সোমবার , ১৩ নভেম্বর ২০১৭

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় বিএনপে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার আক্রোশের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ওই জনসভার পরপর আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে সাংবাদিকরা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি একথা বলেন। সেই সঙ্গে একাদশ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারপারসনের তোলা দাবি যথারীতি নাকচ করে দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আজ খালেদা জিয়া যে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার আক্রোশের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সে সময় যে সরকার থাকবে, সেই সরকার পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা করবে।
এর আগে বিকালের জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে আপত্তির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন খালেদা জিয়া। পাশাপাশি নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করা এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালুর উদ্যোগ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন আগের নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপি চেয়ারপার্সন। এবিষয়ে কাদের বলেন, দেখুন, লেটেস্ট টেকনোলজি (ইভিএম) তারা চান না। তিনি চান সেই নির্বাচন, যে নির্বাচন ২০০১ সালে আয়োজন হয়েছিল।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আইন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েনে আওয়ামী লীগেরও আপত্তি নেই জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক উল্টো বিএনপিপ্রধানের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা তো ক্ষমতায় ছিলেন, আপনারা কোন নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দিয়েছিলেন? খালেদা জিয়া ক্ষমার রাজনীতি নয়, ক্ষমার নাটক করছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময় ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর রক্তের দাগ আওয়ামী লীগ এখনো বহন করছে।

 রাজনীতি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ