| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ে আত্মাহুতির ঘটনায় গ্রেফতার-১   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক :

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল গোটা জাতি। সেই শোক আজো কাটেনি ভক্ত-পাঠকদের। তবে হুমায়ূন আজো বেঁচে আছেন লক্ষ পাঠকের হূদয়ে।  দিবসটি উপলক্ষে কথাশিল্পী হুমায়ূন        আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রকাশকরা নুহাশ পল্লীতে কথাশিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাবেন এবং হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যালয়ে’ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক। উপন্যাস, নাটক, শিশুসাহিত্য, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর। হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনকও বটে। উপন্যাসে ও নাটকে তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো বিশেষ করে ‘হিমু’, ‘মিসির আলী’, ‘শুভ্র’ তরুণ-তরুণীদের কাছে হয়ে ওঠে অনুকরণীয়।

হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর তিনি উন্নত চিকিত্সার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের জুলাই মাসের ১৬ তারিখ তিনি চলে যান লাইফ সাপোর্টে। সে অবস্থাতেই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিউইয়র্ক থেকে ২০১২ সালের ২৩ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ। পরদিন তাকে সমাহিত করা হয় তারই গড়ে তোলা নন্দনকানন নুহাশ পল্লীর লিচুতলায়।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে লেখালেখিতে পুরোপুরি মনোযোগ দেন।

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি। তার পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমনি, শ্যামল ছায়া, ঘেটুপুত্র কমলা প্রভৃতি। আশির দশকের মাঝামাঝি তাঁর টিভি নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’ তাঁকে এনে দিয়েছিল তুমুল জনপ্রিয়তা। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৪ সালে হুমায়ূন আহমেদ ‘একুশে পদক’ লাভ করেন।

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল গোটা জাতি। সেই শোক আজো কাটেনি ভক্ত-পাঠকদের। তবে হুমায়ূন আজো বেঁচে আছেন লক্ষ পাঠকের হূদয়ে।  দিবসটি উপলক্ষে কথাশিল্পী হুমায়ূন        আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রকাশকরা নুহাশ পল্লীতে কথাশিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাবেন এবং হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যালয়ে’ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক। উপন্যাস, নাটক, শিশুসাহিত্য, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর। হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনকও বটে। উপন্যাসে ও নাটকে তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো বিশেষ করে ‘হিমু’, ‘মিসির আলী’, ‘শুভ্র’ তরুণ-তরুণীদের কাছে হয়ে ওঠে অনুকরণীয়।

হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর তিনি উন্নত চিকিত্সার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের জুলাই মাসের ১৬ তারিখ তিনি চলে যান লাইফ সাপোর্টে। সে অবস্থাতেই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিউইয়র্ক থেকে ২০১২ সালের ২৩ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ। পরদিন তাকে সমাহিত করা হয় তারই গড়ে তোলা নন্দনকানন নুহাশ পল্লীর লিচুতলায়।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে লেখালেখিতে পুরোপুরি মনোযোগ দেন।

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি। তার পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমনি, শ্যামল ছায়া, ঘেটুপুত্র কমলা প্রভৃতি। আশির দশকের মাঝামাঝি তাঁর টিভি নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’ তাঁকে এনে দিয়েছিল তুমুল জনপ্রিয়তা। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৪ সালে হুমায়ূন আহমেদ ‘একুশে পদক’ লাভ করেন।

জীবন থেকে নেওয়া
                                  

কাজী ওয়াজেদ:
কান্না দেখার আর কেউ থাকল না আমেনা বেগমের! চোখের পানিতে সব ভেসে গেলেও তা মুছে দেওয়ার মত এখন আর নেই কোন আপনজন! সামান্য সান্তনাটুকু দেবেই বা কে? হতচ্ছাড়া নিয়তি যে ওনার পিছু ছাড়ছে না কিছুতেই!!
আনুমানিক সাড়ে চারমাস আগে স্বামী মহর আলীকে হত্যা করে নিজের বড় ছেলে সুমন। সেই পিতা হত্যা মামলায় সুমন গ্রেফতার হয়ে এখন জেলে। ওই ঘটনার পর থেকেই সিংগাপুর থাকা ছোট ছেলে আনিসুর দেশে এসে মায়ের একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বসবাস করছিল। একরকম চলছিল ভালই। অত্যন্ত ভদ্র ওনার এই ছোট ছেলেটি আমার কাছে এসেছে বেশ কয়েকবার। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। সাধ্যমত সদুপদেশ দিয়েছি। অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এই ছেলেটি গতকাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লাম। নিজ বাসার পানির পাম্পের ইলেক্ট্রিক লাইন নিজে ঠিক করতে যেয়েই এই মহা বিপর্যয়!! এখন কোথায় যাবেন আমেনা বেগম? স্বামী শেষ, বড় ছেলে জেলে, আর ছোট ছেলেটা তো মারাই গেল। একমাত্র মেয়ে মুক্তা বিবাহিতা। তাদের ঘাড়ে চাপা কি সম্ভব?
ওনাকে দেখে দুঃখ হল খুব। মনে মনে ভাবছি, মানুষের ভাগ্য কি এত খারাপও হয়? নিয়তি কি এমনই নিষ্ঠুর? ধৈর্য্য ধারন করার তৌফিক দাও আল্লাহ্! কাটিয়ে ওঠার শক্তি দাও এ শোক!

>>>>ওয়াজেদ আলী, বিশিষ্ঠ্য কলাম লেখক। ওসি কদমতলী থানা, ঢাকা। তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন কালে জীবন ঘনিষ্ঠ অনেক বিষয় নিজের মর্মস্পর্শী লেখনীর মাধ্যমে লিখে ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং সবাইকে জানান। এটি এরই ধারাবাহিক ঘটনা।

বইমেলায় ইকবাল হোসেনের গল্পগ্রন্থ ময়না পাখির ঈদ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

আচ্ছা ভাবুনতো একবার, একটি পোষা পাখি অপ্রত্যাশিতভাবে আপনার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলো!  বিষয়টি কেমন? 
পাখিরা আমাদের মতো কথা বলে না। কিন্তু ময়না পাখি আমাদের শেখানো কথা বলে। আমাদের কাছ থেকে শেখা ছোট ছোট কথাগুলো শুনতে সবারই ভাল লাগে।ময়না পাখির ঈদবইয়েও তাই হয়েছে। 
খাঁচাবন্দি পাখিটির ঈদে যাওয়ার কথা শুনে ছোট্ট সোনামণি নিলু তাকে মুক্ত করে দিলো। ওমনি পাখিটি ফুড়ুৎ করে উড়াল দিলো। খাঁচা থেকে মুক্তি পেলেও সে কিন্তু নিলুদের ছেড়ে যায়নি
ময়না পাখির ঈদ বইতে একটি পাখি, নিলু  একটি পরিবারের সেই গল্পই বলেছেন লেখক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন
তিনি বলেন, একটি পাখি, নিলু  একটি পরিবারে পাখিটিকে নিয়ে যে গল্পটি আমি বলার চেষ্টা করেছি- তাতে আশা করছি, কোমলমতি শিশুরা বেশ আনন্দ পাবে এবং তারা কিছু শিখবে। 
ময়না পাখির ঈদবইটির প্রচ্ছদ এবং চিত্রশিল্পী নিয়াজ চৌধুরী তুলি। রাত্রি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থটির গায়ের মূল্য ধরা হয়েছে ৮০ টাকা। 
বইমেলার ৩১৪ নম্বর স্টল থেকে ২৫ শতাংশ ছাড়ে বইটি কেনা যাবে
একুশের গ্রন্থমেলায় তরুণ আইনজীবী সিরাজ প্রামাণিক এর ২০তম আইন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ঢাকার একুশের গ্রন্থমেলায় কুষ্টিয়ার তরুণ আইনজীবী, গবেষক ও আইনগ্রন্থ প্রণেতা সিরাজ প্রামাণিক এর ২০তম আইনগ্রন্থ ‘প্রাত্যহিক জীবনে অতি প্রয়োজনীয় আইন’ বইটির মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারী বাংলা একাডেমীর মুক্ত মঞ্চে খোকসা উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও তরুণ সমাজসেবক, রাজনীতিক মিজানুর রহমান বিটু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও গবেষক ড. কাজল রশিদ শাহীন, কবি আতিক হেলাল, রবিউল বাবুল, নাসিম উদ্দিন স্বপন, সজীব খান, আনতামাস সামিউল, হাফিজুর রহমান, নাসির উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম মনি, মিঠু, ডিভাইন, অশোক কুমার বিশ্বাস, দেবদাস বিশ্বাস প্রমুখ। বইটি পাওয়া যাচ্ছে কামরুল বুক হাউজের ৪১৪ ও ৪১৫ নং ষ্টলে। এ বইয়ের লেখক খুঁটে খুঁটে জানতে চেষ্টা করেছেন আইনাঙ্গনে আসা মানুষের জীবনচিত্র, তাদের ভোগান্তির কথা, কষ্টের কথা, অজ্ঞতার কথা। মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রেম, ভালবাসা, বিয়ে, তালাক, দেনমোহর, যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন, মানবাধিকার, পারিবারিক, হত্যা, জমি বিষয়গুলো নানা অনুষঙ্গ হয়ে লেখকের হৃদয়ে ধরা দিয়েছে। বইটিতে রয়েছে আইনের সহজ পাঠ, বাস্তব কেইস ষ্টাডি, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত, সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের পাঠ উপযোগী। ফলে এ বই সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে আইনের শিক্ষার্থী, আইনজীবী, বিচারক ও গবেষকদেরও প্রয়োজন মেটাবে। প্রতিটি অধ্যায় আইনের গৎবাঁধা মারপ্যাঁচের শব্দ পরিহার করে সহজবোধ্য করে রচিত হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে দেখানো হয়েছে উদাহরণ। এতে আইনের বিষয়গুলো আর তাত্ত্বিক থাকেনি, হয়ে উঠেছে ব্যবহারিক। ফলে পাঠক সহজেই তাঁর সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজে পাবেন। প্রতিটি বিষয়ে সর্বশেষ সংশোধনী থেকে তথ্য দেওয়া হয়েছে। সুবিন্যস্তভাবে সাজানোর কারণে বিষয়গুলো হয়ে উঠেছে সাবলীল। আইনের ভাষা কঠিন, পড়ে বোঝা কষ্টকর এ ধারণা পাল্টে যাবে বইটি পড়লে। নিত্য প্রয়োজনীয় আইনগুলো নিয়ে কোনো আইনি ঝামেলায় পড়লে কী করতে হবে, নিয়মকানুন কী, কোথায় যেতে হবে, কত খরচ হবে পাঠক খুব সহজেই এ বই থেকে পাবেন। একটি দেশে, একটি সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জনগোষ্ঠীর আইন সম্পর্কে সচেতনতা। এ বাস্তবতার নিরিখে লেখকের এ বইখানি অপরাধ সচেতন একটি জনগোষ্ঠী সৃষ্টি করতে অবদান রাখবে। ৭০ গ্রাম অফসেট কাগজে ছাপা বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০৬। মূল্য ৪০০ টাকা মাত্র। চমৎকার প্রচ্ছদ।  প্রকাশ করেছেন কামরুল বুক হাউজ।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এস এম নাহিদ হাসান নয়নের কবিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
ভুলি নাই তোমাদের
এস এম নাহিদ হাসান নয়ন
মোরা ভুলি নাই তোমাদের
ভুলা যাবেনা কোনদিন,
জীবনের বিনিময়ে স্বদেশ
কেমনে শুধিবো এই ঋণ।

ওরা বুঝেছিল যে তোমরাই
বাঙ্গালীর স্বপ্নের সারথী,
বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করলে
দুর্বল হবে বাঙ্গালী জাতি।

ঘাতকেরা বুঝে নাই সেদিন
ধ্বংসের মাঝে থাকে সৃষ্টি,
মরনেও তোমরা হবে অমর
অদম্য সাহস বাঙ্গালীর কৃষ্টি।

হে দেশপ্রেমিক গুনীজনরা
তোমাদের স্বপ্নের দেশে,
স্মরন করছে সবমানুষেরা                 
তোমাদেরকে ভালবেসে।

কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রবিবার ঢাকায় কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
 
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করেছে। কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মিলনায়তনে রবিবার বিকেলে এক স্মরণ সভার আয়োজন করে।
 
বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে আজিমপুর কবরস্থানে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। পরে কবরস্থান প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
 
কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ আব্দুল বারী। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও মা সাবেরা বেগমের কাছেই বাংলা পড়তে শেখেন এই মহীয়সী নারী। তিনি ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মারা যান।
 
মানবতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার একজন সমাজসেবী ও নারীনেত্রীর নাম কবি বেগম সুফিয়া কামাল। নারী জাগরণের এই পুরোধা ব্যক্তিত্ব মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। তার বহুল গুণাবলীর কারণে বাংলার মানুষ তাকে জননী সাহসিকা উপাধিতে ভূষিত করে।
৩ রমনী তোর প্রেমে ৫৬
                                  

সবুজ রান,  সাউদ আফ্রিকা থেকে ,ফাইল ছবি :


উষ্ণ চুমোর ছোঁয়াতে লজ্জায় হয়েছেো লাল
নিপুণ হাতে মনের নদীতে ফেঁলে প্রেমের জাল !

আদরে সোহাগে ভরা যৌবন উঠছে তার নাচি
সকাল সন্ধ্যায় প্রেমের হাওয়ায় নতুন রঙে সাজি !

একতারার সুরে বাজিয়া ওঠে শিরা উপশিরা গুলি
প্রেম পোঁকার গুনগুন শব্দে নাচে মাথার খুলি !

শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ফোঁটা পদ্ধ ফুলের হাসি
নিশীতে নীরবে প্রেমের টানে সুখের নদীতে ভাসি !

দূর বনে পাতায় বাঁজে সুরে সুরে প্রেমের বীণ
আঁখি পানে চেয়ে তোর সুদাবো আজ প্রেমের ঋৃন !

ঠেলে ফেলে শত আঘাত বেদনার ভিড়
তোমার বুকে পেয়েছি খুঁজে সুখ শান্তির নীড় !

রমনী তোর প্রেমে ভরা কাজল কালো আঁখি
ভুলে ধরা প্রেমেতে মরা ব্যথা রেখেছি ঢাকি !

তোর যৌবনের শ্রাবণে ভেসে অচেনা পথের সুখ
নীরবে নিথরে হাসিতে ভরা সদায় আমার মুখ !

মুখে ও বুকের মধু আমায় পিপাসিত করে শুধু
জেগে রজনী আদরে তুমি মেখে দিলে বধু !
মানুষ হবো
                                  

মো. তোফায়েল হোসে,কুয়েত থেকে :

মাথার উপর ছাদ থাকলে যায় না দেখা চাঁদ, সত্যে জীবন গড়তে হলে লাগবে দৃঢ় সাধ। মন্দ লোকের জয়ধ্বনি ব্যাপ্ত চারদিকে হালাল রুজি করে যে জন মরে ধুঁকে ধুঁকে। ধান্ধাবাজের মিষ্টি কথায় প্রলোভনের ফাঁদ, সরল মনে গরল পানে হয় শেষে উন্মাদ। কল্পরাজ্যে বসতি গড়ার ভাঙবে যখন ভুল, খাঁটি মানুষ হবো সবাই ফুটবে ধরায় ফুল।

এক প্রবাসীর কান্না ৪৩
                                  

সবুজ রান,  সাউদ আফ্রিকা থেকে ,ফাইল ছবি :

প্রবাসির খুশির দিন মানে বৃষ্টি ঝড়া রাত ন্যায়ের পথে সুখের খোজে কঠোর দুটি হাত ! প্রতিদিনি ঝড়ছে দেখ শরির থেকে ঘাম কিছু প্রবাসি অসহায় পায়না কাজের দাম ! দেশ থেকে খবর আসে বাড়ছে সুধের ঋন অন্যের সুখে দুঃখ বিলায় বাজে কষ্টের বীণ ! হাহাকার আর বেদনায় ভরে যাচ্ছে বুক এতো কষ্টে তবুও খুজে বেড়ায় অমূল্য ধন সুখ ! প্রবাসিরা বড় অসহায় ওরা আঙ্গুল তুলে কয় এক জীবনে এতো কষ্ট কেমন করে সয় ! কাজের ভুলে চোখ রাঙানী নেইতো কনো মায়া শত কষ্টে ভুলে যায় নিজের আপন ছাঁয়া ! পরিশ্রমে পায়না খুজে কোনটা আসল জীবন কেউ বা আবার হতাস হয়ে খুজে চলছে মরণ ! প্রবাসির বুকে লুকানো শত কান্নার ভিড় সত্যি বলতে ওদের কনো নেইতো আপন নিড় ! মায়ের সেই আদরের ধন দুঃখ নিয়ে বুকে গোলাপের মত হেসে গেলো তবুও সবার সুখে ! রাএি শেষে ভোরের আলো সবার জন্য আসে প্রবাসির গল্পে শুনে হয়তো বা কেউ হাসে !

আজ কবির জন্মদিন বাঙালির হৃদয়ে জাগ্রত শামসুর রাহমান
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

আমার কবিতা আজ একরাশ পাতার মতন/উড়ে যায়, দূরে যায়, বস্তুত এ-সন্ধেবেলা যায়,

 
কোথায় যে যায়। (আমার কবিতা আজ)’ নিজের কবিতা নিয়েই সন্দিহান ছিলেন কবি। আজ রবিবার কবির ৮৮তম জন্মদিন। তাঁর মৃত্যুর পর দশটি বছর চলে গেছে। কিন্তু তিনি কী হারিয়ে গেছেন বাংলার মানুষের হূদয় থেকে? আজ দেশের সাম্প্রতিককালের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ৮৮তম জন্মদিন। ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর বুধবার পুরানো ঢাকার মাহুতটুলীর ৪৬ নম্বর বাড়িতে কবি জন্মগ্রহণ করেন।
 
কবি শামসুর রাহমান  সারাজীবনের রচনায় মানুষকে আশার কথা বলেছেন। আজীবন কবিতায় সমর্পিত এ কবি ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট আমাদের ছেড়ে চলে যান। কিন্তু বাঙালির সত্ত্বায় তিনি স্থান লাভ করেছেন। বাংলা কবিতায় নতুন ধারা সৃষ্টি করেন কবি শামসুর রাহমান। ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা আর কতকাল ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়/আর কতকাল দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন’—মুক্তিযুদ্ধে কবির উদ্দীপ্ত উচ্চারণে স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে সাহস সঞ্চারিত হয়েছিল। মৃত্যুকে পরোয়া না করে সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ মানুষ স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে এনেছিল। তার কবিতার পংক্তিমালায় মানুষ দেখেছিল নতুন দিনের স্বপ্ন। তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছিল গণমানুষের কবিতা, সাধারণ মানুষের কবিতা।
 
কালের কণ্ঠস্বর, এ কবি ছিলেন মৃদুভাষী। কিন্তু যে কোনো আন্দোলনে, অধিকার আদায়ের দাবিতে সোচ্চার এ কবি ছিলেন মানুষের পাশাপাশি। তার লেখনী এসব আন্দোলনে ছিল প্রেরণার উত্স। তিনি সশরীরেও আন্দোলনে যোগ দিতেন। মুক্তিযুদ্ধে, মৌলবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর কবিতা মানুষকে উজ্জীবিত করেছে, যুগিয়েছে প্রেরণা। বিপর্যয়ে, দুঃশাসনে, মানবতার লাঞ্ছনায় বাঙালিকে ফিরে যেতে হবে কবি শামসুর রাহমানের কাছে।
 
সামপ্রতিককালের বহুল পঠিত কবি শামসুর রাহমান। বাংলা কবিতায় এককভাবে সবচেয়ে বেশি কবিতা লিখেছেন তিনি। শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ ৬৬টি।
 
তার মায়ের নাম আমেনা খাতুন, পিতা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী। পৈতৃক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রামে। ১৯৫৭ সালে দৈনিক মর্নিং নিউজে সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ১৯৫৭-১৯৫৯ রেডিও পাকিস্তানের প্রোগ্রাম প্রডিউসার ছিলেন। ১৯৬০-১৯৬৪ দৈনিক মর্নিং নিউজে সিনিয়র সাব-এডিটর, ১৯৬৪-১৯৭৭ দৈনিক পাকিস্তান ও দৈনিক বাংলায় সহকারী সম্পাদক এবং ১৯৭৭-১৯৮৭ দৈনিক বাংলার ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯ বছর বয়সে কবিতা লিখতে শুরু করেন  ১৯৪৮ সালে। ১ম কবিতা ‘উনিশশো ঊনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক সোনার বাংলায়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ৬৬টি। উপন্যাস ৪টি, প্রবন্ধগ্রন্থ ১টি, ছড়ার বই ৮টি, অনুবাদ ৬টি। তিনি বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কবিকে তার পঞ্চাশ বর্ষপূর্তিতে জাতির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় ১৯৭৯-এ এবং ষাট বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয় ১৯৮৯ সালে।
 
দিনের কর্মসূচি
 
কবির জন্মবার্ষিকী স্মরণে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আয়োজন করেছে। রয়েছে বনানী কবরস্থানে কবির সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, গান ও কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান।আজ সকালে কবির সমাধিতে বাংলা একাডেমি, জাতীয় কবিতা পরিষদ, শামসুর রাহমান স্মৃতি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করবে। তাঁর স্মরণে বিকাল চারটায় বাংলা একাডেমি, জাতীয় কবিতা পরিষদ ও শামসুর রাহমান স্মৃতি পরিষদ যৌথভাবে একাডেমির রবীন্দ্র চত্বরে আলোচনা, নিবেদিত কবিতাপাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমি ও শামসুর রাহমান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আলোচনায় অংশ নেবেন রামেন্দু মজুমদার, কবি রবিউল হুসাইন, কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খান।
শহীদ মিনারে শোকসভা হল সৈয়দ হক স্মরণে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলছে নাগরিক শোকসভা। শোক সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই সভা শুরু হয়।

শোক সঙ্গীত পরিবেশনের পর কবি স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপরই শুরু হয় মূল আলোচনা। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এ শোকসভার আয়োজন করেছে।

সভায় সভাপতিত্ব করছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুস। এতে কবিপত্নী লেখক ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হক, ছেলে দ্বিতীয় সৈয়দ হকসহ বিশিষ্ট নাগরিকরা অংশ নিয়েছেন।

প্রেমিক ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

নজরুল, কাজী নজরুল ইসলাম, এক হতদরিদ্র পরিবার থেকে এসে কঠোর জীবিকার সংগ্রামের ভেতর দিয়ে অতিক্রম করে বাঙালির জন্যে চিরস্থায়ী গান ও সাহিত্য রচনা করে গেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের তিনি জাতীয় কবি, যদিও বিভাগপূর্ব বাংলায় বাঙালির কাছে তিনি ‘জাতীয়’ কবিই ছিলেন।

সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদের মানববিরোধী তৎপরতার কালে কবিতার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরলেন নজরুল; স্পষ্টত জানিয়ে দিলেন উৎপীড়িতের কান্না না থামা পর্যন্ত, অত্যাচারী স্তব্ধ না হওয়া অবধি তিনি শান্ত হবেন না।

তাঁর উচ্চারণ ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো অত্যাচারী শাসকশ্রেণীর, স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সাহসী করে তুলেছিলো সাধারণ মানুষকে। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে এভাবেই নজরুল হয়ে উঠলেন অখণ্ড বাংলার প্রাণের কবি; বললে ভুল হবে না, জাতীয় কবি।

একাত্তরের বিজয়ের পর রণসঙ্গীত, অর্থাৎ সশস্ত্রবাহিনীর উদ্দীপনামূলক গান হিসেবে বেছে নেয়া হলো নজরুলের ‘চল্ চল্ চল্ ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল’ গানটি। স্বাধীন দেশের বাঙালি এভাবেই সম্মাননা জানালো তাঁদের প্রিয় কবিকে। কিন্তু সত্য প্রকাশের দায়বোধ থেকে বলতে হবে, মূলতঃ এর কিছু কাল পর থেকেই সূচনা হলো নজরুলকে খণ্ডিতভাবে দেখার। এর নেপথ্যে যে আমাদের একাংশের সাম্প্রদায়িক মনোভাব জড়িত সেই সত্যকে আমরা কিছুতেই ঢাকতে পারবো না।

নজরুল কেবল মুসলমান বাঙালির কবি- এই ধারণা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করার জন্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে শুরু হলো পরিকল্পিত উদ্যোগ। তাই গণমাধ্যমে নিষিদ্ধ হয়ে গেল শ্যামাসঙ্গীত, এমনকি নজরুলের ভালোবাসার গান ও কবিতার চাইতে বেশি-বেশি বাজতে শুরু হলো গজল, হামদ ও অন্যান্য ইসলামি গান ও কবিতা। ভাগ্যিস প্রকৃতি আগেই বাকহারা করে ফেলেছিলো কবিকে, তা না হলে হয়তো ক্রোধে-চিৎকারে ছিন্ন হতো তাঁর কণ্ঠনালি।

বাঙালির মূঢ় অংশ বিস্মৃত হলো নজরুলের উত্থানকাল। তাঁর সৃজনসত্তা তারা অসম্মানিত করলো। সাম্রাজ্যবাদী শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা অনিবার্য ছিলো শ্রেণী ও কালসচেতন কবি নজরুলের জন্যে। তাঁর কবি-স্বভাবের ভেতরেই ছিলো মানবকল্যাণচেতনা। একটি জাতির ইতিহাস ও পূরাণে মেলে তার সাংস্কৃতিক উপাদান। বাঙালি সংস্কৃতির শেকড় রয়েছে হিন্দু ও আরব-পারস্যের পূরাণে, এমনকি ইংরেজবাহিত গ্রীক ও ইউরোপীয় পূরাণসমূহেও।

শত হাজার বছর ধরে বাঙালি সেগুলো আত্মীকরণ করেছে। ধর্ম-গোত্র-শ্রেণী নির্বিশেষে বাঙালির ভেতর যে বহমান সংস্কৃতি তার সমগ্রতা আত্মস্থ করায় ব্রতী ছিলেন নজরুল। আর তাই তো আজরাইল আর যম, কুরুক্ষেত্র আর কারবালা, ইস্রাফিলের শিঙ্গা, তূর্যনিনাদ আর অর্ফিয়াসের বাঁশরি, যশোদা আর আমেনা একীভূত হয়ে যায় তাঁর সৃষ্টিভাণ্ডারে। বাংলার একই বৃন্তে দুটি ফুলের মতো হিন্দু-মুসলমানকে সমভাবে উপলব্ধি করার জন্যে প্রকৃত অসাম্প্রদায়িক হয়ে উঠতে হয়।

নজরুল ছিলেন তা-ই। যদিও আত্মপরিচয় ভোলেননি নজরুল, অনুধাবন করলেন সমগ্র বাঙালির মানস বুঝতে হলে প্রধানত দুটি ধর্মীয় সংস্কৃতিতে বহমান জীবনের অন্তরঙ্গ পরিচয় জানতে হবে। এই অন্বেষণের সাধনায় তিনি মুসলমান ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ের বাঙালির জন্যে বোধগম্য ভাষায় রচনা করে যেতে থাকলেন সাহিত্য ও গান।

সবচেয়ে বড় কথা তিনি ছিলেন মৌলিক প্রতিভার অধিকারী একজন বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীল লেখক। সৃষ্টিসুখের উল্লাসে তিনি রচনা করে গেছেন বাঙালির জীবন, জীবনসংগ্রামের চালচিত্র। হিন্দু-মুসলমান- এই ভেদনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না বলেই যে-কলমে গজল ও হামদ লিখেছেন, সেই একই কলমে সৃষ্টি করেছেন শ্যামাসঙ্গীত। প্রিয়ার কানে মন্ত্রোচ্চারণের মতো আবেগ থরথর ছন্দিত পঙ্‌ক্তি যে-খাতার পৃষ্ঠায় উৎকীর্ণ হয়েছে, সেই একই খাতার অন্য পাতায় ঢেলে দিয়েছেন অত্যাচারী শাসকের মর্মমূল দীর্ণ করার মতো তপ্ত শব্দ।

এমন প্রাণোদ্দীপ্ত প্রতিভা বিংশ শতক আর দেখেনি। একই সঙ্গে প্রেমিক ও বিদ্রোহী, পূজারী ও প্রার্থনাকারী বান্ধব-লেখক বাঙালি আর দ্বিতীয়টি পায়নি। অর্থকষ্টের নিয়তি নজরুলের পিছু ছাড়েনি, তাই সুস্থিরভাবে অধ্যয়নের অবকাশ তাঁর হয়নি। হলে তাঁর কাছ থেকে আরো অনেক কালজয়ী রচনা, গভীর দার্শনিকতাবোধসম্পন্ন সাহিত্য পাওয়া সম্ভব হতো। সেটা আমাদের দুর্ভাগ্য। যা হয়নি, তা হয়নি। কিন্তু যা পেয়েছি তার অনেকখানি লুকিয়ে রেখে কেন হীনম্মন্যতার পরিচয় দেবো!

আরো একটি ব্যাপার আছে, নজরুলকে স্বভাবকবি বলে তাঁর উচ্চতা খর্বের একটা প্রয়াস আছে উন্নাসিক পণ্ডিত মহলের। এই অপপ্রচারের একটা মোক্ষম জবাব উদাহরণসহ দিয়েছেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলছেন, ‘নজরুল স্বভাব কবি নন, মোটেই না; কিন্তু অবশ্যই স্বতঃস্ফূর্ত কবি। স্বভাব কবির অশিক্ষিত পটুত্ব তাঁর ছিলো না, ছিলো প্রখর একটি সৌন্দর্যবোধ, যার সাহায্যে উচ্ছ্বাসকে তিনি কাব্য করেছেন, উত্তেজনাকে বশ করেছেন শিল্প দিয়ে, বন্ধনহীন হবার আবেগকে শৃঙ্খলিত করে ফেলেছেন ভাষার নিষেধে। তাঁর বিদ্রোহী কবিতার কথাই ধরি না কেন। দেখা যাবে এই কবিতার সকল উত্তেজনার ভেতরে রয়েছে যুক্তির একটি শক্ত পারম্পর্য। রয়েছে বিজ্ঞানমনস্কতাও। এটি কোনো উত্তেজিত যুবকের স্বগতোক্তি নয়, এটি একটি সুসংগঠিত কবিতা। শৃঙ্খলা তাই বলে স্বতঃস্ফূর্ততা যে নষ্ট করে দেবে তাও ঘটেনি।’

ছন্দগবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দ বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, নজরুল কী কুশলী ছন্দসচেতন কবি ছিলেন। প্রথম কাব্য ‘অগ্নিবীণা’-য় নজরুল মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত ছন্দের বাইরে যাননি। গদ্যছন্দে মাত্র একটি কবিতা আছে তাঁর। ‘কবির মুক্তি’ কবিতাটি কেউ পড়লেই বুঝবেন এখানেও কী আশ্চর্য মিল আর ঝংকৃত ছন্দের স্বাক্ষর রেখেছেন এই অমর কবি।

নজরুল-পরবর্তী প্রজন্মের কবি জীবনানন্দ দাশ বাঙালির চিরকালের কবি। বাঙালির ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন বলে নয়, বাংলা ভাষায় লিখেছিলেন বলেও নয়; বলেছেন বাঙালি হয়ে, বাঙালির বয়ানে, বাঙলার প্রকৃতিতে মিশে থেকে, সে-কারণে। বহিরঙ্গে তিনি ছিলেন পুরোদস্তুর বাঙালি, ভেতরের মানুষটাও ভিন্ন ছিলো না। নজরুলও তাই। কাজী নজরুল ইসলাম যখন রণতূর্য বাজান, তখন শুনি: ঝড়-ঝড়-ঝড়- আমি- আমি ঝড়/শন্-শন-শনশন শন্ ক্বড়ক্বড়/কাঁদে মোর আগমনী আকাশ-বাতাস বনানীতে।


নদীমাতৃক আর গাছ-গাছালি-ভরা ভূঅঞ্চলের ঝড়ের শব্দের সঙ্গে ভিন্ন প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত লোকালয়ের ঝড়ের গর্জনে অবশ্যই পার্থক্য আছে। এই পার্থক্য ধরার জন্যে অসাধারণ শ্রুতির দরকার পড়ে না, কিন্তু কবিতায় চিত্রনের জন্য শেকড়ের কবি হতে হয়। বাঙালি পুরুষই তার প্রেয়সীর খোঁপায় ফুল গুঁজতে চাইবে, যেমন চাইবে কৃষিনির্ভর অঞ্চলের দীর্ঘকেশী নারীর প্রেমাষ্পদ। আধুনিক ইউরোপীয় রমণীর খোঁপা বাঁধার মতো কেশসম্পদ কোথায়? প্রায় অনুরূপ অবস্থা তো আজকের বাংলাদেশের অতিআধুনিক নারীরও। আকাশ থেকে তারা ছিঁড়ে এনে যে-পুরুষ কাঙ্ক্ষিত নারীর খোঁপায় জড়াতে চায় তাকে আমরা খুব সহজেই রোম্যান্টিক ও কবি বলে সনাক্ত করে উঠতে পারি।

 ১৯৪১ সালের ৬ এপ্রিল মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে "বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি"র রজত জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠানে সভাপতিরূপে নজরুল অভিভাষণ দান করেন। দুরারোগ্য ব্যাধিতে চিরজীবনের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে যাবার পূর্বে এই ছিল তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতা। যাঁরা সম্যকরূপে নজরুলকে চিনতে চান, তাঁদের জন্য এই বক্তৃতার চেয়ে উত্তম কিছুই হতে পারে না।

নজরুলের প্রেমিক সত্তার কী অপূর্ব বয়ানই না পাই এই বক্তব্যে : ‘যদি আর বাঁশী না বাজে, আমি কবি বলে বলছি নে, আমি আপনাদের ভালবাসা পেয়েছিলাম, সেই অধিকারে বলছি, আমায় আপনারা ক্ষমা করবেন। আমায় ভুলে যাবেন। বিশ্বাস করুন, আমি কবি হতে আসিনি। আমি নেতা হতে আসিনি। আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম। সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নিরস পৃথিবী হতে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম।’

নারীর প্রতি কবির দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে একটি কবিতাই যথেষ্ট। নারী-পুরুষে কোনো ভেদাভেদ করেননি কবি। সমানাধিকার ও সমঅবদানের বিষয়টি তাঁর মতো এত স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে আর কে বলেছেন! ‘নারী’ কবিতায় বলছেন :

সাম্যের গান গাই-
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।
বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর,
অর্ধেক তার করিয়েছে নারী, অর্ধেক তার নর।

আজকের দাবি সুলভমূল্যে জাতীয় কবির সমগ্র রচনা পাঠকের হাতে তুলে দিতে হবে। আর শ্রোতাদের দাবি নজরুলের হাজার গান না হোক, প্রাথমিকভাবে বিচিত্র আঙ্গিক ও বিষয়সমৃদ্ধ নির্বাচিত শত গান গুণী শিল্পীদের কণ্ঠে ধারণ করে সিডি ও ক্যাসেটে প্রকাশ করা হোক। নজরুলের যে-গানগুলো আর শোনা যায় না সেই সব গান সরকারী ও ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রচারমাধ্যমে প্রচার করা হোক। খণ্ডিত নজরুল নয়, আমরা চাই সম্পন্ন পূর্ণাঙ্গ নজরুলকে।

বাঙালির পরিচয় মিলে সৈয়দ হকের কবিতায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক নেই। জাগতিক সব মায়া কাটিয়ে চলে গেলেন অনন্তের পথে। মঙ্গলবার বিকেলে সাড়ে ৫টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে অমোঘ মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন। কবির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেই কিঞ্চিত আলোচনার দুঃসাহস করছি।

‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে পরিচিত তিনি। যার দু’হাত সমান চলে, তিনিই তো সব্যসাচী। তার কারণ তিনি সাহিত্যের প্রায় সবগুলো শাখাতেই কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন। মঞ্চনাটক, গল্প এবং কবিতায় তাঁর অনবদ্য সৃষ্টিকর্ম এখনো মানুষের মুখে মুখে। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কিংবা ‘নুরলদীনের সারাজীবন’র মতো সৃষ্টিকর্ম তাঁকে আমাদের মাঝে অমর করে রাখবে।

সৈয়দ শামসুল হকের বহুলপঠিত একটি কবিতা ‘আমার পরিচয়’, যা বর্তমানে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত।  এই কবিতায় কবি বাঙালির পরিচয় তুলে ধরেছেন। কোনো এক সময় হয়তো বাঙালি তাঁর পরিচয় দিতে কুণ্ঠিত হতো, দ্বিধান্বিত হতো- আমি কে? তাই কবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন-
‘আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি।
আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি।
চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে।
তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে?’

বাঙালির ইতিহাস লড়াই এবং বিবর্তনের। শোষন, শাসন আর জুলুমের হাত থেকে মুক্ত করেই বাঙালি শির উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। কবি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন- প্রাচীন কাল থেকেই বাঙালি তাঁর পরিচয় দিয়েছে গর্বের সাথে। কবি বলেন-
‘আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে
আমি তো এসেছি সওদাগরের ডিঙার বহর থেকে।
আমি তো এসেছি কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম থেকে
আমি তো এসেছি পালযুগ নামে চিত্রকলার থেকে।’

তাঁর কবিতায় বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য বিধৃত হয়েছে। এসেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠকীর্তি বা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা। বাঙালির যে স্বকীয়তা রয়েছে- তা তিনি কবিতায় তুলে এনেছেন পরম যত্নে। একটি কবিতায় তিনি বাঙালির উত্থান থেকে ক্রমবর্ধমান অবস্থা পর্যন্ত চিত্রিত করেছেন সুনিপুণ হাতে। কবি বলেছেন-
‘এসেছি বাঙালি পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার থেকে
এসেছি বাঙালি জোড়বাংলার মন্দির বেদি থেকে।
এসেছি বাঙালি বরেন্দ্রভূমে সোনা মসজিদ থেকে
এসেছি বাঙালি আউল-বাউল মাটির দেউল থেকে।’
একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলার ছবি এঁকেছেন কবি সৈয়দ হক। যেখানে মসজিদ-মন্দির পাশাপাশি। অথচ তাতে কোনো হানাহানি নেই। এক নিগূঢ় ভালোবাসা কিংবা ভ্রাতৃত্বের নিরুপম গল্প শোনাচ্ছেন আমাদের।

বাঙালির ইতিহাস, নিজস্ব সংস্কৃতি ও বিপ্লবী মানুষের স্মৃতিচারণ করেছেন কবি। তাঁদের পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করতে পেরে কবি নিজেও গর্বিত। বাঙালি হতে পেরে তাঁর আনন্দের সীমা নেই। আমরাও কবির মতো আন্দোলিত হই। কবি তাই বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন-
‘আমি তো এসেছি সার্বভৌম বারোভূঁইয়ার থেকে
আমি তো এসেছি ‘কমলার দীঘি’, ‘মহুয়ার পালা’ থেকে।
আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরীয়ত থেকে
আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।’
বাঙালি তোমার আছে কী? এমন প্রশ্ন যদি কেউ ছুঁড়ে দেয়। তার দাঁতভাঙা জবাব দিতে কবির কবিতার কিছু পঙক্তিই যথেষ্ট। পুরো কবিতা শুনলে প্রশ্নকর্তা হয়তো লজ্জায় দেশ ছেড়ে পালাবে অথবা শ্রদ্ধায় সারাজীবন বাঙালির কাছে মাথা নত করে থাকবে।

ইতিহাস সাক্ষী- বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে বাঙালির ভূমিকা অগ্রগণ্য। ক্ষুদিরাম-সূর্যসেনকে বাঙালি সারাজীবন মনে রেখেছে। তরুণ প্রজন্মকেও তা স্মরণ করিয়ে দিতে কবি নিম্নোক্ত চরণদ্বয়ের অবতারণা করেছেন। কবি বলেন-
‘এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে
এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে।’

পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন-জুলুম থেকে মুক্তি পাওয়া বাঙালি ফিরে পেয়েছে তার মাতৃভাষা। একমাত্র বাঙালিই তাদের মাতৃভাষা রক্ষার্থে জীবন দিয়েছে। ভাষা আন্দোলনের সেই ইতিহাস আজ বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধার সাথে পঠিত হচ্ছে। ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালিত হচ্ছে। বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাঙালি অহংকার করতে পারে। তাই তো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাওয়া স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেন কবি। কবির ভাষায়-
‘এসেছি বাঙালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে
এসেছি বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর থেকে।
আমি যে এসেছি জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকে
আমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে।’

বাঙালির প্রেরণার উৎস নানাবিধ এবং বিচিত্র। বৈচিত্র্যময় আমাদের সোনার দেশে গর্ব করার ইতিহাসের কোনো অন্ত নেই। যেখানে বীরত্বের গল্প শুনতে শুনতে শিশু তার মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়ে। সেখানে তাই তো কবি বলেছেন-
‘এসেছি আমার পেছনে হাজার চরণচিহ্ন ফেলে
শুধাও আমাকে ‘এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে ?
তবে তুমি বুঝি বাঙালি জাতির ইতিহাস শোনো নাই-
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।’

সবশেষে কবি সাম্যের আহ্বান জানিয়েছেন। সব বিভেদ ভুলে গিয়ে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ রেখে পথচলার তীব্র আকুতি জানিয়েছেন। কবি বাঙালির কাছে প্রত্যাশা করেন-
‘একসাথে আছি, একসাথে বাঁচি, আজো একসাথে থাকবোই
সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়ে সাম্যের ছবি আঁকবোই।’
বাঙালির দীর্ঘদিনের ইতিহাস-ঐতিহ্য কোনো ভাবেই যেন ক্ষুণ্ন না হয়। বাঙালি ঐক্যের প্রতীক হয়েই থাকুক।

বাঙালি তার পরিচয়ে গর্বিত। সাহসিকতায় অনন্য। যারা উদ্ধত কোনো খড়্গকেও ভয় পায় না। কারণ তাদের ইতিহাস লড়াইয়ের। বাঙালি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে। এক হাতে অস্ত্র ধরতে জানে, অন্য হাতে শস্য ফলাতেও জানে। সুতরাং বাঙালি কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। বাঙালির ইতিহাসে আপোষের কোনো স্থান নেই। বাঙালি হাসতে হাসতে বাঁশি বাজিয়েছে আবার হাসতে হাসতে গলায় ফাঁসও পড়েছে। তাই তো কবি বলতে চান-
‘পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-
কখনোই ভয় করি নাকো আমি উদ্ধত কোনো খড়গের।
শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;
অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;
একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;
আপোষ করিনি কখনোই আমি- এই হ’লো ইতিহাস।’

বাঙালি অকৃতজ্ঞ নয়। বাঙালি তার বীরত্বের ইতিহাস, আত্মত্যাগের ইতিহাস কখনোই ভুলতে পারে না। তাই তো কবি পরক্ষণেই আবার বলেছেন-
‘সেই ইতিহাস ভুলে যাবো আজ, আমি কি তেমন সন্তান?
যখন আমার জনকের নাম শেখ মুজিবুর রহমান;
তারই ইতিহাস প্রেরণায় আমি বাংলায় পথ চলি-
চোখে নীলাকাশ, বুকে বিশ্বাস পায়ে উর্বর পলি।’

‘তুমি কে- আমি কে? বাঙালি বাঙালি’- মুক্তিযুদ্ধকালীন এই স্লোগান যেমন আমাদের এক নামে পরিচয় করিয়ে দেয়। ঠিক তেমনি কবি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি বাঙালির সামগ্রিক পরিচয় তুলে ধরে। কবির সাথে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই- আমার পরিচয়ে আমি গর্বিত, কারণ আমি বাঙালি।

‘আমার পরিচয়’র কবি সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আজ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হকও একজন লেখিকা। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক আর নেই
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক আর নেই। মঙ্গলবার বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।

সৈয়দ শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। লন্ডন থেকে তাকে চিকিৎসকরা ফেরত পাঠান। গতকাল (সোমবার) শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। আজ (মঙ্গলবার) সেখানেই তিনি মারা যান।

প্রাচীন কিছু ধর্ম
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্বে প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসের কথা উঠলে ইসলাম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধধর্মের কথাই আগে মনে আসে। এর সঙ্গে যোগ করা যাক ইহুদি, পার্সি, জৈন বা শিখ ধর্মানুসারীদের কথা। এর বাইরে অন্যান্য ধর্মের কথা আমরা বিশেষ জানি না বললেই চলে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই প্রচলিত ধর্মগুলোর বাইরেও বিশ্বে আরো বেশ কিছু ধর্ম আছে, যেগুলো বহু প্রাচীন। আবার বেশ কিছু ধর্ম আছে, যার অনুসারীর সংখ্যা নিতান্তই হাতেগোনা। এমনই কিছু ধর্মের কথা জানিয়েছে লিস্টভার্স ডটকম।

ইয়াজদানিজম

ইরাক, ইরান আর তুরস্কজুড়ে বিস্তৃত জাগরোস পর্বতমালায় প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এই ধর্মের উদ্ভব। এটি আবার ‘ইয়ারাসিম’, ‘ইয়াজিদিজম’ আর ‘ইশিকিজম’—এ তিনটি শাখায় বিভক্ত। মূলত কুর্দি জনগোষ্ঠীর মানুষ ইসলাম গ্রহণের আগে এই ধর্ম পালন করতেন। এমনকি এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ কুর্দিরা ইসলাম গ্রহণ করলেও তাদের সংস্কৃতিতে ইয়াজদানিসমের প্রভাব লক্ষণীয়। একেশ্বরবাদী এই ধর্মের পবিত্র গ্রন্থের নাম ‘কিতেবা চিলুই’। বর্তমানে ৮ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ইয়াজদানিসমের অনুসারী। ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট নামধারী জঙ্গিগোষ্ঠী এই ধর্মের অনুসারীদের ওপর ব্যাপক নিধনযজ্ঞ চালালে আন্তর্জাতিক মহল ইয়াজিদিদের নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।

রাস্তাফারিয়ানিজম

১৯৩০ সালে ইথিওপিয়ায় সম্রাট হাইলে সেলাসি ক্ষমতায় বসেন। ওই একই সময় জ্যামাইকাতে রাস্তাফারিয়ানিজমের উদ্ভব হয়। এই ধর্মের অনুসারীদের মতে, ইথিওপিয়া থেকেই মানবজাতির উদ্ভব ও বিকাশ, সেখানকার রাজা তাই রাস্তাফারদের কাছে যারপরনাই পবিত্র মানুষ হিসেবে বিবেচিত। অ্যামহারিক ভাষায় ‘রাস’ মানে হলো রাজা, আর ‘তাফারি’ হচ্ছে হাইলে সেলাসির পুরো নামের প্রথম অংশ। রাস্তাফারিয়ানদের একটি বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে, তাঁরা সাধনার অংশ হিসেবে গাঁজার ব্যবহারকে বৈধ দৃষ্টিতে দেখেন। বর্তমানে বিশ্বে কমবেশি ১০ লাখের মতো রাস্তাফার আছেন। বিশ্বখ্যাত গায়ক বব মার্লেও একজন রাস্তাফার ছিলেন।

কেমেটিজম

আনুবিসসহ প্রাচীন মিসরীয় দেবদেবীদের আমরা অনেকেই চিনি। বইপত্র বা চলচ্চিত্রে প্রায়ই এঁদের উল্লেখ দেখা যায়। রোমান, আরব আর ফরাসি শাসনের প্রভাবে এসব দেবদেবী একরকম লুপ্ত হয়ে গিয়েছিলেন বলা চলে। মূলত মার্কিন ইজিপ্টোলোজিস্ট তামারা সিউদার হাত ধরে ১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে কেমেটিজমের উদ্ভব। এরা আবার নানা ভাগে বিভক্ত। প্রাচীন মিসরের আরেক নাম ছিল কেমেট।

 

উইক্কা

জেরাল্ড গার্ডনার নামক এক ব্রিটিশের হাত ধরে ১৯৫০-এর দশকে উইক্কা ধর্মের উৎপত্তি। নানা শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত এই ধর্মের অনুসারী সংখ্যা এখন প্রায় দেড় লাখ। প্রাচীন পৌত্তলিক কিছু ধারার সঙ্গে আধুনিক কিছু চিন্তাভাবনার সমষ্টিতে এই ধর্মের সৃষ্টি। ‘বুক অব শ্যাডোস’ হচ্ছে তাঁদের পবিত্র গ্রন্থগুলোর মধ্যে একটি। উইক্কানরা বিশ্বাস করে, ঈশ্বর দুজন—একজন দেবতা আর একজন দেবী। চন্দ্র ও সূর্যকলা অনুসারে তাঁদের আরাধনা করেন উইক্কানরা। এই উৎসবের নাম যথাক্রমে এসবাথ ও সাবাথ। অঞ্চলভেদে উইক্কানদের উপাসনার ধরনে নানা বিভিন্নতা দেখা যায়।

কাওদাইজম

১৯২৬ সালে ভিয়েতনামের তায়নিন শহরে এ ধর্মের জন্ম। এই ধর্মে উপাস্য ঈশ্বরের নামও কাও দাই। অহিংসা, ভোগবাদের প্রতি বিতৃষ্ণা এবং পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের ওপর জোর দেয় এই ধর্ম। ফাপ চান থ্রুয়েন, তান লুয়াতসহ বেশ কিছু ধর্মগ্রন্থ মেনে চলেন কাও দাই ধর্মের উপাসকরা। তায় নিন শহরের বিশাল কাও দাই মন্দির হলো এই ধর্মের তীর্থস্থান। বিশ্বে এই ধর্মের উপাসকের সংখ্যা প্রায় ছয় লাখ।

ম্যান্ডিজম

একেশ্বরবাদী এই ধর্মের উদ্ভব দক্ষিণ লেভান্তে। ফিলিস্তিন, জর্ডান, ইসরায়েল নিয়ে গঠিত এলাকাকে দক্ষিণ লেভান্ত বলা হয়। প্রাচীনত্বের বিচারে এটি খ্রিস্টান ধর্মের সমসাময়িক। বর্তমানে বিশ্বে মাত্র ৭০ হাজারের মতো ম্যান্ডেজিমের উপাসক আছেন। ২০০৩-এর যুদ্ধের আগে এঁদের প্রায় সবাই ইরাকে বসবাস করতেন। নিভৃতচারী এই ধর্মের অনুসারীদের সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। এই ধর্মের অনুসারীরা মান্ডাইক নামের এক প্রাচীন, লুপ্তপ্রায় ভাষায় কথা বলে থাকেন।

কবি শহীদ কাদরী আর নেই
                                  
অনলাইন ডেস্ক |
একুশে পদক প্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি শহীদ কাদরী (৭৪) মারা গেছেন। 
 
নিউ ইয়র্কের নর্থ শোর বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৭টার দিকে  তিনি মারা যান। 
 
কবিপত্নী নীরা কাদরী জানান, বেশ কিছু দিন ধরে শহীদ কাদরী অসুস্থ ছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং জ্বর নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাত দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। রবিবার সকাল ৭টার দিকে  তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 
কবি শহীদ কাদরী ১৯৪৭-পরবর্তীকালের বাংলা সংস্কৃতির বিখ্যাত কবিদের একজন।তিনি আধুনিক নাগরিক জীবনের প্রাত্যহিক যন্ত্রণা ও ক্লান্তির অভিজ্ঞতাকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন।

   Page 1 of 3
     সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
জীবন থেকে নেওয়া
.............................................................................................
বইমেলায় ইকবাল হোসেনের গল্পগ্রন্থ ময়না পাখির ঈদ
.............................................................................................
একুশের গ্রন্থমেলায় তরুণ আইনজীবী সিরাজ প্রামাণিক এর ২০তম আইন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
.............................................................................................
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এস এম নাহিদ হাসান নয়নের কবিতা
.............................................................................................
কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
.............................................................................................
৩ রমনী তোর প্রেমে ৫৬
.............................................................................................
মানুষ হবো
.............................................................................................
এক প্রবাসীর কান্না ৪৩
.............................................................................................
আজ কবির জন্মদিন বাঙালির হৃদয়ে জাগ্রত শামসুর রাহমান
.............................................................................................
শহীদ মিনারে শোকসভা হল সৈয়দ হক স্মরণে
.............................................................................................
প্রেমিক ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
.............................................................................................
বাঙালির পরিচয় মিলে সৈয়দ হকের কবিতায়
.............................................................................................
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক আর নেই
.............................................................................................
প্রাচীন কিছু ধর্ম
.............................................................................................
কবি শহীদ কাদরী আর নেই
.............................................................................................
লোকমান হাকীম ও জোড়া স্যান্ডেল (ছোট গল্প)
.............................................................................................
আজ কবিগুরুর ৭৫তম প্রয়াণ দিবস
.............................................................................................
আছে নূহাশপল্লী, নেই হুমায়ূন আহমেদ
.............................................................................................
নতুনত্ব আসছে ফেসবুক মেসেঞ্জারে
.............................................................................................
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে শ্রাবন্তী
.............................................................................................
ভাত না রুটি, কোনটা বেশি ভালো
.............................................................................................
ঈদে ঘুরে আসুন গৌরনদীর শাহী ৯৯ পার্কে
.............................................................................................
ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পে চলছে চরম দুর্দিন
.............................................................................................
তেলের দাম কমলেও বাস ভাড়া কমেনি, পরিবহন মালিকদের নিকট জিম্মি যাত্রীরা
.............................................................................................
ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ৫টি সাধারণ খাবার
.............................................................................................
বৃষ্টিভেজা সতেজ সাদা ফুল
.............................................................................................
মেয়েদের একা থাকাই ভালো!
.............................................................................................
হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার
.............................................................................................
খালি পেটে চা খাওয়া কতোটুকু উপকারী
.............................................................................................
অনুভূতিজনিত আঘাত থেকেই ঈর্ষার জন্ম
.............................................................................................
গরমে বরফের ফেসিয়াল
.............................................................................................
গালে টোল পড়ে কেন?
.............................................................................................
কেন প্রেম করার জন্য সাংবাদিকরাই সেরা?
.............................................................................................
নীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে টেক্কা দিচ্ছে নারীরাও
.............................................................................................
স্তন্যদর্শনে নাকি আয়ু বাড়ে, দাবি গবেষণার
.............................................................................................
দিনে ৪০ মিনিটের বেশি ঘুমে মৃত্যুঝুঁকি
.............................................................................................
শরীরের কোথায় তিল থাকলে কি হয়
.............................................................................................
সানস্ক্রিন মাখুন কিন্তু বিপদটাও জানুন
.............................................................................................
চীনের সড়কে বুলেট কার
.............................................................................................
তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]