ধাপে সবজি ও মসলা চাষে কৃষকদের ব্যাপক সাড়া
.............................................................................................
তুলা চাষে সুদিন ফিরছে কৃষকদের
.............................................................................................
ডুপ্লেক্স বাড়ী করতে যা করণীয়
.............................................................................................
দিনাজপুরে এবার চা চাষে সফলতা
.............................................................................................
চামড়ার বাজারে অস্থিরতাঃ মাথায় হাত পড়ল মৌসুমি ব্যবসায়ীদের!
.............................................................................................
শরৎ ঋতুর কাশ ফুল
.............................................................................................
আখ চাষী আবুল বাসার এক জন সফল কৃষক
.............................................................................................
ছাদের বাগান সাজাতে পারেন জারবেরা দিয়ে
.............................................................................................
কন্ট্রাক্ট ফার্মিং পদ্ধতিতে আমের উৎপাদন এবং আম রপ্তানির ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
মাছের ডিম নিষিক্তকরণ, স্ফুটন ও পরবর্তী রেণু পরিচর্চা
.............................................................................................
ঘোড়াঘাটে খড়ায় রোপা আমন আবাদ ব্যহত
.............................................................................................
মনোরম সৌন্দর্যে রঙ্গন ফুল
.............................................................................................
নওগাঁয় আউশ ধান চাষ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
.............................................................................................
ইঁদুর নিধনের পদ্ধতি সমূহ
.............................................................................................
দারিদ্র্যতা দূর করতে ছাগল পালন
.............................................................................................
কী ভাবে খরগোস পালন করবেন
.............................................................................................
কী ভাবে গরু মোটাজাতকরণ করবেন
.............................................................................................
গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন যেভাবে
.............................................................................................
জলাবদ্ধতায় দিশেহারা গোপালগঞ্জের কৃষক: অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে কৃষি জমি
.............................................................................................
মাদারীপুরে পেঁপের বাম্পার ফলনে সাবলম্বী চাষীরা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]