রবিবার , ২৮ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব সংবাদদাতা : 
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ড.কামালরা ভেবেছেন আমরা লেমনচুস খাই, শকুনেরা আকাশে উড়তাছে। যতবার নারায়ণগঞ্জ জেগেছে ততবার সারা বাংলাদেশ জেগেছে। এটা ইতিহাসের সাক্ষী। এ নারায়ণগঞ্জ থেকে অনেক আন্দোলন হয়েছে। এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই আমরা সকল সড়যন্ত্রের জালছিন্ন করবো। তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্য হয়েছে।  তিনি ভেবেছেন আমরা স্টুপিড। কারণ তিনি বলছেন ২০ দলের সাথে ঐক্য হয়েছে কিন্তু জামায়াতের সাথে ঐক্য হয় নাই। বিএনপির সঙ্গে ঐক্য হয়েছে কিন্তু তারেক রহমানের সঙ্গে না। তিনি ভেবেছেন আমরা আহাম্মক। আমরা লেমন চুস খাই। কারণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। আমার লজ্জা লাগে। কারণ ছোটকালে তাঁর কোলে পিঠে উঠেছিলাম। শনিবার বিকেলে শহরের ইসদাইরে একেএম সামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে যোগদানের লক্ষ্যে সারা শহরজুড়েই চলে খন্ড খন্ড মিছিল। সংসদীয় এলাকার বিভিন্ন থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিশাল বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে সমবেত হয়। সমাবেশে প্রতিবারের মতো এবারও সবচেয়ে প্রাণবন্ত এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে মিছিলের বহর এসেছিলো কুতুবপুর ইউনিয়নের যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মুন্সী’র নেতৃত্বে। ধীরে ধীরে সমাবেশস্থল লোকে লোকারণ্য পরিণত হতে শুরু করছে।  
শামীম ওসমান বলেন, ওরা নির্বাচনের জন্য জোট করেনি। এর ভিন্ন চিত্র। কারণ নারায়ণগঞ্জে পার্টি সেক্রেটারী ওবায়দুল কাদেরের গণসংযোগ ছিল। সেদিন তিনি আসেনি। অথচ সেদিন নারায়ণগঞ্জের মুন্সীখেলায় বাসে চড়ে সন্ত্রাসীরা আসছিল। বাস থামানোর কারণে পুলিশকে গুলি করে দেয়। এটা ছিল পরিকল্পিত। কারণ একটি মটরসাইকেলে করে ৪জন পালিয়ে যায়।শামীম ওসমান বলেন,বাংলাদেশের ইতিহাসে সামনে কঠিন সময় আসছে। দেশ কী আফগানিস্তান হবে নাকি দেশ এগিয়ে যাবে। সে সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকে নিতে হবে। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল আর ড. কামালেরা এখন নির্বাচনের জন্য মাঠে নামে নাই। তারা মাঠে নেমেছেন নির্বাচনকে বানচাল করতে। বিএনপি জানে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সে কারণেই নির্বাচন থেকে সরে যেতে। আর সে কারণেই তারা এমন কিছু ব্যক্তিত্বকে কাছে টেনে নিয়েছে যারা ওয়ের্স্টান কান্ট্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের ব্যবহার করে কিছু একটা করতে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে শামীম ওসমান উপস্থিত সকলকে হাত মুঠো করিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করান। এতে শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল থাকার পাশাপাশি নৈরাজ্য মোকাবেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এসময় জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  

 রাজনীতি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ