মঙ্গলবার , ২১ নভেম্বর ২০১৭

আগামী শীতকালীন অধিবেশনে জাতীয় সম্প্রচার আইন পাসের জন্য সংসদে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক র‌্যালির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

পেশাজীবী টেলিভিশন প্রযোজকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) এ র‌্যালির আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করে ‘সম্প্রচার আইন-২০১৭’ তৈরি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। এ আইন অনুযায়ী দেশের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট হতে পারে এমন কিছু সম্প্রচার করা যাবে না। এ ছাড়া দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতার প্রতি হুমকি হবে এমন কোনো কিছু প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অশ্লীল, মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক এবং দেশের সম্ভাব্য শান্তি, ঐক্য ও জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট হতে পারে, এমন কোনো কিছু প্রচার করা যাবে না।

এ আইনটি বলবৎ হওয়ার পর অবিলম্বে সম্প্রচার কমিশন গঠন করার কথা রয়েছে। কমিশনে একজন নারীসহ ৭ কমিশনার থাকবেন। কমিশনার নিয়োগ দিতে সরকার ৫ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি কমিশনারদের একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের সমান এবং কমিশনাররা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক ও সুবিধাদি পাবেন।

কমিশন আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা নিবন্ধন সর্বোচ্চ ১৪ দিনের জন্য স্থগিত করতে পারবে। তবে এর বেশি দিনের জন্য স্থগিত করতে হলে কমিশন তথ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠাতে পারবে। পাশাপাশি এই আইনের অধীনে কমিশন অপরাধের ধরণ বোঝে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা জরিমানা করতে পারবে। কমিশনের কাছে সংক্ষুব্ধদের অভিযোগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকার আইন বা বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত শাস্তি নিশ্চিত করবে।

 রাজনীতি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ