বুধবার , ০১ আগষ্ট ২০১৮

হামিদার রহমান, নীলফামারী:
নীলফামারী জেলাধীন ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কৃষক নুছফর রহমানের সোনালী ধান ক্ষেতের বিস্তৃর্ণ মাঠে ধান কেটে মন ভরে মহাআনন্দে মেতে উঠল কৃষক। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ধান ক্ষেতের উপর যখন বাতাসের ঢেউ খেয়ে যায় তখন মন আনন্দে নেচে উঠে। মনে হয় এমন সুন্দর দৃশ্য পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। কৃষক নুছফর রহমান জানান আমি ভুট্টা ক্ষেতের পর ০২ মাস ০৫ দিনে পেলাম ইরিকেশন ২৮ ধান। উপর্যুক্ত সার সেচ ব্যবস্থা এবং কীটনাশক ঔষুধের যথাযথ ব্যবহারের ফলে কোন প্রকার পোকামাকড় আক্রমন করতে পারেনি। তবে আশা করি বিঘা প্রতি ১৫-২০ মন ধান পেতে পারি। ধান ক্ষেত কাটার পর আবার রোপন করব বর্ষাকালীন আমন ধানের চারা। 
অনেক কৃষকেই জানান বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সরকারের সহযোগিতায় দেশের প্রত্যেকটি কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে যে কোন ঋতুতে সেচের সাহায্যে ইরি ধানের চাষ করে আসছে।

 কৃষিসংবাদ থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ