সোমবার , ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

মাহবুবুল আলম,গাজীপুর প্রতিনিধি:
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সাবেক বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলন ও সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুলসহ ১৪৭জনের নামোল্লেখ করে জয়দেবপুর থানায় মামলা করা  হয়েছে এ মামলায় এতে আরো অজ্ঞাত ১৫০-২০০ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। 
জয়দেবপুর থানার এসআই মো. আর্সাদ মিয়া বাদি হয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেছেন।রোববার রাত মামলা করা হয়েছে যার মামলা নাম্বার ১১৫,তারিখ ২৮-১-২০১৮   গাজীপুরে বিএনপির যৌথসভার পর গোলযোগ ও সংঘর্ষের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে।
 মামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গাজী সুলতান শাহজাহান জুয়েলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুককে ১৯নম্বর  এবং গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলনকে ১৮ নম্বর ও সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুলকে ২১নম্বর আসামি করা হয়েছে। 
জয়দেবপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, রোববার দুপুরে মধ্যছায়াবিথী এলাকায় ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির যৌথকর্মীসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-ধাওয়ি, মারামারি এবং রাস্তায় চলাচলরত একাধিক যানবাহন ও দোকান-পাট ভাংচুর করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে  তাদের উদ্দেশ্যে ইটপাকটেল নিক্ষেপ করে। পরে ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মামলার এক নম্বর আসামিসহ ১৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি হকিস্টিক, ৭টি বাঁশের লাঠি, ৫টি গাজারী লাঠি ও ৪২ টুকরা ইট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 
গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, রোববারের যৌথসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোন কোন্দল সৃষ্টি হয়নি এবং নিজেদের মধ্যে কোন সংঘর্ষ হয়নি। এ খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এধরণের মামলা করে সরকার গণতন্ত্রকামী মানুষের ¯্রােতকে ঠেকাতে পারবে না। 

 বিশেষ খবর থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ