রবিবার , ২৬ আগষ্ট ২০১৮

সাদের হোসেন বুলু দোহার থেকে:
ঢাকার দোহার উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী মৈনট ঘাটে  মিনি কক্সবাজার খ্যাত এলাকায় এখন উপচে পড়া ভীড়। ঈদের ছুটিতে যানজট ও কোলাহল মুক্ত স্থান হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানের ভ্রমণ পিয়াসী দর্শনার্থীরা এখানে ছুঁটে এসেছেন। যার ফলে  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলা ভূমি  মিনি কক্সবাজার এখন দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসব মুখর অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।
ঈদুল আযহা’র প্রথম দিন থেকেই মিনি কক্সবাজারে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন গুলোতে নিয়মিত পর্যটকদের ভীড় থাকলেও ঈদ উপলক্ষে ভিন্ন আমেজ দেখা গেছে।
ঈদের বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে মিনি কক্সবাজারকেই বেছে নিয়েছে ব্যাপক দর্শনার্থীরা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে ঘুরতে এসেছে পর্যটকরা। কেউবা পরিবার পরিজন, আবার কেউ প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে বিনোদনের জন্য এসেছে। যা পুরো মিনি কক্সবাজার এালাকা সৌন্দর্যময় করে তুলেছে। যেখানে পর্যটকরা স্পিডবোড, নৌকা ভ্রমন, ঘোড়ার গাড়িতে ভ্রমন, কেউবা পদ্মার পানিতে গোসল করেও তৃপ্তি মেটাচ্ছে। আবার কেউ প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে ছবি তুলেও আনন্দ উপভোগ করছে।
এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বাংলা খাবারের রেস্টুরেন্ট, চাইনিজ, ও চটপটি ও ফোচকা হাউজ। যা ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা বিনোদনের পাশাপাশি খাবার খেতে ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে।
দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থী সবিদুল ইসলাম বলেন, মৈনট ঘাটকে যদিও মিনি কক্সবাজার নামকরন করা হয়েছে তবে এটা আসলে মিনি কক্সবাজার নয়, যেন কক্সবাজারই মনে হচ্ছে। তাই ঈদ উপলক্ষে এই মিনি কক্সবাজারে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে এসে খুব ভালো লাগছে। এখানকার পদ্মার প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে।
শুক্রবার সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা দলে দলে আসতে শুরু করেছে। জুম্মার নামাজের পর মানুষের ঢল নামে। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতেই কানায় কানায় ভরে যায় মৈনটঘাট এলাকা। দর্শনার্থীদের চাপ  জট সামলাতে দায়িত্বে থাকা দোহার থানা পুলিশকে সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়।
সিংগাইরের ধল্লা থেকে মৈনটঘাটে আসা গৃহিণী রোজিনা আক্তার বলেন, এখানে পরিবারের সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে বেড়ানো  খুবই আনন্দের। তিনি আরো বলেন, গতবারের তুলনায় এবার মেলায় ভীড় বেশী তারপর ভালো লাগছে মুক্ত পরিবেশে  সবাইকে নিয়ে সময় কাটাতে।
দোহার থানা ওসি (তদন্ত)ইয়াসনি মুন্সী বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো ঈদের দিন থেকেই মৈনটঘাট এলাকায় প্রচুর দর্শনার্থীদের ভীড় দেখা গেছে। পদ্মা নদীর প্রবল শ্রোতে গোসল না করার ব্যাপারে আগত পর্যটকদের সতর্ক করে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে দোহার থানা পুলিশ সদস্যরা।  

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ