বুধবার , ১১ July ২০১৮

আখতারুজ্জামান.চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
 চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু হায়াত মোহম্মদ রহমতুল্লাহ, সিভিল সার্জন সাইফুল ফেরদৌস মোহম্মদ খাইরুল আতাতুর্ক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোখলেশুর রহমান, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম প্রমুখ।
১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবারের মত পৃথিবীর ৯০টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। আয়োজন করা হয় জনসংখ্যা ও উন্নয়ন বিষয়ক বক্তৃতা, শোভাযাত্রা, সেমিনার ও আলোচনা সভার, সম্মেলন, চিত্রপ্রদর্শনী, জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলার। রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচারিত হয় বিশেষ অনুষ্ঠান। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের ৪৫/২১৬ নং প্রস্তাব পাসের প্রেক্ষিতে প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ বছরের জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য "পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার"।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এই মূলমন্ত্রকে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৬৮ সালের তেহরান ঘোষনাকে পুনরায় বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করেছে, যেখানে বলা হয়েছে পিতা-মাতা তাদের কাঙ্ক্ষিত সন্তান সংখ্যা এবং ২ সন্তানের মাঝে বিরতি দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে, যা মুক্ত ও স্বাধীন। এই ঐতিহাসিক ঘোষনাকে স্মরণ করিয়ে দিতেই আজকের এই জনসংখ্যা দিবসের আলোচনা সভা।
দিবসটি উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান বলেন, "জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ" ধারণাটিকে পাশ কাটিয়ে এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আগামী প্রজন্মকে মনে করিয়ে দিতে চায় মানবাধিকার এবং উন্নয়নের সাথে পরিকল্পনার সম্পর্ককে। সারা পৃথিবীতে ২১৪ মিলিয়ন নারী তাদের অতি প্রয়োজনীয় জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পাচ্ছেনা, যার অবধারিত ফল অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ। তবে আশার কথা হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রায় ৭শত মিলিয়ন নারী এবং কিশোরী আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করছে যা তাদের প্রজনন অধিকারকে কিছুটা হলেও সুসংহত করেছে। যখন একজন নারী তার পরিবারকে পরিকল্পনা মতো গড়তে পারে তখন তার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্ম সংস্থান নিশ্চিত হয়, যা তাকে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করে এবং তার পক্ষে পরিবার ও সমাজ উন্নয়নের অংশীদার হওয়া সম্ভব হয়।

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ