রবিবার , ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

সিরাজুল ইসলাম শিশির,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
নিয়মনীতি না মেনে যত্রতত্র সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে ব্যাপক ইট-ভাটা। এ সমস্ত ইট-ভাটায় আবাদি জমির উর্বর টপ সয়েল ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হওয়ায় কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যাপক হারে হ্রাস পাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, জেলার রায়গঞ্জে উপজেলাতেই প্রায় অর্ধ শতাধিক ইট-ভাটা রয়েছে। এসব ইট-ভাটার প্রধান উপকরণ এটেল ও দোঁআশ মাটি সংগ্রহ করতে আবাদি জমির টপ সয়েল (উর্বর মাটি) কিনে নিচ্ছে ইট-ভাটা মালিকরা। ফলে একদিকে যেমন আবাদি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। তেমনি পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতারও আশংকা দেখা দিয়েছে।
জমির মালিকদের সুত্রে জানা গেছে, প্রতি শতক আবাদি জমির উপরের অংশের এক ফিট করে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ভাটা মালিকরা। এতে করে জমির মালিক পাচ্ছে প্রতি শতকে ২শ’ হতে ৩শ’ টাকা এবং ভ্যানচালক ও দিন মজুর পাচ্ছে প্রতি হাজার মাটির বিপরীতে ১ হাজার ৯শ হতে ২ হাজার ২শ টাকা। এব্যাপারে জমির মালিকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, অনেকেই জমি উঁচু হওয়ার কারণে তার জমি থেকে মাটি বিক্রি করছেন জমিতে সেচ দেয়ার সুবিধার জন্য। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবে তিনি জানতে পারছেন না যে এই উপরের অংশের মাটিতেই রয়েছে জমির মূল উর্বর শক্তি।
কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, জমির টপ সয়েল কেটে নিলে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ বছর ওই জমিতে আবাদ ভাল হবে না। তাই আবাদি জমির উর্বর মাটি কোনক্রমেই বিক্রি না করাই ভাল। এব্যাপারে অনেক কৃষককেই পরামর্শ দেয়া সত্ত্বেও অর্থাভাবের কারণে তারা মাটি বিক্রয় করতে বাধ্য।

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ