মঙ্গলবার , ২৫ জুন e ২০১৯ |

মো.সাদের হোসেন বুলু নবাবগঞ্জ থেকে: রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নবাবগঞ্জ উপজেলা। কৃষি ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই উপজেলার অধিকাংশ খাল বিল এখন ভূমি দুর্বৃত্তায়ন চক্র এবং ভূমি খেকোদের কু-দৃষ্টির কবলে পড়ে বিলুপ্তির পথে। স্থানীয় প্রশাসনের নিরব ভূমিকার কারনে সরকারের শতকোটি টাকার খালের জমি আজ কিছু চিন্থিত ভূমি দস্যুদের নিয়ন্ত্রনে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় খোদ উপজেলা সদরের কলাকোপা ইউনিয়নে অবস্থিত বননগর, কলাকোপা, রাজপাড়া এলাকায় অবস্থিত সরকারি খালটি দখল, দূষন ও খনন না হওয়ায় আজ হারিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় যুব সংহতি কেন্দ্রীয় কমিটির  ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক  সম্পাদক যুবরাজ আহমেদ নাজিম বলেন, খালটি দীর্ঘ দিন খনন না করার কারনে আজ খালটির এমন বেহাল দশা। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের গাফিলতির কারনে আজ খালটি দখল হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অবসরপাপ্ত সরকারি আমলা, এক শ্রেণীর কথিত রাজনীতিবীদ, ব্যসায়ী, ও  প্রভাবশালীরা  বিভিন্ন ও কৌশলে খালের গতি পথ রোধ করে আবাস স্থল নির্মান করেছে। আর এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে  জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সকল শ্রেণীর জলাশয়।
উপজেলার বড় রাজপাড়া গ্রামের কৃষক শাহজাহান মিয়া বলেন, আগে এই খালের পানি কৃষকরা কৃষিকাজ ও ঘরগৃহস্থলির কাজে ব্যবহার করতো। এছাড়া বর্ষায় মৌসুমে দোহারে জয়পাড়া হাট ও নবাবগঞ্জের পাড়াগ্রাম, কোমরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাট বাজার গুলোতে  কৃষিপণ্য বেচাকেনা করার জন্য এই খালের নৌপথটি ব্যবহার  করতেন এলাকাবাসী।  বর্তমানে খালের বিভিন্ন অংশ বসতবাড়ি নির্মান  বর্জ ফেলা ও  বিভিন্ন কৌশলে দখল করার কারনে খালটি হারিয়ে যাচ্ছে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শরিফ রায়হান কবির বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হবে এবং প্রাকৃতিক খালবিলের  গতি পথরোধ করে আবাস স্থল নির্মান কারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ