মঙ্গলবার , ২০ এপ্রিল ২০২১ |

মানুষকে অশান্তি করতে চাই ৭১ এর পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা

রাজ্জাক হোসাইন রাজ   মঙ্গলবার , ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

১৯৭১ সালের১৬ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। যেসবকীর্তিমান মানুষের আত্মত্যাগে এই বিজয় সম্ভব হয়েছিল, বিজয়েরদিনে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা নয় মাসেররক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এ বিজয়কে অনিবার্য করে তুলেছিলেন, তাঁদের প্রতি জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।পৃথিবীর সব স্বাধীন দেশেরস্বাধীনতা দিবস থাকলেও বিজয় দিবস থাকে না। বাংলাদেশ সেই বিরল সৌভাগ্যের অধিকারীদেশ, যেটি ২৪ বছরের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের পররণাঙ্গনে শত্রুকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করেছে।আমাদের স্বাধীনতার বয়স এখন ৪৯ বছর।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এটি খুব বেশি দীর্ঘ সময় না হলেও একটি জাতির উন্নয়ন-অগ্রগতিরজন্য একেবারে কম নয়। স্বভাবতই প্রশ্ন আসে, যে লক্ষ্য ওআদর্শকে সামনে রেখে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, সেইলক্ষ্য ও আদর্শ কতটা অর্জিত হয়েছে? স্বাধীনতার প্রধানআকাঙ্ক্ষা ছিল সব ধরনের অধীনতা থেকে মুক্তি এবং সমাজে গণতন্ত্র, ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা। সব নাগরিকের মৌলিক চাহিদা ও মানবাধিকারনিশ্চিত করতে বাহাত্তরের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র,সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে মৌলিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করাহয়েছিল।কিন্তু অতীব পরিতাপের বিষয়, আমরা সেখানে স্থিরথাকতে পারিনি। কারণ বিদেশী শত্রু এবং ৭১ এর পরাজিত শক্তি এক হয়ে দেশকে আফগান কিংবাপাকিস্তান মার্কা রাষ্ট্র বানাতে চায়, আজ স্বাধীনতার ৫০বছর যখন দেশ উন্নয়নের শিখরে ঠিক তেমনি সময় আমাদের জাতির জন্য আরেকটি বিজয় উপহারদিয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান যারা বলেছিলোওহো-হবেনা,সম্ভব না তাদের মুখে আজ চুন কালি।আজকেবাংলাদেশে ধর্মীয় অপব্যাখ্যা দিয়ে দেশের শান্তি প্রিয় মানুষের মাঝে বিভাজন করতেচায় এক শ্রেনীর ধর্ম ব্যাবসায়ী যারা ৭১ এর পরাজিত শক্তির পেতাত্বা। বাঙালী জাতিরমহান শিক্ষক বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য তারা আজভেঙে ফেলেছে যা লক্ষ কোটি মানুষের রিদয়ে রক্ত ক্ষরণ শুধু তাই নয় তারা আমাদের অগ্রযাত্রাকেবারবার ব্যাহত করেছে।

নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় ব্যবস্থাকেওআমরা সংহত করতে পরিনি। বাংলাদেশ আজ কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ আর্থসামাজিক সূচক সহ সকল ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে শুধু মাত্রএইসব ধরমীয় ব্যাবসায়ী দের কারনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে কিছুটাব্যর্থ আজকের বিজয় দিবসের শপথ হোক, সব ধরনের হানাহানি ওবৈরিতা-বিদ্বেষকে পেছনে ফেলে, দেশের ও জনগণের কল্যাণেসবাই এক হয়ে কাজ করব। আর এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও নেতৃত্বের দায়ই যে বেশি,সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিজয়ী জাতি কখনোই পরাভব মানে না।বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে অবিচল থাকবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ।

লেখক- সাধারন সম্পাদক ,গ্রীন এনভায়রনমেন্ট মুভমেন্ট মানিকগঞ্জ জেলা শাখা , সাবেক ছাত্রনেতা , ছাত্রলীগ

 

 উপ-সম্পাদকীয় থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ