সোমবার , ০৯ July ২০১৮

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
প্রতবিছর র্বষা মওসুম এলইে জলেে পল্লী গুলোতে ফুঁটে ওঠে খুশরি ঝলক। তাঁজা ইলশিরে গন্ধে মুখরতি হয়ে উঠে গোটা সাগরকূলীয় চরাঞ্চল। পাল্টে যায় জলেে পরবিাররে র্দূদশার চত্রি। স্বচ্ছলতা ফরিে আসে জলেে পরবিার গুলোত।ে কন্তিু এ বছর জলেে পল্লীতে ভন্নিরূপ দখো গছে।ে চলমান র্বষা তথা ইলশি মওসুমে সাগর থকেে শুন্যহাতে ফরিছে জলেরো। ইলশিরে বদলে দাদনরে দায় নয়িে তীরে ফরিছে একাধকি জলে।ে ফলে উপকূলরে জলেে পল্লী গুলোতে নমেে এসছেে হতাশার কালো আবাস। চলমান র্বষা মৌসুম পটুয়াখালীর গলাচপিা, রাঙ্গাবালী, দশমনিাসহ বঙ্গোপসাগর ঘরিে কয়কে হাজার জলেরে বসবাস। অন্যান্য পশোর তুলনায় এই অঞ্চলে জলে,ে জলেে শ্রমকি তথা মৎস্য ব্যবসায় মানুষ প্রসারতি হয়। বলতে গলেে এই অঞ্চলটি ইলশি তথা মৎস্য ভান্ডার হসিবেে পরচিতি। প্রতবিছর কোটি কোটি টাকার ইলশিসহ বভিন্নি প্রজাতরি মাছ এই উপজলো থকেে রপ্তানী হয়ে থাকে দশেরে বভিন্নি এলাকায়। গোটা ইলশি মওসুমে উপজলোর বশে কয়কেটি মৎস্য পয়ন্টেে চলে ইলশি কনো-বচোর র্কমযজ্ঞ। সাধারন মানুষ অন্যন্য কাজর্কম বাদ দয়িে এই কাজে নয়িোজতি হয়ে থাক।ে প্রতবিছররে মত এবার তমেনটাই হয়ছে।ে কন্তিু জলেদেরে আশা নরিাস করে দয়িছেে ইলশি শূন্য সাগর। জলেরো মৎস্য ব্যবসায়ীদরে কাছ থকেে দাদন নয়িে মাছ শকিাররে আশায় সাগরে গমন করলওে মাছ না নয়িে ফরিছে তারা। ইলশি মওসুমে ইলশিরে আকাল জলেদেরেকে হতাশ করে দয়িছে।ে একদকিে মহাজনরে কাছ থকেে নয়ো দাদন টাকা পরশিোধরে চন্তিা আরকে দকিে পরবিারকে দখেভাল করা প্রয়াস। এই দুই দুঃচন্তিা জলেে পল্লীতে অশনীর আবাস নয়িে এসছে।ে এই মওসুমে জলেে পল্লী গুলোতে ইলশি নয়িে মহার্কমযজ্ঞরে রূপ এবার ভন্নি রূপে পরনিত হয়ছে।ে এমনটাই জানায় রাঙ্গাবালী উপজলোর একাধকি জলেরো। এপ্রসঙ্গে কথা হয় রাঙ্গাবালী উপজলোর চরমোন্তাজ স্লুইসঘাট এলাকার জলেে আইয়ুব দফাদাররে সাথ।ে তনিি জানান, জাটকা নধিন বন্ধ করার জন্য সরকার অবরোধ ঘোষণা কর।ে কন্তিু অবরোধরে সময় মৎস অফসি ও কোষ্টর্গাডরে লোকদরে টাকা দয়িা জাটকা শকিার করছে প্রভাবশালীরা। যার ফলে এবছর জলেরো সাগরে গয়িে ইলশি পচ্ছনো। আগামী দনি গুলোতওে র্পযাপ্ত মাছরে আসা করা যাচ্ছনো। তনিি আরো বলনে, মহাজনরে কাছ থকেে ১০ লাখ টাকা দাদন এনে জালরে সাবার করছে।ি জালে মাছ না পরলে ঋণরে টাকা পরশিোধ করবো কি কর!ে উপজলোর কোড়ালয়িা এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী কাওছার মৃধা জানান, র্বতমানে ইলশিরে ভরা মৌসুমে সাগরে ইলশিরে আকাল চলছ।ে জলেরো সাগর থকেে র্পযাপ্ত পরমিাণ মাছ নয়িে ফরিতে পারছনো। প্রতদিনিই তাদরে লোকসান গুনতে হচ্ছ।ে যার ফলে আমাদরে ব্যবসায়ও ভাঁটা পারছ।ে গত ৯/১০ দনি ধরে গদতিে র্পযাপ্ত পরমিাণ মাছও আসনে।ি তাই গদি ফলেে ঘোরা ফোরা করছ।ি ঋণ নয়িে জলেদেরে দাদন দয়ো হয়ছে।ে সাগরে জলেদেরে জালে মাছ না পরায় ঋণরে বোঝা বইতে হব।ে এমনকি পশো ছাড়তে বাধ্য হবে অনকে জলে।ে রাঙ্গাবালী উপজলোর গঙ্গীপাড়া এলাকার জলেে জসমি কাজী জানান, ১৫ লাখ টাকা ব্যায় করে ইলশিরে সাবার করছ।ি এরমধ্যে ১০ লাখ টাকা আমার নজিরে ছলি, বাকি ৫ লাখ টাকা ঢাকার এক দাদনদাররে কাছ থকেে ঋণ নয়িে ইলশিরে বোট সাগরে নামাইছ।ি ভাবছলিাম মৌসুমরে শুরুতে সাগরে অনকে মাছ পরব।ে সে আশায় ট্রলার নয়িে সাগরে জাল ফলে,ে যে মাছ পয়েছেি তাতে ট্রলাররে খরচই উঠনে।ি সাগরে তনি-চারদনি ব্যপি একটি খওে দতিে ৬০ হাজার টাকার মত খরচ হয়, অথচ ২০ হাজার টাকার মাছ নয়িওে ঘাঁটে আসা যায়না। এভাবে আর কয়কে দনি চলতে থাকলে সাগরে একটা জলেকেওে খুঁজে পাওয়া যাবনো। নয়াচর এলাকার আলমগীর মাঝি বলনে মোরা মহাজনরে কাছে গোনে দাদন আইন্না জালসহ মাছ ধরার বভিন্নি মাল সামানা কন্নিা নদীতে ইলশি মাছ ধর।ি জলদস্যু আইয়া আমাগো টাহা-পয়সা হগোল লইয়া যায়। এ্যাহন সাগরে এমনতেইে মাছ পরনো, এর মধ্যে যদি জলদস্যুগোরে টাহা-পয়সা দওেয়া লাগে হ্যালে ক্যামন করমু। রাঙ্গাবালী উপজলো মৎস র্কমর্কতা মো: মোসলমে উদ্দনি খাঁন জানান, জলবায়ু পরর্বিতনরে প্রভাবে ইলশিরে মওসুম পাল্টয়িছে।ে তাই এখন সাগরে মাছ কম পরছ।ে আসা করছি আগমী মাসরে শুরুর দকিইে ইলশিরে দখো মলিব।ে

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ