মঙ্গলবার , ১০ July ২০১৮

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ক্লার্ক শরীফ সার্টিফিকেট বাণিজ্যের মূল হোতা। অল্প দিনেই কোটিপতি বনে গেছে। এক সময়ে যার নূন আনতে পান্থা ফুড়াত, এমনকি অন্যর আশ্রিত হিসেবে কাজ করত। এখন সে বিশাল অর্থ বৈববের মালিক। স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তার সান্নিধ্য লাভে মাত্র কিছু দিন আগে চাকুরী নিয়ে হঠাৎ করে আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ হয়ে গেছে।
চাকুরীতে যোগদানের পরপরই কৌশলে ভাগিয়ে নেয় ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেট শাখার ক্লার্ক। মারামারি, ধর্ষন ও হত্যা মামলার সবই সার্টিফিকেট তার হাত দিয়ে যায়। সে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কখনো দিনকে রাত আর রাত দিন করে। টাকার নেশায় উন্মাদ হয়ে সর্ব সাধারনের মাথায় কুড়াল মারছে। ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নিরীহ ও খেটে খাওয়া মানুষ। দাপুটে এ ক্লার্ক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতালে গড়ে তোলেছে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের এক সেন্ডিকেট চক্র। ক্লার্ক শরীফ এ সেন্ডিকেট চক্রের যোগসাজশে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে শুধু খুনের মামলার সার্টিফিকেট প্রদান করে।
মারামারি ও ধর্ষনসহ আনুসঙ্গিক সার্টিফিকেট নিজেই পার্টির সাথে রফাদফা করে। এ ক্ষেত্রে সেন্ডিকেটের ধার-ধারেনা। তবে তার বিচক্ষনতা ও বুদ্ধিমত্তার তারিফ করে সকলেই। ডাক্তার কর্তৃক জখমী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ইনজুরী রেজিষ্টার নোট খাতা সবই তার আয়ত্বে থাকে। ইনজুরী নোট দেখে প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলে। জখমীর ইনজুরী রেজিষ্ঠারে জখমের ধরন সাধারন লেখা থাকলে সে প্রতিপক্ষের সাথে সিম্পুল সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। আবার জখমীর ইনজুরী রেজিষ্ঠারে  জখমের ধরন কঠিন লেখা  থাকলে সে জখমীর সাথে গ্রিভিয়াস সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। আবার কখনো সে কোন ডাক্তারকে বায়েস্ট করতে পারলে দিনকে রাত আর রাতকে দিন করে।  টাকা দিয়ে ডাক্তারকে ম্যানেজ করতে না পারলে সে অন্য কৌশল অবলম্বন করে। মতলববাজ এ কেরানী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা, বিএম এর বড় নামীদামী নেতা, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে কর্মরত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি, রাজনৈতিক দলের প্রথম সাড়ির নেতা এমনকি সংসদ সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে সুপারিশ আছে বলে সহজ সরল ডাক্তারদের বø্যাকমেইল করে। তার ফাঁদে পড়ে ইতিমধ্যে ক’জন ডাক্তার দূর্ণাম মাথায় নিয়ে অন্যত্র বদলী হতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে হাসপাতালের ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায়, জরুরী বিভাগে এখন যে সমস্ত ডাক্তারগণ আছেন একমাত্র ডা. সজিব ঘোষ ছাড়া অন্যরা খুবই দায়িত্বশীল ও সততার সাথে কাজ করেন। অপর এক ভুক্তভোগী সদর উপজেরার লতিবপুর ¤্রীমন্তপুর গ্রামের হারেছ উদ্দিন জানান জরুরী বিভাগের ডাক্তার সজিব ঘোষ তার সর্বনাস করেছে। হারেছ উদ্দিনসহ তার মেয়ে নারভিন আক্তার, পারুল আক্তার ও  ছেলে জুবায়ের কে প্রতিপক্ষরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তবে ডাক্তার তার সার্টিফিকেটে বাড়ি দিয়ে জখমের কথা উল্লেখ করে এমসি প্রদান করেন। তিনি আরো জানান এখনও তাদের জখমের ধরন এমনকি পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে কিসের আঘাত তা বের হয়ে আসবে।
ধূরন্ধর ঐ ক্লার্ক ধর্ষন সংক্রান্ত সার্টিফিটে ও  সেক্সুওয়াল এ সল্ট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পক্ষদ্বয়ের সাথে একই কায়দায় বাণিজ্যে করে। তবে খুনের মামলার সার্টিফিকেট প্রদানে সে খুব শঠতা অবলম্বন করে। কারণ একটি লোক জখমের আঘাতে মারা গেলে তা তো আর মুছা যায়না। তবে হত্যার বিষয়টি যদি রহস্যজনক হয় তবে তার ভাগ্য খুলে যায়। ঢাকা মহাখালীতে ফরেনসিক রিপোর্ট আনার কথা বলে উভয় পক্ষের সাথে রফা করে। তবে কাজের কাজ হলো পজেটিব অথবা নেগেটিভ তো আসবেই। এক্ষেত্রে এক পক্ষের টাকা ফেরত দেয়।
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল জেলার একমাত্র সর্বোচ্ছ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। ১৩ উপজেলার সমন্বয়ে এ জেলায় বিশাল জনগোষ্টির বাসস্থান। মারামারি সংক্রান্ত যে কোন ঘটনাই ছুটে আসে জেলা সদরের হাসপাতালে। এ হাসপাতাল থেকে প্রতি মাসে প্রায় শতাধিক সার্টিফিকেট প্রেরন করা হয়। মোটা অংকের উৎকোচ ছাড়াও ক্লার্ক শরীফের বাড়তি আরো একটি কামাই আছে। থানা কিংবা আদালতে মামলা হওয়ার পরপরই দুটি পক্ষ সার্টিফিকেটের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে হাসপাতালে। তখন সে উভয় পক্ষের কাছ থেকে বাড়তি কামাই হিসেবে প্রতিটি সার্টিফিকেটে ৪/৫ হাজার টাকা করে সেলামি কিংবা বকশিস আদায় করে। প্রতি মাসে তার বকশিস হিসেবে কামাই হয় লক্ষ লক্ষ টাকা।
তবে কিশোরগঞ্জের সচেতন ও সুশীল সমাজের লোকজন হাসপাতালের সার্টিপিকেট বাণিজ্যে এখন ওপেন সিক্রেট হিসেবে আশংকা প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন এ অবস্থা চলতে থাকলে জেলার এ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটি একবারে ভেস্তে যাবে। বিশিষ্টজনরা হাসপাতালের সার্টিফিকেট বাণিজ্যে রোধে অভিমত প্রকাশ করছেন যে, কর্তব্যরত ডাক্তার জখমী, ভিকটিম বা অন্যান্য সার্টিফিকেট প্রদানে তাৎক্ষনিক সংকেত ব্যবহার না করে স্পস্ট করে ইনজুরী নোটটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করলে আর হয়ত তেমন কোন ফাঁক ফোকড় থাকবেনা। এমনকি সার্টিফিকেট বাণিজ্যে ও অনেকটা কমে আসবে।
সচেতন ও সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এও আশা প্রকাশ করছেন যে, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ইতিমধ্যে ডিডি হিসেবে সদ্যযোগদান করেছেন কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান ডা. সুলতানা রাজিয়া। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার বিরাট আমুল পরিবর্তন হবে। সার্টিফিকেট বাণিজ্যেসহ সকল দূর্নীতি ও অপকর্মের মূল উৎপাটন হবে। এমনকি এ সকল অপকর্মের সাথে জড়িত দূর্নীতিবাজদের চিহিৃত করে কঠোর ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ক্লার্ক শরীফ সার্টিফিকেট বাণিজ্যের মূল হোতা। অল্প দিনেই কোটিপতি বনে গেছে। এক সময়ে যার নূন আনতে পান্থা ফুড়াত, এমনকি অন্যর আশ্রিত হিসেবে কাজ করত। এখন সে বিশাল অর্থ বৈববের মালিক। স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তার সান্নিধ্য লাভে মাত্র কিছু দিন আগে চাকুরী নিয়ে হঠাৎ করে আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ হয়ে গেছে।
চাকুরীতে যোগদানের পরপরই কৌশলে ভাগিয়ে নেয় ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেট শাখার ক্লার্ক। মারামারি, ধর্ষন ও হত্যা মামলার সবই সার্টিফিকেট তার হাত দিয়ে যায়। সে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কখনো দিনকে রাত আর রাত দিন করে। টাকার নেশায় উন্মাদ হয়ে সর্ব সাধারনের মাথায় কুড়াল মারছে। ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নিরীহ ও খেটে খাওয়া মানুষ। দাপুটে এ ক্লার্ক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতালে গড়ে তোলেছে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের এক সেন্ডিকেট চক্র। ক্লার্ক শরীফ এ সেন্ডিকেট চক্রের যোগসাজশে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে শুধু খুনের মামলার সার্টিফিকেট প্রদান করে।
মারামারি ও ধর্ষনসহ আনুসঙ্গিক সার্টিফিকেট নিজেই পার্টির সাথে রফাদফা করে। এ ক্ষেত্রে সেন্ডিকেটের ধার-ধারেনা। তবে তার বিচক্ষনতা ও বুদ্ধিমত্তার তারিফ করে সকলেই। ডাক্তার কর্তৃক জখমী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ইনজুরী রেজিষ্টার নোট খাতা সবই তার আয়ত্বে থাকে। ইনজুরী নোট দেখে প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলে। জখমীর ইনজুরী রেজিষ্ঠারে জখমের ধরন সাধারন লেখা থাকলে সে প্রতিপক্ষের সাথে সিম্পুল সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। আবার জখমীর ইনজুরী রেজিষ্ঠারে  জখমের ধরন কঠিন লেখা  থাকলে সে জখমীর সাথে গ্রিভিয়াস সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। আবার কখনো সে কোন ডাক্তারকে বায়েস্ট করতে পারলে দিনকে রাত আর রাতকে দিন করে।  টাকা দিয়ে ডাক্তারকে ম্যানেজ করতে না পারলে সে অন্য কৌশল অবলম্বন করে। মতলববাজ এ কেরানী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা, বিএম এর বড় নামীদামী নেতা, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে কর্মরত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি, রাজনৈতিক দলের প্রথম সাড়ির নেতা এমনকি সংসদ সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে সুপারিশ আছে বলে সহজ সরল ডাক্তারদের বø্যাকমেইল করে। তার ফাঁদে পড়ে ইতিমধ্যে ক’জন ডাক্তার দূর্ণাম মাথায় নিয়ে অন্যত্র বদলী হতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে হাসপাতালের ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায়, জরুরী বিভাগে এখন যে সমস্ত ডাক্তারগণ আছেন একমাত্র ডা. সজিব ঘোষ ছাড়া অন্যরা খুবই দায়িত্বশীল ও সততার সাথে কাজ করেন। অপর এক ভুক্তভোগী সদর উপজেরার লতিবপুর ¤্রীমন্তপুর গ্রামের হারেছ উদ্দিন জানান জরুরী বিভাগের ডাক্তার সজিব ঘোষ তার সর্বনাস করেছে। হারেছ উদ্দিনসহ তার মেয়ে নারভিন আক্তার, পারুল আক্তার ও  ছেলে জুবায়ের কে প্রতিপক্ষরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তবে ডাক্তার তার সার্টিফিকেটে বাড়ি দিয়ে জখমের কথা উল্লেখ করে এমসি প্রদান করেন। তিনি আরো জানান এখনও তাদের জখমের ধরন এমনকি পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে কিসের আঘাত তা বের হয়ে আসবে।
ধূরন্ধর ঐ ক্লার্ক ধর্ষন সংক্রান্ত সার্টিফিটে ও  সেক্সুওয়াল এ সল্ট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পক্ষদ্বয়ের সাথে একই কায়দায় বাণিজ্যে করে। তবে খুনের মামলার সার্টিফিকেট প্রদানে সে খুব শঠতা অবলম্বন করে। কারণ একটি লোক জখমের আঘাতে মারা গেলে তা তো আর মুছা যায়না। তবে হত্যার বিষয়টি যদি রহস্যজনক হয় তবে তার ভাগ্য খুলে যায়। ঢাকা মহাখালীতে ফরেনসিক রিপোর্ট আনার কথা বলে উভয় পক্ষের সাথে রফা করে। তবে কাজের কাজ হলো পজেটিব অথবা নেগেটিভ তো আসবেই। এক্ষেত্রে এক পক্ষের টাকা ফেরত দেয়।
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল জেলার একমাত্র সর্বোচ্ছ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। ১৩ উপজেলার সমন্বয়ে এ জেলায় বিশাল জনগোষ্টির বাসস্থান। মারামারি সংক্রান্ত যে কোন ঘটনাই ছুটে আসে জেলা সদরের হাসপাতালে। এ হাসপাতাল থেকে প্রতি মাসে প্রায় শতাধিক সার্টিফিকেট প্রেরন করা হয়। মোটা অংকের উৎকোচ ছাড়াও ক্লার্ক শরীফের বাড়তি আরো একটি কামাই আছে। থানা কিংবা আদালতে মামলা হওয়ার পরপরই দুটি পক্ষ সার্টিফিকেটের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে হাসপাতালে। তখন সে উভয় পক্ষের কাছ থেকে বাড়তি কামাই হিসেবে প্রতিটি সার্টিফিকেটে ৪/৫ হাজার টাকা করে সেলামি কিংবা বকশিস আদায় করে। প্রতি মাসে তার বকশিস হিসেবে কামাই হয় লক্ষ লক্ষ টাকা।
তবে কিশোরগঞ্জের সচেতন ও সুশীল সমাজের লোকজন হাসপাতালের সার্টিপিকেট বাণিজ্যে এখন ওপেন সিক্রেট হিসেবে আশংকা প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন এ অবস্থা চলতে থাকলে জেলার এ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটি একবারে ভেস্তে যাবে। বিশিষ্টজনরা হাসপাতালের সার্টিফিকেট বাণিজ্যে রোধে অভিমত প্রকাশ করছেন যে, কর্তব্যরত ডাক্তার জখমী, ভিকটিম বা অন্যান্য সার্টিফিকেট প্রদানে তাৎক্ষনিক সংকেত ব্যবহার না করে স্পস্ট করে ইনজুরী নোটটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করলে আর হয়ত তেমন কোন ফাঁক ফোকড় থাকবেনা। এমনকি সার্টিফিকেট বাণিজ্যে ও অনেকটা কমে আসবে।
সচেতন ও সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এও আশা প্রকাশ করছেন যে, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ইতিমধ্যে ডিডি হিসেবে সদ্যযোগদান করেছেন কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান ডা. সুলতানা রাজিয়া। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার বিরাট আমুল পরিবর্তন হবে। সার্টিফিকেট বাণিজ্যেসহ সকল দূর্নীতি ও অপকর্মের মূল উৎপাটন হবে। এমনকি এ সকল অপকর্মের সাথে জড়িত দূর্নীতিবাজদের চিহিৃত করে কঠোর ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

 পাঁচমিশালি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ