শনিবার , ১৯ মে ২০১৮

বেনাপোল:
সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দিলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকার পেঁয়াজ বেড়ে এখন ২৬/২৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। অতিরিক্ত মুনাফা লোভী বিক্রেতাদের কারসাজির কারণে অস্বাভাবিক হারে মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা সাধারণ। বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় রমজানে পিয়াজের মূল্য বেড়েছে অস্বাভাবিকহারে।  
গত এক সপ্তাহের এক পরিসংখানে দেখা যায় শনিবার (১৯মে) দুপুর পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত ৭ দিনে ৩০৬ টি ট্রাকে ১০২ টি চালানে ভারত থেকে ১০ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। রমজান উপলক্ষ্যে দিন দিন আমদানি আরও বেড়ে চলেছে। ভারত থেকে নাসিক, হাসখালি, বেলেডঙ্গা ও খড়কপুর জাতের পেঁয়াজ আমদানি হয়ে থাকে। এদেশে নাসিকের পেঁয়াজের চাহিদা বেশি।
জানা যায়, এর আগে ১০ শতাংশ শুল্ক করে পেঁয়াজ আমদানি হতো। তখন কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত খুরচা বাজারে কিনতে হতো সাধারণ ক্রেতাদের। নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য পেঁয়াজের বাজার মূল্য ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার সাধের মধ্যে রাখতে ১৬ সালের রোজার আগে সরকার পেঁয়াজের উপর আমদানি শুল্ককর প্রত্যাহার করা হয়।
এরপর থেকে আর শুল্ককর সংযোজন হয়নি। তবে শুল্ককর উঠলেও অতিরিক্ত লাভে বিক্রেতাদের সিন্ডিকেটের কারণে হঠাৎ করে অস্বাভাবিকহারে মূল্য বেড়েছে।
ভারতের রফতানি মূল্য প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে ২০৫ মার্কিন ডলার মূল্যে। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটনের মূল্য দাঁড়ায় ১৭ হাজার ১৫ টাকা। কেজিপ্রতি আমদানি খরচ পড়ছে প্রায় ১৮ টাকা। এলসি খরচ সহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর পর্যন্ত পেঁয়াজ পৌঁছাতে খরচ পড়ছে প্রতিকেজি ১৯ টাকা। আমদানি হওয়া পেঁয়াজ বন্দর থেকে পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২৩ টাকা। আর খুরচা বাজারে তা ২৬ থেকে ২৭ টাকা।
বেনাপোল কাস্টমস ডেপুটি কমিশনার সাইদ আহমেদ রুবেল জানান, পেঁয়াজের উপর শুল্ককর না থাকায় রোজা উপলক্ষে আমদানি বেড়েছে বলে জানান তিনি। আমরা বন্দর থেকে দ্রুত পেয়াজ খালাশের জন্য অফিসারদের নিদের্শনা দেয়া  হয়েছে।

 কৃষিসংবাদ থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ