| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   * রাম নাথ কোভিন্দকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন   * টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : স্পিকার   * বিএনপির লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মানবে না : ওবায়দুল কাদের   * শিগগিরই বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির গেজেট: আইনমন্ত্রী   * নির্বাচন কমিশনের সচিব পরিবর্তন   * সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * চিকুনগুনিয়া রোগীর বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি   * ‘আকাশ সংস্কৃতিতে যা ক্ষতিকর তা বর্জন করুন’   * সবার সহযো‌গিতায় দুর্যোগ মোকা‌বিলা : ত্রাণমন্ত্রী   * চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন আল্লামা শফী  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হাতের পরিচর্যায় কিছু করণীয়

অনলাইন ডেস্ক:

আমাদের হাতদুটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে সারাদিনে। রান্না বলুন, লেখার কাজ বলুন সবকিছুতেই হাতের স্পর্শ না থাকলেই নয়। এত যে কাজে সাহায্য করে আমাদের দুটি হাত, আমরা তার কতটুকু যত্ন নেই? অনেকেই শুধু মুখের যত্নের ভেতরেই ত্বকের পরিচর্যা সীমাবদ্ধ রাখেন। এটি একদমই উচিত নয়। চলুন হাতের যত্নে কিছু করণীয় জেনে নেই।

একটি পাত্রে কুসুম গরম পানি নিন যাতে হাত-পা ভেজাতে পারবেন। তাতে চার টেবিল চামচ লবণ অথবা যতটুকু লাগে পানি নিয়ে সেই অনুযায়ী সমপরিমাণ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর তাতে ১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর একে একে লিকুইড সাবান আর ব্রাশ দিয়ে হাত ও পায়ের উপরিভাগ পরিষ্কার করে নিন। পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার করতে পিউবিক স্টোন বা এর জন্য উপযোগী কোন ব্রাশ ব্যবহার করুন।

নখের উপরে অলিভ অয়েল দিয়ে কিছুটা সময় নিয়ে মাসাজ করুন। সাথে নখের কিউটিকলগুলো ভিতরের দিকে চেপে দিন। এক্ষেত্রে কিউটিকল পুশার ব্যবহার করতে পারেন। কিউটিকল নখের পাশে বাড়তি মৃত চামড়া থাকলে তা কিউটিকল কাটার দিয়ে কেটে ফেলুন। একটু সাবধানে কাটবেন যাতে সজীব চামড়া কেটে না যায়।

নেইল কাটার দিয়ে নখ পছন্দমতো শেপে কেটে ফাইলার দিয়ে ধার গুলো মসৃণ করে নিন। আবার কিছুক্ষণ তেল দিয়ে মাসাজ করুন, ছোট টুথব্রাশ দিয়ে নখের উপরটা পরিষ্কার করে নিন। ১৫ মিনিট হাত-পা হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এ পর্যায়ে আপনি মুখের জন্য যে প্যাক গুলো ব্যবহার করেন তা হাতে-পায়েও লাগিয়ে নিতে পারেন। তা হাত পায়ের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। পরিশেষে সাবান দিয়ে ধুয়ে ময়েশচারাইজার লাগিয়ে নিন।

নখের মাসাজের জন্য অলিভ অয়েল-এর পরিবর্তে ভ্যাসলিন অথবা কিউটিকল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। কিউটিকল রিমুভিং জেল কিউটিকলের মৃত চামড়া পরিষ্কার করতে এবং নখের হলুদাভ দাগ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।  ক্যালসিয়াম জেল নখের ভঙ্গুরতা কমায়, এটি নখে নেইলপলিশ পড়ার আগে অথবা এমনিও ব্যবহার করতে পারেন।

নেইলপলিশ সপ্তাহে অন্তত দুবার পরিবর্তন করুন আর মাঝে কিছুটা সময় দিন, তাতে নখ সুস্থ থাকবে।

নখ যদি বেশি হলুদাভ হয়ে যায় তবে হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট নখে ঘণ্টাখানেক লাগিয়ে রাখলে ৮০% পর্যন্ত হলুদাভ ভাব কমে যায়। হাতে পায়ে নিয়মিত ময়েশচারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

কর্মজীবী হলে বাইরে বের হবার সময় ব্যাগে ছোট ময়েশচারাইজার নিয়ে নিন যাতে দিনের শুষ্কতা থেকে হাত ও পায়ের ত্বককে রক্ষা করতে পারেন।

হাতের পরিচর্যায় কিছু করণীয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আমাদের হাতদুটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে সারাদিনে। রান্না বলুন, লেখার কাজ বলুন সবকিছুতেই হাতের স্পর্শ না থাকলেই নয়। এত যে কাজে সাহায্য করে আমাদের দুটি হাত, আমরা তার কতটুকু যত্ন নেই? অনেকেই শুধু মুখের যত্নের ভেতরেই ত্বকের পরিচর্যা সীমাবদ্ধ রাখেন। এটি একদমই উচিত নয়। চলুন হাতের যত্নে কিছু করণীয় জেনে নেই।

একটি পাত্রে কুসুম গরম পানি নিন যাতে হাত-পা ভেজাতে পারবেন। তাতে চার টেবিল চামচ লবণ অথবা যতটুকু লাগে পানি নিয়ে সেই অনুযায়ী সমপরিমাণ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর তাতে ১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর একে একে লিকুইড সাবান আর ব্রাশ দিয়ে হাত ও পায়ের উপরিভাগ পরিষ্কার করে নিন। পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার করতে পিউবিক স্টোন বা এর জন্য উপযোগী কোন ব্রাশ ব্যবহার করুন।

নখের উপরে অলিভ অয়েল দিয়ে কিছুটা সময় নিয়ে মাসাজ করুন। সাথে নখের কিউটিকলগুলো ভিতরের দিকে চেপে দিন। এক্ষেত্রে কিউটিকল পুশার ব্যবহার করতে পারেন। কিউটিকল নখের পাশে বাড়তি মৃত চামড়া থাকলে তা কিউটিকল কাটার দিয়ে কেটে ফেলুন। একটু সাবধানে কাটবেন যাতে সজীব চামড়া কেটে না যায়।

নেইল কাটার দিয়ে নখ পছন্দমতো শেপে কেটে ফাইলার দিয়ে ধার গুলো মসৃণ করে নিন। আবার কিছুক্ষণ তেল দিয়ে মাসাজ করুন, ছোট টুথব্রাশ দিয়ে নখের উপরটা পরিষ্কার করে নিন। ১৫ মিনিট হাত-পা হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এ পর্যায়ে আপনি মুখের জন্য যে প্যাক গুলো ব্যবহার করেন তা হাতে-পায়েও লাগিয়ে নিতে পারেন। তা হাত পায়ের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। পরিশেষে সাবান দিয়ে ধুয়ে ময়েশচারাইজার লাগিয়ে নিন।

নখের মাসাজের জন্য অলিভ অয়েল-এর পরিবর্তে ভ্যাসলিন অথবা কিউটিকল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। কিউটিকল রিমুভিং জেল কিউটিকলের মৃত চামড়া পরিষ্কার করতে এবং নখের হলুদাভ দাগ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।  ক্যালসিয়াম জেল নখের ভঙ্গুরতা কমায়, এটি নখে নেইলপলিশ পড়ার আগে অথবা এমনিও ব্যবহার করতে পারেন।

নেইলপলিশ সপ্তাহে অন্তত দুবার পরিবর্তন করুন আর মাঝে কিছুটা সময় দিন, তাতে নখ সুস্থ থাকবে।

নখ যদি বেশি হলুদাভ হয়ে যায় তবে হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট নখে ঘণ্টাখানেক লাগিয়ে রাখলে ৮০% পর্যন্ত হলুদাভ ভাব কমে যায়। হাতে পায়ে নিয়মিত ময়েশচারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

কর্মজীবী হলে বাইরে বের হবার সময় ব্যাগে ছোট ময়েশচারাইজার নিয়ে নিন যাতে দিনের শুষ্কতা থেকে হাত ও পায়ের ত্বককে রক্ষা করতে পারেন।

দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বিশেষজ্ঞগণ এবার একটি উদ্বেগজনক গবেষণা তথ্য দিয়েছেন। আর এই তথ্যটি হচ্ছে, যারা প্রতিদিন দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন তাদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে। তবে যাদের বসে কাজ করার প্রয়োজন হয় বা যারা প্রত্যহ অফিস ওয়ার্ক করেন তারা কাজের ফাকে ফাকে একটু হাটাহাটি করলে অথবা একটু পায়চারি করলে এই অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। বিশ্বের ৫৪টি দেশের গবেষণা তথ্য যাচাই করে বিশেষজ্ঞগণ এই রিপোর্ট দিয়েছেন।
 
গবেষকগণ এটাও বলছেন, যারা প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা বা এর অধিক সময় ধরে বসে কাজ করতে অভ্যস্ত তাদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। আমেরিকান জার্নাল অব প্রিভেনটিভ মেডিসিনে এই গবেষণা রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে।
 
গবেষণা রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্ততঃ ৬০ ভাগ মানুষ প্রতিদিন ৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে কাজ করেন।
 
আর বিশেষজ্ঞগণ এটাও বলছেন, বিভিন্ন দেশের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে- ২০০২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত অন্তত: ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার লোক মারা গেছে শুধুমাত্র দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার কারণে। রিপোর্টে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বে গড় বসে কাজ করার সময় ৪ দশমিক ৭ ঘণ্টা। আর যদি বসে কাজ করার হার ৫০ ভাগ কমানো গেলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ২ দশমিক ৩ ভাগ নামিয়ে আনা সম্ভব।
 
এব্যাপারে গবেষণার প্রধান অথার সাওপান্ডলো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের ড. লিন্ড্রো রিজেন্দে এতথ্য দিয়েছেন। এব্যাপারেও রিজেন্দের পরামর্শ হচ্ছে যাদের প্রত্যহ অফিসে কাজ করতে হয় তারা যদি পানির বোতলটি অন্ততঃ টেবিলের কাছে না রেখে খানিকটা হেটে গিয়ে পানি, চা, কফি পান করেন অথবা নিজের ফাইলটি নিজে গিয়ে আনার চেষ্টা করেন তাহলে বসে কাজ করা জনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব।

কয়েকটি ঘরোয়া প্যাকের মাধ্যমে পেতে পারেন সুন্দর ত্বক
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

সুন্দর ত্বকের জন্য প্রয়োজন নানারকম যত্নআত্তি। যত্নের অভাবে সুন্দর ত্বকও অনেকসময় ম্লান হয়ে যায়। শুধু যত্ন নিলেই হবে না, প্রয়োজন যত্ন নেয়ার সঠিক উপায়টি জানা। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন ঘরে তৈরি কিছু প্যাক। আর সেজন্য বাড়তি তেমন কিছুরই দরকার পড়বে না। আপনার হাতের কাছেই থাকে এমন কিছু দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন ত্বকের উপযোগী কার্যকরী কিছু প্যাক।

এক টেবিল চামচ শসার রস, এক চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ো, এক চাচামচ গ্লিসারিন( শুষ্ক ত্বকের জন্য) মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কার্যকরী একটি প্যাক।

একটি পাকা কলার সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ভিটামিন এ, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ কলা ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে দেয়।

এক টেবিল চামচ বেসন, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক চাচামচ হলুদ গুঁড়ো এবং গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে ম্যাসাজ করে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বকের কালো দাগ দূর করে থাকে এই প্যাকটি।

মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে লোমকূপের ছিদ্রগুলো ছোট করে দেয়। যারা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চান, এটি ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বকের বলিরেখা রিংকেল দূর করতে স্ট্রবেরি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। স্ট্রবেরি ম্যাশ করে সরাসরি ত্বকে লাগিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া স্ট্রবেরির সাথে গোলাপজল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। প্রথমে এটি ত্বকে কিছুটা চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে। কিছুক্ষণ পর তা চলে যায়। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে মেনে চলুন প্রাকৃতিক উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

শুষ্ক ত্বক নিয়ে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। বংশগত বা জিনগত কারণে অনেকের ত্বকে তেল গ্রন্থিগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে। ফলে তেল নিঃসৃত হয় না ত্বকের প্রয়োজনমত। তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। বয়সের কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ৪০ এরপরে শরীরের প্রয়োজনীয় তেল তৈরির ক্ষমতা চলে যায়। তেল ও ঘাম গ্রন্থি কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের শুষ্কতা দূর করার জন্য বেছে নিতে পারেন কিছু প্রাকৃতিক উপায়-

• অলিভ অয়েল গোসলের কয়েক মিনিট আগে সারা শরীরে মেখে গোসল করুন।

• অলিভ অয়েল ১চামচ + ৫ চামচ লবণ + ১ চামচ লেবুর রস দিয়ে তৈরী স্ক্রাব মুখে ও সারা শরীরে লাগাতে পারেন। এতে মরা কোষ দূর হবে।

• শুষ্ক জায়গায় মধু ম্যাসেজ করে ২-৩ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

• নারকেল তেল আক্রান্ত জায়গায় লাগালে উপকার পাবেন।

• এলোভেরা জেল মধুর সাথে মিশিয়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

• দই বা পেঁপে মুখে ঘষে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

• প্রচুর শাকসবজি খান। পানি খান। ত্বকের পরিচর্চা করুন।

আচারি চিকেন খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

চিকেনের আইটেমগুলোর মধ্যে দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে যে খাবারটি সেটি হলো আচারি চিকেন। আচার তো সব বাসায়ই থাকে। আর খাবারের তালিকায় চিকেনও থাকে সপ্তাহের দু-তিন দিন। তাই সহজেই তৈরি করতে পারেন আচারি চিকেন। গরম ভাত, খিচুড়ি কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খেতে বেশ লাগবে। রইলো রেসিপি-

উপকরণ : মুরগি এক কেজি (৮ টুকরা), টক দই তিন টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ (আধা ভাঙা), পেঁয়াজবাটা তিন টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ, আদাবাটা এক টেবিল চামচ, রসুনবাটা দুই চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি তিন/চারটা, শুকনা মরিচ দুটি, মৌরি গুঁড়া আধা চা চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা দুটি, সরিষার তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, আমের আচার দুই-তিন টেবিল চামচ, সরিষাবাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি : আচার পাঁচফোড়ন, তেজপাতা, শুকনা মরিচ, কাঁচামরিচ, বেরেস্তা, মৌরি গুঁড়া ও অর্ধেক তেল বাদে অন্যসব উপকরণ দিয়ে মুরগির মাংস মেখে এক ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে গরম হলে পাঁচফোড়ন, তেজপাতা ও শুকনা মরিচের ফোড়ন দিন। এবার মাখানো মাংস কড়াইতে ঢেলে নেড়েচেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন অল্প আঁচে।

১০/১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার আচার, বেরেস্তা, পাঁচফোড়ন গুঁড়া, মৌরি গুঁড়া দিয়ে নেড়েচেড়ে আবার ঢেকে দিন। পানি দিতে হবে না। মাংসের পানিতেই সেদ্ধ হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে তেলের উপর উঠে এলে কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে চুলা বন্ধ করে দিন। এবার পরিবেশন ডিশে ঢেলে নিন।

শীতে জীবাণুমুক্ত থাকতে
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
শীতে আবহাওয়ায় হয়ে পড়ে আর্দ্র ও শুষ্ক। তাই এসময় প্রচুর ধুলাবালিও হয়। এই ধুলাবালি থেকে আসে জীবাণু যা ঘরের পরিবেশ নষ্ট করে সাথে শরীর অসুস্থ করে ফেলে।  তাই এসময় ঘর- বাড়ি আরও ভালোভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। জেনে নিন কিছু টিপস।
 
* আপনার শোয়ার ঘরটি অন্যান্য ঘরের তুলনায় সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বেশিভাগ সময় আপনার এ ঘরেই কাটে। 
 
* রান্নাঘর খুব ভালোভাবে পরিষ্কার রাখবেন। এতে খাবারে জীবাণু আক্রমণ করতে পারবে না। খাবারের  বাসন-কোসন ধোয়া থাকলেও খাবার আগে সেগুলো আরেকবার পানিতে ধুয়ে নিয়ে ব্যবহার করুন।
 
* ঘরের পর্দা পরিষ্কার রাখুন। বাইরের ধুলাবালি বারান্দা আর জানালার পর্দায় বেশি জমে থাকে। শীতের সময় দুই সপ্তাহে একবার পর্দা ধুয়ে ফেলবেন।
 
* জানালার গ্রিল প্রতিদিন পরিষ্কার করুন। ধুলাবালি ভালোমতো ঝেড়ে রাখবেন। জানালা খুব বেশি প্রয়োজন না হলে খোলা রাখবেন না।
 
* ঘরের মেঝের পাশাপাশি কার্পেট পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে দিন।
 
* লেপ-কম্বল ব্যবহারের আগে ধুয়ে দুইদিন রোদে রেখে দেবেন। এতে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ভ্যাপসা ভাবটা থাকবে না আর হাঁচি-কাশি হবে না।
 
* শোপিস শুকনো কাপড় দিয়ে না ঝেড়ে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন।
 
* ঘরের বুক শেলফের বইপত্র পরিষ্কার করে রাখুন।
 
* ড্রেসিং টেবিল,পড়ার টেবিল, আলমারি ইত্যাদি আসবাবপত্র ধুলাবালি থেকে মুক্ত রাখুন।
 
* সোফা,চেয়ার,কার্পেট পরিষ্কার করা কষ্টকর হয়ে যায় অনেক সময়। সে জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা সহজ হবে।
 
* ফ্যান, লাইট, আয়না, ফটোস্ট্যান্ড এসব কিছু ভালোভাবে শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন।
 
* এ সময় ঘরে অনেক ঝুল আর আনাচে কানাচে ধুলা বালি জমে থাকে। এগুলো প্রতি সপ্তাহে একবার করে পরিষ্কার করুন।
 
* টেলিভিশন, কম্পিউটার, আর ফ্রিজ শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নেয়াই ভালো। 
 
* ঘরের সাথের বারান্দা ঝাড়ু দিয়ে রাখবেন এবং তার সাথে গাছ থাকলে সেগুলো পানি দেয়ার পর টব সরিয়ে মুছে জায়গামতো সাজিয়ে রাখুন।
 
*  শীতের কাপড় সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর এটাই যদি পরিষ্কার না থাকে তাহলে রোগজীবাণু খুব সহজেই ছড়িয়ে যাবে। তাই গরম কাপড়, চাদর, জ্যাকেট শীতের সময় ব্যবহারের আগে সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নেবেন।
 
যাদের ধুলাবালিতে অ্যালার্জি আছে তারা অবশ্যই গ্লাভস পরে নেবেন ও নাক ভালোভাবে ঢেকে নেবেন। কাজ শেষে অবশ্যই গোসল করে নেবেন। 
 
চুলের যত্নে জবাফুল
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা, মাথায় খুশকি হওয়া, অসময়ে টাক পড়ে যাওয়া চুলের সমস্যা গুলোর মধ্যে অন্যতম। বেশিরভাগ সৌন্দর্য সচেতন মানুষের চুল পরিচর্যায় প্রথম পছন্দ প্রাকৃতিক উপাদান। আপনি যদি তাদের একজন হয়ে থাকেন তাহলে জবা হতে পারে আপনার সমস্যার সমাধান। জেনে নিন চুলের যত্নে জবা ফুল ও পাতার ব্যবহারগুলো। 
 
* ৫ চামচ আমলকি পাউডারের সাথে ৫ চামচ জবা পাতা বেটে মিশিয়ে নিন। এই মাস্কটি আপনার চুলে দিয়ে আধাঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটিতে চাইলে আপনি আমলকির রস ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে মাসে দুই থেকে তিন বার ব্যবহারে আপনি পাবেন মজবুত আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল।
 
* ৫/৬ টি পাতা নিয়ে ২০-৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পাতাগুলো পিষে পানিতে নিয়ে কিছুক্ষণ হাত দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। দ্রবণটি মাথার স্কাল্প সহ পুরো চুলে দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে  কন্ডিশনার দিন। এই মাস্কটি নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে, মাথার ঠান্ডা থাকে, চুল কালো হয়, সিল্কি আর শাইনি হয়।
 
* তিনটি জবা ফুল একটু পানিতে রাত অবধি ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন ফুলগুলো পিষে তাতে তিন টেবিল চামচ দুধ আর দেড় টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। চুলে দিয়ে আধা ঘণ্টা পরে শ্যাম্পু করে নিন। উত্তম ফলাফলের জন্য এই মাস্কটি মাসে দুই বার ব্যবহার করতে পারেন।
 
* ৫/৬ টি পাতা বেটে নিয়ে তাতে দুই টেবিল চামচ মধু এবং চার টেবিল চামচ দই দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। চাইলে এর সাথে চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী নারিকেলের দুধও মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি চুলে ৪০ মিনিটের মতো রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি ব্যবহারে চুল নরম হবে, চুল পড়া কমবে।
 
* খুশকির সমস্যায় এক মুঠো জবা পাতা আর সমপরিমাণ মেহেদি পাতা পেস্ট করে নিয়ে তাতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দিন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
শীতের ফ্যাশনে ওভারকোট
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

শীত পোশাকের প্রসঙ্গ এলে প্রথমেই মনে পড়ে শাল, সোয়েটার, জ্যাকেট কিংবা ব্লেজারের কথা। এখন সময় বদলেছে। সেইসঙ্গে বদলে গেছে ফ্যাশন সম্পর্কিত ধারণাও। আজকাল ফ্যাশনাবল শীত পোশাক হিসেবে চলছে বিভিন্ন ধরনের ওভারকোট। মূলত এ ওভারকোট কিংবা লংকোটই এখন এই শীতে তরুণদের মনোযোগ ও আগ্রহ কেড়েছে ভীষণ। ভীষণ ট্রেন্ডি এ পোশাকে নিজের লুকটাতে চমৎকার একটা ভিন্নতা নিয়ে আসে।

কাটিং-ফিটিং
ওভারকোট হাঁটু পর্যন্ত লম্বা আবার একটু খাটোও হয়। কোমরের কাছাকাছি থাকে বেল্ট সিস্টেম। বেল্টে স্টিল অথবা প্লাস্টিকের বকলেসের ব্যবহার বেশ লক্ষ্যণীয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে কিংবা নিজেকে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে ব্লেজারের পাশাপাশি ওভারকোটের চাহিদা এখন তুঙ্গে।

যেকোনো পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে পরা যায় ওভারকোট। বিভিন্ন স্টাইলের কাটিং ও ডিজাইনে বেশ আকর্ষণীয় এ পোশাকগুলো। সাধারণত ব্লেজার কাপড় দিয়েই এগুলো তৈরি করা হয়। তবে পাশাপাশি কটন, উলেন, সফট লেদার ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

ব্লেজার কাপড়ের পাশাপাশি মিক্সড উলের স্ট্রাইপের ওভার কোটগুলোই মেয়েদের বেশি পছন্দ। রঙের ক্ষেত্রে কালো, সাদা, চাপা সাদা, ছাই, ধূসর ছাড়াও হলদে সবুজ, লাল, গোলাপি, নীল ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের স্ট্রাইপ বা অন্য ডার্ক রঙগুলোই বেশি প্রাধান্য পায়।

কোথায় পাবেন
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী ও উত্তরার বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্স ঘুরলেই পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের এ পোশাকটি। এবার এক্সটাসি, ক্যাটস আই, ইনফিনিটি, ওয়েস্ট্যাক্স, ট্রেন্ডস, ইয়েলো, আর্টিস্ট, রিচম্যান, ইনফিনিটি, স্মার্টেক্স, ব্যাঙ, প্লাস পয়েন্ট এবং অন্য ফ্যাশন হাউসগুলো ওভারকোটের ক্ষেত্রে বেশ বৈচিত্র্য এনেছে। সব হাউসেই বিভিন্ন রঙের ও স্টাইলের ওভারকোট পাওয়া যাবে। তাই পছন্দের পোশাকটি কিনতে হলে ঢুঁ মারতে পারেন যে কোনো হাউসে।

যদি রেডিমেড কিনতে না চান সে ক্ষেত্রে কাপড় কিনে নিজ পছন্দ অনুযায়ী বানিয়েও নিতে পারেন। কাপড় কিনতে পারেন পরিচিত কোনো ভালো টেইলার্স থেকে। যেমন: ভিনটেজ, ট্রপিক্যাল, লান্সে সেশন ইত্যাদি। বাজেট একটু বেশি থাকলে যেতে পারেন কোনো ব্র্যান্ডেড দোকানে। যেমন রেমন্ড, ডিক জ্যাম, ইতালিয়ান ভারসেস, অ্যালিসন ও ডরমেনি।

ফ্যাশন যখন ফোনের কভারে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনটির যত্ন-আত্তির কথা এলে প্রথমেই আসে এর কভারের প্রসঙ্গ। কভার ব্যবহার করে অনেক দিন ভালো রাখা যায় স্মার্টফোন। অনেকের ধারণা, কভার ব্যবহার করলে স্মার্টফোনটির মূল ডিজাইনই বোঝা যায় না, তা কিন্তু ঠিক নয়। বাজার ঘুরে দেখলে বুঝবেন, শখের ফোনটির সৌন্দর্য বরং আরও বাড়িয়ে তুলবে এই কভারগুলো।

কিছুদিন পরপর মোবাইলের কভার পরিবর্তনের ফলে স্মার্টফোনটিকে নতুন রূপ দেওয়া সম্ভব। বাজারে নানা রঙের ও বিভিন্ন নকশার মোবাইল কভার পাওয়া যায়। সাধারণত মোবাইল কভার দুই ধরনের হয়ে থাকে। ব্যাক কভার ও ফ্লিপ কভার। ব্যাক কভার মোবাইলের পেছনের দিকটায় লাগানো হয়। আর ফ্লিপ কভার মোবাইলের সামনে ও পেছনে দুই অংশেই থাকে। মোবাইলের জন্য আছে চামড়া, প্লাস্টিক ও রাবারের কভার। আরও রয়েছে বাহারি সব পাথরের নকশা, আবার কোনোটার নকশায় দেখা যায় কার্টুন ছবি-সংবলিত থ্রিডি কভার। ফোনের ব্র্যান্ড অনুযায়ী কভার পাওয়া যায়। নিজস্ব মোবাইল ফোন সেটটির কভার না পেলে অন্য মোবাইলের কভার জোর করে লাগানো ঠিক নয়। তাই বিভিন্ন দোকানে ঘুরে অথবা অনলাইনের মাধ্যমে নিজের পছন্দমতো দেখে কভার কেনা উচিত।

দরদাম
বাহারি রকমের কভারগুলোর দাম পড়বে ২৫০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। আইফোনের ব্যাক কভার পাবেন ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। ফ্লিপ কভারগুলো পাবেন ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। নানা নকশার ব্যাক ও ফ্লিপ কভার পাবেন ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। স্যামসাং ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের ব্যাক কভার পাওয়া যাবে ২৫০ থেকে ১ হাজার টাকায়। ফ্লিপ কভার পাবেন ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। নকশা করা কভার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়।

যেভাবে মস্তিষ্কের দক্ষতা বাড়াবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আমাদের মস্তিষ্ক একটি পেশি দ্বারা আবৃত। আর এতে যুক্ত হাজারো রক্ত প্রবাহিত নালী। আপনি যখন কোনো বিষয়ে মারাত্মকভাবে দুশ্চিন্তায় থাকেন তখন এই সরু নালীগুলোতে চাপ পড়ে এবং সঠিক ভাবে রক্ত চলাচল করতে দেয় না। আর এতে ব্রেইন স্ট্রোক, মস্তিষ্কে রক্ত জমে যাওয়াসহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া আমাদের দৈনন্দিন জীবন তো এই মস্তিষ্কের সঙ্গ ছাড়া চিন্তাও করা যায় না। তাই একে রাখতে হবে সুস্থ্ এবং করতে হবে আরো দক্ষ।

প্রতিদিনের ব্যায়াম
প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো অংক করা, কিংবা কোনো ধাঁধার উত্তর খুঁজে বের করা হতে পারে আপনার মস্তিস্কের জন্য উপযুক্ত ব্যায়াম। আপনার করা এই কাজগুলো আপনার মস্তিস্কে রক্ত চলাচলের মাত্রা ঠিক রাখবে এবং আপনার চিন্তা শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

কৌতূহলকে প্রাধান্য দিন
সব কিছুকে টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা বন্ধ করুন। আপনার যা জানতে ইচ্ছে হয় সেই দিকে মনোনিবেশ করুন। যা আপনার মস্তিষ্ককে সাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে সাহায্য করবে। এছাড়া এটি আপনার মস্তিষ্ককে নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ভাবতে সাহায্য করবে। আপনি আপনার কৌতূহলকে প্রাধান্য দিতে যেয়ে অনেক কিছু আবিষ্কার ও করে ফেলতে পারেন।

নতুন কিছুর চেষ্টা
আপনি যখন নতুন কিছু নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেন কিংবা তাকে অন্য কোনো রূপ দিতে চান তখনই আপনার মস্তিস্কের প্রতিটি কোষে এক আলোড়নের সৃষ্টি হয়। যা আপনার মস্তিস্কের পরিধি বৃদ্ধি সহ নানা ভাবে আপনার মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পরে আর ক্লান্ত হয়ে যাবেন না কিংবা কাজে থেকে অমনোযোগী হয়ে যাবেন না। তাই মনোযোগ বাড়াতে আর মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে নতুন কাজ করার চেষ্টা করুন।

সঠিকভাবে খাবার গ্রহণ
আমাদের শরীরের ২০% অক্সিজেন শোষণ করে আমাদের মস্তিষ্ক। আমরা যদি পরিমিতভাবে খাবার না খাই তবে মস্তিষ্কে এই অক্সিজেন সঠিকভাবে পৌঁছায় না। এছাড়া যারা কড়া ডায়েট এ থাকেন তাদের শরীর পরিমিত খাবার পায় না ফলে শরীর  দুর্বল হয়ে পড়ে আর সঠিক ভাবে অক্সিজেন পায় না। ফলে মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করতে পারেনা। তাই আমাদের মস্তিষ্কের দক্ষতা বাড়াতে সঠিকভাবে খাবার গ্রহণ করতে হবে।

বয়সভেদে শিশুর ওজন ও উচ্চতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
সব শিশুর ওজন এবং উচ্চতা একইভাবে বৃদ্ধি পায় না। অনেক কিছুর উপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন শিশুর ওজন এবং উচ্চতার তারতম্য লক্ষ করা যেতে পারে। তবে বয়সভেদে শিশুর যে স্বাভাবিক ওজন ও উচ্চতার একটি বিশেষ পরিমাপক রয়েছে তা বাবা-মায়ের জন্য জেনে রাখা অনেক বেশি জরুরি। চলুন শিশুর ওজন ও উচ্চতা সম্পর্কে জেনে নিই-

শিশুর ওজন

শিশুর জন্মের পর কয়েকদিনে তার ওজন প্রায় ১৫ শতাংশ কমে যায়। এটি খুব স্বাভাবিক। কিন্তু এর পরেই আবার ৭-১০ দিনে শিশুর ওজন পুনরায় আগের মতো হয়ে যায় এবং তারপর থেকে গড়ে প্রায় প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে শিশুর ওজন তিন মাস পর্যন্ত বাড়তে থাকে। এছাড়া বৈজ্ঞানিকভাবে শিশুর প্রথম বছরকে চার মাসের তিনটি অধ্যায়ে ভাগ করে ওজন বাড়ার যে সূত্র রয়েছে : প্রথম চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা * ০.৮), দ্বিতীয় চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা * ০.৭), তৃতীয় চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা * ০.৬)। সর্বোপরি শিশু তার পাঁচ মাস বয়সে জন্ম ওজনের দ্বিগুণ এবং এক বছর বয়সে জন্ম ওজনের তিনগুণ ওজন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করবে। এরপর থেকে শিশুর খাবার, জীনগত বৈশিষ্ট্য অনুপাতে শিশুর ওজনের তারতম্য লক্ষ করা যায়।

শিশুর উচ্চতা
জন্মকালীন সময়ে শিশু ৫০ সেন্টিমিটার বা ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। ৬ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক অনুপাতে এই উচ্চতা ৬৮ সেন্টিমিটার বা ২৭ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এরপর বছরভেদে এই উচ্চতার স্বাভাবিক মাত্রা হলো : এক বছর- ৭৫ সেন্টিমিটার বা ৩০ ইঞ্চি, দুই বছর- ৮৫ সেন্টিমিটার বা ৩৪ ইঞ্চি, তিন বছর- ৯৫ সেন্টিমিটার বা ৩৭ ইঞ্চি, চার বছর- ১০০ সেন্টিমিটার বা ৩৯ ইঞ্চি। এরপর আট বছর পর্যন্ত শিশুর উচ্চতা সাধারণত গড়ে ৫.৫ বা দুই ইঞ্চি করে বৃদ্ধি পায়। ওজনের মতো উচ্চতার ক্ষেত্রেও শিশুর খাবার, পুষ্টি ইত্যাদি পরিমাপক হিসাবে কাজ করতে পারে।

আঙুলের কালচে দাগ যেভাবে দূর করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
হাতের আঙুল ও পুরো হাতের তুলনায় আঙুলের গিঁটে কালচে ধরণের দাগ থাকে যা হাতের সৌন্দর্য একেবারেই নষ্ট করে দেয়। এছাড়াও পায়ের পাতার কালচে দাগের কারণেও একই ধরণের সমস্যায় পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা সমাধানের দারুণ কার্যকরী ৩ টি উপায় রয়েছে। আজকে চলুন জেনে নেয়া যাক সাজসজ্জার এমনই ৩ টি কার্যকরী উপায় যা ফিরিয়ে দিতে পারে আপনার হাতের সৌন্দর্য-

আমন্ড অয়েল :
আমন্ড অয়েল অর্থাৎ কাঠবাদামের তেল ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। শুধুমাত্র আমন্ড অয়েলের ব্যবহারেই এই কালচে দাগ দূর করে দিতে পারেন আপনি। প্রতিদিন কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েল আঙুলের এই কালচে দাগের উপর এবং পায়ের পাতার কালো হয়ে যাওয়া অংশের উপরে ম্যাসেজ করুন। ২-৩ মিনিট প্রতিদিন এভাবে ম্যাসেজ করে নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রুক্ষতা ও কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

বেকিং সোডা ও গ্লিসারিন :
বেকিং সোডার ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী এবং গ্লিসারিন ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখবে দীর্ঘসময়। একটি বড় বোলে কুসুম গরম পানি নিয়ে এতে কয়েক চামচ বেকিং সোডা এবং ১ চা চামচ গ্লিসারিন এবং ১ চ চামচ গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পানিতে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। এরপর কালচে দাগের উপর ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন। সপ্তাহে ২ বার ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পাবেন

ব্লিচ :
ঘরেই শুধুমাত্র লেবু ও মধুর মাধ্যমে ব্লিচ করে এই কালচে গিঁটের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করে এবং মধুর প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে মসৃণভাব ফুটিয়ে তোলে। ১ চা চামচ মধুতে ১ চা চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের আঙুলের গিঁটে ভালো করে লাগিয়ে নিন। মাত্র ১ মিনিট ম্যাসেজ করে নিন এই মিশ্রণটি আঙুলের গিঁটে এবং পায়ের পাতার কালচে দাগের উপরে। এরপর ১০ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহারে খুব দ্রুত কালচে দাগ দূর হয়ে যাবে।

ঘর সাজাতে গাছপালার যত্ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

গাছ ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বারান্দা আর ছাদের পাশাপাশি ঘরের কোণেও যদি গোটা কয়েক ছোট্ট সুন্দর গাছ রাখা যায়, তবে আপনার ঘরের সৌন্দর্য অনেকখানিই বেড়ে যাবে। আর আপনি পাবেন ঘরের মাঝে একটি সতেজ পরিবেশ।

যেসব গাছ ঘরে রাখলে তাদের বৃদ্ধি বাঁধা প্রাপ্ত হয়না, মূলত তাদেরকেই ইনডোর প্লান্ট হিসাবে বিবেচনা করে হয়ে থাকে। ইনডোর প্লান্ট সম্পর্কে সঠিক ধারনা আমাদের ঘর সাজাতে আর একটু বেশি সাহায্য করবে। যেসব গাছ আমরা ঘরে রাখতে পারি তার মধ্যে- কয়েক রকমের পাতা বাহার, ক্যাকটাস,ডেসার্ট রোজ,বট বনসাই,ডেসিরা ,পাথর কুচি, কেবি রোজ উল্লেখ যোগ্য। এছাড়া বারান্দার গ্রিলে আর হুকে ঝোলানোর জন্য পাতা বাহার, মানি প্লান্ট ও অর্কিড উপযোগী। কিন্তু একটি কথা মনে রাখবেন,সাময়িক ভাবে সুন্দর দেখতে লাগাটাই সব নয়, ঘর সাজানো গাছপালা রাখলে নিতে হবে এর বিশেষ কিছু যত্ন,না হলে আপনার ঘর অপরিষ্কার দেখাবে আর গাছ গুলোও বাঁচবে না।

আসুন জেনে নেয়া যাক কি করে যত্ন নেবেন আপনার ঘর সাজানো গাছপালার।

ঘর সাজানো গাছপালা এসি বা কুলারের খুব কাছে রাখবেন না,এতে প্লান্ট খুব জলদি শুকিয়ে যায়। এছাড়াও মাঝে মাঝে প্লান্ট এর জায়গা বদল করুন।
 
গাছ লাগানোর সময় বেলে মাটি ব্যবহার করুন। কেননা এই মাটিতে পানি বেশী সময় স্থায়ী হয় না। ইনডোর প্লান্টের গোড়ায় পানি জমে গেলে গাছ বাঁচবে না। বাসায় যদি টবে গাছ লাগাতে সমস্যা হয় তবে নার্সারি থেকেই লোক দিয়ে টবে গাছটি লাগিয়ে নিন।
 
ঘর সাজানো গাছপালা বেশি বড় করবেন না,ঘর অন্ধকার দেখাবে। এই কারনে বাড়তি পাতা ছেঁটে রাখুন। এ ছাড়া শুকনো ফুল ও পাতাও ছেঁটে দিন ।

সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার গাছ রোদে দিতে হবে। সকালের হালকা রোদই উপকারি। নিয়ম মেনে গাছে পানি দিন। দিনে ২ বার সাধারণত মোটামুটি সব গাছের ক্ষেত্রেই খাটে,সকালে একবার আর বিকালে রোদ কমে গেলে আরেকবার। তবে পরিমাণ বুঝে দিন পানি। আর কতটা দিতে হবে তা কেনার সময়েই ভালো করে জেনে নিন।

৭ থেকে ১০ দিন পর পর টবের মাটি উলট পালট করে দিন, এতে গাছের মাটির নিচের ক্ষতিকর গ্যাস বের হয়ে যাবে। তবে খুবই সাবধানে কাজটি করতে হবে। যাতে গাছের শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়।

পচা পাতা গাছের কাছে জমিয়ে না রেখে দ্রুত ফেলে দিন ।
গাছের পাতা ও ফুলের রঙ হালকা হতে শুরু করলে গাছটিকে ঠাণ্ডা ও তাপ কম পৌছায় এমন স্থানে রাখুন । কারন অতিরিক্ত তাপ লাগলে পাতা ও ফুলের রঙ হালকা হতে শুরু করে।

রাতে গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়ে ,তাই সম্ভব হলে রাতে শোবার ঘর থেকে সরিয়ে বারান্দায় রাখুন। আর যদি সরানো সম্ভব না হয় তবে শোবার ঘরের জানালা খুলে রাখুন।
সপ্তাহে একবার প্লান্টে উপযোগী মেডিসিন দিন, তা হলে পোকা মাকড় কম হবে।

ইনডোর প্লান্ট রাখার জন্য আমরা অনেকেই ডেকরেটিভ পট ব্যবহার করি। কিন্তু যখনই দেখবেন শিকড় ড্রেনেজ হোলের কাছে পৌঁছে গেছে তখনই নতুন পটে প্লান্ট সরিয়ে ফেলুন। পানি দেয়ার পর লক্ষ্য রাখুন যেন বাড়তি পানি ড্রেন হয়ে বেরিয়ে যায়। তবের নিচে মাটির থালা ব্যবহার করুন, তাতে পানিতে ঘর ময়লা হবে না।

গাছের পাতায় একটা সাদা ছোপ ছোপ দেখা যায়, এটা এক ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন। সাবান পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থানটি মুছে ফেলুন ,দেখবেন পাতা পরিষ্কার হয়ে গেছে।

প্লান্ট এর ধুলো পরিষ্কার করতে পালকের ডাস্টার ব্যবহার করবেন না। কারন এই ধরনের ডাস্টার থেকে ছোট ছোট পোকা গাছের পাতায় গিয়ে গাছের ক্ষতি করতে পারে। পানি দিয়ে গাছকে পরিষ্কার করা সব থেকে ভাল উপায়।

টিপস-

১) যারা ঘরে রাবার প্লান্ট রাখেন তারা প্লান্টের পাতা চকচকে দেখাতে পাতা গুলি দুধে ভেজানো তুলো দিয়ে মুছে ফেলুন।

২)সপ্তাহে অন্তত একবার ইনডোর প্লান্টকে কয়েক ঘণ্টা বাইরে রেখে দিন ,প্লান্ট ভাল থাকবে।

৩)প্লান্টে ইনফেকশন কম করতে মাসে একবার নিম পাতা গরম পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন,সেই পানি ছেঁকে নিয়ে প্ল্যান্টে ঢেলে দিন ।

ত্বকের সৌন্দর্যকে যে বিষয়গুলো নষ্ট করে
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
আমরা প্রতিদিন কতশত কাজ করে থাকি। কিন্তু এর মাঝে কোন কাজটি কিভাবে আমাদের ত্বকের ক্ষতি করে তা কি আমরা জানি? বাইরের ধুলোবালি ছাড়াও আমাদের করা দৈনন্দিন কিছু কাজ আমাদের ত্বকে থাকা টিস্যুগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মাঝেমাঝে নানা জীবাণু ত্বকে জমা হয়ে যায়। যা থেকে পরে বড় কোনো রোগ এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। তাই আপনার ত্বককে সুরক্ষিত রাখুন যাতে তা ক্ষতির সম্মুখীন না হয়।

ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। আর আপনি যদি এসি রুমে ঘুমিয়ে থাকেন তবে তার ফলাফল আরো খারাপ হতে পারে। এটি আপনার ত্বক থেকে পানি শুষে নিতে পারে। তাই ঘুমোতে যাবার আগে মশ্চেরাইজার ক্রিম লাগিয়ে ঘুমাতে যান। তাছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আপনার মুখে ব্রণ, এলার্জিসহ নানা রোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই ঘুমাতে যাবার সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।

মেকআপ
আপনাকে তাৎক্ষনিক সুন্দর দেখালেও মেকআপ আপনার ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে। এতে থাকে উচ্চমাত্রার ক্যামিকেল যা আপনার ত্বকের টিস্যুগুলোকে নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাঝে মাঝে এরা আপনার লোমকূপের মধ্য দিয়ে ত্বকের নিচে জমে পরে মারাত্মক সব চর্মরোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই যতটা সম্ভব মেকআপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

নখ
নখের যত্ন আপনার ত্বকের যত্নে অনেক সাহায্য করবে। নখের কারণে অনেক জীবাণু আপনার দেহে প্রবেশ করে যা ত্বকের ক্ষতি করে। তাছাড়া নখ বড় রাখলে তাতে পানি কিংবা ময়লা জমতে পারে যাতে বাসা বাঁধতে পারে নানা জীবাণু। আর তা পরবর্তীতে আপনার সারা শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি করে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

ফোন
আমদের দৈনন্দিন কাজের একটি অংশ হচ্ছে ফোনে কথা বলা। দীর্ঘ সময় ফোনে কথা বললে তা আপনার ত্বককে উষ্ণ করে দেয়। এছাড়া ফোন এখানে ওখানে রাখার কারণে নানাভাবে ময়লা হয়ে থাকে। আর এই ফোন পরিষ্কার করে না ব্যবহার করলে এই ময়লাগুলোর মাধ্যমে ত্বকের ভেতর দিয়ে নানা জীবাণু দেহে প্রবেশ করে।

কথা কম, কাজ বেশি!
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আপনি কি খুব কথা বলেন? তাহলে এক্ষুনি থামান সেই অভ্যেস, নাহলে কমতে পারে আপনার কর্মক্ষমতা৷ হ্যাঁ, এমনটাই বলছে গবেষনা৷ তাঁদের মতে, চুপ থাকলে কমে চিন্তা, বাড়ে কর্মক্ষমতা৷ সবসময় আশেপাশের লোকদের সঙ্গে কথা না বলে৷ কিছু কথা নিজের মনের সঙ্গেও বলুন৷ এতে আপনার মস্তিষ্ক ভীষণভাবে উপকৃত হয়৷ যেনে নিন কম কথা বলার বেনিফিট৷

১) নীরবতা মগজের নতুন কোষগুলি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে৷
২) নিস্তব্ধতা মানব শরীরে জ্ঞানের বিকাশে সাহায্য করে৷ এর ফলে ভাষায় দক্ষতা বাড়ে৷
৩) সমস্ত আবেগগুলিকে মগজে একত্রিত করে বিচার-বিশ্লেষণ করা যায়৷ এতে ঠিক-বেঠিকের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়৷
৪) শান্ত ব্যক্তিরা প্রতিকুল পরিস্থিতি বেশি ভাল সামাল দিতে পারেন৷
৫)দীর্ঘদিনের গবেষণায় জানা গিয়েছে, প্রতিদিন দুই মিনিটের নীরবতা গান শোনার থেকেও বেশি স্বস্তি দেয় মানুষের মস্তিষ্ককে৷

কাজেই নীরবতা মন ও শরীরের শান্তির কারণ৷ মন ও শরীরে শান্তি থাকলেই হয় মানুষের অগ্রগতি৷ প্রাচীনকালে মুনি-ঋষিরাও তাই হয়তো ধ্যানের কথা বলে গিয়েছেন৷ কাজেই চুপ করে থাকুন আর মন দিয়ে কাজ করুন৷

নায়িকাদের পুজোয় চাই স্পা
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

আচ্ছা, বলুন তো মাঝেমাঝে জানতে ইচ্ছে করে না বলিউডের স্বপ্নসুন্দরীরা ঠিক কীভাবে দিনের পর দিন অম্লান রাখেন নিজেদের রূপের ঔজ্বল্য?‌ এ কী কোনও জাদু?‌  চিরযৌবন লাভের মন্ত্রটি আসলে কী?‌ এমন অপার্থিব রূপের ঝাঁপির চাবিকাঠি ঠিক কেমন করেই বা পেলেন বলি নায়িকারা?‌ দিনভর শুটিংয়ের ক্লান্তি এবং সেলিব্রিটি হওয়ার অনুষঙ্গ হিসেবে লেজুড় হয়ে জুড়ে যাওয়া আরও নানান হ্যাপা!‌ এবং এসবের পরেও যা পড়ে রইল কারোর কারোর লাগামছাড়া ব্যক্তিজীবন। উদ্দাম, বল্গাহীন। আর কী আশ্চর্য, এরপরেও ওঁরা এত ঝকঝকে!‌ নিজেকে সুন্দর রাখার রহস্যই বলুন বা বলি ‘‌বিউ’-‌দের রূপ-‌ লাবণ্যের রসায়ন সবকিছুই নিহিত স্পা সেশনে!‌ আসুন একটু খোঁজ নিয়ে দেখা যাক, মুম্বই ইন্ড্রাস্ট্রির সেরা কয়েকজন নায়িকা কী বললেন স্পা ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে.‌.‌.‌

শিল্পা শেঠী কুন্দ্রা
আমি কিন্তু টোটাল স্পা-‌ অ্যাডিক্ট!‌ আমার নিজের স্পা-‌র নরম আবেশের পাশাপাশিই লন্ডনের হ্যারডস আরবান রিট্রিট ও তানজানিয়ার একটা সেভেন স্টার হোটেলের আনান্তারা স্পা আমার খুব ফেভারিট। এই দুটো স্পা-‌য়ের থেরাপিস্টরা একেবারে যাকে বলে তুখোড়। আপনাকে ‘‌ট্রিট’‌ করার সময় ওরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আপনাকে বলে দেবে এটা কেন করছে এবং এর উপযোগিতা কী কী। অক্লান্তভাবে ওরা এটা করে যায়। শরীরে শিরার গভীরতর ম্যাসেজ যাকে বলে ‘‌টিস্যু ম্যাসেজ’‌ আমি অন্তত তানজানিয়ার ওই হোটেলের স্পা-‌য়ের চেয়ে ভালো কোথাও পাইনি!‌ ওদের থেরাপিস্টরা যখন আপনাকে ‘‌ট্রিট’‌ করবে বুঝতেই পারবেন না কোত্থেকে ঘণ্টাদুয়েক কোটে গেল!‌


প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
ওহ!‌ স্পা। ভাই, সত্যি বলছি আমার গোটা জীবনটাই আমি কাটিয়ে দিতে পারি উন্নতমানের কোনও স্পা সেন্টারে। বিদেশে বেড়াতে গিয়ে আমি বেশি পছন্দ করি সমুদ্রের ধারের কোনও স্পা। কারন আমি নিজে সমুদ্র আর সৈকতকে দারুন ভালোবাসি। রোদ, বালি আর ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে সার্ফিং!‌ মায়ামিতে যখন থাকি স্ট্যান্ডার্ড স্পাতেই বেশি যাই। একটু ভুল বলা হল কাজের অবসরে প্রায় পুরো সময়টাই কাটাই!‌ ওদের ‘‌হামাম’‌ (‌‌স্নান)‌‌-‌টা ঈশ্বরদত্ত!‌ ‘‌ভিটামিন র‌্যাপ ট্রিটমেন্ট’‌টাও লা-‌জবাব। কমলালেবু আর নারকোলের দুধ দিয়ে গোটা শরীরটা মুড়ে ফেলে। তারপর ফেসমাস্ক ব্যবহার করে। ভিটামিন ও অ্যালো ভেরা মিশ্রিত হয় যা। এরপর ময়াশ্চারাইজ। আপনি যখন স্পা থেকে বেরোবেন নির্ঘাৎ আপনার ত্বককে রেশমের মতো মনে হবে। মন্টে কার্লোর ফেয়ারমন্ট হোটেলের ‘‌দ্য উইলো স্ট্রিম স্পা’‌-‌ও বেশ উপভোগ্য সেশন উপহার দিতেই পারে আপনাকে।

করিনা কাপুর
আমি ম্যানিকিওর -‌ পেডিকিওরের পোকা!‌ এজন্য বন্ধুরা আমাকে রসিকতা করে বলে যখন কোনও হোটেলে আমি চেক-‌ ইন করি সবার আগে গিয়ে হাজির হই হোটেলের স্পা-‌তে। ঘরে ঢুকি পরে। স্বীকার করতে বাধা নেই এটা প্রায় পুরোপুরিই সত্যি কথা। গোটা দুনিয়ার অনেক ঝাঁ-‌চকচকে স্পা -‌তে ঢুঁ মেরেছি। তবে, আমার সেরা পছন্দ জয়পুরের রাজবিলাস স্পা। এই ধরাধামে যেন সর্বার্থেই একটুকরো স্বর্গ। এই জায়গাটায় ঢুকলে মনে হয় একেবারে অন্যরকম এক আবহ। শেকড়ের টান অনুভব করার সঙ্গে আপনি এই স্পা-‌য়ের আড়ম্বরহীণ পরিবেশেও মুগ্ধ হবেনই হবেন। থেরাপির সময় ভেষজ তেল ও পেস্টের ব্যবহার এত চমৎকারভাবে করা হয় যে ‘‌রিফ্রেশড’‌ হয়ে উঠতে খুব বেশিসময় লাগবে না আপনার। ‘‌লেমন অ্যান্ড য়োগহার্ট’‌ ম্যাসেজটাও বেশ ভালো তবে আমার সবচেয়ে প্রিয় ওদের মহারানী রিচুয়াল স্পা। প্রায় ঘণ্টাখানেক লাগে ম্যাসেজটা করতে। তবে, আমি প্রত্যেকবারই ম্যাসেজ শুরুর মিনিট দশেক পরই কেমন যেন আচ্ছন্ন হয়ে যাই!‌

শ্রীদেবী
স্পা সম্পর্কে আমার দূর্বলতা নতুন কিছু নয়। ইদানীং বেড়েছে কী না তা’‌ও ঠিক বলতে পারছি না। তবে, নতুন নতুন যেসব ‘‌ট্রিটমেন্ট’‌-‌এর কথা কানে আসে সেগুলো নিয়ে উৎসাহিত হয়ে পড়ি। সেগুলোর সন্ধানে ঢুঁ মারি এমন স্পা-‌এ যেখানে আগে গিয়ে ওঠা হয়নি। আগে দেখি জায়গাটা কেমন। পছন্দ হলে যে কোনও ‘‌ট্রিটমেন্ট’‌ নিতে রাজি। বিভিন্ন ধরনের থেরাপি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। যখনই শুনি বিশেষ কোনও স্পা সেন্টারে ক্লায়েন্টদের জন্য নতুন আইটেম চালু করা হচ্ছে সবার আগে দৌড়ই। আমার বন্ধুরা স্পা সংক্রান্ত খবরাখবর আমার থেকেই জেনে নেয়। গোটা বিশ্বে দুটো স্পা আমাকে বিশেষ করে আকর্ষন করেছে। প্রোভেন্সের ‘‌ফোর সিজনস স্পা’‌ ও ফুকেটের ‘‌বানিয়ান ট্রি’‌। এছাড়াও, পুণের ম্যারিয়ট হোটেলের স্পা-‌এর হানি স্ক্রাব ম্যাসাজ ও ফ্রুট ফেসিয়াল করিয়ে দেখেছি। জাস্ট ফাটাফাটি!‌ আমি এমনিতেও স্রেফ ‘‌রিল্যাক্স’‌ করার জন্যও সপ্তাহান্তে পুণের ম্যারিয়টে পৌঁছে যাই।        ‌    ‌‌‌‌‌‌‌‌


   Page 1 of 4
     লাইফস্টাইল
হাতের পরিচর্যায় কিছু করণীয়
.............................................................................................
দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি
.............................................................................................
কয়েকটি ঘরোয়া প্যাকের মাধ্যমে পেতে পারেন সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে মেনে চলুন প্রাকৃতিক উপায়
.............................................................................................
আচারি চিকেন খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন
.............................................................................................
শীতে জীবাণুমুক্ত থাকতে
.............................................................................................
চুলের যত্নে জবাফুল
.............................................................................................
শীতের ফ্যাশনে ওভারকোট
.............................................................................................
ফ্যাশন যখন ফোনের কভারে
.............................................................................................
যেভাবে মস্তিষ্কের দক্ষতা বাড়াবেন
.............................................................................................
বয়সভেদে শিশুর ওজন ও উচ্চতা
.............................................................................................
আঙুলের কালচে দাগ যেভাবে দূর করবেন
.............................................................................................
ঘর সাজাতে গাছপালার যত্ন
.............................................................................................
ত্বকের সৌন্দর্যকে যে বিষয়গুলো নষ্ট করে
.............................................................................................
কথা কম, কাজ বেশি!
.............................................................................................
নায়িকাদের পুজোয় চাই স্পা
.............................................................................................
আদর যখন কাজের
.............................................................................................
সম্পর্ক ঠিকঠাক চলছে তো?‌
.............................................................................................
পুজোয় প্রেমে পড়ুন
.............................................................................................
পূজার পোশাকে বৈচিত্র্য
.............................................................................................
হেয়ার স্পা করুন ঘরে বসেই!
.............................................................................................
গোলাপ জলে প্রশান্তি
.............................................................................................
চা-কফি ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়
.............................................................................................
শরীরের হাজারো সমস্যা দূর করবে লবণ-লেবু!
.............................................................................................
অলস বসে থাকা ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর!
.............................................................................................
টমেটো প্রতিরোধ করবে কিডনি ক্যান্সার
.............................................................................................
আমড়া খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
.............................................................................................
ঘুমানোর আগে করণীয়
.............................................................................................
যেভাবে ঠোঁটের পোড়া দাগ দূর করবেন
.............................................................................................
মেছতা-ব্রণ দূর করতে নারকেলের তেলের ফেসওয়াশ
.............................................................................................
প্রেমিককে যে কথাগুলো কখনো বলবেন না!
.............................................................................................
কম ঘুমে ভুলবেন বেশি
.............................................................................................
কি ভাবে তৈরি করবেন কনডেন্সড মিল্ক
.............................................................................................
অতি গরমে কি ভাবে মেকাপ টিক রাখবেন
.............................................................................................
কোন দিকে মাথা রেখে ঘুমাবেন?
.............................................................................................
মশার কামড় থেকে মুক্তি পেতে
.............................................................................................
অকালে পাকছে চুল, সমাধান কী
.............................................................................................
ফ্যাশন শো’তে রং নকশার সংযম
.............................................................................................
১ কেজি গোল্ডসহ ২০ লাখ টাকা ক্যাশ ব্যাক॥ এ ঈদে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের অবিশাস্য অফার !
.............................................................................................
রোজায় কী খাবেন, কী খাবেন না
.............................................................................................
ইফতারে স্যুপ কেন খাবেন?
.............................................................................................
ত্বকের উজ্জ্বলতায় আদা
.............................................................................................
উদয়মান অর্থনৈতিক শক্তিধর রাষ্ট্র মালয়েশিয়া ---মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাসুম
.............................................................................................
আড়ং ‘ঈদ কালেকশন ২০১৬ প্রদর্শনী
.............................................................................................
চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার রস
.............................................................................................
নানা রোগের ওষুধ ডিমের খোসা
.............................................................................................
জেনে নিন,শ্যাম্পু ব্যবহারের ভুলগুলো
.............................................................................................
এই গরমে এক গ্লাস শরবত
.............................................................................................
চুল ও ত্বকের যত্নে দইয়ের জাদু
.............................................................................................
মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য পুষ্টি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
[ সম্পাদক মন্ডলী ]
2, RK Mission Road (5th Floor) Motijheel, Dhaka - 1203.
মোবাইল: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬, ০১৯১৮১৯৮৮২৫ ই-মেইল : deshkalbd@gmail.com
   All Right Reserved By www.deshkalbd.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]