রবিবার , ০৮ July ২০১৮

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: 
চাঁপাইনবাবগঞ্জ এমনিতেই গোটা বিশ্বে আমের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা। এ জেলাতে রয়েছে প্রাচীন গৌড় নগরীর অনেক নিদর্শন। কানসাট, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, রহনপুরে রয়েছে মসজিদ, জমিদার বাড়ি। সোনামসজিদে রয়েছে হযরত শাহনেয়ামতুল­ার সমাধী। এ ছাড়াও কাঁসা-পিতল, লাক্ষা, কলাইয়ের রুটি, গম্ভীরা, আলকাপ গান, পট গান, মেয়েলি গিদসহ আরো নানা রকম স্থানীয় কৃষ্টিকালচারে পরিপূর্ণ এ চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ জেলার মাটিতেই শুয়ে আছে দেশকে স্বাধীন করার জন্য লড়ায়ে মৃত্যুবরণ কারী ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বীর শ্রেষ্ঠ। রয়েছে শিবগঞ্জ এর আদি চমচম আরো রয়েছে নসিপুরের দই। মোট কথা হাজার গুণে ভরপুর এ জেলা।
বর্তমান যুগের সাথে পাল­া দিয়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বিকৃত পেয়েছে বাংলাদেশ। দিন দিন উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সে সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জও হচ্ছে আধুনিক। নতুন নুতন উঁচু ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অটো রাইস মিল, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, বিশাল পরিসরে এরি মাঝে চলছে সদর হাসপাতালের কাজ। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে পর্যটন শিল্প এলাকা গড়ার কাজ। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের।
জীবনে বেঁছে থাকতে হলে কর্ম করা ছাড়া কোন বিকল্প চাঁপাইনবাবগঞ্জ: 
চাঁপাইনবাবগঞ্জ এমনিতেই গোটা বিশ্বে আমের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা। এ জেলাতে রয়েছে প্রাচীন গৌড় নগরীর অনেক নিদর্শন। কানসাট, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, রহনপুরে রয়েছে মসজিদ, জমিদার বাড়ি। সোনামসজিদে রয়েছে হযরত শাহনেয়ামতুল­ার সমাধী। এ ছাড়াও কাঁসা-পিতল, লাক্ষা, কলাইয়ের রুটি, গম্ভীরা, আলকাপ গান, পট গান, মেয়েলি গিদসহ আরো নানা রকম স্থানীয় কৃষ্টিকালচারে পরিপূর্ণ এ চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ জেলার মাটিতেই শুয়ে আছে দেশকে স্বাধীন করার জন্য লড়ায়ে মৃত্যুবরণ কারী ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বীর শ্রেষ্ঠ। রয়েছে শিবগঞ্জ এর আদি চমচম আরো রয়েছে নসিপুরের দই। মোট কথা হাজার গুণে ভরপুর এ জেলা।
বর্তমান যুগের সাথে পাল­া দিয়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বিকৃত পেয়েছে বাংলাদেশ। দিন দিন উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সে সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জও হচ্ছে আধুনিক। নতুন নুতন উঁচু ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অটো রাইস মিল, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, বিশাল পরিসরে এরি মাঝে চলছে সদর হাসপাতালের কাজ। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে পর্যটন শিল্প এলাকা গড়ার কাজ। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের। নেই। কতরকমের কাজ করে মানুষ টিকে আছে সেটা বৃহত্বর জনগোস্টীর মানুষের দিকে দেখলেই বোঝা যায়। তেমনি কর্ম করে জীবন চালান এক ব্যক্তির নাম শিল্পী নজরুল। রং আর তুলি দিয়েই তার কাজ। দেখতে কালো আর পাতলা, মাথায় বড় বড় চুল, মুখে দাঁড়ি, লম্বা গোঁফ নজরুলের। আর পাঁচটা মানুষের মত তাঁর জীবন না। তিনি একটু ব্যতিক্রম। রমযান মাসে অফিস থেকে ইফতারির আগে বাসায় যাবার পথে একটি রিক্সার গ্যারেজের সামনে দেখলাম নজরুলকে। আপন মনে রং তুলি দিয়ে রিক্সার পেছনের বডিতে দৃশ্য আঁকছেন। আমি অনেকক্ষন দেখলাম আপন মনে নিখুঁত ভাবে নজরুল কাজ করে চলেছে। পরে কাছে গিয়ে বললাম কি করছেন। কেমন লাগে আঁকাআঁকি করতে। জবাবে নজরুল ঘাড়টা ঘুরিয়ে বলল, এখন কাজ করছি কথা বলতে পারব না।
নজরুল ছোট বেলায় বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছি। শহরের উদয়ন মোড়ে আমার বাড়ি। তবে বেশির ভাগ সময়েই আমি বাহিরে থাকি। বাড়িতে থাকতে ভাল রাগে না। নজরুল আরো জানান, বিভিন্ন দেয়ালে, প্রাথমিক স্কুলে, অটো রিক্সার পেছনের বডিতে নানা রকম দৃশ্য আঁকি। এ জন্য অনেক আগে থেকে আমাকে সবাই শিল্পী নজরুল হিসেবেই চিনে জানে। আমি সেভাবে কারো কাছে কাজ শিখিনি। নিজে নিজেই কাজ করতে করতে হাত পাঁকা করেছি। কেমন কাজ হচ্ছে এবং রোজগার কেমন জানতে চাইলে নজরুল জানান, আগে অনেক কাজ করতাম। সারা দিন রং আর তুলি নিয়েই সময় কাটত। কিন্তু বর্তমানে আর তেমন কাজ হয় না। এখন আর মানুষ হাতে আঁকা দৃশ্য বা ছবি করে না। ডিজিটাল মেশিন হবার কারণে সহজ হয়েছে, সময়ও কম লাগছে। সে জন্য মানুষ এখন মেশিনে ছাপিয়ে বিভিন্ন স্টিকার তৈরি করছে। এসবের কারণে কোন রকমে টিকে আছি। কতদিন এ কাজ করবেন জানতে চাইলে নজরুল জানান, এ পেষাটা হচ্ছে আমার নেশা। আল­াহ যতদিন হায়াত দিয়েছেন ততদিন এ কাজি করব। নজরুলের সাথে কথা বলে বুঝলাম সে এ রং আর তুলিকে কতটা আপন করে নিয়েছে।

 সাহিত্য থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ