বুধবার , ১০ জানুয়ারী ২০১৮

নেত্রকোনা জেলা সংবাদদাতা:
সরকার বেসরকারী এতিমখানাগুলোকে জেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেন। কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ে এতিরা কি সেই টাকা পান? এমনি প্রশ্নের জবাব খুজতে নেত্রকোনা জেলারসীমান্তবর্তী উপজেলা দূর্গাপুরের বেসরকারী এতিমখানাগুলো সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, দূর্গাপুরের  জামিউল উলুম এতিমখানা (রেজিনং-০১৫৮) ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ক্যাপিটেশন গ্র্যান্টপ্রাপ্ত এতিম শিশুর সংখ্যা ৩২ জন, বরাদ্দকৃত অর্থ ৩,৮৪,০০০টাকা, কিন্তু পরিচালনাপর্ষদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে। গনমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিনে এতিম শিশুদের তালিকা দেখতে চাইলে তারা কোন সঠিক তালিকা দেখাতে পারেননি। গোপন অনুসন্ধানে জানা যায়, তারা যতজন এতিমের বরাদ্দ পেয়েছেন ততজন এতিম উক্ত এতিমখানায় নেই। মানবকল্যানকামী অনাথালয় (রেজি নং-০২১৬) এতিম সংখ্যা ৪৫, বরাদ্দকৃত অর্থ ৫,৪০,০০০ টাকা। এতিমখানাটির রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মানুবর্তিতা চোখে পরার মত হলেও উল্লেখিত সংখ্যক এতিমদের সরেজমিন পরিদর্শনে পাওয়া যায়নি। কারণ হিসেবে জানানো হয় তারা ছুটিতে আছেন। কর্তৃপক্ষ জানান, পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব রয়েছে। পুর্ব বাকলজোড়া হামিদা বেগম এতিমখানা (রেজিনং-০৪৯০) এতিম সংখ্যা ১৪, বরাদ্দকৃত অর্থ ১,৬৮,০০০ টাকা, কমর উদ্দিন মেমোরিয়াল এতিমখানা (রেজিনং-০৩৯৩) এতিম সংখ্যা ১৫ জন, বরাদ্দকৃত অর্থ ১,৮০,০০০ টাকা এগুলোরও বেহাল দশা। এথেল সেবা সদনের (রেজিনং-০৪২৩) সংখ্যা ২৬ জন, বরাদ্দকৃত অর্থ ৩,১২,০০০ টাকা। এতিমখানাটির পরিচালক পীযুষ বাউল বলেন, পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাবে সুষ্ঠুভাবে এটি পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হয়। এব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহ. পরিচালক আলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি। 

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ