সোমবার , ২০ আগষ্ট ২০১৮

নিজাম সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম ব্যুরো:
চট্টগ্রাম নগরীতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদ জামাত এবং বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে মহানগর পুলিশ। 
ঈদের ছুটিতে নগরীর নিরাপত্তা জোরদার করতে থানা পুলিশের বাইরে অতিরিক্ত তিন থেকে চারশ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ও বিনোদন  কেন্দ্রে নজরদারির পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
নগরীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহতে। অপরদিকে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) তত্ত্বাবধানে প্রথম জামাত হবে সকাল পৌনে ৮টায়। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ৯টায়। প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ্’র খতিব হযরতুল আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ্’র সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক।
চসিক সূত্র জানায়, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে একটি করে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বাকলিয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন  স্টেডিয়ামে প্রথম ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়, লালদীঘি সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে ঈদ জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। জালালাবাদ আরেফিন নগর সিটি করপোরেশন কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদের ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়। প্রাকৃতিক দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মাঠের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র মতে, নগরীর ২৫৯ স্থানে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ব্যবস্থাপনায় ১৬৫টি এবং কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির ব্যবস্থাপনায় ৯৪টি জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নগরীর ৩৪টি বড় ঈদ জামাতে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। অন্যান্য ঈদ জামাতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। এছাড়া পশুর হাটে মোতায়েন করা পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন এলাকায় ঈদ জামাতে মোতায়েন করা হবে।
মহানগর পুলিশ (সিএমপি) সূত্রে জানা যায়,  এবারের ঈদুল আজহায় তারা কম দামে   কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রিতে বাধ্য করা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবনে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে জোর দিচ্ছে। 
নগর পুলিশের তথ্য মতে, চট্টগ্রামে আকবর শাহ থানায় ২৩টি, খুলশী থানায় ২২টি, পাঁচলাইশে ১৭টি, ডবলমুরিংয়ে ১৫, চকবাজারে আটটি, পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় ৭৪টি, পাহাড়তলীতে সাতটি, হালিশহরে পাঁচটি, বাকলিয়া, কর্ণফুলী, ইপিজেড ও সদরঘাট থানায় চারটি, বন্দর থানায় তিনটি ও কোতোয়ালী থানায় একটি করে আবাসিক এলাকা রয়েছে। এসব আবাসিক এলাকার বিভিন্ন কমিটির  নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে নির্ধারণ করা হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। থানা এলাকায় অলিগলিতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের নিয়মিত টহল। 






 আইন-শৃংখলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ