মঙ্গলবার , ১৩ মার্চ ২০১৮

রব্বানী সরকার (জামালপুর ) প্রতিনিধি:

জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিল্পপতি রুকুনজ্জামান রোকনের অপহরন ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অপহরন নাকি আত্মগোপনের এ ঘটনার রহস্য রহস্য জানতে চায় সরিষাবাড়ী পৌরবাসী ,কর্মকর্তা/কর্মচারী ,রাজনৈতিক সংগঠন ও সচেতন মহল। ‘নিখোঁজ’ অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নিখোঁজদের মধ্যে থেকে অনেকে রহস্য রেখে নিরবে বাড়ি ফিরে ‘মুখে তালা’ দেয়ায় গুঞ্জনের ডালপালা ছড়ায়। অনেকে আবার ব্যক্তিগত বিরোধে আত্মগোপন করে পুলিশি অভিযানে উদ্ধার হন। তবে নিখোঁজদের মধ্যে থেকে হদিস না মেলার সংখ্যাও কম না। নিখোঁজ তালিকায় সাধারণ মানুষ, ছাত্র, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকের নাম ছিল আলোচিত। পরকীয়া প্রেম, দ্বিতীয় বিয়ে, রাজনৈতিক দ্ব›দ্ব, বড় ভাইয়ের প্রেমিকাকে জোর করে বিয়ে, ঘটনাটি অপহরণ নাটক কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা অপহরণের ঘটনাটি এখনো রহস্য ঘেরা। এ ছাড়া মেয়র নিজেও এ ধরনের নাটক সাজাতে পারেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এর আগেও ২০১২ সালে তিনি একবার অপহরণের নাটক করেছিলেন। উদ্ধারের সাড়ে ছয় মাস পরও পুলিশ এ ঘটনার কোনো কুলকিনারা করতে পারেনি।  
নিখোজের আগের দিন ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯.১৩টায় রুকুনুজ্জামান তাঁর ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসের একাংশে তিনি লিখেন- “নতুন প্রজন্মের কাছে আমার আহবান যে, আমাকে হত্যা করা হলেও তোমাদের সিক্ত ভালবাসা যেন অটুট থাকে এবং আমার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা তোমরা ধরে রাখবা”।
মেয়রের প্রথম স্ত্রী সরিষাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কামরুন্নাহার হ্যাপী ।রুকনের বড় ভাই টুকনের সঙ্গে হ্যাপীর (বর্তমানে মেয়রের স্ত্রী) প্রেম ছিল। অন্যদিকে রুকনও হ্যাপীকে ভালোবাসতেন। একদিন গভীর রাতে অনেকটা জোর করে হ্যাপীকে বিয়ে করেন রুকন। এ নিয়ে রুকন ও টুকনের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দেয়। প্রায় পাঁচ বছর এক ভাই আরেক ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতেন না। তাদের মুখ দেখাদেখি অনেকটা বন্ধ ছিল। পরে রুকন ঢাকায় এসে ব্যবসায় সফলতার মুখ দেখলে দুই ভাইয়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। কোটি টাকার কাবিনে দ্বিতীয় স্ত্রী উম্মে হাবিবা মৌসুমীকে বিয়ে করে রুকন। কোটি টাকার কাবিনে মৌসুমীকে বিয়ে করার পেছনে টুকন এবং তার স্ত্রী কলকাঠি নেড়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী এর আগে এক প্রবাসীকে বিয়ে করেছিলেন।ওই প্রবাসীর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা বাগিয়ে নিয়ে ২ বছর আগে তাকে তালাক দিয়ে রুকনকে বিয়ে করেন। মৌসুমীকে বিয়ের পর এ নিয়ে পারিবারিক ঝামেলাও চলছিল। শেষপর্যন্ত স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন মেয়র রুকন। কিন্তু কাবিনের কোটি টাকা পরিশোধের ভয়ে আটকে গিয়েছিল মেয়রের পরিত্রাণের সেই উদ্যোগ। এ নিয়ে সরিষাবাড়ীতে নানান কথা চালু আছে। মেয়র রুকন রাজধানীর চলচিত্র জগতের একাধিক মডেলদের সাথে প্রেম ভালবাসায় যুক্ত হয়। অপহরণ ও উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে রহস্য এখানেই শেষ নয়। দীর্ঘ ৫ মাসেও বের হলো না সরিষাবাড়ী পৌর মেয়র রুকনের অপহরন ঘটনার রহস্য  জনমনে নানা প্রশ্ন 
রব্বানী সরকার (জামালপুর ) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিল্পপতি রুকুনজ্জামান রোকনের অপহরন ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অপহরন নাকি আত্মগোপনের এ ঘটনার রহস্য রহস্য জানতে চায় সরিষাবাড়ী পৌরবাসী ,কর্মকর্তা/কর্মচারী ,রাজনৈতিক সংগঠন ও সচেতন মহল। ‘নিখোঁজ’ অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নিখোঁজদের মধ্যে থেকে অনেকে রহস্য রেখে নিরবে বাড়ি ফিরে ‘মুখে তালা’ দেয়ায় গুঞ্জনের ডালপালা ছড়ায়। অনেকে আবার ব্যক্তিগত বিরোধে আত্মগোপন করে পুলিশি অভিযানে উদ্ধার হন। তবে নিখোঁজদের মধ্যে থেকে হদিস না মেলার সংখ্যাও কম না। নিখোঁজ তালিকায় সাধারণ মানুষ, ছাত্র, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকের নাম ছিল আলোচিত। পরকীয়া প্রেম, দ্বিতীয় বিয়ে, রাজনৈতিক দ্ব›দ্ব, বড় ভাইয়ের প্রেমিকাকে জোর করে বিয়ে, ঘটনাটি অপহরণ নাটক কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা অপহরণের ঘটনাটি এখনো রহস্য ঘেরা। এ ছাড়া মেয়র নিজেও এ ধরনের নাটক সাজাতে পারেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এর আগেও ২০১২ সালে তিনি একবার অপহরণের নাটক করেছিলেন। উদ্ধারের সাড়ে ছয় মাস পরও পুলিশ এ ঘটনার কোনো কুলকিনারা করতে পারেনি।  
নিখোজের আগের দিন ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯.১৩টায় রুকুনুজ্জামান তাঁর ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসের একাংশে তিনি লিখেন- “নতুন প্রজন্মের কাছে আমার আহবান যে, আমাকে হত্যা করা হলেও তোমাদের সিক্ত ভালবাসা যেন অটুট থাকে এবং আমার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা তোমরা ধরে রাখবা”।
মেয়রের প্রথম স্ত্রী সরিষাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কামরুন্নাহার হ্যাপী ।রুকনের বড় ভাই টুকনের সঙ্গে হ্যাপীর (বর্তমানে মেয়রের স্ত্রী) প্রেম ছিল। অন্যদিকে রুকনও হ্যাপীকে ভালোবাসতেন। একদিন গভীর রাতে অনেকটা জোর করে হ্যাপীকে বিয়ে করেন রুকন। এ নিয়ে রুকন ও টুকনের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দেয়। প্রায় পাঁচ বছর এক ভাই আরেক ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতেন না। তাদের মুখ দেখাদেখি অনেকটা বন্ধ ছিল। পরে রুকন ঢাকায় এসে ব্যবসায় সফলতার মুখ দেখলে দুই ভাইয়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। কোটি টাকার কাবিনে দ্বিতীয় স্ত্রী উম্মে হাবিবা মৌসুমীকে বিয়ে করে রুকন। কোটি টাকার কাবিনে মৌসুমীকে বিয়ে করার পেছনে টুকন এবং তার স্ত্রী কলকাঠি নেড়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী এর আগে এক প্রবাসীকে বিয়ে করেছিলেন।ওই প্রবাসীর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা বাগিয়ে নিয়ে ২ বছর আগে তাকে তালাক দিয়ে রুকনকে বিয়ে করেন। মৌসুমীকে বিয়ের পর এ নিয়ে পারিবারিক ঝামেলাও চলছিল। শেষপর্যন্ত স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন মেয়র রুকন। কিন্তু কাবিনের কোটি টাকা পরিশোধের ভয়ে আটকে গিয়েছিল মেয়রের পরিত্রাণের সেই উদ্যোগ। এ নিয়ে সরিষাবাড়ীতে নানান কথা চালু আছে। মেয়র রুকন রাজধানীর চলচিত্র জগতের একাধিক মডেলদের সাথে প্রেম ভালবাসায় যুক্ত হয়। অপহরণ ও উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে রহস্য এখানেই শেষ নয়। 

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ