সোমবার , ২৮ আগষ্ট ২০১৭

Under Construction

যে সব এজেন্সির গাফিলতিতে ভিসা পাওয়ার পরও হজযাত্রীরা সৌদি আরব যেতে পারেননি তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বজলুল হক (বিএইচ) হারুন।

ভিসা হওয়ার পরও হজে যেতে না পারা ৮১ বাংলাদেশিকে সোমবার দুপুরে দেখতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ভুক্তভোগী হজযাত্রীরা তাকে ঘিরে ধরে কান্না শুরু করেন। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি এবং ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আশা করছি আজ রাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইটে আপনাদের পাঠানো যাবে। যদি না যেতে পারেন তবে আগামী বছর আপনাদের ৮১ জনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাঠানো হবে। তবে এটি আমাদের প্রত্যাশা নয়। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি আজই পাঠানোর।

হজ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক প্রসঙ্গে বিএইচ হারুন এমপি বলেন, আগের বছরগুলোর তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা নিয়ম করেছিলাম উড়োজাহাজের ভাড়ার টাকা এজেন্সির কাছে থাকবে না, ব্যাংকে জমা হবে। কিন্তু এ বিষয়ে কিছু ব্যাংকের গাফলতির কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, হজ এজেন্সিগুলোর গাফিলতি ও অতি মুনাফার লোভের কারণেই এ বছর একের পর এক হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ পর্যন্ত ভিসা জটিলতা ও হজ যাত্রীদের বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত কারণে প্রায় ২৪টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

নিয়ম অনুসারে, হজ যাত্রীদের ফ্লাইটের আগেই সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে ভাড়ার রসিদ ও বিমানের টিকিট নিশ্চিত করে হজ অফিস থেকে ডিও লেটার নিতে হয়। সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া না করার কারণে অনেক হজ যাত্রী ভিসা পেয়েও যেতে পারছেন না। তবে এই সমস্যার সমাধান অনেকটাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন হজ অফিসের পরিচালক এম সাইফুল ইসলাম।

 ধর্মতত্ত্ব থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ