রবিবার , ১৩ মে ২০১৮

মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতা ঃ
কুমিল্লার মুরাদনগরে সড়কের উপরে বাসা বাড়ীর ময়লা আবর্জনার ভাগাড়, স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে শিক্ষার্থী ও পথচারী। উপজেলা সদরের গোলক সাহার বাড়ীর পূর্ব পাশে মুরাদনগর-হোমনা সড়কের উপরে দীর্ঘদিন যাবৎ ফেলা হচ্ছে এসব ময়লা-আবর্জনা। 
 উল্লেখিত সড়কটি উপজেলার প্রধান সড়ক হওয়ার কারণে ১টি কলেজ, ২টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি কিন্ডার গার্টেন ও ৫টি মাদ্রাসার প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থীসহ ২১টি গ্রামের হাজার হাজার পথচারী দৈনিক এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছেনু মিয়া উপজেলা সদরের আবাসিক এলাকার সকল ময়লা-আবর্জনা টাকার বিনিময়ে বাসা-বাড়ী থেকে ভ্যান গাড়ি দিয়ে মুরাদনগর-হোমনা সড়কের উপরে ফেলছে। সড়কের উপরে ময়লা-আবর্জনা কেন ফেলছেন এর জবাবে ছেনু মিয়া বলেন, ‘ময়লা ফালামু কই কারণ ময়লা ফালানের কোন নিদ্রিষ্ট জায়গা নাই তাই এখানে ফালাই। ময়লা ফালানের নির্দিষ্ট জায়গা হইলে এখানে আর ফালামু না’।
এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র মোঃ ইমরান বলেন, অল্প বাতাসে ও বৃষ্টিতে দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা স্তুপ সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। সড়কে চলাচল করতে নানা সমস্যা হয়। গাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হলেও নাক-মুখ চেপে রাখতে হয়। স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি বলেন, মুরাদনগর-হোমনা সড়কের উপরের ময়লা-আবর্জনার স্তুপের কাছে এলে নাক-মুখ চেপে হাটতে শুরু করি। দুর্গন্ধের কারণে নিঃশ্বাস নিতে পারি না, বমিতে নাড়িভুড়ি বের হয়ে আসতে চায়। 
চিকিৎসকরা বলছেন, এসব ময়লা-আবর্জনা হচ্ছে জীবাণুদের উৎপত্তির স্থান। যা থেকে বাতাসের মাধ্যমে শ্বাস কষ্ট, হাঁপানী, নিউমনিয়া, লিভার ও ফুসফুসে সমস্যা হওয়ার মতো ভয়ংকর জীবাণু সহজেই মানুষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। এসব জিবাণু বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা, কৃমি, ঘনঘন আমাশয়, ফুসফুসসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কারণ হয়ে থাকে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম বলেন, ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোন স্থান না থাকার কারণে এই সমস্যা গুলো হচ্ছে। যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার বিষয়টি আমি দেখছি কি করা যায়।   

 পাঁচমিশালি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ