| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ওবামাকেয়ার বন্ধে আবারও ব্যর্থ ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক :

সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চালু করা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বাতিল করার চেষ্টায় আবারও হোঁচট খেলেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্পের এ বিল পাস করানোর জন্য সিনেটে যে পরিমাণ সমর্থন পাওয়ার দরকার ছিল তা না পাওয়ায় পরিকল্পনাটি আবারও মুখ থুবড়ে পড়ে। খবর বিবিসির।

মাইক লী এবং জেরি মোরান নামে খোদ রিপাবলিকান দলের দুই সিনেটরও প্রস্তাবিত ওবামাকেয়ার বাতিল বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।তারা বলছেন, ওবামাকেয়ার বাতিল করে তার জায়গায় যে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিলে বলা হয়েছে, সেগুলো যথেষ্ট নয়।

এর আগে আরও দুজন রিপাব্লিকান সিনেটর, র‍্যান্ড পল এবং সুজান কলিন্স জানিয়েছিলেন, তারাও এর বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সব ডেমোক্র্যাট এবং কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর এ জন্য দায়ী।তিনি ওবামাকেয়ার নামে পরিচিত ওই স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে নতুন এক ব্যবস্থা তৈরির ব্যাপারে তিনি নিজ দলের পাশাপাশি বিরোধী ডেমোক্র্যাটদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন।

তবে পুরনো কাঠামো ভেঙে দিয়ে নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে খোদ রিপাবলিকান দলের ভেতরেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অন্যতম একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ওবামাকেয়ার বাতিল করা।প্রেসিডেন্ট ওবামার শাসনামলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান বলে বিবেচিত এই আইনের প্রধান লক্ষ্য ছিল সেদেশের যে ১৫ শতাংশ মানুষের কোনরকম স্বাস্থ্য বীমা নেই, তাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা।

কিন্তু রিপাবলিকানরা গোড়া থেকেই এই আইনের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। কারণ তারা মনে করে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মসংস্থানের পথে প্রধান বাধা, কারণ এই আইনে যে কোন কোম্পানি, যাদের ৫০ জনের বেশি কর্মী আছে, তাদের সব কর্মীর জন্য স্বাস্থ্যবীমা দেয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরদিনই এটি বাতিলের উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু তার এ উদ্যোগ এখন কার্যত মুখ থুবড়ে পড়লো।

ওবামাকেয়ার বন্ধে আবারও ব্যর্থ ট্রাম্প
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চালু করা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বাতিল করার চেষ্টায় আবারও হোঁচট খেলেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্পের এ বিল পাস করানোর জন্য সিনেটে যে পরিমাণ সমর্থন পাওয়ার দরকার ছিল তা না পাওয়ায় পরিকল্পনাটি আবারও মুখ থুবড়ে পড়ে। খবর বিবিসির।

মাইক লী এবং জেরি মোরান নামে খোদ রিপাবলিকান দলের দুই সিনেটরও প্রস্তাবিত ওবামাকেয়ার বাতিল বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।তারা বলছেন, ওবামাকেয়ার বাতিল করে তার জায়গায় যে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিলে বলা হয়েছে, সেগুলো যথেষ্ট নয়।

এর আগে আরও দুজন রিপাব্লিকান সিনেটর, র‍্যান্ড পল এবং সুজান কলিন্স জানিয়েছিলেন, তারাও এর বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সব ডেমোক্র্যাট এবং কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর এ জন্য দায়ী।তিনি ওবামাকেয়ার নামে পরিচিত ওই স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে নতুন এক ব্যবস্থা তৈরির ব্যাপারে তিনি নিজ দলের পাশাপাশি বিরোধী ডেমোক্র্যাটদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন।

তবে পুরনো কাঠামো ভেঙে দিয়ে নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে খোদ রিপাবলিকান দলের ভেতরেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অন্যতম একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ওবামাকেয়ার বাতিল করা।প্রেসিডেন্ট ওবামার শাসনামলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান বলে বিবেচিত এই আইনের প্রধান লক্ষ্য ছিল সেদেশের যে ১৫ শতাংশ মানুষের কোনরকম স্বাস্থ্য বীমা নেই, তাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা।

কিন্তু রিপাবলিকানরা গোড়া থেকেই এই আইনের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। কারণ তারা মনে করে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মসংস্থানের পথে প্রধান বাধা, কারণ এই আইনে যে কোন কোম্পানি, যাদের ৫০ জনের বেশি কর্মী আছে, তাদের সব কর্মীর জন্য স্বাস্থ্যবীমা দেয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরদিনই এটি বাতিলের উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু তার এ উদ্যোগ এখন কার্যত মুখ থুবড়ে পড়লো।

আলোচিত সেই অষ্ট্রেলীয় নারী সিনেটরের পদত্যাগ
                                  

‍অনলাইন ডেস্ক :

পার্লামেন্ট কক্ষে বসে সন্তানকে বুকের দুধ পান করিয়ে আলোচনায় আসা অস্ট্রেলিয়ার সেই নারী সিনেটর থেকে পদত্যাগ করেছেন।সেই সিনেটরের নাম হলো লারিসা ওয়াটার্স। দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করায় তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গ্রিনস পার্টির এই সিনেটরের জন্ম কানাডায়।জন্মসূত্রে তিনি কানাডিয়ান নাগরিক।

অস্ট্রেলিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, দ্বৈত বা বহু নাগরিকত্ব ধারণকারী ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। এ ধরনের পদে বহাল থাকারও কোনো সুযোগ নেই। ফলে পদত্যাগ করতে হয়েছে লারিসা ওয়াটার্সকে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় শুক্রবার গ্রিনস পার্টির আরেক সিনেটর স্কট লুডলাম পদত্যাগ করেন। লারিসা ওয়াটার্স ও লুডলাম উভয়ে গ্রিনস পার্টির উপ-প্রধান।

মে মাসে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে সন্তানকে বুকের দুধ পান করানো প্রথম রাজনীতিক হিসেবে বিশ্বের নজর কাড়েন লারিসা ওয়াটার্স।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে ওয়াটার্স জানিয়েছেন, বিষয়টি তার ঠিক জানা ছিল না। সিনেটর লুডলামের পদত্যাগের ঘটনার পর জানতে পারেন, তিনিও দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করছেন। লুডলামও সম্প্রতি জানতে পারেন, তিনি নিউ জিল্যান্ডেরও নাগিরক।

আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে কান্না চেপে ওয়াটার্স দাবি করেন, তার ভুল হয়েছে কিন্তু তিনি সৎ। প্রায় ৪০ বছর আগে যখন তার বাবা-মা তাকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১১ মাস। ফলে এ বিষয়ে তার কিছু করার ছিল না।

লারিসা ওয়াটার্স সিনেটর পদে প্রথম নির্বাচিত হন ২০১১ সালে। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সব দায়-দায়িত্ব নেবেন তিনি। তবে সিনেটর হিসেবে এতদিন তিনি যে ভাতা ও সুবিধা নিয়েছেন, তা ফিরিয়ে দেবেন কিনা অথবা তাকে তা ফিরিয়ে দিতে হবে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়লে তিনি তা মোকাবিলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

গ্রিনস পার্টির নেতা রিচার্ড ডি নাটালে বলেছেন, ওয়াটার্সের পদত্যাগের ঘটনায় তিনি খুবই মর্মাহত। অস্ট্রেলিয়ার জন্য তিনি অনেক অবদান রেখেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, কোনো রাজনীতিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইলে নির্বাচনের আগেই তাকে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়।

আল অাকসা মসজিদ খুলেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রোববার জেরুজালেমের অতি স্পর্শকাতর পবিত্র স্থান খুলে দিচ্ছে। সেখানে এক হামলায় দুজন পুলিশ নিহত হওযার পর স্থানটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এখন সেখানে মেটাল ডিটেক্টর ও ক্যামেরাসহ নতুন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
খবর এএফপি’র।
শুক্রবার জেরুজালেমের ওল্ড সিটিতে তিন আরব ইসরাইল ইসলাইলী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পাশের হারাম আল শরীফের দিকে পালিয়ে যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে গুলি করে তাদের হত্যা করে।
মুসলিমদের কাছে অন্যতম পবিত্র স্থান হারাম আল-শরীফ ইহুদীদের কাছে টেম্পল মাউন্ট হিসেবে পরিচিত।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা পবিত্র স্থান থেকে এসে এ হামলা চালায়। ওই স্থানে আল-আকসা মসজিদ ও ডোম অব দ্য রক রয়েছে।
ইসরাইল মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা মসজিদটিকে বন্ধ করে দেয়। এতে মুসলিম ও জর্দানবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়।
শনিবারও এটি বন্ধ থাকে। এর পাশাপাশি জেরুজালেমের ওল্ড সিটির কয়েকটি স্থানও বন্ধ রাখা হয়।
এদিকে ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা তল্লাশী চালানোর জন্য স্থানটি বন্ধের প্রয়োজন ছিল।
রোববার দুপুর নাগাদ স্থানটি খুলে দেয়া হতে পারে।
ইসরাইল পুলিশের নারী মুখপাত্র লুবা সামরি বলেন, পবিত্র স্থানটির প্রবেশ পথে মেটাল ডিক্টেটর বসানো হয়েছে। এছাড়াও ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
শনিবার রাতে প্যারিসের উদ্দেশ্যে ইসরাইল ত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আজ সন্ধ্যায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমি বৈঠক করেছি। আমি টেম্পল মাউন্টের প্রবেশ পথগুলোতে মেটাল ডিটেক্টর বসানোর নির্দেশ দিয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা টেম্পল মাউন্টের বাইরের পোলগুলোতে নিরাপত্তা ক্যামেরা বসাবো।’
আম্মান এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার রাতে জর্দানের বাদশাহ্ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ্র সঙ্গে নেতানিয়াহু’র টেলিফোনে আলাপ হয়।
এ সময় আব্দুল্লাহ হামলার নিন্দা জানান এবং আল-আকসা চত্ত্বর পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানান।

‘বিশ্বে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে যুক্তরাষ্ট্র’
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘প্রতারক রাষ্ট্র’ হিসেবে তেহরানকে উল্লেখ করে যে মন্তব্য করেছিলেন তার কড়া জবাব দিলো ইরান। ট্রাম্পের এই জবাবে তেহরান বলেছে, মার্কিন এই প্রেসিডেন্টের ‘স্বৈরাচারী ও সাংঘর্ষিক’ নীতির কারণেই বিশ্ব নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

গত নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকেই ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর প্রধান সমর্থক হিসেবে তেহরানকে দায়ী করলেও; ইরানের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হচ্ছিলো। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রকেই এই অস্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি দায়ী করলো খামেনির দেশ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাশেমি বলেন, (ট্রাম্পকে) তার নিজের নির্বিচারী এবং দ্বন্দ্বমূলক নীতি ও কর্মের বিপর্যয় এবং বিরুদ্ধাচারণের কারণ খুঁজতে হবে, একই সঙ্গে এ অঞ্চলে তার অহংকারী, আক্রমণাত্মক এবং দখলকারী জোটের মধ্যে যারা আছে তাদেরো।

গত বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নতুন নতুন হুমকির উত্থান ঘটছে। আর এই হুমকির পেছনে অর্থায়ন ও সমর্থন আছে দুর্বৃত্তশাসিত উত্তর কোরিয়া, ইরান ও সিরিয়া এবং অন্যান্য দেশের সরকারের।

ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা ও হামলার জন্য তেহরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন মিত্র সৌদি আরবকে দোষারোপ করে আসছে। সূত্র: রয়েটার্স।

বেলজিয়ামে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত
                                  

ব্রাসেলস, বেলজিয়াম সংবাদদাতা: বিগত ১১ জুলাই ,২০১৭ মঙ্গলবার বেলজিয়াম এর  রাজধানী ব্রাসেলস এর প্রেস ক্লাব হলে ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।  সেমিনারে বক্তারা বলেন  , সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গি বাদ কোন দেশের সীমানা পেরিয়ে আজ সারা পৃথিবীর সমস্যা।  এই সমস্যা সমাধানে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।  কোন দেশ বা গোষ্ঠীর পক্ষে  একা সমাধান সম্ভব না।  গুলি বা বন্দুকদিয়ে কোন দেশের সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করা যাবে না , হয়তু কয়েকজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা যাবে।  এই জন্য আমাদের শিক্ষা দিয়ে সচেতন করতে হবে , পরিবারের ও আপনজনের সদস্যদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।  আমাদের সন্তানরা যেন কোন বিপদে না যায়। বিশ্বের সবাইকে একযোগে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে।  এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য বৃন্দ। বর্তমান সরকারের  হোলি আর্টিসান ঘটনার পর দ্রুত গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।  বাংলাদশের বিএনপি ও জামাত সহ বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠী জঙ্গিবাদে পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করছে বক্তারা উল্লেখ করেন।  মৌলবাদী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ এর প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।  আলোচনা করেন লন্ডন ইকোনমিক স্কুল এর অধ্যাপক চেতন বাট ,ব্রাসেলস এর মানবাধিকার কর্মী জুলি পেরনেট, ইউকে  কনজেরভেটিভে পার্টি র এমইপি  ওডেন জিওফ্রে ,ব্রাসেলস এর হেড অফ কাউন্টার টেরিরিজম রবার্ট বনাজি , ব্রাসেলস ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর  এম্মা আছিলি , ইউরোপ এর  সিনিয়র রিসার্চ ফেলো টমাস রেনার্ড , হল্যান্ড লেবার পার্টি  আম্মা অসন্তে সাবেক এমপি , বেলজিয়াম  সিনিয়র রিসার্চ টমাস রেনার্ড ,  হল্যান্ড এর সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক এমপি  হ্যারি বোন বোম্মেল , ইতালি এর সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এর ও ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের এমপি  ব্রান্ডো বেনিফিলে , বাংলাদেশের নিরাপত্তা  বিশ্লেষক   মেজর জেনারেল (অব) আব্দুর রশিদ ,এশিয়ান এইজ এর সাংবাদিক সালীম সামাদ ,ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম এর সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ,হল্যান্ডের  বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া , সুমনা বড়ুয়া অনুষ্ঠানের  কোঅর্ডিনেটর  এম মোর্শেদ ,সেকুলার ফোরাম অফ ইউরোপ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ড.বিদ্যুৎ বড়ুয়া, লন্ডন এর পুষ্পিতা  বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ এর সভাপতি শহিদুল হক , সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী , আখতার হোসেন, খালেদ মিনহাজ ,আরিফ উদ্দিন  ।

কলম্বিয়ায় ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০
                                  
অনলাইন ডেস্ক:
কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মোকোয়া শহরে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০ জন হয়েছে। বুধবার কর্তৃপক্ষ নিহতের নতুন সংখ্যা জানিয়েছে।
 
ভারীবর্ষণে সৃষ্ট এই ভূমিধসে আহত হয় আরো ৩৩২ জন। গত শুক্রবার ভারীবর্ষণে এই ভয়াবহ দুর্যোগ নেমে আসে। ভয়াবহ এই ভূমিধসে ৭০ হাজার মানুষের শহরের ৪৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে দুর্যোগ প্রশমন পর্যায়ে কোনো ঘাটতি ছিল কী না।
 

ভূমিধসে আক্রান্ত কিছু কিছু এলাকায় লুটতরাজ একটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জুয়ান লুইস ফার্নান্দেজ নামের এক বাসিন্দা বলেন, ভূমিধসের পর যা বাকি ছিল সেটা ডাকাতরা নিয়ে গেছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা পরিত্যক্ত বাড়িঘরের নিরাপত্তা আয়োজনে আরো পুলিশ নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। এএফপি

যুদ্ধ বাধলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক বিমানই টিকতে পারবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন বিমান বাহিনীর জরুরি যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিযুক্ত বিমান বহরের অন্তত এক তৃতীয়াংশ দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত নয়। এয়ার ফোর্স টাইমসের বরাত দিয়ে এ খবর দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য পরমাণু হামলা প্রতিহত করার জন্য মার্কিন জরুরি বহরের ১০টি মধ্যে  মাত্র ৭টি বিমান দায়িত্ব পালনের উপযোগী।

এ ছাড়া, উত্তর কোরিয়ার হামলা প্রতিহত করার মহড়ার সময়ে মার্কিন একটি পরমাণু বোমারু বিমানের মেরামতের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। সে সময়ে বোমারু বিমানটি আর আকাশে উড়তে পারেনি। গুয়াম থেকে দুটি বি-১য়ের যাত্রা করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আকাশে ওড়ে মাত্র একটি বিমান।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতার ওপর উপগ্রহ দিয়ে নজর রাখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। মার্কিন ডুবোজাহাজ, পরমাণু বোমাবাহী ক্ষেপণাস্ত্র জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৈরি হয়ে আছে। কিন্তু জরুরি প্রয়োজনের সময়ে যদি মার্কিন বিমানই উড়তে না পারে তবে এ জাতীয় তৎপরতা মারাত্মক বাধার মুখে পড়বে।

অবশ্য মার্কিন থিংক ট্যাংক হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ মার্কিন বাহিনীর জন্য নতুন কিছু নয়। ২০০৩ সাল থেকে এ প্রস্তুতি ক্রমেই কমছে।

গত বছর মার্কিন বিমান বাহিনীর ভাইস চিফ অব স্টাফ ল্যারি স্পেন্সার কংগ্রেসকে বলেছিলেন, যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করা হলে মার্কিন বিমান বাহিনীর অর্ধেক বিমানই টিকতে পারবে না।

চীনের আপত্তি কানে তুলতে নারাজ ভারত
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা নোবেলজয়ী দালাই লামার অরুণাচল প্রদেশ সফর নিয়ে চীনের আপত্তি কানে তুলতে নারাজ ভারত সরকার। ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজেজু সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, ‘দালাই লামা ভারতের সম্মানিত অতিথি। তিনি দেশের যেকোনো প্রান্তেই যেতে পারেন। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কারও নাক গলানো উচিত নয়।’
দালাই লামার আগামী মঙ্গলবার থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত অরুণাচল সফর করার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে তিনি আসামের রাজধানী গুয়াহাটি এসে পৌঁছেছেন।১৯৫৯ সালের ১৭ মার্চ অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বৌদ্ধধর্মগুরু দালাই লামা। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু তাঁকে অতিথির মর্যাদা দিয়ে তিব্বতে ‘চীনা সেনার অত্যাচার থেকে রক্ষা করেন’। গতকাল শনিবার গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে শান্তির জন্য নোবেলজয়ী ধর্মগুরু বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ভারতে এলেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। কারণ, চীনা সেনার অত্যাচার থেকে মুক্ত হয় জীবনে প্রথম স্বাধীনতার মর্ম বুঝতে পারি তাওয়াংয়ে ভারতীয় মাটি স্পর্শ করার পর।’

গতকাল দালাই লামা গুয়াহাটি পৌঁছে আসাম ট্রিবিউন ও দৈনিক অসম বাণী পত্রিকার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘কোনো ধর্মাবলম্বীদের গায়ে জঙ্গি তকমা লাগানো ভুল। যেমন মুসলিম জঙ্গি লেখেন আপনারা, এটা ঠিক নয়। সামান্য কয়েকজনের জন্য গোটা সম্প্রদায় দায়ী হতে পারে না। বহু মুসলিম আছেন, যাঁরা নিষ্ঠাভরে ইসলাম ধর্মের অনুশাসন পালন করে চলেছেন। বৌদ্ধধর্মের ক্ষেত্রেও ঠিক তা-ই। মিয়ানমারে দু-একজনের কৃতকর্মের ভাগ গোটা সম্প্রদায়ের হতে পারে না।’ তিনি বিশ্বশান্তির পক্ষে কথা বলেন।

দলাই লামার অরুণাচল প্রদেশ সফরের পাশাপাশি আসাম সফর ঘিরেও এবার বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার পরেশ বড়ুয়া গোষ্ঠীর তরফ থেকে আগাম বিবৃতি দিয়ে দালাই লামাকে আসামের মাটিতে দাঁড়িয়ে চীনবিরোধী বিবৃতি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। অভিজিৎ অসম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আসামে দাঁড়িয়ে সরকারি বা বেসরকারি কোনো অনুষ্ঠানেই দালাই লামার চীনবিরোধী কথাবার্তা বরদাশত করা হবে না।’

অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়েছে, দালাই লামার অরুণাচল প্রদেশ সফর ভারতের সঙ্গে তাঁদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। কিন্তু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে দাবি করে অরুণাচল প্রদেশ থেকেই নির্বাচিত জাতীয় সংসদের সদস্য কিরণ রিজেজু চীনের আপত্তি উড়িয়ে দিয়েছেন।

পাকিস্তানে মাজারে ২০ জনকে কুপিয়ে হত্যা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের একটি মাজারের খাদেম রোববার ভোরে চার নারীসহ ২০ জনকে হত্যা করেছে। স্থানীয় প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

ওই এলাকার একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ইসলামাবাদ থেকে প্রায় ২শ’ কিলোমিটার দক্ষিণে সারগোদা জেলায় রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। এ সময় মাজারের ভক্তরা আধ্যাত্মিক পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য সেখানে জমায়েত হয়েছিল।

সারগোদা জেলার ডেপুটি কমিশনার লিয়াকত আলি চাত্তা বলেন, মাজারের খাদেম আব্দুল ওয়াহিদ খুব সম্ভবত মানসিক ভারসাম্যহীন। এ কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ওয়াহিদ সারগোদায় পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের কর্মী। তিনি তার ভক্তদের নেশার ওধুষ খাওয়ানোর পর ছুরি ও লাঠি দিয়ে হত্যা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওয়াহিদ ও তার সঙ্গীরা নেশাগ্রস্ত দর্শনার্থীদের নির্মমভাবে হত্যা করেন।

পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ওয়াহিদ ও তার ঘনিষ্ঠ পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তা মাজহার শাহ সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনায় আহত অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া তিনজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, উদ্ধারকারী দলকে রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করতে একটি ফোন করা হয়। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে।

ডেপুটি কমিশনার জানান, নিহতদের বাড়ি পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ও রাজধানী ইসলামাবাদে।

ট্রাম্প বাতিল করে দিয়েছেন ওবামার জলবায়ু পরিকল্পনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওবামা প্রশাসনের নেয়া ‘ক্লিন পাওয়ার প্ল্যান’ পরিকল্পনা বাতিলের নতুন এক নির্বাহী আদেশে সাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কার্বন নিঃসরণের কারণে বেড়ে যাওয়া বৈশ্বিক উষ্ণতাকে সীমিত রাখতে  ‘ক্লিন পাওয়ার প্ল্যান’ পরিকল্পনাটি বাতিল করে মঙ্গলবার ‘এনার্জি ইন্ডিপেন্ডেন্স এক্সিকিউটিভ অর্ডার’ নামে নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ট্রাম্প।
 
এর ফলে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জলবায়ু নীতির মূল অংশগুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসনের ওই নীতির আওতায় বিভিন্ন রাষ্ট্র কার্বন নির্গমন কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। ট্রাম্পের আদেশে যুক্তরাষ্ট্র স্বাক্ষরিত প্যারিস চুক্তির উল্লেখ না থাকায় কার্বন নিঃসরণ ২ শতাংশে সীমিত রাখার ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক সমঝোতার বাস্তবায়নও সংশয়ের মুখে পড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এসব কথা জানা গেছে।
 
এ নীতি থেকে সরে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়ার ফলে ব্যবসায়ী গ্রুপ ট্রাম্পের প্রশংসা করলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশবাদীরা। তারা এ পদক্ষেপকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়েছে এবং এটি বিশ্বের স্বচ্ছ জ্বালানি প্রযুক্তির ধারার বিপরীতে বলে উল্লেখ করেছেন। পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলছেন, এটি ঘরে-বাইরে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে।
 
ট্রাম্প বলেছেন, তার এই নির্বাহী আদেশ ‘কয়লার বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ ও ‘কর্মসংস্থান বিনাশী বিধিনিষেধের’ অবসান ঘটাবে। জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শিল্প-কারখানাগুলোকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে ট্রাম্প পরিবেশগত বিধিনিষেধ কমিয়ে আনার যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তার মধ্যে এই নির্বাহী আদেশকে সবচেয়ে জোরালো মনে করা হচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের এই বিপন্নতার প্রেক্ষিতে গত বছরের ডিসেম্বরে প্যারিসে কপ ২১ নামের একটি সম্মেলনে প্রথমবারের মতো একটি জলবায়ু চুক্তির ব্যাপারে সম্মত হন বিশ্বনেতারা। চুক্তির আওতায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। গত বছর নভেম্বরে ওবামা প্রশাসন ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। শুরু থেকেই ওই প্যারিস চুক্তির বিরোধিতাকারী ট্রাম্প জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক উৎপাদন ফিরিয়ে এনেছেন। নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণসাপেক্ষেই তার সিদ্ধান্তে কার্বন নিঃসরণ বেড়ে যাবে, ফলে স্বভাবতই বৈশ্বিক উষ্ণতাও বাড়বে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে দানবীয় ঘূর্ণিঝড় ‘ডেবি’ আঘাত হেনেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড উপকূলে ঘণ্টায় ২৬৩ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডেবি। এতে স্থানীয় প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
 
ক্যাটাগরি চার মাত্রার এ প্রলয়ঙ্করী ঝড়টি ইতোমধ্যে দেশটির জনপ্রিয় হোয়াইটসানডে দ্বীপপুঞ্জে আঁচড়ে পড়ে প্রায় ২৩ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে। আঘাত হানার পর ঝড়টি বোয়েন ও এয়ারলি সৈকতের মাঝে একটি তটরেখা তৈরি করেছে বলেও জানিয়েছে কুইন্সল্যান্ডের পুলিশ।
 
এর আগে অস্ট্রেলীয় সরকার ও আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে ধেয়ে আসা এই ঝড়ের ব্যাপারে তীব্র সতর্কতা জারি করা হয়। সেসময় কুইন্সল্যান্ডের প্রিমিয়ার অ্যানাসতেসিয়া প্যালাস্কজুক জানান, এটি দেশটিতে ২০১১ সালে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসি’র প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, সময় যত গড়াচ্ছে মানুষের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সুযোগ ততোই কমছে।
 
স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে তিনি অনুরোধমূলক বার্তা দিয়েছিলেন, ‘আমি মিনতি করে বলছি আপনারা কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা শুনুন। এটা আপনার নিরাপত্তার জন্যই শুধু নয়, আপনাদের পরিবার ও সন্তানরাও এর আওতায় রয়েছে। বিবিসি।

ভারতে রাজস্থানে গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় নারীকে পুড়িয়ে হত্যা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় ভারতের রাজস্থানে এক নারীকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজস্থানের যোধপুরের রোববার ওই বর্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যেই ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ জনের নামে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, যোধপুর থেকে একশ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামের পাশে রাস্তার কাজের জন্য ললিতার (২০) গাছ কাটতে চাইলে তিনি বাধা দেন। এরপর গ্রামের একদল লোক তার ওপর হামলা চালিয়ে গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থান হাসপাতালে মারা যান ললিতা।

ললিতার ভাই বিদ্যাধর জানান, ‘রাস্তা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছিল, আমার বোন তাতে বাধা দিয়েছিলো। তারা আমার বোনের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।’

ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেয়ারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আটকের দাবি জানিয়েছেন।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রামের প্রধান রনবীর সিং ও রাজস্ব কর্মকর্তা ওম প্রকাশ ললিতার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়ার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা সুরেশ চেীধুরী বার্তা সংস্থা এএনআই’কে বলেন, পঞ্চায়েতের প্রধানসহ আরো কয়েকজন তার গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে। ললিতার মরদেহ এখন মর্গে রাখা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে তদন্তের পর দোষীদের আটক করা হবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন আগামী সপ্তাহে ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। এ প্রেক্ষিতে জোটের কূটনীতিকরা বৈঠকের তারিখ নির্ধারণে কাজ করে যাচ্ছেন। শুক্রবার মার্কিন কর্মকর্তারা একথা জানান।
 
ব্রাসেলসে ন্যাটোর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আগামী ৩১ মার্চ ন্যাটোর এ বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা ভাবা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জোটের মধ্যে আলোচনা চলছে।’
 
আগামী ৫ এপ্রিল ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও টিলারসন তাতে যোগ দিতে পারবেন না এমন কথা জানানোয় মঙ্গলবার এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এখন বলছেন, টিলারসন আগামী সপ্তাহে শুক্রবার ব্রাসেলসে যাবেন।
 
পূর্ব পরিকল্পিত এ বৈঠকের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ না করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মার্ক টোনার বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসন ন্যাটো বৈঠকে যোগ দিতে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস-এ যাচ্ছেন।

ট্রাম্পের পর পেন্টাগন প্রধানের ন্যাটোর অর্থায়ন নিয়ে মন্তব্য
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস বুধবার আইনপ্রণেতাদের বলেন, ন্যাটো এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ‘অতীতের অপরিশোধিত অর্থের’ হিসেব রাখেনা। জার্মানির কাছ থেকে ন্যাটোর বিপুল অঙ্কের অর্থ পাওনা হয়েছে বলে ট্রাম্পের টুইটের কয়েকদিন পর ম্যাটিস এ মন্তব্য করলেন।
 
ওয়াশিংটনে সিনেটকে ম্যাটিস বলেন, ‘আমি এই সংস্থাটির বিগত অপরিশোধিত অর্থের হিসেবে দিতে পারব না। কারণ ন্যাটো সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রদত্ত অর্থের হিসেব রাখে না।’
 
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় লিখেন, ‘ন্যাটোর কাছে জার্মানির বিপুল অঙ্কের ঋণ রয়েছে। জার্মানিকে শক্তিশালী ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা সুবিধা পেতে তাদের ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরো অর্থ দিতে হবে।’
 
চুক্তি অনুযায়ী ন্যাটো সদস্যদের তাদের যার যার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ২ ভাগ ন্যাটোতে খরচ করতে হবে। কিন্তু সেই অর্থ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসছে না। সংস্থাটির বার্ষিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ সদস্যের ন্যাটোর মাত্র পাঁচটি দেশ তাদের নির্ধারিত অর্থ দিয়ে যাচ্ছে। দেশগুলো হচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও ব্রিটেন। অন্যরা ২০২৪ সালের মধ্যে তাদের নির্ধারিত প্রবৃদ্ধির শতকরা দুই ভাগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে।
 
পেন্টাগন প্রধান বলেন, ‘আমরা সামর্থ্যের ভিত্তিতে এটা করে যাচ্ছি। এভাবে অর্থ প্রদানে প্রতিটি সদস্য দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ এএফপি।

ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ট্রাম্প
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার এ কথা জানায়। আগামী ২৫ মে ব্রাসেলসে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে জয়ের পর এ সম্মেলনে এটি হবে তার প্রথম অংশগ্রহণ।
 
হোয়াইট হাউস আরো জানায়, ‘ন্যাটোর প্রতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত এবং এ জোটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা, বিশেষকরে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মিত্র দেশগুলোর দায়িত্ব ভাগাভাগি ও ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট এর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী।’
 
মঙ্গলবার জোটের এক ঘোষণায় বলা হয়, ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ নেতাদের সম্মেলনের প্রাক্কালে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
 
হোয়াইট হাউস জানায়, আগামী ১২ এপ্রিল স্টলটেনবার্গের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোটের শক্তি কিভাবে বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হবে।

তিস্তা চুক্তির মাধ্যমে মমতা রাজনৈতিক সুবিধা দিতে চান না মোদীকে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

তিস্তা নিয়ে চুক্তি হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার সুফল পান- এটি চাচ্ছেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। চুক্তি হলে তার রাজনৈতিক কি সুবিধা হবে তাও বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। আর তাই সে কারণেই দিল্লির পরবর্তী পদক্ষেপ কি হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন মমতা।
 
নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে মমতা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের এখনও দু’সপ্তাহের বেশি বাকি। এই সময়ের মধ্যে ভাবনার অনেক কিছু অদল-বদল হতে পারে। হতে পারে শেষ মুহূর্তে শেখ হাসিনার সফরসূচিতেও কিছু অদল-বদল। বেশকিছু দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করতে চার দিনের সফরে ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দিল্লি আসছেন। সেই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি আজমির সফরে যাবেন তিনি। তার ফাঁকেই চেষ্টা চলছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তাঁর একটি আলাদা করে বৈঠক করানোর। আর এটা নিয়েই যাবতীয় ভাবনা মমতা ব্যানার্জির। কিন্তু কেন শেখ হাসিনার সফরসূচিতে শেষ মুহূর্তে কিছু অদল-বদল হতে পারে বলে ভাবনা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর, সেটা তিনি খোলসা করেন নি।
 
তবে নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, তিস্তা চুক্তি যদি হয় তবে তার সুফল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা তাঁর দল বিজেপি পেয়ে যাক এটা তিনি কোনমতেই চান না। সেক্ষেত্রে ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন বা তার পরের বছর ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনের সময় বাড়তি সুবিধা পেয়ে যেতে পারে বিজেপি। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরে সঙ্গে গিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। সেই সময় স্থল সীমান্ত চুক্তি হয়েছিল। তবে সেই চুক্তির রাজনৈতিক লাভ তুলে নিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে? পরের বছর বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং ছিটমহল প্রধান কেন্দ্রগুলোতে তৃণমূলের জয় জয়কার হয়েছিল। কিন্তু এখন তিস্তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলে বিজেপি সুবিধা পেয়ে যাবে না তো?? কারণ ভারতে নোট বাতিল কাণ্ডের পর মনে করা হয়েছিল বিজেপির ভোট ব্যাংকে তার প্রভাব পড়বে। বাস্তবে তা হয় নি। উল্টো উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে একচেটিয়া জয় পেয়েছে বিজেপি। আর তাই তিস্তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার সুফল বিজেপি পেয়ে যাবে কি না, তা পর্যালোচনা করে দেখছেন মমতা।


   Page 1 of 19
     আন্তর্জাতিক
ওবামাকেয়ার বন্ধে আবারও ব্যর্থ ট্রাম্প
.............................................................................................
আলোচিত সেই অষ্ট্রেলীয় নারী সিনেটরের পদত্যাগ
.............................................................................................
আল অাকসা মসজিদ খুলেছে
.............................................................................................
‘বিশ্বে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে যুক্তরাষ্ট্র’
.............................................................................................
বেলজিয়ামে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কলম্বিয়ায় ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০
.............................................................................................
যুদ্ধ বাধলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক বিমানই টিকতে পারবে না
.............................................................................................
চীনের আপত্তি কানে তুলতে নারাজ ভারত
.............................................................................................
পাকিস্তানে মাজারে ২০ জনকে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
ট্রাম্প বাতিল করে দিয়েছেন ওবামার জলবায়ু পরিকল্পনা
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে দানবীয় ঘূর্ণিঝড় ‘ডেবি’ আঘাত হেনেছে
.............................................................................................
ভারতে রাজস্থানে গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় নারীকে পুড়িয়ে হত্যা
.............................................................................................
টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন
.............................................................................................
ট্রাম্পের পর পেন্টাগন প্রধানের ন্যাটোর অর্থায়ন নিয়ে মন্তব্য
.............................................................................................
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ট্রাম্প
.............................................................................................
তিস্তা চুক্তির মাধ্যমে মমতা রাজনৈতিক সুবিধা দিতে চান না মোদীকে
.............................................................................................
চীন সফর নিয়ে চিন্তা করছেন ট্রাম্প : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
হোয়াইট হাউসে বোমাতঙ্ক গাড়ি নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করায় এক ব্যক্তিতে আটক
.............................................................................................
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হবে
.............................................................................................
ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন বিজেপির আদবানী?
.............................................................................................
উত্তর কোরিয়ার জন্য নতুন দুশ্চিন্তা পাঠাচ্ছে আমেরিকা
.............................................................................................
বিশ্বের ধনী দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ট্রাম্পের নীতির কঠোর সমালোচনায় ক্যাস্ট্রো
.............................................................................................
সৌদি বাদশাহর বিলাসী ভ্রমনে বিস্মিত গোটা বিশ্ব
.............................................................................................
মিয়ানমারে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে
.............................................................................................
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মালয়েশিয়ার ভিসামুক্ত ভ্রমণ চুক্তি বাতিল
.............................................................................................
স্মৃতিকথা প্রকাশ করবেন ওবামা-মিশেল
.............................................................................................
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ইউপিতে প্রচারণায় থাকছেন না
.............................................................................................
মার্কিন কোম্পানি চাঁদের কাছাকাছি পর্যটক নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
জাকির নায়েক গ্রেফতারের আতঙ্কে
.............................................................................................
পাকিস্তান থেকে মদিনা দাঁড়ানো যাত্রী নিয়ে বিমান গেল
.............................................................................................
ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবার পদত্যাগ করলেন
.............................................................................................
ট্রাম্প আরও কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছেন
.............................................................................................
মুসলিম শিক্ষার্থীরা খ্রিষ্টান বিশ্ববিদ্যালয়ে নামাযের কক্ষ পেল
.............................................................................................
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাচ্ছে!
.............................................................................................
দেশে দেশে পালিত হচ্ছে ভালোবাসার রঙিন দিবস
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে পালনে পাকিস্তানের নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
তিস্তা চুক্তি মোদি-মমতার দ্বন্দ্বের জন্য আটকে আছে
.............................................................................................
আইফেল টাওয়ার বুলেটপ্রুফ কাচের দেয়ালে বন্দি হচ্ছে
.............................................................................................
ট্রাম্প বিরোধী বিশাল বিক্ষোভ ইরানে
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছাড়লেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
কৈলাশ সত্যার্থীর নোবেল পুরস্কার ঘর থেকে চুরি হয়
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের কিছু হলে আদালত দায়ী থাকবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প
.............................................................................................
ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা বিপাকে
.............................................................................................
ইসলামি উগ্রবাদ কেবলই থাকবে ট্রাম্পের উগ্রবাদবিরোধী কর্মসূচিতে
.............................................................................................
ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষই সমর্থন করেন
.............................................................................................
পাকিস্তানিরা ট্রাম্প আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রে সফর বাতিল করছেন
.............................................................................................
ই-সিগারেটের কারণে ধূমপানের নেশা বাড়ছে
.............................................................................................
ভারতীয় পতাকার রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে বুর্জ খলিফা
.............................................................................................
ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন মোদী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]