বৃহস্পতিবার , ১৭ মে ২০১৮

অনলাইন ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সীমান্তে ইহুদিবাদী সেনাদের হাতে ৬০ ফিলিস্তিনি শহীদ হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর আল­ামা শাহ মুহিব্বুল­াহ বাবুনগরী ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী।
নেতৃদ্বয় আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইহুদীবাদী ইসরাঈল একটি অবৈধ ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। তারা গণহত্যা ও নিষ্ঠুরতার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনের ভ‚খন্ড জবর দখল করে ইসরাঈল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা যুগযুগ ধরে ফিলিস্তিনের নিরহ মুসলমানদের উপর ইতিহাসের নির্মম বর্বরোচিত গণহত্যা চালিয়ে আসতেছে। আর ইসরাঈলের এধরণের কর্মকাÐে সমর্থন দিচ্ছে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা। 
নেতৃদ্বয় বলেন, বায়তুল মুকাদ্দাস হচ্ছে ফিলিস্তিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, মুসলমানদের পবিত্র শহর। আজ মুসলমানদের পবিত্র শহরটি বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার উসকানিম‚লক, অবৈধ ও বিপজ্জনক সিদ্ধান্তের কারনে ইহুদিবাদীরা দখলে নিয়েছে। আমেরিকা ও ইসরাইলের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা শতশত মুসলমানদের হত্যা করেছে। বৃদ্ধ নারীপুরুষ ও নিষ্পাপ শিশুরাও তাদের হাত থেকে শেষ রক্ষা পায়নি। 
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ফিলিস্তিনের নিরীহ মুসলমানদের উপর চলমান হত্যাজজ্ঞ কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এখন সময় এসেছে, মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরাঈল নামক জারজ রাষ্ট্র এবং তাদের সহযোগী বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদ ফি সাবিলিল­াহ'র ঘোষণা করার।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরোচিত হত্যাজজ্ঞের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মুসলিম নেতাদের টেলিফোন করে ক্ষোভ প্রকাশ করায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাচিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমেরিকার রাষ্ট্রদ‚তকে তলব করে লিখিত ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং আমেরিকার উসকানিম‚লক, অবৈধ ও বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে চাপ সৃষ্টি করেন। 
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, এদেশের মুসলমান শান্তিপ্রিয়, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি এধরণের ন্যক্কারজনক গণহত্যা বন্ধ না হয়, তাহলে এদেশের মুসলমান আমেরিকার দ‚তাবাস ঘেরাও সহ যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। নেতৃদ্বয় ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার সন্ত্রাসী কর্মকাÐ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ব মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রতি আহŸান জানিয়েছেন। 

 ধর্মতত্ত্ব থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ