| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * পূর্বাচলে আবারো ৬টি এসএমজি উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সু-সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফরিদপুরে নগরকান্দা সালথায় জনগনের ভালবাসার নতুন ফুল

মেহেদি হাসানঃ

জনগনের ভালবাসা নিয়ে আলোর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে নগরকান্দা -সালথার উজ্জল ভবিষ্যত এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া।জনগনের অকৃতিম ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।যার নাম শোনা মাত্রই জনগনের মধ্যে এক অপারূপ শান্তি ফিরে আসে।যাকে দেখা মাত্রই জনগনের জোয়ার সৃষ্টি হয়।এই জনগনের এক মাত্র প্রতিনিধি হলেন এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া।তাকে দেখলে বোঝা যাবে জনগন তার নেতা কে কতটা ভালবাসতে পারে।তরুন থেকে বৃদ্ধ সকলের মুখে একই নাম জামাল ভাই।

এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আসলে সাধারন জনগন এতদিন ছিল অত্যাচারীর বন্দি খাঁচাই।কিন্তু আজ তারা বন্দি খাঁচা থেকে মুক্ত।আমি তাদের বিপদের সময় পাশে ছিলাম আজ ও আছি।আর কোন অত্যাচারী বেশি দিন টিকতে পারে না।আমি জনগন কে ভালবাসি তাদের পাশে সব সময় আছি।তাই আজ তারা আমাকে এত ভালবাসে, তাদের বন্ধু মনে করেন।এই জনগন ইউপি নির্বাচনে আমার বাবাকে জয়ী করে ছিলেন।তাই তাদের প্রতি থাকবে আমার অসীম ভালবাসা। আমি সব সময় শান্তি চাই।যারা এই শান্তি নষ্ট করবে তাদের বিরূদ্ধে আমি আমার জনগন সদা প্রতিবাদি থাকব।

ফরিদপুরে নগরকান্দা সালথায় জনগনের ভালবাসার নতুন ফুল
                                  

মেহেদি হাসানঃ

জনগনের ভালবাসা নিয়ে আলোর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে নগরকান্দা -সালথার উজ্জল ভবিষ্যত এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া।জনগনের অকৃতিম ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।যার নাম শোনা মাত্রই জনগনের মধ্যে এক অপারূপ শান্তি ফিরে আসে।যাকে দেখা মাত্রই জনগনের জোয়ার সৃষ্টি হয়।এই জনগনের এক মাত্র প্রতিনিধি হলেন এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া।তাকে দেখলে বোঝা যাবে জনগন তার নেতা কে কতটা ভালবাসতে পারে।তরুন থেকে বৃদ্ধ সকলের মুখে একই নাম জামাল ভাই।

এডভোকেট জামাল হোসেন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আসলে সাধারন জনগন এতদিন ছিল অত্যাচারীর বন্দি খাঁচাই।কিন্তু আজ তারা বন্দি খাঁচা থেকে মুক্ত।আমি তাদের বিপদের সময় পাশে ছিলাম আজ ও আছি।আর কোন অত্যাচারী বেশি দিন টিকতে পারে না।আমি জনগন কে ভালবাসি তাদের পাশে সব সময় আছি।তাই আজ তারা আমাকে এত ভালবাসে, তাদের বন্ধু মনে করেন।এই জনগন ইউপি নির্বাচনে আমার বাবাকে জয়ী করে ছিলেন।তাই তাদের প্রতি থাকবে আমার অসীম ভালবাসা। আমি সব সময় শান্তি চাই।যারা এই শান্তি নষ্ট করবে তাদের বিরূদ্ধে আমি আমার জনগন সদা প্রতিবাদি থাকব।

হ্যারিকেন হ্যাচারিতে হাসের বাচ্চা উৎপাদন শতাধিক পরিবার সাবলম্বী
                                  

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল অঞ্চালের মহেষ রৌহালী গ্রামের লোকজন এক সময় চরম অভাব অনটনে  জীবন যাপন করতেন । সেই গ্রামের লোকজন এখন হারিকেন হ্যাচারি করে অভাব অনটন কাটিয়ে সাবলম্বী হয়েছেন শতাধিক পরিবার। আর কর্মসংস্থান হয়েছে হাজারো মানুষের।এ হ্যাচারিতে উৎপাদিত হাসের বাচ্চা শুধু দেশেই নয়, সরবরাহ হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও। জানা গেছে, উক্ত গ্রামের বেকার যুবক শাহ্ আলম নিজ উদ্যোগে ২০০৪ সালের শেষ দিকে  চলনবিলে ক্ষুদ্র হাঁসের খামারি স্থাপন করেন । প্রথমে খামারীতে ১৫০০ থেকে ২০০০ ডিম দিয়ে এ ধরনের হ্যারিকেন হ্যাচারির ব্যবসা শুরু করেন। যার পরিধি বেড়ে বর্তমানে তার হ্যাচারিতে প্রতি ২৮ দিনে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চা ফুটানো হয়। আর সব খরচ বাদে প্রতিমাসে গড়ে লাভ হয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। হারিকেন হ্যাচারির উদ্যোগতা শাহ্ আলম জানান,একসময়  অভাবে ভরা নওগা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ গ্রামের জনগনের যোগাযোগ সংকটের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই উপজেলার অন্য গ্রামগুলোর তুলনায় শিক্ষা ও অর্থনীতিতে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল।এ হ্যারিকেন হ্যাচারি ব্যাবসা শুরু করি । এ হ্যাচারির উৎপাদিত  হাসেঁর বাচ্চা বিশেষ করে প্রায় ৯ বছর ধরে দেশ বিদেশে সরবরাহ করছি এবং আমার লাভের মুখ দেখে এ গ্রামের আরো শতাধিক পরিবার এ ব্যাবসা শুরু করছে প্রায় ৫ বছর আগে ।এ আর্থিক উন্নয়নে এ গ্রামের শতাধিক পরিবার এখন সাবলম্বী হয়েছেন ।তাদের ছেলে মেয়ে লেখা পড়াসহ সংসার চালাচ্ছেন আনন্দের সাথে ।এমনকি অনেকের মাটির দেয়াল আর টিনের চালের ঘর দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না। এখন অনেকের পাকা বাড়ি হয়েছে। এছাড়া কাজের খোঁজে গ্রামের মানুষের আর বাইরে যেতে হয় না। বরং অন্য গ্রামের লোকজন এখন এসব হ্যাচারিতে চাকরি করছেন।আর কর্মসংস্থান হয়েছে নারী-পুরুষ মিলে প্রায় হাজার মানুষের।দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উন্নত জাতের হাঁসের পরিপূর্ণ ডিম সংগ্রহের পর সেগুলো পানিতে পরিস্কার করে রোদে শুকিয়ে চোখের আন্দাজে যাচাই-বাছাই করে নেওয়া হয়। এরপর মাটি অথবা ইটের তৈরি পাকা ঘরের মধ্যে বাঁশের মাচা (বেড) এর ওপর সারিবদ্ধভাবে ডিমগুলো বসিয়ে লেপে দিয়ে ঢেকে নিচ থেকে হারিকেন বাতির সাহায্যে পরিমাণমত তাপ দিতে হয়। ২৫ দিন পর ডিমগুলো ফুটতে শুরু করলে লেপের আবরণ তুলে দেওয়া হয়। ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়। প্রতিটি এক দিন বয়সের হাঁসের বাচ্চা ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়। ডিমের বাজার ওঠা নামায় বাচ্চার দাম কম-বেশি হয়। হ্যাচারি ব্যবসায়ী বিরৌহালী গ্রামের গোলাম মোস্তফা, ছাইফুল ফকির,জহুরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম , শরিফুল ফকির এবং মহেষরৌহালী গ্রামের আব্দুল আজিজ, আদরী খাতুন, হাসিনা বেগম,গোঞ্জের আলী,আব্দুল আলীমসহ অনেকে জানান, বাচ্চা ফুটে বেড় হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তাদের কাছে চাহিদা আসতে শুরু করে। হারিকেন হ্যাচারিতে ফুটানো হাঁসের বাচ্চা বর্তমানে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কুষ্টিয়া-যশোর হয়ে পার্শ্তবর্তী দেশ ভারতেও যাচ্ছে। দেশের চাহিদার তুলনায় হাঁসের বাচ্চার উৎপাদন খুবই সীমিত। তাই বেকারদের চাকরির পেছনে না ছুটে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তারা। সরকারি সহায়তা পেলে এসব হ্যাচারির পরিধি বাড়িয়ে চাহিদা অনুযায়ী হাঁসের বাচ্চা ফুটানো সম্ভব বলে জানান হারিকেন হ্যাচারির সঙ্গে যুক্ত সকলে। তারা আরো বলেন,আমরা খুব কষ্ট করে হ্যারিকেন জালিয়ে তাপ সৃষ্টি করে হাসের বাচ্চা ফোটাই ।হ্যাচারিতে স্থানীয় পল¬ীবিদ্যুৎতের বাল্ব ছাড়া আর কিছু ব্যবহার না করলেও   পল্লী বিদ্যুৎতের কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী তৈরি করা দ্বিগুন বিদ্যুৎ বিলে  ব্যাপক হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে তারা উল্লেখ করেন

ডিমলায় সোলার প্যানেল ও নগদ টাকা বিতরণ
                                  

নীলফামারী প্রতিনিধি:

সরকারের ঘরে ঘরে সৌর বিদ্যুতের সেবা প্রদানে টেস্ট রিলিফ (টিআর) ও কাবিটা প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীর ডিমলা রোববার সকালে উপজেলা অডিটরিয়ামে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল ও নগদ টাকা বিতরন করেন নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার। সরকারের দেয়া এমপির অনুকুলে বরাদ্দকৃত ১শ ৫০ মেট্রিক টন চালের বিপরীতে মোট  প্রকল্পের ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে এসব সোলার প্যানেল ও নগদ ১৮ হাজার ৫ শত ৪৮ টাকা করে মোট ২৭ লাখ ৮২ বিড়াশি হাজার ২শ টাকা ও কাজের বিনিময় টাকা(কাবিটা) প্রকল্পের ২৭ টি প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে ৫৪ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম কিস্তি ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তবিবুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নায়েমা তাবাচ্ছুম শাহ,উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ডিমলা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার, বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভুইয়া, ডিমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম লিটন, সাধারন সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম জাহিদ প্রমুখ।

রাবিতে চাকরির মেলা শুরু হচ্ছে কাল
                                  

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের (আরইউসিসি) উদ্যোগে ও রাবি ছাত্র উপদেষ্টা দফতরের সহযোগিতায় চতুর্থবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে আরইউসিসি জব ফেয়ার ২০১৭। শনিবার হতে শুরু হওয়া দুই দিন ব্যাপী এ মেলায় দেশের প্রায় ২৫টি কোম্পানি অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আরইউসিসির সভাপতি কাজী মাহমুদ দীপ।

তিনি বলেন, শনিবার সকাল ৯টায় শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সামনে মেলার উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মেলাটি চলবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ জব মেলায় সিভি জমা দিতে পারবেন। দুই দিনব্যাপী এ মেলায় ক্যারিয়ার বিষয়ক ১০টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এবারের।  কোম্পানিগুলো সরাসরি সিভি সংগ্রহ করে চাকরির তথ্য প্রদান, সেরা চাকরীপ্রার্থীদের বাছাইকরণ এবং সাক্ষাতকার গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ প্রদান করবে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে নড়াইলবাসীর স্বপ্নের চিত্রা সেতুর নির্মাণকাজ
                                  

উজ্জ্বল রায়:
চিত্রা নদীর ওপর নড়াইলবাসীর স্বপ্নের সেতুর নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে। বহু আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল এই সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। সেতুটি চালু হলে জেলার তিন উপজেলার প্রায় সাত লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। বিস্তারিত আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই সেতুর নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। এলজিইডি সূত্র জানায়, নড়াইল শহরের পুরোনো ফেরিঘাটে ২৮ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল। নির্মাণের সময়সীমা ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ১৪১ মিটার। এর বাইরে দুই পাশে ফ্লাইওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৭ দশমিক ৫০ মিটার। সেতুর প্রস্থ ৫ দশমিক ৪৬ মিটার বা ১৮ ফুট। পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা ৭ মিটার। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক আছে ৪৩১ মিটার। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি) সেতুটি নির্মাণ করছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. আবিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের আন্তরিকতায় নির্ধারিত মেয়াদের আগেই শেষ হচ্ছে এই সেতুর কাজ।’ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কালাম হোসেনের বাড়িও নড়াইলে। তাই নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে বাস্তবায়ন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর কাজে রয়েছে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা। আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করতে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। নড়াইল সদরের উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, দ্রুতগতিতে যেমন কাজ এগিয়ে চলছে, তেমনি সব দিক দিয়ে ঠিকাদারের আন্তরিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। সেতুর পাশের দোকানপাট ও বাড়িঘর বাঁচাতে এটি অনেক উঁচু করা হয়েছে। চাঁদ আকৃতির দৃষ্টিনন্দন এই সেতু সৌন্দর্যপিপাসুদের তৃষ্ণা মেটাবে।নড়াইলের সুশাসনের জন্য প্রচার অভিযানের (সুপ্র) সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান বলেন, প্রায় একযুগ ধরে এই সেতুর কাজ বাস্তবায়নের জন্য ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও এলাকার সাধারণ লোকজন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। সেতু না থাকায় ৮ কিলোমিটার ঘুরে নড়াইল শহরে আসতে হয়। এতে করে জেলার তিন উপজেলার শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষের দুর্ভোগ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। নড়াইলের আইনজীবী শরীফ মাহাবুল করিম বলেন, সেতুটি পার হলেই নড়াইল আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নড়াইলের মূল শহর। তাই এতদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সব শ্রেণির মানুষের। জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফ বলেন, হয়তো আগামী এপ্রিল নাগাদ সেতুটি চূড়ান্তভাবে খুলে দেওয়া সম্ভব হবে। শেখ রাসেলের নামে এই সেতুর নামকরণ হওয়ার কাজটিও প্রক্রিয়াধীন।

শ্রীপুরে ৫০০ অবৈধ গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
                                  

রাতুল মন্ডল:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামে কমপক্ষে ৫০০ গ্রাহকের অবৈধ গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন মাপের ৩০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়।

গাজীপুর ও ভালুকা অঞ্চলের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এবং শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্নকরণ অভিযান চলে। এসময় শ্রীপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম রেজা এ অভিযানটি পরিচালনা করেন।

তিতাস কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, শ্রীপুর উপজেলার কমপক্ষে ৫ হাজার গ্রাহক অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছেন। ফলে গত বছর শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের নয়নপুর এবং পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় গ্যাসপাইপ বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

শ্রীপুর অঞ্চলের তিতাসের ব্যবস্থাপক এ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, শিল্প এলাকার গ্যাস-সংযোগে ১৫০ ঘনফুট চাপে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আবাসিক এলাকায় ৫০ ঘনফুট চাপে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কিন্তু অবৈধ ভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠানের গ্যাসলাইন থেকে আবাসিক গ্যাস-সংযোগ নেওয়ায় ঝুঁকি বেড়ে গেছে। আমরা প্রসাশনের সাহস্য নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। মুলাইদ এলাকায় ৫০০ গ্রাহকের অবৈধ গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন পরিমাপের ৩০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বাড়ির মালিকদের পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব চলচ্চিত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিবে
                                  

বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেড চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন করেছে। যারা চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আছেন বিশেষ করে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, প্রদর্শক, শিল্পী, কলাকুশলী, সাংবাদিক, গায়ক-গায়িকা, কাহিনীকার ও গীত রচয়িতা। প্রত্যেকে স্ব স্ব সমিতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেড ৪৫ বিজয়নগর, সায়হাম স্কাই ভিউ ভবন (৯ম তলা), ঢাকা ঠিকানায় আবেদনপত্র জমা দেয়ার অনুরোধ করা যাচ্ছে। মহান স্বাধীনতার মাসের শেষ সপ্তাহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এফডিসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হবে।

মেলায় কবি ওবাইদুল হকের একক বই ভুলিনি মাতৃভূমি সহ যৌথ বই মোট পাঁচটি
                                  
দেশকাল ডেস্ক :
২০১৭ বই মেলায় আমার  একক বই (ভুলুনি মাতৃভূমি) আর যৌথ বই সহ মোট পাঁচটি বই এসেছে মেলায়। 
এ নিয়ে আমার আমার একক বই মোট পাঁচটি প্রথম বই, ১। কষ্ট তোমায় এত দিনে চিনলাম।২। মা স্বদেশের মাঝে তোমায় খুঁজি।৩। বিধুর বিসর্জন। ৪ কষ্টের প্রবাস।৫।  ভুলিনি মাতৃভূমি। একক সব গুলো বই নন্দিতা প্রকাশনী। বাংলা বাজার ঢাকা। 
 
যৌথ কাব্য, শব্দ মেঘ, স্বপ্ন সুখের সারথি,স্বপ্ন সিঁড়ি।লাল সতবুজের পতাকা, প্রবাসের গল্প ২।
 
কেন বই লিখি :
 
প্রতিটি মানুষের কিছু মনের আনন্দ বেদনার চাহিদা থাকে। কেউ গান গেয়ে সে আনন্দটা উপভোগ করে, আবার কেউ গান শুনে আনন্দটা উপভোগ করে। তবে আমার ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা সেটা আমার একান্তই, আমার লেখার মাঝে আমি আমার মরহুম মাতাকে আনোয়ারা বেগমকে,  সারাটা জীবন বাঁচিয়ে রাখতে চাই। কারণ শৈশবে অবেলা মাকে হারিয়ে যখন প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেলাম, তখন এই কলমের কালি ছাড়া বাকি অবশিষ্ট আমার কিছুই ছিলনা। পরিবারের বড় ছেলে আমি।২০০৫ সালে  মা যখন ব্লাড  ক্যান্সারে   মারা যায়, ছোট বোন রুপার বয়স মাত্র সাত বৎসর। কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে সংসার সংগ্রামে আরব-আমিরাতে প্রবাস জীবনে   পরিবারে হাল ধরি। যে কষ্ট আমার একান্ত সে কষ্ট কেউ অনুভব করার মত নেই। সেই প্রবাসে কাজের ফাঁকে ফাঁকে কবিতা লিখে মনের দুঃখ আনন্দ বেদনাকে স্মরণ করি। তবে যাঁরা আমাকে কবি বলে সেই কবিত্ব মানতে আমি নারাজ। কারণ কবি নামটা অনেক অর্থবহ। নামের পাশে সে নাম যোগ করার সে যোগ্যতা আমার কখনো হবে বলে আমি মনে করিনা। কারণ মা মারা যাবার পর আর লেখা পড়া হয়ে উঠেনি।  কবিতা লিখি আমার মনের স্বাধীনতা থেকেই। সেই স্বাধীনতা সারাজীবন বেঁচে থাকবে আমার মনের মাঝে।   দেশ প্রেম,মাতৃত্ববোধ,হত দরিদ্র মানুষের জন্য কিছু করা, অসহায়দের জন্য কাব্যের মাধ্যেমে তাদের সহযোগিতা করা এটাই আমার মূল উদ্দ্যেশ। তবে স্বপ্ন আছে মায়ের নামে নিজ গ্রামে একটা ক্যান্সার হাসতাপাল করার।  যদি আল্লাহ্ কোনদিন সেই তৌফিক দান করেন রাঙ্গুনিয়ার মানুষের সেটা করে যাব। সেই স্বপ্নের ভিবোর হয়ে এখনো কাব্য রচনা করি। মানুষ মাত্রই ভুল, সেই থেকে শিখতে আমি সব সময় প্রস্তুত। আর কাব্য হল একজন কবির মূল্যবান সম্পদ। সেই সম্পদকে যেন পাঠকরা যথাযথ সম্মান করেন। এখানেই একজন কবির কাব্য লেখার সার্থকতা
কবি কাজী কাদের নওয়াজের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
                                  

মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মুজদিয়া গ্রামে ‘কবি ভবনে’ মঙ্গলবার বিকালে মুঘল ঐতিহ্যের কবি কাজী কাদের নওয়াজের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কবি কাজী কাদের নওয়াজ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান, উপাধ্যক্ষ আবদুর রশিদ বিশ্বাস, শিকদার মঞ্জুর আলম, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক প্রধান শিক্ষক মোল্যা মতিয়ার রহমান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবির ভাগিনী কাজী মঞ্জুয়ারা, শ্রীপুর লালন স্মৃতি সাংস্কৃৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিশির কুমার শিকদার, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, সংগঠনের পক্ষে মোঃ আব্দুল্লাহ, রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল ও কবির কবর জিয়ারত করা হয়। পরে আগামী ১৫ জানুয়ারী কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপি অনুষ্ঠান ‘কবিমেলা’ উদ্যাপনের জন্য ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আয়োজক কমিটি গঠন করা হয়। v

বিএফএ পরিচালক তুষারের দেখানো পথে পলাশে ১ হাজার নারী পুরুষের ভাগ্য বদল
                                  

পলাশ প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের পরিচালক বিশিষ্ট সমাজ সেবক আল-মুজাহিদ হোসেন তুষারের একান্ত সহযোগিতায় নরসিংদীর পলাশ উপজেলার প্রায় এক হাজার অসহায় নারী পুরুষের ভাগ্য বদল হয়েছে। নুন আনতে পানতা ফুরায়, এমন হতদরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে দাঁড়িয়েছেন তুষার। ৫ শতাধিক নারী খুঁজে পেয়েছেন অভাবকে জয় করার পথ। এবং তুষার এন্টারপ্রাইজ এর মাধ্যমে উপজেলার ৫ শতাধিক বেকার যুবকদের কর্ম সংস্থার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। ফ্রি সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে আজ উপজেলার ৫শতাধিক নারীরা স্বাবলম্বী হয়েছে। সুলতানা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কলেজছাত্রী আসমা,সুমী,পারুল ও বিধবা মহিলা মোমেনা খাতুন জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর হতদরিদ্র সংসারে আরো বেশি দরিদ্রতার মুখোমুখি হতে হয় মোমেনাকে। তবুও দারিদ্রতার কাছে হার না মেনে সংসারে সচ্ছলতা আনতে নেমেছিলেন জীবনযুদ্ধে। এমন কঠিন সময়ে শুনতে পারেন ফ্রি সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কথা। এবং যোগাযোগ করেন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়ে আজ মোমেনা খাতুন স্বাবলম্বী। চরসিন্দুরের স্বামীপরিত্যক্তা শাহানাজ ও সুমী আক্তার জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ তাদের নতুন করে বাঁচার পথ দেখিয়েছে। ২০১২ সালে ৯ ফের্রুয়ারি মাত্র ১৫ শিক্ষার্থী নিয়ে পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নে সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণের যাত্রা শুরু হয় বলে জানান এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক আল-মুজাহিদ হোসেন তুষার। তিনি বলেন, আমি এবং আমার মা নিগার সুলতানা শিক্ষিত বেকার ছাত্রী, হতদরিদ্র ও বিধবা মহিলাদের কীভাবে স্বাবলম্বী করা যায়, এ চিন্ত করে ফ্রি সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলি। আমাদের নিজ অর্থায়নে প্রশিক্ষণ দিয়ে এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক নারীর অলস হাতকে কর্মীর হাতে পরিণত করেছি। উপজেলার চরসিন্দুর, গজারিয়া ইউনিয়নে আমরা এ কার্যক্রম শেষ করে বর্তমানে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বালুচর পাড়ায় কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রতিটি ব্যাচে ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থীকে ৩ মাস প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। এজন্য ছয় প্রশিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি। এছাড়া প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে কয়েকটি ব্যাচে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীকে সেলাই মেশিন উপহার দিয়েছি। এবং উপজেলার বেকার যুবকদের জন্য কিছু করার চিন্তা ছিল পুর্বেই। তাই বেকার যুবকদের কর্মের হাত করতে তুষার এন্টারপ্রাইজ এর মাধ্যমে ৫ শতাধিক যুবকদের কর্ম সংস্থার ব্যবস্থা করেছি। তুষার এন্টারপ্রাইজে চাকরিজীবী গড়পাড়ার সোহেল, সুমন, আরিফ মিয়া জানান, বেকার জীবনটা খুব কষ্টের ছিল। তুষার এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে আমরা আজ স্বাবলম্বী হয়েছি। তুষার এন্টারপ্রাইজে চাকরি করে প্রতি মাসে এক একজন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে পাছি। শুধু সুলতানা সেলাই প্রশিক্ষণ আর তুষার এন্টারপ্রাইজই নয়, তুষারের নিজ অর্থায়নের উন্নয়নের ছুয়া রয়েছে উপজেলার গড়পাড়ায়, চরসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দেওড়া গ্রামে এবং উপজেলার বাদামতলি এলাকায়। বাদামতলি এলাকার শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ দূর করেছেন তিনি। বৃষ্টি হলে বা জলাশয় হলে চলাচলের জন্য দুর্ভোগে পরত ঐ এলাকার মানুষজন। নৌকা বা ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হতো তাদের। এমন অবস্থায় শতাধিক পরিবারের আলো হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে তুষার। কথা হয় বাদামতলি এলাকার আবদুল কাইয়ূম মোল্লার সাথে তিনি জানান, দীর্ঘদিন যাবত আমরা রাস্তার জন্য দুর্ভোগে ছিলাম। অনেক জায়গায় গিয়েছি রাস্তার জন্য কিন্তু কোন লাভ হয়নি। পরে তুষার ভাইয়ের কাছে আমাদের এলাকার সবাই মিলে রাস্তার বিষয়টি জানালে তিনি নিজ অর্থায়নে দেঁড় কেলোমিটার রাস্তা করে দেন। এছাড়াও গড়পাড়ায় নিজ অর্থায়নে ৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা করেছেন এবং দক্ষিণ দেওড়া গ্রামের জামে মসজিদ পাকা করেছেন তিনি।

লোহাগড়ায় ইসলামী ব্যাংকের ৩১২ তম শাখার উদ্বোধন
                                  

নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়ায় গতকাল রোববার দুপুরে (২৭ নভেম্বর) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ৩১২ তম লোহাগড়া শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে । লোহাগড়া বাজার সংলগ্ন রামনারায়ন পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেট ভবনের দোতলায় ব্যাংকের নতুন শাখার শুভ উদ্বোধন করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী  মোহাম্মদ আবদুল মান্নান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের পরিচালক জয়নাল আবেদীন, প্রফেসার ড.মোঃ সিরাজুল করিম, লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটু, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সেলিম রেজা, পৌর মেয়র মোঃ আশরাফুল আলম, ব্যাংকের লোহাগড়া শাখার ব্যবস্থাপক হাসান মোরশেদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফকির মফিজুল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম, রামনারায়ন পাবলিক লাইব্রেরি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আকরাম আলী আখিদুল, অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম এনামুল কবীর, সাবেক অধ্যক্ষ শা.ম. আনয়ারুজ্জামান, লোহাগড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম হায়াতুজ্জামান, শ্রাবণ মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী এস,এম ইকবাল হাসান শিমুল, বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এস এম শরিফুল ইসলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক অজয় কান্তি মজুমদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, লোহাগড়ার সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করবে ইসলামী ব্যাংক। আমরা শুধূ বড়লোকদেরই ব্যাংক থাকবো না, আমরা সবারই সেবা করে প্রমাণ করবো ইসলামী ব্যাংক সবার ব্যাংক। আমরা এ এলাকা থেকে অর্জিত অর্থ এই এলাকার উন্নয়নেই বিনিয়োগ করবো।  

শিগগিরই হাসপাতাল ছাড়ছেন খাদিজা
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন সিলেটের কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন।
 
আজ বেলা ১২ টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা এ তথ্য জানান। 
 
খাদিজা বেগম বলেন, আমার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আমি ভালো আছি। শিগগির হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
 
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম সিলেট এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
খাদিজার হাত ও মাথায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
                                  

 অনলাইন ডেস্ক :

আরেক দফা অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসের।

আজ সোমবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তার অস্ত্রোপচার শেষে তাকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয় বলে ডাক্তারদের বরাত দিয়ে খাদিজার বাবা মাসুম মিয়া জানান।

এর আগে ৪ অক্টোবর খাদিজার মাথায় প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয়। ১৭ অক্টোবর তার ডান হাতে অস্ত্রোপচার হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম।

বাঁ পা নাড়াতে পারছেন খাদিজা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলার শিকার হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা বেগম নার্গিসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। এতদিন প্যারালাইজড হয়ে থাকলেও গত শনিবার রাত থেকে তার বাঁ পায়ে চেতনা ফিরেছে। তিনি বাঁ পা অল্প অল্প  নাড়াতে পারছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক মেডিকেল সার্ভিসেস এবং মেডিসিন অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের পরামর্শক ড. মির্জা নাজিমউদ্দিন বলেন,  মানুষের ব্রেনের বাঁ অংশ শরীরের ডান অংশের নড়াচড়া এবং ডান অংশ শরীরের বাঁ অংশের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে। মাথার ডান অংশে আঘাতের কারণে খাদিজার বাঁ অংশে নড়াচড়া ছিল না। তবে বর্তমানে  তিনি বাঁ পা অল্প নাড়াতে পারছেন। বাঁ অংশ কতটুকু নাড়াতে পারবেন, সেটা বুঝতে আরও সময় লাগবে।

খাদিজার বাবা মাশুক মিয়া বলেন, বাঁ পায়ে এখনও কোনো নড়াচড়া তার চোখে পড়েনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে গরম খাবার, বিশেষ করে জেলি, পুডিং ও স্যুপ খাওয়ানো হচ্ছে। খাদিজা কথা বলতে পারছেন। তবে কখনও কখনও অসংলগ্ন কথা বলছেন বলে জানান তিনি।

গত ৩ অক্টোবর খাদিজাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। পরদিন তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চোখ খুলেছে খাদিজা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

রেজাউল সাত্তার আরো বলেন, মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পরও খাদিজা বেগম বেঁচে আছেন, তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো, তা অবশ্যই ভালো। খাদিজা এখনও সংজ্ঞাহীন। তবে তার হাত পায়ে অনুভূতি রয়েছে।
গত সোমবার বিকেলে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিতে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রির (পাস) ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস। পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম (২৭)।
এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।  
খাদিজার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো জানালেও চিকিৎসক বলছেন খুব তাড়াতাড়ি তিনি সেরে উঠবেন তা বলা যাবে না।
রেজাউল সাত্তার বলেন, এ ধরনের রোগীদের দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। সংজ্ঞা ফিরে এলে অর্থোপেডিকস চিকিৎসকরা চিকিৎসা শুরু করবেন। এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে অঙ্গহানি বড় বিষয় নয়, বেঁচে থাকাই বড় কথা।
তিনি আরো বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বলে একটা কথা আছে। চার ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করতে হয়। এক্ষেত্রে সিলেট মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তাই ১২/১৩ ঘণ্টা পেশেন্ট রিসিভ করলেও খাদিজা বেঁচে আছে।

অন্ধ প্রতিবন্ধী মাসুদের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প
                                  

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী, টাঙ্গাইল থেকে
তেত্রিশ বছর পেরুতে ছেলেটিকে পোহাতে হয়েছে নানা বিড়ম্বনা। বেঁচে থাকতে জীবনের বড় সময়টুকু ব্যয় করতে হয়েছে জীবন সংগ্রামে। আর জন্মদাতা পিতা-মাতাকে সন্তানের বাঁচার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতেও কম ত্যাগ করতে হয়নি। জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়া এরকম একটি নাম অন্ধ প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা। মাসুদকে অন্ধত্বের চিকিৎসা করতে এক সময়য় বাবা মা আর্থিকভাকে পথে বসেছিল। এখন সেই প্রতিবন্ধীই পুরো সংসারের হাল ধরেছেন। তার মাসিক উপার্জন দাড়িয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। সমাজ প্রতিবন্ধীদের বোঝা মনে করলেও, মাসুদের সাফল্য প্রমান করেছে “প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, উপার্জন অক্ষম ব্যক্তিই সমাজের বোঝা। স্ত্রী,সন্তান, ভাই-বোন, বাবা মাকে নিয়ে ভালই চলছে মাসুদের জীবন। তার জীবন সংগ্রামের সাফল্য হার মানিয়েছে একজন স্বাভাবিক মানুষকে।
জেলার দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামে ১৯৮৩ সালে মাসুদের জন্ম। কথা হয় মাসুদের সাথে। সাফল্যের কথাগুলো মাসুদ শোনালেন। পাশেই ছিল মাসুদের বাবা মো. সামাদ মিয়া। যে বয়সের কথা মাসুদের মনে থাকার কথা না, সেই কথাগুলো বললেন মাসুদের বাবা।
সামাদ মিয়ার চার সন্তানের মধ্যে মাসুদ রানা (৩৩) প্রথম। বাবা মায়ের আদর কি তা বোঝার আগেই তিন বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে মাসুদের দু-চোখ অন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে সেই সময়ে স্থানীয় চিকিৎসকসহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা করিয়ে লাখ পাঁচেক টাকা খরচ করেও ফেরাতে পারেনি চোখের আলো। তার পর থেকেই স্থায়ী অন্ধ হয়ে যায় মাসুদ। অন্ধ বলে থেমে থাকেনি মাসুদ। ১১৯৩ সালে ১১ বছর বয়সে তিনি টাঙ্গাইল জেলা শহরে বিবেকানন্দ স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। লুইবেন হেলেন ক্লারের ব্রেইলি পদ্ধতিতে ১১৯৯ সালে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করে বাড়ি ফিরে আসার পর নিজেকে পরিবারের বোঝা মনে করে। পরে ওই বছরই বাড়ির পাশে মঙ্গলহোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মুদি দোকান দেন। বেচা-কেনা ও টাকা নিতে কোন সমস্যায় পড়েনি তিনি। ২০০১ সালের শেষের দিকে গাজীপুরের টুঙ্গি প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাঁস বেতের কাজ শিখতে যায় মাসুদ। সেখানেও নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেনি। কিছুদিন কাজ শেখার পর বাড়ি এসে পূণরায় কর্ম জীবনে আটকে যায়। এরপর থেকে জমা-জমির চাষ থেকে শুরু করে গরু পালন পর্যন্ত বাবাকে সব কাজে সাহায্য করতে থাকে। বাবা দুর্বল হওয়ায় কলের লাঙল ট্রাকটর স্ট্রাট করে দিত মাসুদ। দু-জনের উপার্জনে ছোট তিন ভাই বোন রাসেল,সোহেল ও সালমাকে পড়া লেখা শেষ করায়।
২০০৫ সালে তিনি নাটরের বরাইগ্রামে রেখা আক্তারকে বিয়ে করেন। মাসুদের স্ত্রী রেখা আক্তার বলেন, তাদের দাম্পত্য জীবন চলছে স্বাভাবিক। চলাফেরা এমনকি উপার্জনের দিক দিয়েও তার স্বামী অন্যদের মতোই। নিজেকে মানিয়েও নিয়েছে অতি সহজে। তার ঘরে জন্ম হয়েছে অর্পা নামের এক কণ্যা সন্তানের। তাকে এবং মেয়ে অর্পাকে ভালবাসার নেই কোন কমতি। অর্পার বয়স এখন ৯ বছর। মঙ্গলহোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে অর্পা।
অর্পা জানালেন, অর্পার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তার বাবা। স্কুলে যাওয়া থেকে টিফিন খাওয়ানো পর্যন্ত সব কাজে বাবা তাকে সহযোগীতা করে। কোন অভাবই তাকে লাগতে দেননি তার বাবা।
প্রতিবন্ধী হিসেবে দাদা হামিদ মিয়ার কাছ থেকে পাওয়া ১৩ শতাংশ জমির ওপর ২০১১ সালে হাজার খানেক মুরগি নিয়ে তৈরি করে লেয়ার মুরগি খামার। মাসুদের খামারে এখন প্রায় ২৩শ লেয়ার মুরগি রয়েছে। প্রথম দু বছর নিজেই সব কাজ করতেন। বর্তমানে তার খামারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করছে নীলফামারী জেলার জিয়াউর রহমান (২৫) নামের এক যুবক। থাকা খাওয়ার পর তাকে ৭হাজার টাকা মাসিক মাইনে দিতে হয় ।
জিয়া বলেন, মাসুদ ভাই সব কাজই করতে পারেন। খামার বড় হওয়ার কারণে কর্মচারী লাগছে। স্থানীয় বাজারের ডিমের চাহিদা পূরণ করছে মাসুদের খামার। প্রথম পর্যায়ে বার্ডফ্লু রোগে মুরগি মারা যাওয়ায় খামারের লোকসান হলেও বর্তমানে তার মাসিক উপার্জন প্রায় দেড় লাখ টাকা। খামারে মুরগির খাবার দেয়া, পানি দেয়া, ডিম সংগ্রহ থেকে ডিম বিক্রি করা পর্যন্ত সব কাজই মাসুদ নিজে করছে। ভোর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা কাজ করেও তার আত্মতৃপ্তি সে নিজে উপার্জন করছে। ছোট ভাই সোহেল ও রাসেলের টাকায় প্রথমে খামারটি তৈরি হলেও সংসারে এখন তাদের টাকার প্রয়োজন হয় না। তার উপার্জনেই সংসার চলছে। এমনকি তার ভগ্নিপতি ( সালমার স্বামী) মো. সেলিম মিয়া গত চার বছর আগে হৃদরোগে মার যাওয়ার পর থেকে সালমার সংসার খরচ বাবত মাসে ১০ হাজার টাকা করে দিয়ে আসছে। শুধু তাই না, প্রতিবেশী বহুলোক মাসুদের কাছে অর্থ ধার নিয়ে চলছে। কারো কাছে ধার না পেলে মাসুদের কাছে পাওয়া যাবে এ আস্থা স্থানীয়দের মাঝে। মাসুদের স্বপ্ন এখন দুটি। মেয়ে অর্পাকে সুশিক্ষিত করা। আর খামারটিকে আরো বড় করা।
মাসুদের বাবা সামাদ মিয়া বলেন, মাসুদকে কখনই তারা প্রতিবন্ধী মনে করে না। সন্তান হিসেবে মাসুদ অন্য তিন ছেলে মেয়ের মতোই। জীবন যাপনও করছে স্বাভাবিক। সে সংসারের বোঝা না। এক সময় মাসুদকে সারিয়ে তুলতে তারা অনেকটাই অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এখন মাসুদই সংসারের হাল ধরেছে।
মাসুদের মা মাসুমা বেগম বলেন, যদিও শিশু বয়সে মাসুদ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু টাইফয়েডের পর থেকে মাসুরে দুটি চোখই স্থায়ী অন্ধ হয়ে যায়। মায়ের কাছ থেকে যতটুকু আদর ¯েœহ পাওয়া দরকার, পরবর্তী তিন সন্তান জন্ম হওয়ায় ততোটা সময় দিতে পারিনি। তবে ওর জন্য দোয়া রয়েছে।
পাথরাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ চান খা বলেন, মাসুদ একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো জীবন যাপন করছে। চলাফেরা বা কাজকর্মে তাকে কখনই প্রতিবন্ধী মনে হয় না। বরং মাসুদ স্বাভাবিক মানুষের জন্য একটি মডেল। যা অনুস্মরণ করে একজন স্বাভাবিক মানুষ নির্ধিদায় সাবলম্বী হতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষ অনেক সময় সমাজ ও পরিবারের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু মাসুদ তার পরিবার ও সমাজের জন্য সম্পদে পরিনত হয়েছে।
দেশের প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি মাসুদের পরামর্শ, প্রতিবন্ধী মনে করে পিছিয়ে না পড়ে কর্মমূখী শিক্ষা গ্রহণ করে শ্রম ও মেধা খাটিয়ে নিজেকে সমাজের বোঝা থেকে সম্পদে পরিনত করা সম্ভব। স্বাভাবিক মানুষের প্রতি তার অনুরোধ প্রতিবন্ধীদের অবজ্ঞার চোখে না দেখে তাদের কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করে দেয়া উচিত। সরকারের প্রতি তার চাওয়া, শুধু প্রতিবন্ধী দিবস না। সবসময় প্রতিবন্ধীদের পাশে থেকে তাদের শিক্ষা,কর্ম ও বাঁচার মতো পরিবেশ সুষ্টি করলে সমাজের কাছে এরা বোঝা থাকবেনা। পাশাপাশি সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগীতার মাধ্যমে তাদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করলে সব প্রতিবন্ধীই সাবলম্বী হয়ে উঠবে।


   Page 1 of 3
     সু-সংবাদ
ফরিদপুরে নগরকান্দা সালথায় জনগনের ভালবাসার নতুন ফুল
.............................................................................................
হ্যারিকেন হ্যাচারিতে হাসের বাচ্চা উৎপাদন শতাধিক পরিবার সাবলম্বী
.............................................................................................
ডিমলায় সোলার প্যানেল ও নগদ টাকা বিতরণ
.............................................................................................
রাবিতে চাকরির মেলা শুরু হচ্ছে কাল
.............................................................................................
নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে নড়াইলবাসীর স্বপ্নের চিত্রা সেতুর নির্মাণকাজ
.............................................................................................
শ্রীপুরে ৫০০ অবৈধ গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব চলচ্চিত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিবে
.............................................................................................
মেলায় কবি ওবাইদুল হকের একক বই ভুলিনি মাতৃভূমি সহ যৌথ বই মোট পাঁচটি
.............................................................................................
কবি কাজী কাদের নওয়াজের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
.............................................................................................
বিএফএ পরিচালক তুষারের দেখানো পথে পলাশে ১ হাজার নারী পুরুষের ভাগ্য বদল
.............................................................................................
লোহাগড়ায় ইসলামী ব্যাংকের ৩১২ তম শাখার উদ্বোধন
.............................................................................................
শিগগিরই হাসপাতাল ছাড়ছেন খাদিজা
.............................................................................................
খাদিজার হাত ও মাথায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
.............................................................................................
বাঁ পা নাড়াতে পারছেন খাদিজা
.............................................................................................
চোখ খুলেছে খাদিজা
.............................................................................................
অন্ধ প্রতিবন্ধী মাসুদের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প
.............................................................................................
গরীব দুঃখী মানুষই আমার প্রাণ" আল-মুজাহিদ হোসেন তুষার
.............................................................................................
গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েও উচ্চ শিক্ষা নিয়ে চিন্তিত দিন মুজুর কন্যা ফারজানা
.............................................................................................
শেষ পর্যন্ত বিধ্বস্ত বাঁধ নির্মাণ করতে হলো গ্রামবাসীদের
.............................................................................................
বাগমারায় ১০ হাজার দুঃস্থ নারীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক
.............................................................................................
বেবী হোমের শিশুদের মাঝে ঈদের পোশাক বিতরণ
.............................................................................................
কুষ্টিয়ার নাসির স্যার: একজন আলোকিত মানুষ
.............................................................................................
ভাঙ্গায় আশা সংস্থার উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান
.............................................................................................
চরভদ্রাসনে নদী ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মান কাজ শুরু
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস উদ্বোধনে কমেছে জনভোগান্তি
.............................................................................................
আমি দারুণ খুশি, আপনারা দোয়া করবেন
.............................................................................................
কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়াম্যানের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
বাবা হচ্ছেন রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক
.............................................................................................
ত্রিশালে এম এম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন
.............................................................................................
মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
.............................................................................................
পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৪ অর্জন
.............................................................................................
শ্রীপুরে স্ব-উদ্যোগে এক কিলোমিটার রাস্তা সংষ্কার
.............................................................................................
১৯ বছর পর ঠিকানা পেয়েছে গোপালগঞ্জের আফরিদা
.............................................................................................
কন্যা সন্তানের মা হলেন টিউলিপ
.............................................................................................
ঢাকা প্রিমিয়ার হোটেলের চেয়ারম্যান সৈয়দ আকামত আলী রুবেলের গুনীজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে বৈশাখী শাড়ি তৈরীতে ব্যস্ত তাঁতীরা: চলছে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের প্রস্তুতি
.............................................................................................
সরিষাবাড়ীতে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল আর্জিনা, বাবাকে জরিমানা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]