বুধবার , ১৫ নভেম্বর ২০১৭

মাঠের পর মাঠ সোনালী ধান। যেখানে দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষকদের খুশি থাকার কথা সেখানা তারা এখন বেশি শঙ্কায় আছে। ভয়াবহ বন্যার আঘাত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই দেখা দিয়েছে নতুন ভয়- আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ কৃষকের হাসি মলিন করে দিয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

দিনাজপুরের সদর উপজেলায় আমনের ব্যাপক আবাদ হলেও ধান ক্ষেতে রোগ দেখা দেওয়ায় কৃষকরা এখন দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত। কারেন্ট পোকা, মাজরা পোকা আর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ফলে ধানের শীষ বের হওয়ার আগেই পাতা ঝলসে যাচ্ছে।

সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে কমবেশি পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়াগ করেও পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারছে না। এ অবস্থায় কী ধরণের ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে তা বুঝতে পারছে না কৃষকেরা।

কৃষকেরা বলছেন, জমিতে ওষুধ প্রয়োগ করার পরেও কোন কাজ হচ্ছে না। কেবল অর্থের লোকসান হচ্ছে। পোকা দমনের কোন ব্যবস্থা থাকলে সে সম্পর্কে অবগত করার দাবি কৃষকদের।

তবে কৃষকদের ধানক্ষেতে রোগ দমনে ভিডিও চিত্র, আলোক ফাঁদ এবং বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দেয়ার কথা জানিয়েছেন সদর দিনাজপুর উপজেলা কৃষি কর্মকতা সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ধান ক্ষেতে বিলি কেটে কেটে কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।’

দিনাজপুর জেলায় এবার আমন আবাদ হয়েছে ২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭শ’ ১০ হেক্টর জমিতে। বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার ৭শ’ হেক্টর জমি।

 কৃষিসংবাদ থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ