মঙ্গলবার , ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

মোঃ রহমত আলী: 

শতকে ৪০ কেজি ধান উৎপাদনের সম্ভাবনায় চায়না প্রযুক্তিতে দেশে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রীড) জাতের ধান এবার বেশি আবাদ করছেন কৃষক। এর মধ্যে জেলায় শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে বোরো ধান রোপন কার্য সম্পন্ন করছেন তারা। বিলম্বে সেচের পানি জমিতে আসায় আবাদের শেষ মওসুমে পুরোদমে বোরো ধান রোপন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষক-কৃষাণীরা । 

কৃষকরা জানান, বর্তমানে জমিতে অধিক ফলন উৎপাদনে গুরত্বপূর্ণ সময় হলো বোরো মওসুম । এ সময় ধানের  সর্বোচ্চ ফলন উৎপাদন করা সম্ভব । এর মধ্যে হাইব্রীড জাতের ধান শতকে ৪০ কেজি পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে, তাই হাইব্রীড  ধান আবাদে তাদের আগ্রহ বেশী। কিন্তু বিআর ২৯ জাতের ধান উচ্চফলনশীল হলেও ওই পরিমান জমিতে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২২ কেজি পর্যন্ত ফলন হয়। কৃষকরা জানান,জনরাজ, হীরা ২, হীরা ৫, ময়না, টিয়া, এসিআই, আফতাব ১০৭ ও ১০৮জাতের হাইব্রীড ধান আবাদ বেশি করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ রাইস (বি আর) ২৮, ২৯ জাতের ধান আবাদ করা হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা করছেন তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, চলতি বোরো মওসুমে হবিগঞ্জ জেলায় এ বছর ১লাখ ১৯ হাজার হেক্টর জমি  বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এপর্যন্ত লক্ষ্য মাত্রার ৮০ ভাগ জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে শতকরা ৩৫ ভাগ জমিতে হাইব্রীড জাতের  ধান আবাদও করছেন কৃষক। তবে ভাটি অঞ্চলের উর্বরশীল জমিতে প্রায় শতকরা ৭০ ভাগের বেশি হাইব্রীড আবাদ হচ্ছে। এদিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নতুন উচুঁ স্থানে কৃষক সেচের পানি নিয়ে চাষাবাদ শুরু করছেন। ফলে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।


 কৃষিসংবাদ থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ