বুধবার , ১৪ মার্চ ২০১৮

ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি

সখিপুর মোল্যা কান্দি মাসুদ মোল্যার পল্ট্রি ফার্মের দুর্গন্ধে ঘরে থাকতে পারছে না আশেপাশের লোকজন। শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার ইমান আলী মোল্যার কান্দি মাসুদ মোল্যা পিতা আঃ মতিন মোল্যা বসত বাড়ি গ্যাসে বাড়ির পূর্ব দিকে টিনের একটি বিশাল বড় ঘরে প্রায় ২,০০০ মুরগী রেখে পল্ট্রি ফার্ম করেছেন। পল্ট্রি ফার্মটির ময়লার দুর্গান্তে ৭-৮টি পরিবার সহ পশ্চিম ও উত্তর পাশ্বের সরকারি রাস্তার পথচারীদের ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা স্থায়ী ভাবে বসবাস করে তার মধ্যে বৃদ্ধ শিশু ও নারীরা শারিরীক অসুস্থ সহ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে ফার্মের  মৃত মুরগী খাওয়ার জন্য বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত কুকুরের আনাগোনা ও অত্যাচার অসম্ভব রকম বেড়ে গেছে। এর দুর্গন্ধের কারনে পরিবেশ ব্যাপক ভাবে দুষিত হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনের জীবন যাত্রা দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। এর প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকের সাথে কথা বলে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। এলাকার কিছু লোকজন ফার্মের বিপক্ষে কথা বলতে গেলে তাদেরকে হুমকি দিয়ে থাকেন।মোরগের ময়লার দুর্গন্ধে পরিবার দুষণ ও বায়ু দুষণ করে। এতে করে আমাদের পরিবারে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী আঃ ওহাব মোল্যা, মনছুর আলী চৌকিদার, ছাদিম আলী চৌকিদার , মনছুর মোল্যা ও মোক্তার মোল্যা অভিযোগ করে বলেন যখন দক্ষিণা বাতাস ছাড়ে, তখন আমাদের ঘরে ময়লার গন্ধে থাকা যায় না, দুর্গন্ধে ভরে যায় সারা বাড়ি ঘর। নাক ঢেকে চলাফেরা করতে হয় আমাদের পরিবারের সবাইকে। ফার্মের মরা মুরগি ও ময়লা আবর্জনা পুকুরে ফেলে মাছের খাবার দেয়। এতে আরো বেশী দুর্গন্ধের সৃস্টি হয়। আমরা মাসুদ মোল্যাকে বলেছি। ফার্মটি পূর্বদিকে সরিয়ে নিতে । সে আমাদের কথা শোনেনি। পরে আমরা এ বিষয়ে সখিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মানিক সরদারকে অবহিত করি। চেয়ারম্যান এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা করতে পারেনি। চেয়ারম্যান মানিক সরদারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি বলেন আমাকে তারা বিষয়টি বলেছে। আমি মাসুদ মোল্যাকে ডেকে এনে বলেছি, ফার্মটি সরিয়ে নিতে। মাসুদ মোল্যার সাথে কথা বলে যানা গেছে তিনি বলেন, সখিপুর চেয়ারম্যান আমাকে ডেকে বলেছিল ফার্মটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য, কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব সম্মানি ব্যক্তি তার কথায় সে বলে ফার্মটি করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে , এখন সরাতে গেলে অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই বললেই তো আমি সরাতে পারছিনা।  তারা বলেছে এখন বর্ষাকাল চতুর্দিকে পানি সরাব কিভাবে। শুকনো মৌসুমে পল্ট্রি ফার্মটি সরিয়ে নিব। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরানো হয়নি। এ ব্যাপারে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে ভুক্তভোগীদের পক্ষে একটি দরখাস্ত পেশ করেন।  সখিপুর থানা কর্মকর্তা বরাবরে একটি অনুলিপি দেওয়া হয়। সখিপুর থানা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে তিনি বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বাস দেন। 

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ