মঙ্গলবার , ২০ এপ্রিল ২০২১ |

মানবতাবিরোধী অপরাধে তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক   বৃহস্পতিবার , ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও ভালুকার তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং পাঁচ আসামিকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি আমির হোসেন ও বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার।

এ মামলার নয় আসামির মধ্যে একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত রায় আসা ৪২টি মামলার ১১৪ জন আসামির মধ্যে এই প্রথম কেউ বেকসুর খালাস পেলেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে মো. শামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, এ এফ এম ফয়জুল্লাহ ও আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলকে। ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. খলিলুর রহমান মীর, মো. আব্দুল্লাহ, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী, সিরাজুল ইসলাম তোতা ও আলিম উদ্দিন খান। খালাস পান আব্দুল লতিফ।

নয়জনের মধ্যে পলাতক রয়েছেন এ এফ এম ফয়জুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল, সিরাজুল ইসলাম তোতা ও আলিম উদ্দিন খান। শোনা যাচ্ছে, রায় ঘোষণার আগে পলাতকদের একজন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন। তবে প্রসিকিউটররা জানান, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।

২০১৮ সালের ৪ মার্চ এ মামলায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেছিল ট্রাইব্যুনাল। বিচার চলা অবস্থায় গ্রেপ্তার ও পলাতক দুজনের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনে ট্রাইব্যুনাল ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধের তিনটি অভিযোগ এনে ২০১৮ সালের ৪ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

অভিযোগ গঠনের পর ওই বছরের ১০ মে থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শুরু হয়। মোট ১৮ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় গত বছরের ২৬ জানুয়ারি।

 আইন-আদালত থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ