মঙ্গলবার , ২১ নভেম্বর ২০১৭

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কি পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে? নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির কয়টি আবেদন মেনে নিবে? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনে নির্বাচন হলে, সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে কি-না, এই বিষয়গুলো মূখ্য। এই মুহূর্তে এসকল বিষয়বস্তুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণ পর্যায়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটবদ্ধ হয়ে বিএনপি নির্বাচন করবে কি-না, সেই বিষয়টি এই মুহূর্তে আলোচনায় সারিতে আনার মতো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসতে মোটা দাগে বললে এখনো এক বছর বাকি আছে। জামায়াতে ইসলামী বিএনপির বিশ দলীয় জোটের একটা অংশ। জামায়াত বিশ দলের শরিক দল। তাদের সাথে বিএনপির একটা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আছে। আমরা একতাবদ্ধ হয়ে নির্বাচনকালীন তত্তাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করছি। এখানে আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য এক। কিন্তু রাজনৈতিক নীতিতে, জামায়াতের রাজনীতি এবং বিএনপির রাজনীতি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এই জায়গাটা গুলিয়ে ফেলা বা এক করে দেখা বোকামি। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, একটা গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে, তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিএনপি এবং জামায়াতকে একই রাজনীতির সুতোয় বেঁধে সারাক্ষণ একটা নোংরা খেলায় মেতে আছে। জামায়াত যদি দল হিসাবে যুদ্ধাপরাধী হয়, জামায়াত যদি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অযোগ্য হয়, বাংলাদেশের মানুষ যদি জামায়াতকে না চায় তাহলে আওয়ামী লীগ কেনো জামায়াতকে নিষিদ্ধ করছে না? আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়।

 

সংসদে তাদের সংখ্যাগোরিষ্ঠতা আছে, একটা হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা যায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ তা করছে না কেন, তাদের উদ্দেশ্য কি? তাদের উদ্দেশ্য এখন বাংলাদেশের মানুষ জেনে গেছে। জামায়াতকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নোংরা খেলা খেলতে চায়। জামায়াতকে ট্রাম কার্ড হিসাবে ব্যবহার করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু আসল সত্য হচ্ছে, এই মুহূর্তে বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। সেই জনপ্রিয়তাকে আওয়ামী লীগ ভোটের মাধ্যমে মোকাবেলা করতে ভয় পেয়ে নানা ফন্দি-ফিকির করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

 সাক্ষাৎকার থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ