সোমবার , ২৩ এপ্রিল ২০১৮

 নিউইয়র্ক থেকে :

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার মত সাহসী নেতৃত্ব টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধনে সক্ষম হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হার স্থিতাবস্থায় রাখার পাশাপাশি বৃদ্ধিতেও সক্ষম হয়েছি আমরা। এসব কারণে বলতে পারি ২০১৪-২০১৫ সাল থেকে আমার মনে একটা দারুণ তৃপ্তি এসেছে। যে স্বপ্ন দেখতাম, বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন, যা নিয়ে এক সময় অনেকে হাসি-ঠাট্টা করতো, অথচ এখন আমরা সেই সোনার বাংলার পথেই রয়েছি। গ্রাম-গঞ্জে এখন আর হাড্ডিসারশূন্য মানুষ পাওয়া যায় না। ’

তিনি আরো বলেন, রাজধানী অথবা সিলেটে বিমান অবতরণের আগে জানালা দিয়ে নীচে তাকালে উন্নয়নের চেহারা দৃশ্যমান হয় অবলিলায়। এসব কারণে আমার ফিলিংসটা হলো, অবশেষে যখন যাবোই এ পৃথিবী থেকে, তখন পরম তৃপ্তি নিয়ে যাবো। কারণ দেশের মানুষ সুখ-শান্তিতে রয়েছে’।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র বসন্তকালিন বৈঠক শেষে রবিবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে প্রবাসীদের এক সমাবেশে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার ঘটনাবলি বিবৃতিকালে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আরেকটি টার্ম শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে পারলে দারিদ্রসীমা ১২% এ নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। চরম দারিদ্রের হার কমে ৭% এ আসবে। আর এই ৭% এর অধিকাংশই হবে চলাচলে অক্ষম কিংবা কাজে অক্ষম জনগোষ্ঠি, তাদেরকে সরকার অর্থ-সহায়তা দেবে। এমন সহায়তা সব দেশই দেয়।’ 

মুহিত বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট দায়িত্ব গ্রহণের পরবর্তী ১০ বছর হচ্ছে বাংলাদেশের জন্যে স্বর্ণ যুগ।’

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এ মতবিনিময় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। 
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এগিয়ে চলার ঘটনাবলির আলোকে আরো বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে এ মোমেন। 

রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, ‘জনগণের কল্যাণে শেখ হাসিনা ও তার সরকার বদ্ধপরিকর বলেই বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রের গণ্ডি পাড়ি দেবার যোগ্যতা অর্জন করেছে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. মোমেন বলেন, ‘নিকট প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, নেপাল, মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচক সবক্ষেত্রে অগ্রগামী। এটি সম্ভব হচ্ছে উন্নয়নের সাথে সমগ্র জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করায়। আর সে কারণে অন্য দেশের মত বাংলাদেশে ধনী ও গরিবের ব্যবধান খুব বেশী নয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলেও উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেছে।’ 

অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম খান সেলিম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা আকতার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, লুৎফুল করিম, শামসুদ্দিন আজাদ, ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আবুল হাসিব মামুন, ফরিদ আলম, শাহানারা রহমান, খোরশেদ খন্দকার, মমতাজ শাহানা, তৈয়বুর রহমান টনি, এম এ মালেক, সাখাওয়াত বিশ্বাস প্রমুখ।  

 অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ