| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * পূর্বাচলে আবারো ৬টি এসএমজি উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ২৬ জুলাই

অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ২৬ জুলাই ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জন্য মুদ্রানীতি প্রতিবেদন ঘোষণা করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা সোমবার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির আগামী ২৬ জুলাই সকালে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম অর্ধাংশের মুদ্রানীতি তুলে ধরবেন।
 
সতর্কতামূলক অবস্থান বজায় রেখে এবং বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, মূল্যস্ফীতি প্রভৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে এবারের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম অর্ধাংশের মুদ্রানীতিতে আমরা বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনব না।
 
মুদ্রানীতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের বাজেট এবং রাজস্ব নীতি অনুসারে মুদ্রানীতি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হবে। তিনি জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই নীতিকে আরও ফলপ্রসু করার লক্ষ্যে অর্থনীতিবিদ, বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
 
তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা এসেছে। সেসব পরামর্শ বিশ্লেষণের পরে আমরা মুদ্রানীতি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করছি। খবর বাসস।
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ২৬ জুলাই
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ২৬ জুলাই ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জন্য মুদ্রানীতি প্রতিবেদন ঘোষণা করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা সোমবার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির আগামী ২৬ জুলাই সকালে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম অর্ধাংশের মুদ্রানীতি তুলে ধরবেন।
 
সতর্কতামূলক অবস্থান বজায় রেখে এবং বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, মূল্যস্ফীতি প্রভৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে এবারের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম অর্ধাংশের মুদ্রানীতিতে আমরা বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনব না।
 
মুদ্রানীতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের বাজেট এবং রাজস্ব নীতি অনুসারে মুদ্রানীতি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হবে। তিনি জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই নীতিকে আরও ফলপ্রসু করার লক্ষ্যে অর্থনীতিবিদ, বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
 
তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা এসেছে। সেসব পরামর্শ বিশ্লেষণের পরে আমরা মুদ্রানীতি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করছি। খবর বাসস।
সুশাসন নিশ্চিত করাই ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের বিশেষ প্রতিপাদ্য হওয়া উচিত
                                  

দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ মজবুত করার জন্যে উন্নয়নশীল ও বাস্তবভিত্তিক বাজেটের কোনো বিকল্প নেই। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) মনে করে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি বহুমুখী, বাস্তবায়নযোগ্য এবং সম্প্রসারণশীল বাজেটের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৪,০০,২৬৬ কোটি টাকার বাজেটকে অনেকে উচ্চাভিলাসী বলে অভিহিত করলেও আমরা মনে করি এটা দেশের অর্থনৈতিক প্রসারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে আমরা এই রকম বড় অংকের বাজেটের ঘোষণা দেয়ার জন্য আইবিএফবির পক্ষ থেকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো ও এর গতি প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে এই বাজেট বরাদ্দ খুব বেশি নয় বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশি বিদেশী বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা, অবকাঠামোগত উন্নয়নে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বাড়ানো এবং সামগ্রিক ব্যাবসায়ের পরিবেশ সহজ করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য বাজেটের পরিমান আরো বৃদ্ধি করা আবশ্যক।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তুলনায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির হার ছিল ১৭.৮%, যা ২০১৬-১৭ কমে দাঁড়ায় ১৫.৪২% এ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭.৫১%। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে বাজেট বরাদ্দের পরিমান বৃদ্দি করা একটি যুক্তিসঙ্গত প্রক্রিয়া যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু বাজেট বরাদ্দ বাড়লেও বাস্তবায়নে সক্ষমতার অভাবে বাজেট কাটছাট করা হলে তা উন্নয়নের আকাঙ্খাকে ম্লান করে দেয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজেট কাটছাট  করা হয় ১০.৮৪%, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাটছাট করা হয় ১০.৩৯% এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাটছাট করা হয় প্রায় ২০% যা অবশ্যই কাম্য নয়।

বাজেট বাস্তবায়নের হারের উপর লক্ষ্য করলে দেখা যায় বাজেট বাস্তবায়নে আমাদের ব্যার্থতার হার প্রতি বছরেই উচ্চহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে  সামগ্রিক বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল ৯৭.০৫%, যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে কমে দাঁড়ায় ৯০.৭৬% এ এবং ২০১৫-১৬  অর্থবছরে  আরো কমে দাঁড়ায়  ৭৯.৪% এ। অন্যদিকে, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে  মার্চ মাস পর্যন্ত প্রকৃত বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৪% যা বিগত তিন বছরের গড়কে ধরে প্রাক্কলিত করলে সম্পূর্ণ অর্থবছরে দাঁড়ায় ৮১.৬%। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ফি বছর বাজেটের বড় অংশ কাটছাট করা হলেও, কাটছাটকৃত বাজেটও সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হয় না যা বাজেট বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সকলেরই বিশেষ দৃষ্টি দেয়ার জোর দাবি রাখে।

২০১৪-১৫ সালে ভারত, ভিয়েতনাম ও উগান্ডা যেখানে যথাক্রমে ৯২.৭%, ১০০%, ও ৮৯.৩% বাজেট বাস্তবায়ন করতে পেরেছিলো বাংলাদেশ সেখানে বাস্তবায়ন করতে পেরেছে ৮১.১% এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ভারত ও ভিয়েতনাম  ১০০% এবং উগান্ডা  ৯০.৩% বাজেট  বাস্তবায়ন করতে  পারলেও বাংলাদেশ  বাস্তবায়ন করতে পেরেছে মাত্র ৭৯.৪%, যা অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের  বাজেট বাস্তবায়ণে অসক্ষমতাকেই  প্রকাশ করে।

তাই বাজেট বাস্তবায়নের হারকে যথাযথভাবে বৃদ্ধি এবং কাজের  গুণগত মান সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে বাজেট বাস্তবায়নের কারিগরি এবং প্রয়োগিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উপর বেশি জোর দেয়া অতীব প্রয়োজন  এবং তার জন্যে  বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকা উচিত বলে আইবিএফবি বিশ্বাস করে।

সঠিকভাবে এডিপি বাস্তবায়নের উপর জোর দেয়ার কথা সবাই বলে আসলেও সারা বছর এডিপি বাস্তবায়নে শ্লথ গতি বিরাজ করার পর অর্থবছরের শেষ ২-৩ মাসে বাস্তবায়নে গতি আকষ্মিকভাবে বেড়ে যায় যা কোনোভাবেই প্রকল্পভিত্তিক  টেকসই উন্নয়নের লক্ষমাত্রা অর্জনকে নিশ্চিত করে না। বিগত ৬ বছরে অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (২০১২-১৩ অর্থবছর ব্যাতিত) কোনো বছরই এডিপি বাস্তবায়নের হার ৪৫% উপরে উঠেনি কিন্তু তাসত্ত্বেও প্রতিবছরই  অর্থবছরের শেষে এডিপি বাস্তবায়নের হার ৮০% এর অতিক্রম করে যায় যা উন্নয়ন কর্মকান্ডের মান ও কর্মপদ্ধতিকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এতে করে দীর্ঘমেয়াদে প্রকল্পের সুফল ভোগ করা থেকে মানুষ বঞ্চিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়কালীন এডিপি বাস্তবায়নের সফলতার হার ছিল যথাক্রমে ৪৩.৮%, ৪১.১%, এবং ৪৪.৮%। তাই সারা বছরই যাতে সমান গতিতে ও সুষ্ঠুভাবে  এডিপি বাস্তবায়ন করা যায় তার জন্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর টেকনিকাল ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করতে হবে ও সর্বোপরি অপচয় রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সমস্ত অর্থবছরে কাজের গতি সমুন্নত রাখতে বাৎসরিক বাজেট বরাদ্দের জন্য অপেক্ষা না করে রোলিং বাজেট থেকে বরাদ্দ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত, এতে করে উন্নয়ন তরান্নিত হবে।

ব্যাংক ডিপোজিটের উপর আবগারি শুল্ক বৃদ্ধি একটি উদ্বেগজনক উদ্যোগ।ব্যাংক আমানের উপর আবগারি শুল্ক বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিকভাবে যতটুকু লাভবান হওয়া যাবে তার থেকে অধিক হারে সামাজিক সংকট সৃষ্টি হবে।ব্যাংক ডিপোজিটের উপর আবগারি শুল্ক বৃদ্ধি ইতিমধ্যে Talk of the Country তে পরিণত হয়েছে।এই শুল্কহার বৃদ্ধি হতে সরকার মাত্র ২১০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করবে, যা জনগণের মনো পীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাই আর কোনো বাড়তি শুল্কহার আরোপ না করে জনগণকে স্বস্তি দেয়ার জন্য।

নন-ফিল্টার এবং ফিল্টার বিড়ির উপর যথাক্রমে ৩০% এবং ৩৫% স্পেশাল ডিউটি আরোপের প্রস্তাবকে আইবিফবি স্বাগত জানাচ্ছে। যার ফলে সাধারণ ও প্রান্তিক জনগণ যারা এই বিড়ির প্রধান ভোক্তা তারা বিড়ির আসক্তি থেকে কিছুটা হলেও দূরে থাকবেন যা তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে জাতীয়  ও আন্তর্জাতিক ব্রান্ডের সিগেরেটের উপর ডিউটি বিদ্যমান ৫০% থেকে সামান্য বাড়িয়ে ৫৫% ও ৫২% না করে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমরা ৮০% বৃদ্ধি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে করে দেশি কারখানাগুলো অসম প্রতিযোগিতার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে।

সবুজ বিদ্যুৎ বলে খ্যাত সোলার প্যানেলের পর শুল্কহার বাড়িয়ে কয়লার উপর শুল্কহার কমানো কোনোভাবেই পরিবেশবান্ধব হতে পারে না। এতে করে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধমান সোলার হোম সিস্টেমের বাজার বাংলাদেশে এর প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান স্থবির হয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে এবং তা দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।

নতুন  প্রস্তাবিত ভ্যাট আইনে ১৫% ভ্যাট ব্যাবসায়ী সম্প্রদায় ও ভোক্তাসহ সবার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে নতুন প্রস্তাবিত ভ্যাট আইন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামের হেরফের করবে, যা মূল্যস্ফীতি বাড়াতে সাহায্য করবে।

বিভিন্ন দেশের ভ্যাটের হার বিবেচনা করলে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে যেমন (ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আফগানিস্তান ও  শ্রীলংকায় গড় ভ্যাটের  পরিমান ১৩.৫%। এশিয়ার নিম্ন আয়ের দেশসমূহেও গড় ভ্যাটের হার ১১.৮%। অন্যদিকে বিশ্বের ১৯০টি দেশের গড় ভ্যাটের হারও ১৩.৮% যা আমাদের প্রস্তাবিত ভ্যাটের হার থেকে কম।  

তাই এশিয়ার দেশসমূহের সাথে মিল রেখে এবং বিশাল রাজস্ব আহরণের কথা অনুধাবন করে আমরা ভ্যাটের হার ১২ শতাংশ করা হলে তা সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে মনে করি। অন্যদিকে, এই ৩% ভ্যাট কমালে রাজস্ব আহরণে যে চব্বিশ হাজার কোটি  (২৪০০০) টাকা  টাকা ঘাটতি পরবে তা সমন্বয় করার লক্ষে সকল বিড়ি, সিগারেট, ব্যাংক, বীমা  ও মোবাইল কোম্পানির উপর করহার বাড়ানোর প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করতে পারেন।

দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় নানাবিধ উদ্যোগ এবং ভ্যাট অব্যাহতিকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে বেশ কিছু উদীয়মান শিল্পকে ভ্যাট অব্যাহতি না দেয়ায় আমরা বিস্মিত হয়েছি।

জেনারেটর আমদানির জন্য কোনো ধরণের কর আরোপ না করে দেশে প্রস্তুতকৃত জেনারেটরের যন্ত্রাংশের উপর আমদানি কর ও ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

 

অন্যান্য শিল্পে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা প্রদান করা হলেও মোটর সাইকেল শিল্পকে অব্যাহতির আওতায় আনা হয়নি. উদীয়মান শিল্পকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতির জন্য আমরা আবেদন করছি।

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন করতে হলে স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার খাতে বাজেট বরাদ্দ ছিল জিডিপির ৬.৮৭% যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছিল ৭.০১% এ। কিন্তু ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে স্থানীয় সরকার খাতে ব্যায় প্রস্তাব করা হয়েছে জিডিপির ৬.১৬% যা ৭% করা হলে স্থানীয় সরকার কাঠামো আরো উন্নত করা যেত এবং এতে করে সকলের প্রত্যাশিত স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ আরো বেগবান হতো।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের প্রসার লাভকল্পে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে বিশেষ বরাদ্দ আরো বেশি প্রয়োজন ছিল এবারের বাজেটে প্রস্তাবনায়। তাই কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড তরান্নিত করতে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে বিশেষ বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বিগত কয়েক বছর ধরে জেলাওয়ারি বাজেট দেয়ার কথা থাকলেও এইবারের বাজেটেও এর প্রতিফলন ঘটেনি।  ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আইবিএফবির বাজেট প্রস্তাবনার আলোকে মাননীয় অর্থমন্ত্রী দুটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে জেলাওয়ারি বাজেটের পরিকল্পনার কথা বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেছিলেন যা পরবর্তীতে আর কার্যকর হয় নি। এইবারের বাজেট বক্তৃতায় যদিও মাননীয় অর্থমন্ত্রী বলেছেন শহর ও জেলাগুলোর উন্নয়নে কিছুটা বরাদ্দ দেয়া হবে কিন্তূ কোন কোন খাতে কি পরিমান বরাদ্দ দেয়া হবে  এবং জেলাওয়ারি বাজেট এর সাথে তা কিভাবে সম্পৃক্ত সেগুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি।  উল্লেখ্য, জেলাওয়ারি বাজেট পেলে বাংলাদেশের অনগ্রসর জেলাসমূহগুলো উন্নয়নের মুখ দেখতে পেতো ও সামগ্রিক দেশীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হোত। তাই বরাবরের মতো আইবিএফবি জেলাওয়ারি বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছে।

বাংলাদেশ যদি দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে দাঁড়াতে চায় তাহলে গ্রাম পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে।  ৬৮,০০০০ গ্রামকে বাদ দিয়ে কোনো উন্নয়ন হতে পারে না। প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ যদি বাজেটের সুফল না পায় তাহলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। তাই বাজেটকে জেলাওয়ারি করতে হবে এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে এর কাঠামো ও কর্মপরিধি গ্রাম পর্যন্ত বিস্মৃত করতে হবে, যাতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এর সুবিধা পেতে পারে এবং গ্রাম পর্যায়ে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

পিছিয়ে পড়া বিভাগ বিশেষ করে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলা এবং উপজিলা গুলোকে মূলধারার উন্নয়ানের সাথে সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বাজেটে বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন বলে আইবিএফবি বলে আইবিএফবি মনে করে। কোনো একটি বিভাগ অথবা জেলা যদি পিছিয়ে পরে তাহলে ওই অঞ্চলের মানুষগুলোও পিছিয়ে পড়বে এবং এর প্রভাব সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচকের উপরও সমানভাবে পড়বে। অন্যদিকে শিল্পায়নের দিক থেকে যেই সকল বিভাগ এবং জেলাসমূহ তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে ভারসম্যমূলক উন্নয়ন নিচিত করার জন্য সেই সকল অঞ্চলের উপরেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করতে হবে। শিল্পায়ন ও অর্থনৈকিভাবে  পিছিয়ে পড়া অঞ্চলসমূহের উন্নয়নের  জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেয়া উচিত। বিনিয়োগকারীরা যাতে সেসব অঞ্চলে বিনিয়োগের উৎসাহিত হয় তার জন্য উদ্দীপকমূলক ব্যবস্থা নেয়াসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বাজার ব্যাবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন, সুষম ব্যাবসায়ের পরিবেশ সৃষ্টি, ও সহজে গ্যাস বিদ্যুৎ প্রাপ্তি নিচ্চিত করতে হবে।

এছাড়া, পিছিয়ে পড়া অঞ্চলসমূহে বিনিয়োগকারীদের কর অব্যাহতি সুবিধা, কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা ও বিনিয়োগের খাতসমূহগুলো চিহ্নিত করে দিতে হবে যাতে করে তারা সহজে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং যাদের জন্য উন্নয়ন তারা যাতে দ্রুত ও সহজে উন্নয়েনের সুবিধা পেতে পারে। পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেমন সাঁওতাল, গারো, চাকমা, হাজং, মুরং ইত্যাদির জন্য পৃথক উন্নয়নমূলক বাজেট অতীব প্রয়োজনীয় বটে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চলসমূহ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদাযের জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন তরান্নিত করতে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বল্প খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলে তা দীর্ঘ মেয়াদে সুফল বয়ে নিয়ে আসবে।

বাজেটে প্রতক্ষ করের অনুপাত পরোক্ষ করের তুলনায় উল্লেলখযোগ্যভাবে কম।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রতক্ষ করের পরিমান সর্বমোট কর রাজস্যের ৩৪.৪১% যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৩৫.৪১% এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে  ছিল ৩০.৮২%।  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে  তুলনায় ৪.৫৯% প্রতক্ষ কর বৃদ্ধি পেয়েছিল কিন্তু ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের তুলনায় প্রতক্ষ কর কমেছে ১.০৯%।  প্রতিবছর প্রতক্ষ করের অনুপাত বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অধিকিন্তু,  পরোক্ষ কর বৃদ্ধিতে দেশের গরিব শ্রেণী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রতক্ষ কর দেশের ধনিক শ্রেণীর উপর বৃদ্ধি করে ও আরো বেশি পরিমান করদাতাকে করের আওতায় আনলে কর সংগ্রহের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।  

অপরদিকে, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সর্বমোট রাজস্যে পরোক্ষ করের অনুপাত ছিল যথাক্রমে ৬৯.১৮%, ৬৫.৫৯% এবং ৬৫.৬৮%। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পরোক্ষ করে হার অনুপাতে কমেছে ৩.৫৯% এবং  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেড়েছে ০.০৯%।  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে  ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় সমন্বিতভাবে প্রতক্ষ ও পরোক্ষ করভিত্তিক রাজস্ব বেড়েছে ২৯.৭% যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে  বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.২৪%। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে সর্বমোট কর রাজস্যের ৫১.৬% আসে প্রতক্ষ কর থেকে এবং ৪৮.৪% আসে পরোক্ষ কর থেকে। নিউজিল্যান্ডে সর্বমোট কর রাজস্যের ৫৮% আসে প্রতক্ষ কর থেকে এবং ৪২% আসে পরোক্ষ কর থেকে।

অন্যদিকে, ব্যাক্তি খাতে করমুক্ত আয়ের সীমা না বাড়ানোতে কম আয়ের মানুষের উপর চাপ বাড়বে।  যেহেতু ধান চালের দামে বাড়ছে এবং আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫.৫% ধরা হয়েছে এবং নতুন ভ্যাট আইন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও সেবার দাম বাড়াবে তাই ব্যাক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা অন্তত পক্ষে তিন লক্ষ্য টাকা করা এবং করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আরো বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে ব্যক্তিপর্যায়ে সম্পদের উপর প্রযোজ্য করের শ্রেণীবিন্যাশ আরো বাড়ানো প্রয়োজন।  সম্পদের উপর করহারের শ্রেণীবিন্যাশ বাড়ানো হলে মানুষ আরো বেশি করে করে দিতে উৎসাহিত হবে।

বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছনোর জন্য আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে  জন্য খাতভিত্তিক পর্যাপ্ত বরাদ্দ, কৃষি ও উৎপাদন খাতের ভীত মজবুত করা,

স্বাস্থ ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নজর বৃদ্ধি, আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানে উপযুক্ত ব্যাবসায়ের পরিবেশ সৃষ্টি ও বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্যে বরাদ্দ, বাজেট বিকিন্দ্রীকরণ  এবং সকল ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করাই ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের বিশেষ প্রতিপাদ্য হওয়া উচিত বলে আইবিএফবি বিশ্বাস করে। 

প্লাস্টিকের তৈজসপত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার চায় বিপিজিএমইএ
                                  

অর্থনৈতিক রিপোর্টার:

প্রস্তাবিত বাজেটে প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্র বা ক্রোকারিজ সামগ্রীর (থালা, বাসন, মগ, জগ, বালতি, ঝুড়ি ইত্যাদি) ওপর পাঁচ বছরের মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) প্রত্যাহার চেয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)।
রাজধানীর নয়াপল্টনে সংগঠনটির অফিসে গত সোমবার ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদের পক্ষে এ দাবি জানিয়েছেন বিপিজিএমইএ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, প্লাস্টিক তৈজসপত্রের উৎপাদন, সরবরাহকারী ও ভোক্তাশ্রেণি সবই নি¤œ আয়ের অতিদরিদ্র ও অল্প শিক্ষিত জনগোষ্ঠী হওয়ায় ভ্যাটের হিসাব সংরক্ষণের জন্য ইসিআর মেশিন ব্যবহারের যোগ্যতা বা দক্ষতা কোনোটাই তাদের নেই। ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রী নিম্ন আয়ের মানুষ, ক্ষুদ্র ও শ্রমঘন শিল্পের পণ্য সংশ্লিষ্ট এইসএস কোড ৩৯.২৪ সংশ্লিষ্ট প্লাস্টিক ক্রোকারিজ (তৈজসপত্র) আইটেমকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার নির্দেশ দেন।
মো. জসিম উদ্দিন দাবি করেন, চলতি সুবিধা অব্যাহত না থাকলে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে, ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, ভ্যাটের কারণে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাবে। বিদেশি নি¤œমানের পণ্য দেশে সয়লাব হয়ে যাবে, দেশীয় শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি পণ্য এবং সেবা খাতে নিয়োজিত ৮৫ শতাংশ ব্যবসায়ীর স্বার্থ ও সমর্থ অনুযায়ী ভোক্তা, ব্যবসা ও রাজস্ববান্ধব ভ্যাট, শুল্ক ও কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সাতটি প্রস্তাব পুনরায় বিবেচনার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। এর মধ্যে চীন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম যাতে বাংলাদেশের খেলনার বাজার দখল করতে না পারে সে জন্য ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা, রফতানির ওপর উৎসে কর না কাটা, প্লাস্টিক শিল্পে করপোরেট কর ১৫ শতাংশ করা এবং আবগারি শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে বিপিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মো. ইউসুফ আশরাফ, সাবেক সভাপতি এমএসএম কামাল উদ্দিন, সাবেক সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহেদ, সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম (হেলাল), বিপিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া, বিপিজিএমইএ উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

মানব উন্নয়ন সূচকে ৩ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

মানব উন্নয়ন সুচকে (এইচডিআই) বাংলাদেশ তিন ধাপ এগুলো। এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৮ দেশের মধ্যে ১৩৯ এ। যা গত ২০১৪ সালের সূচকে ছিল ১৪২। তবে বাংলাদেশ এখনো মধ্যম মানব উন্নয়ন দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকা ৭৩ তম অস্থান নিয়ে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর সারিতে রয়েছ। এছাড়া মালদ্বীপ ১০৫, ভারত ১৩১ এবং ভুটান ১৩২ স্থানে রয়েছে। নরওয়ে প্রথম স্থানে অবস্থান করছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি সৃস্টির জন্য বিশ্বের উন্নত ৫টি দেশ দায়ী। তারা মিলে ৫৫ শতাংশ কার্বনডাইঅক্সাইড সৃস্টি করছে।
আজ বুধবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এই অভিমত ব্যক্ত করেন। অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এসডিজির প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেস্টা রাশেদা কে চৌধুরী, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মূখার্জি, সদস্য জিইডি ড. শামসুল অালম, জিইডি প্রধান নাকিব বান মাহবুব। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ইউএনডিপির পরিচালক ড. সেলিম জাহান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিবছরই বাংলাদেশের পয়েন্ট বাড়ছে। ১৯৯০ সালে ছিল দশমিক ৩৮৬, ২০১৫ সালে এসে বেড়ে দশমিক ৫৭৯ তে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবছর প্রবৃদ্ধির হার ১.৬৪ শতাংশ। যেখানে ভারতের ১.৫২ শতাংশ। দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ৫ম। যেখানে অবস্থান ঘানা ১৩৯. নেপাল ১৪৪, মিয়ানমার ১৪৫, কেনিয়া ১৪৬ এবং পাকিস্তানের ১৪৭। অন্যদিকে লিঙ্গ সমতা সূচকে ১৫৯ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯। যেখানে ভারতের ১২৫, পাকিস্তান ১৩০, নেপাল ১১৫।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরির্বতনের মোকাবেলা বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ।
ড. সেলিম জাহান বলেন, এখন বিশ্বে শিশু জন্মদানের সময় প্রতি ঘন্টায় ২৫ জন মা মারা যাচ্ছে। আমাদের মানব উন্নয়ন ঘটাতে হবে মানের ভিত্তিতে। সংখ্যাকে অগ্রাধিকার দিলে হবে না। তিনি বলেন, এই সূচকে বাংলাদেশ ভাল করছে। মানব উন্নয়ন কোনো ড্রিম নয়, এটা বাস্তবতা।

ব্যয় বাড়ছে ৬০৬ শতাংশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্প ২০১৪ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

 

পরে নানা কারণ দেখিয়ে ৬১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত সংশোধন করা হয়।

এখন আবার ২য় বারের মতো ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ হাজার ৮৯৮ কোটি টাকা।

এর ফলে মূল ব্যয়ের তুলনায় খরচ বাড়ছে ৬০৬ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রকল্পটি ৪ বছরে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এখন সময় লাগছে ১০ বছর।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানোর কারণ হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বলছে, প্রকল্পটিতে নতুনভাবে প্রায় ১৯টি অঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে। এতে হাতিরঝিলের চেয়ে প্রকল্পটি দৃষ্টিনন্দন করা হবে। এ সংক্রান্ত একটি সংশোধনী প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। প্রস্তাব পাওয়ার পর ১৫ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৭ মার্চ প্রকাশিত ওই সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে শুধু সরকারি তহবিলের টাকার পরিমাণ না বাড়িয়ে রাজউকের তহবিল থেকে ব্যয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

জানতে চাইলে রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন) আবদুর রহমান শনিবার যুগান্তরকে জানান, মূল প্রকল্পে মোট ব্যয়ের মধ্যে জমি অধিগ্রহণই ছিল প্রধান কাজ। কিন্তু সেক্ষেত্রে জটিলতা থাকায় খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি। এখন সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে। সম্পূর্ণ নতুনভাবে এবং নতুন নতুন কার্যক্রম যুক্ত করায় প্রকল্পটির ব্যয় অনেক বেশি বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, জুনের মধ্যে অনুমোদন করাতে পারলে ২০২০ সালের মধ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তার দাবি-এটি হাতিরঝিলের চেয়েও দৃষ্টিনন্দন করা হবে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পানি ধারণ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন, সৌন্দর্য বর্ধন ও নগরবাসীর বিনোদন সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ২০১০ সালের ৬ জুলাই ৪১০ কোটি টাকা ব্যয়ে মূল প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ২০১৪ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরে নানা কারণ দেখিয়ে ব্যয় ৬১১ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা এবং মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রথম সংশোধন করা হয় ২০১৫ সালে।

এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রকল্পটি সংশোধন করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত নকশার ওপর ভিত্তি করে বিস্তারিত ব্যয় প্রাক্কলন, জমি অধিগ্রহণের পরিমান বৃদ্ধি, মাটি ভরাট, পানির গুণগতমান রক্ষায় নতুন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তি, নতুন ব্রিজ, ওভারপাস, তীর রক্ষা কাজ, কড়াইল বস্তিবাসীদের জন্য একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। অগ্রগতি কম হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পিইসি সভায় অংশ নেয়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফজাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, প্রকল্পটির দায়িত্বে না থাকলেও ওই দিন আমাকে বৈঠকে পাঠানো হয়েছিল। তাই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। বৈঠকে অংশ নেয়া বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) পরিচালক কাজী দেলোয়ার হোসেন বলেন, জমি অধিগ্রহণ সমস্যায় এত দিন প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হয়নি বললেই চলে। প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও শতাংশের দিক থেকে অগ্রগতি বলার মতো কিছু হয়নি।

সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে প্রস্তাবিত ১৯টি নতুন অঙ্গ সংযোজন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রশিক্ষণ, লেকের পানি ক্লিনিং, প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, মেইনটেন্যান্স ও রেনোভেশন, স্লাজ রিমুভাল, প্রটেকটিভ ওয়ার্ক, রিটেইনিং ওয়াল, ৮টি ব্রিজ, ৪টি ওভারপাস, আরসিসি পাইপ স্থাপন, সোলার একুয়াটিক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন, বিনোদন, পাবলিক ফ্যাসিলিটিজ ইত্যাদি। কিন্তু সমীক্ষা ছাড়াই এসব কাজের প্রস্তাব করা ঠিক হয়নি বলে মত দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। এছাড়া বিদ্যমান স্টাবল অ্যাপ্রোচ রোড কেটে বা খনন করে ১০০ ফুট দীর্ঘ ব্রিজ নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এক্ষেত্রে নতুন অঙ্গগুলোর বিষয়ে বুয়েটের মাধ্যমে একটি স্টাডি প্রতিবেদন ও বিস্তারিত ডিজাইন প্রণয়ন করে তার আলোকে ব্যয় প্রাক্কলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পিইসি সভায় রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বে এটি লেক ছিল না, আবাদি জমি ছিল। কিন্তু পার্শ^বর্তী এলাকা উন্নয়নের জন্য এখান থেকে মাটি খননের ফলে লেক তৈরি হয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় লেক সংলগ্ন এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি উন্নয়ন হয়েছে, আবাসন গড়ে উঠেছে এবং লেকের আকার কমে গেছে। পরে উচ্চ আদালত থেকে বিদ্যমান এলাকাটিকে লেক হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটি সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়। পরিবেশ অধিদফতর থেকে লেকটিকে ক্রিটিক্যাল এলাকা ঘোষণা করে এটির মানোন্নয়নেরও নির্দেশ দেয়া হয়। এসব নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে লেকটি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশের নিটপণ্য রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে আমিরাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাত সারাবিশ্ব থেকে প্রতি বছর প্রায় ৩.৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের নিটপণ্য আমদানি করে। তার মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করে প্রায় ১০০ মিলিয়ন। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নিটপণ্য রফতানি বৃদ্ধির বিশাল সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে রফতানিতে সহায়তা করবে আরব আমিরাত। বুধবার নিট ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিকেএমইএ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের নিটপণ্যের রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বুধবার আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিকেএমইএর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এএইচ আসলাম সানি। আমিরাতের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রদূত ড. সাঈদ বিন হাজার আল শেহি।

আলোচনায় আমিরাতে নিটপণ্য রফতানি বৃদ্ধিতে দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। এ সময় বিকেএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ এইচ আসলাম সানি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক নিট বাণিজ্যের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সারাবিশ্ব থেকে প্রতি বছর প্রায় ৩.৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের নিটপণ্য আমদানি করে। তার মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করে প্রায় ১০০ মিলিয়ন। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নিটপণ্য রফতানি বৃদ্ধির বিশাল সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের সপ্তম তেল সমৃদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিস্তৃত অর্থনীতির দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত।

তিনি আরও বলেন, দুবাই উক্ত অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু এবং বৈশ্বিক যোগাযোগের গেটওয়ে হিসেবে বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২ শতাংশ তরুণ ও মধ্যবয়সী। যে কারণে এখানে বৈচিত্র্যময় পোশাকের চাহিদা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যমান থাকবে। বিকেএমইএ মধ্যপ্রাচ্যের পোশাকের বাজার বিশেষ করে আমিরাতের বাজারে নিটপণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মধ্যপ্রাচ্যে নিটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রদান করেন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের নিটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে আরব আমিরাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বিকেএমইএ। তারই আলোকে ‘দুবাই ওয়ার্ল্ড এক্সপো-২০২০’ সামনে রেখে আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নিটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নির্ধারণেই আজকের এই প্রয়াস।

বিশ্বের প্রভাবশালী এই অঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটিকে বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে এ এইচ আসলাম সানি বিকেএমইএ থেকে একটি প্রতিনিধিদল আমিরাতে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে কার্যকর আলোচনার শুরুর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে এম শোয়েব চৌধুরীর সাক্ষাৎ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট: ডেইলি এশিয়ান এইজ ও দৈনিক দেশকাল পত্রিকার চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই এর পরিচালক এম শোয়েব চৌধুরী গত বুধবার ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সাথে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বানিজ্যিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এম শোয়েব চৌধুরী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সময়কালীন সময় ভারতীয় সরকারের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ভারতীয় হাইকমিশনার বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও জঙ্গীবিরোধী অভিযানের প্রশংসা করেন । সাক্ষাৎ এর সময় জনাব এম শোয়েব চৌধুরী ভারতীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমূহকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে এলো ইতালির বেনেল্লি
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর কুড়িলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় চলছে ১২তম ঢাকা মোটর শো ও তৃতীয় ঢাকা বাইক শো। ছয়টি মোটর বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বাইক প্রদর্শিত হচ্ছে এই মেলায়।

মেলায় আসা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সর্বশেষ মডেলের বাইকগুলো প্রদর্শন এবং উন্মোচন করেছে মেলায়।

কিওয়ে বাইকের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান স্পিডোজ মেলায় নিয়ে এসেছে ইটালির স্বনামখ্যাত মোটর বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেনেল্লির টিএনটি ১৫০ সিসি বাইক।

মেলার প্রথমদিন ২৩ মার্চ বাইকটি উন্মোচিত হয়। ‘এস্কেপ মেশিন’ নামে পরিচিত বাইকটি দেখতেও বেশ আকর্ষণীয়। সামনে থেকে হঠাৎ দেখলে মনে হবে কোনো ক্ষিপ্রগতি নিয়ে তাকিয়ে আছে রাগান্বিত দৃষ্টিতে। এখনি হয়ত ছুটবে শিকারের আশায়। ১৫০ সিসির এই বাইকটিতে রয়েছে ইএফআই ওয়াটার কুল ইঞ্জিন।

সারাদিন চলার নিশ্চয়তা রয়েছে এই ইঞ্জিনের। ১৩.৫ লিটার ফুয়েল ট্যাংক, রেসিং রেয়ার সাসপেনশন, রেস ইন্সপায়ারড এক্সজস্ট, প্রশস্ত চাকা এবং টায়ার, অ্যালুমিনিয়াম বডি, ফোর স্ট্রোক এসওএইচসি ইঞ্জিন এবং হাই পারফরমেন্স ডিস্ক ব্রেক রয়েছে ইতালির এই বাইকটিতে।

টিএনটি ১৫০ সিসি বাইকটিতে ফুল ডিজিটাল স্পিডোমিটার ব্যবহার করা হয়েছে। এর চাবিতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ক্র্যাচলেস কি সিস্টেম। এর মাধ্যমে চাবিটি ভাঁজ করে রাখা যাবে পকেটে এবং পকেটে থাকা মোবাইলে স্ক্র্যাচ পড়বে না। মনো শক রয়েছে বাইকটির পেছনের অংশে। বাইক চালক এবং যাত্রী উভয়ে ঝাকিমুক্ত চলাচল করতে পারবেন এই বাইকে।

৫ গিয়ারের ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেমের এই বাইকে ইলেকট্রিক এবং কিক স্টার্ট রয়েছে। টিএনটি ১৫০ সিসি বাইকটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৭০ মিলিমিটার।

বাইকটির আমদানিকারক স্পিডোজ লিমিটেডের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামান সৌদ খান বলেন, রেসিং বাইক এবং ফুয়েল সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে এই আকর্ষণীয় বাইক বেনেল্লি টিএনটি ১৫০ আমরা মেলায় এনেছি। চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে বাইকটি দেশে পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড এবং সাধ্যের সমন্বয় করে আমরা এই বাইকের মূল্য নির্ধারণ করবো। আশা করছি টিএনটি ১৫০ বাইকপ্রেমীদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

স্পিডোজ লিমিটেড এই বাইকটি ছাড়াও ক্যাফে রেসার ১৫২ নামে আরেকটি বাইক মেলায় উন্মোচন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ বাইক শো চলবে শনিবার পর্যন্ত।

সোনালী ব্যাংক পেইপ্যালের মাধ্যমে সেবা দেয়ার অনুমতি পেল
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আউটসোর্সিং খাতের জনপ্রিয় অনলাইন মার্চেন্ট পেইপ্যাল সেবা বাংলাদেশে চালু করতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংককে অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে খুব শিগগিরই বাংলাদেশে বহুপ্রতীক্ষিত এই সেবা শুরু হতে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন।
 
পেইপ্যাল একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল করতে সহায়তা দিয়ে থাকে। অনলাইনে অর্থ স্থানান্তরের এই পদ্ধতি চেক বা মানি অর্ডারের মতো গতানুগতিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে ব্যবহূত হয়।
 
মোফাজ্জল হোসেন বলেন, পেইপ্যাল সেবা চালু সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতিপত্র গতকাল বিকালে এমডির কাছে এসেছে। দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা সফল হয়েছি। গত বছর চুক্তির জন্য আমরা একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রস্তাব পেইপ্যালের কাছে পাঠিয়েছিলাম। পেইপ্যাল এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার পর আমরা তোড়জোড় শুরু করি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দেওয়ার পর সব প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হলো। গত সপ্তাহে পেইপ্যালের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমডির একটি বৈঠক হয়েছে। এখন দ্রুতই এ সেবা আমরা চালু করতে পারব বলে আশা করছি।

বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ এখন বেকারত্ব দূরীকরণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে যথেষ্ট হতাশা বিদ্যমান। দেশের যুব সমাজের ৯ দশমিক ১ শতাংশই বেকার। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এ হারে বেকার আছে। বিশ্বব্যাংক যুব সমাজের বেকারত্ব নিয়ে যে তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করেছে সেখানে বাংলাদেশের এ চিত্র উঠে এসেছে। কর্মসংস্থান, বেকারত্ব ও শ্রম শক্তি নিয়ে জরিপ করে থাকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য দিয়ে বিবিএসের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী দেশে প্রায় ২৬ লাখ বেকার রয়েছে। তাদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ যুবক-যুবতী। বিবিএসের হিসাব মতে, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের যুব শ্রমশক্তি ধরা হয়। এ বয়সী ১৯ লাখ ৩৯ হাজার তরুণ-তরুণী কোনো কাজ করে না।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক ডিকেড: এশিয়া, প্যাসিফিক অ্যান্ড দ্য আরব স্টেট’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনসংখ্যার মধ্যে এ ধরনের তরুণদের হারের দিক দিয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় খারাপ অবস্থানে আছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামে নিষ্ক্রয় তরুণদের হার অনেক কম। নিষ্ক্রিয় তরুণদের হারকে একটি সূচকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যার নাম নিট। যার অর্থ হচ্ছে ‘নট ইন এডুকেশন, এমপ্লয়মেন্ট অর ট্রেনিং’। কোন দেশে কত সংখ্যক তরুণ নিষ্ক্রিয়, তা সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসডিজির ৮ নম্বর লক্ষ্যটি হলো শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক উন্নতি। এ লক্ষ্যের অধীনে ২০২০ সালের মধ্যে নিষ্ক্রিয় তরুণের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। আই এল ওর প্রকাশিত ২০১৬-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৫ সালে আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের হার কমেছে। ২০১৬ সালেও কর্মসংস্থান কমার আভাস দিয়েছে তারা। আইএলও বলছে, পরের তিন বছর অর্থাত্ ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রমবাজার ও চাকরির বাজার বাংলাদেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে সংকুচিত হবে। তাদের হিসাবে ২০১৬ সালে কর্মসংস্থান কমবে ৪ দশমিক ২ শতাংশ হারে। এছাড়া ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে কমবে ৪ শতাংশ হারে।

দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিবিএস সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশে কর্মক্ষম ২৬ লাখ ৩০ হাজার মানুষ বেকার। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ লাখ, নারী ১২ লাখ ৩০ হাজার। যা মোট শ্রম শক্তির সাড়ে ৪ শতাংশ। তিন বছর আগে বেকারের সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ ৯০ হাজার। এক দশক আগে ছিল ২০ লাখ। লন্ডনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) তথ্য মতে, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারীর মধ্যে ৪৭ জনই বেকার। বর্তমান চাকরির বাজারে যোগ্যতা ও দক্ষতা খুবই কম। সনদ অনুযায়ী চাকরি মিলছে না। চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় শিক্ষিত বেকার বেড়েই চলেছে। এ চাপ আবার তৈরি করছে অর্থনীতির উপর।

বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বিশ্বের যে কোনো দেশের তুলনায় অধিক। এটা সত্যিই উদ্বেগজনক। প্রতিবছর উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শ্রম বাজারে আসা শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেক বেকার থাকছেন অথবা যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না। অথচ এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সরকারি খাতে শূণ্য পদের সংখ্যা প্রায় কয়েক লাখ। মূলত কর্মক্ষমদের জন্য হলেই হবে না, প্রতিবছর যে পরিমাণ জনশক্তি তৈরি হচ্ছে তার সংস্থান করার জন্য প্রতি বছর পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান করতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের চেয়ে যুব বেকারত্ব বেশি এমন দেশের সংখ্যা অনেক। যেমন, ভারতের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ১০ দশমিক ৪ শতাংশই বেকার। শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের পরই দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতে যুব বেকারত্ব পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। আফগানিস্তানে যুবকদের মধ্যে ২০ দশমিক ৮ শতাংশই বেকার। আর শ্রীলঙ্কায় ১৯ দশমিক ১ শতাংশ তরুণ-তরুণী বেকার। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতি নেপালে এ হার মাত্র ৪ শতাশ। এছাড়া, পাকিস্তানে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ভুটানে ১০ শতাংশ যুবক বেকার। বিশ্বব্যাংক বলছে সারা বিশ্বে প্রায় ১৮০ কোটি যুবক-যুবতী কোনো কাজ করে না। তারা আবার পড়াশুনা কিংবা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণও নিচ্ছে না। কিন্তু আগামী এক দশকে প্রায় ১০০ কোটি তরুণ-তরুণী শ্রমবাজারে প্রবেশ করবেন। বর্তমান শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ৪০ শতাংশ তরুণ-তরুণী কাজ পাবেন।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ধনী দেশের তরুণ-তরুণীরাই বেশি বেকার। যুব সমাজের মধ্যে বিশ্বে সর্বোচ্চ ৫৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেকার স্পেনে। এর মানে হলো স্পেনে প্রতি ১০০ জন ১৫ থেকে ২৪ বয়সী তরুণ-তরুণীর মধ্যে ৫৮ জনই বেকার। গ্রিসে এ হার ৫৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। তবে শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপানে যুব বেকারত্ব তুলনামূলক কম; মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ। বিশ্ব অর্থনীতির ‘পাওয়ার হাউস’ হিসাবে পরিচিত চীন ও যুক্তরাষ্ট্রেও যুব বেকার পরিস্থিতি বাংলাদেশের চেয়ে খারাপ। চীনে এ হার ১০ শতাংশ আর যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ শতাংশ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যুব বেকারত্বের হার অনেকটা বেশিই। কেননা, বাকি যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই ছদ্ম বেকার। অনেকেই টিউশনি করেন, কিন্তু বেকার হিসাবে ধরা হয় না। এতে যুব শক্তির উত্পাদনশীলতার পুরোপুরি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। শ্রম বাজারে যে ধরনের দক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন কর্মী প্রয়োজন, সে অনুযায়ী কর্মীর চাহিদা পূরণ করতে পারছে না শিক্ষা ব্যবস্থা। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কাজের বাজারের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। বিশেষায়িত দক্ষতার ঘাটতির কারণে উচ্চ শিক্ষার পরও ভালো কাজ পাচ্ছে না।

বাংলাদেশকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে বেসরকারি খাতে অধিক হারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আর বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামো সমস্যা দূর করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুসারে এখানকার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো হলো তথ্য প্রযুক্তি, কৃষিজাত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাত, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ, পোশাক শিল্প, পর্যটন ও হালকা কারিগরি নির্মাণ খাত। সরকার দেশে ইপিজেডের পাশাপাশি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সন্দেহ নাই। বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্যই প্রয়োজন। অঞ্চলভিত্তিক ইকোনমিক জোন প্রতিটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে সহায়ক হবে। শিল্প কারখানা স্থাপনের পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে। উচ্চ শিক্ষা পাঠ্যক্রম তৈরিতে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পাঠ্যক্রম সময়োপযোগী করতে হবে। মোট কথা বেকার সমস্যাকে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মনে করে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে একে মোকাবেলা করতে হবে।

স্বপ্নে পচা মাংস পচা মাংস রাখার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বিক্রির উদ্দেশ্যে পচা মাংস রাখার দায়ে অভিজাত বিপণি-বিতান ‘স্বপ্ন’কে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রিন রোডে অভিযান চালিয়ে স্বপ্ন সুপার শপকে জরিমানা করে টাকা আদায় করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জাব্বার মণ্ডল।

তিনি বলেন, অভিযানকালে গ্রিন রোডের স্বপ্ন সুপার শপে ১৫ কেজি খাসির পচা মাংস পাওয়া যায়। পচা মাংস কেন রেখেছে তা জানতে চাইলে দায়িত্বরত বিক্রয়কর্মী জানান, এ মাংস বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে বিক্রি করবে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পচা মাংস রাখা ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘন। এ অভিযোগে স্বপ্ন সুপার শপকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়।

পচা মাংস রাখার বিষয়টি স্বীকার করে স্বপ্নের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সাকী মাহমুদ বলেন, পচা মাংস সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তারা বিক্রি করে না। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বিক্রি করা হয়।

এদিকে একইদিন বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডার নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে অধিদফতর। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরিসহ পচা মিষ্টি রাখার অপরাধে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় প্রতিষ্ঠানটিকে।

আদর্শবান ও সত্যিকারের ব্যবসায়ীরাই ব্যবসায়ী : বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি-রফতানি) নির্বাচিতদের সিআইপি কার্ড দেয়ার পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ী। ব্যক্তি জীবনে যে দলই করুক আদর্শবান ও সত্যিকারের ব্যবসায়ীদের কাছে টানতে হবে এবং মূল্যায়ন করতে হবে।

সোমবার রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ২০১৩ সালের বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি-রফতানি) নির্বাচিতদের সিআইপি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তোফায়েল বলেন, ‘২০১৩ সালের সিআইপি দিচ্ছি আমরা। শুনতে খারাপ লাগে। কারণ ২০১৩ সালেরটা ২০১৭ সালে পাওয়া গেল। আমি এর আগের বার যখন দিলাম ২০১২ সালেরটা, তখন আমি বলেছিলাম আগামী জুনের মধ্যে ২০১৩ সালেরটা দেবো। কিন্তু বলা এক জিনিস, বাস্তবয়ন অন্য জিনিস। এটা খুব কঠিন কাজ।’

‘যাদের সিআইপি হিসেবে সিলেক্ট করা হয় তা এনএসআইতে যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায়, ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার মনে হয় আমাদের এ পদ্ধতিটার কিছু পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ী। এরা কে কোন মতের কোন দলের তা না দেখে, একমাত্র স্বাধীনতা-বিরোধী-যুদ্ধাপরাধী ক্ষেত্রে এগুলো থাকবে। ব্যক্তি জীবনে সবাই দল করবে আওয়ামী লীগ তা নয়। কেউ অন্য দলও করতে পার’ বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবন ও সামাজিক জীবন আলাদা। ব্যক্তি জীবনে আমি আমার প্রিয় দলকে ভালোবাসি। কিন্তু সামাজিকভাবে অন্য দলের কাউকে, যিনি ভালো কিন্তু অন্য দল করেন, তাকে আমি কাছে টানতে পারবো না, এটি কেন যানি আমার কাছে ভালো লাগে না। কিন্তু আমাদের দেশে এটা হওয়ার কারণ হলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, মা-বোনকে হত্যা করেছে, লাঞ্চিত করেছে তাদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক রাখা চলে না।

সিআইপি কার্ড দিতে দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে তোফায়েল বলেন, বিষয়গুলো এনএসআই, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখে। যে কারণে আমরা এক সিলেক্ট করার পর আবার পাঠাতে হয়, আবার আসতে হয়। সে কারণে দেরি হয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা করবো যাতে এটা বছরেরটা বছরে দিতে পারলে খুব ভালো হয়। তবে না পেলেও অসুবিধা নাই। নতুন কেউ অন্তর্ভুক্ত হতে হয়তো সময় লাগলো। কিন্তু যারা আছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আর একবার দেয়া না, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনারা (নির্বাচিত সিআইপি) কন্টিনিউ করবেন।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কিছু সমস্যা আছে আমরা জানি। সে সমস্যা আমরা সমাধান করবো ইনশাল্লাহ। ২০১৮ সালের মধ্যে আমাদের গ্যাস সংকটও দূর হবে। অনেকগুলো বিদেশি কোম্পানিকে গ্যাস উত্তোলনের দায়িত্ব দিয়েছি। আপনাদের শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে, নন-ট্রেডিশনাল আইটেমও রফতানি করতে হবে। সে জন্য যা যা করা দরকার করা হবে। আমরা বলেছি যে আইটি ক্ষেত্রে ক্যাশ ইনসেনটিভ দিবো। এ জন্য আর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা, দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ প্রমুখ।

বিমান ৪ রুটে ১৫ ফ্লাইট বাড়াচ্ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

যাত্রী সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলে মোট ৪টি রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

মালয়েশিয়া, ভারত, চট্রগ্রাম ও সৈয়দপুর রুটে মোট ১৫টি ফ্লাইট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানের মুখপাত্র ও জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ।

এতোদিন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ২২টি রুটে সপ্তাহে ৩৬৬ ফ্লাইট পরিচালনা করতো বিমান। এখন থেকে সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৮১ করা হচ্ছে।

শাকিল মেরাজ জানান, অভ্যন্তরীণ ৭টি এবং আন্তর্জাতিক ১৫টি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান। এর মধ্যে সপ্তাহে রিয়াদে ৬টি, জেদ্দায় ৭টি, দাম্মামে ৩টি, কুয়েতে ৩টি, মাস্কাটে ৭টি, আবুধাবিতে ৭টি, দুবাইয়ে ৭টি, দোহায় ৩টি, কুয়ালালামপুরে ১০টি, সিঙ্গাপুরে ৭টি, ব্যাংককে ৭টি, ইয়াঙ্গুনে ৩টি, কলকাতায় ১৪টি, কাঠমাণ্ডতে ৭টি, লন্ডনে ৪টি ফ্লাইট চলতো। উক্ত সিডিউল পুনর্বিন্যাস করে কুয়ালালামপুরে ১১টির বদলে ১৩ টি, কলকাতায় ১৪টির বদলে ১৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে মধ্যে চট্রগ্রামে ৩টার বদলে ১৩টি এবং সৈয়দপুরে ৬টির বদলে ৭টি করে ফ্লাইট চলবে।

Welcome dinner held in sky View Restaurant
                                  

Desk report: Recently an exclusive Welcome dinner held in honor of Dr. Polpatr Pruksananont  (Chairman)  Cleanozone Traffic (Thailand) Co., Ltd  at Sky View Restaurant. S.M. Rahman, Managing Director of Novo Cargo Services Ltd organized the special event.

কোন ব্যাংক ইচ্ছা মত ঋণের সুদহার বাড়াতে পারবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

গ্রাহককে না জানিয়ে ঋণের সুদহার এখন থেকে আর ইচ্ছা মত বাড়াতে পারবে না কোনো ব্যাংক। সুদহার বাড়াতে হলে গ্রাহককে এক মাস সময় দিয়ে নোটিশ দিতে হবে। একইসঙ্গে চলতি ঋণের অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না। এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার ‘গাইডলাইন্স ফর কাস্টমার সার্ভিসেস অ্যান্ড কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক নীতিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫(১) ২০১৪ সালের সার্কুলার পরিবর্তন করা হয়েছে। গ্রাহকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার্কুলারের নির্দেশনা সংযোজন করা হয়েছে। একইসঙ্গে তা যথাযথ পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া নতুন সার্কুলারে তিনটি নির্দেশনা পরিপালন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেগুলো হলো-

১. যেসব মেয়াদি ঋণের সুদহার (ইসলামী ব্যাংকের পরিভাষায় বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার) পরিবর্তনশীল সেক্ষেত্রে সুদ বা মুনাফার হার বৃদ্ধি করতে হলে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরে গ্রাহককে এক মাস সময় দিয়ে নোটিশ প্রদান করতে হবে। নোটিশের সঙ্গে গ্রাহককে হালনাগাদ দায়সহ নতুন পরিশোধ সূচি সরবরাহ করতে হবে এবং গ্রাহককে ই-মেইল অথবা পত্র দ্বারা নোটিশ প্রদান করতে হবে। মঞ্জুরিপত্রের শর্তাবলীতেও এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এক্ষেত্রে সুদ বা মুনাফার হার বাড়ানোর কারণে গ্রাহক যদি এক মাসের মধ্যে ঋণ বা বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটাতে চান তবে ‘আর্লি সেটেলমেন্ট ফি’ বা অতিরিক্ত কোনো ফি আদায় ব্যতীত পরিশোধের সুযোগ দিতে হবে।

২. চলতি ঋণ বা ডিমান্ড লোন (ইসলামী ব্যাংকের পরিভাষায় এ রূপ বিনিয়োগ) এর ক্ষেত্রে কোনো ‘আর্লি সেটেলমেন্ট ফি’ আরোপ করা যাবে না।

৩. মেয়াদি ঋণের (ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে অনুরূপ বিনিয়োগের) কিস্তি পরিশোধে বিলম্বের জন্য বিলম্ব ফি/দ-সুদ/ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষেত্রে যেসব গ্রাহক প্রকৃতই অসুবিধায় আছেন তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্বীয় নীতিমালার আলোকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে এবং কোনোভাবেই এ ধরণের বিলম্ব ফি/দ-সুদ/ক্ষতিপূরণ ওইঋণ বা বিনিয়োগের জন্য প্রযোজ্য সুদ/মুনাফার হার+ ২ শতাংশ এর অধিক হবে না।

এছাড়া সম্প্রতি এমআইসিআর চেকের ক্ষেত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে ফাঁকা চেক জামানত হিসেবে গ্রহণ না করার জন্যও পরামর্শ প্রদান করা যাচ্ছে।

শেয়ারবাজারে টানা পাঁচ কার্যদিবস ধরে মূল্যসূচক বেড়েই চলছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

লেনদেন খরা ও মূল্যসূচক পতন প্রবণতা কাটিয়ে আবার টানা উত্থান প্রবণতায় ফিরেছে পুঁজিবাজার। রোববার উভয় বাজারে টানা ৫ কার্যদিবস মূল্যসূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে প্রতি কার্যদিবসেই বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
 
এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক বেড়েছে ৬৬ পয়েন্ট।
 
রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৫ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ৮৯টির। আর অপরিবর্তিত আছে ৫৫টির দাম। লেনদেন হয়েছে ৯৬৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৫৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা বেশি।
 
টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের শেয়ার। এদিন কোম্পানির ৪৭ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এ্যাপোলো ইস্পাতের ২৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বারাকা পাওয়ার।
 
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৯৬ পয়েন্টে। ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৬১টি ইস্যুর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ১৯টির।
 


   Page 1 of 10
     অর্থ-বাণিজ্য
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ২৬ জুলাই
.............................................................................................
সুশাসন নিশ্চিত করাই ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের বিশেষ প্রতিপাদ্য হওয়া উচিত
.............................................................................................
প্লাস্টিকের তৈজসপত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার চায় বিপিজিএমইএ
.............................................................................................
মানব উন্নয়ন সূচকে ৩ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ব্যয় বাড়ছে ৬০৬ শতাংশ
.............................................................................................
বাংলাদেশের নিটপণ্য রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে আমিরাত
.............................................................................................
ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে এম শোয়েব চৌধুরীর সাক্ষাৎ
.............................................................................................
বাংলাদেশে এলো ইতালির বেনেল্লি
.............................................................................................
সোনালী ব্যাংক পেইপ্যালের মাধ্যমে সেবা দেয়ার অনুমতি পেল
.............................................................................................
বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ এখন বেকারত্ব দূরীকরণ
.............................................................................................
স্বপ্নে পচা মাংস পচা মাংস রাখার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
আদর্শবান ও সত্যিকারের ব্যবসায়ীরাই ব্যবসায়ী : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিমান ৪ রুটে ১৫ ফ্লাইট বাড়াচ্ছে
.............................................................................................
Welcome dinner held in sky View Restaurant
.............................................................................................
কোন ব্যাংক ইচ্ছা মত ঋণের সুদহার বাড়াতে পারবে না
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে টানা পাঁচ কার্যদিবস ধরে মূল্যসূচক বেড়েই চলছে
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে
.............................................................................................
৮০০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে এডিবি
.............................................................................................
অর্থমন্ত্রী জানান অর্থপাচার কাহিনীর সবটা সঠিক নয়
.............................................................................................
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন ব্যাংকিং কমিশন গঠন করা হবে
.............................................................................................
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল ১০ কোটি টাকার শেয়ার বেচবে
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে
.............................................................................................
বাংলাদেশি দূতাবাসের কার্যক্রম নিয়ে বিজিএমইএ’র অভিযোগ বিদেশেও
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে ৭৬ শতাংশ কোম্পানির দরপতন
.............................................................................................
বাণিজ্য জটিলতা দূরীকরণে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে
.............................................................................................
২০২১ সালে রপ্তানি আয় ৬০ বিলিয়ন ছাড়াবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখবে কোকাকোলা : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাড়ল সোনার দাম
.............................................................................................
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছাড়া কারও চাকরি যাবে না
.............................................................................................
ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে
.............................................................................................
কমার্স ব্যাংকেও পরিবর্তন আসবে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলায় ৫ শতাধিক মডেলের পণ্য প্রদর্শন করছে ওয়ালটন
.............................................................................................
তৃতীয় দিনে জমে উঠছে বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
বছরে ১৬ হাজার কোটি টাকা লেনদেন বেড়েছে
.............................................................................................
বিদেশি বিনিয়োগ পেতে অবকাঠামো গড়ায় পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে সরকার : শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী: রুশনারা
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ড.আতিউরকে জিজ্ঞাসাবাদ
.............................................................................................
ওয়ালটন উদ্ভাবন করেছে স্পেকট্রাকিউ-টিভি
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের পর আরও রিজার্ভ চুরি হয়েছে
.............................................................................................
পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে
.............................................................................................
হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্সেস-এ সিংহভাগ বাজার লাভের পরিকল্পনা করছে ওয়ালটন
.............................................................................................
সম্মাননা পাচ্ছেন ৫১৭ করদাতা
.............................................................................................
গ্যাস লাইন সম্প্রসারণে ১৩শ কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
আবারো কমলো সোনার দাম
.............................................................................................
আয়কর সপ্তাহ শুরু ২৪ নভেম্বর
.............................................................................................
ডিসেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম কমছে
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি: আরো ৩ কোটি ডলার ফেরত পাওয়ার আশা
.............................................................................................
প্রায় পাঁচ মাস পর সোনার দাম কমলো
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরির ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ফেরত পেল বাংলাদেশ
.............................................................................................
আয়কর মেলায় ৪ দিনে আদায় ১ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]