মঙ্গলবার , ১৯ মার্চ ২০১৯ |

হামিদার রহমান, নীলফামারী;
নীলফামারীর সদরউপজেলার ৮নং পঞ্চপুকুর ও ইটাখোলা  ইউনিয়নের  চিনিরকুটিবাজার এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া যৌবনেশ্বরী নদীর উপরে বাঁশেরসাকোঁয় স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রাম বাসীদের ঝুকিঁ নিয়েচলতে হচ্ছে নিয়মিত পারাপার সরেজমিনে গিয়েজানা যায়,ইউনিয়ন দুইটির কয়েকটি গ্রামের জনসাধারন ও কমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র পথ নদীরউপরে বাঁশের সাকোঁ যা যুগের পর যুগচলছে,পরির্বতনেরকোন বালাই নেই কোন কোন বছরপারাপারের একমাত্র সাকোঁটি বন্যার পানীতে ভেসে যায় সাকোঁটিনদীর পানীতে ভেসে গেলে ,ছাত্র-ছাত্রীদেরস্কুল যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় সোমবার২৮ জানুয়ারী সকালে সরেজমিনে গিয়ে,কানিয়ালখাতা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিরছাত্র সাঞ্জনা নাঈম, দয়াল চন্দ্র রায় ও নবম শ্রেনীর বরাত হোসেন জানায়,বর্ষায়বাঁশের সাকোঁটি ভেঙ্গে গেলে প্রায় ৪ কিলোমিটার ঘুড়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়নদীর তীরে অবস্থিত চিনিরকুটি বাজারএ বাজারে ব্যবসায়ী প্রতিষ্টানসহ,কানিয়ালখাতাদ্বি মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং কানিয়ালখাতা সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়। কানিয়ালখাতা দ্বিমুখীউচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র রায় জানান,আমরা স্কুলশুরু ও ছুটির সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পারাপারের সময় দুঃচিন্তায় থাকি ,কখনঅনাকাংখিত ঘটনা ঘটে যায়ভাঙ্গাচুড়াবাঁশের সাকোঁটি নরবরে হওয়ায় নদীর ওপারেরবেশীর ভাগ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছেএ ছাড়াওই এলাকার ফজলুল করিম শাহ, আশরাফআলী পরামানিক,গোপাল চন্দ্র রায়,বিকাশচন্দ্র রায়,পরিমলচন্দ্র রায় ও আবুল হোসেন জানান,,বর্ষা গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই নদী পারাপারহতে হয়,কখনোকখনো বাশেঁর সেতুটি ভেঙ্গেঁ যায় তখন নদীতে জলে ভিজে পারাপারহই তাতেও দুঃখ নেই কিন্তু দুঃখতখন হয় তখন যখন কোন মূমুর্ষ রোগীর জন্যএম্বুলেন্স বা গাড়ীর প্রয়োজন হয় তখন নদীতে ব্রীজ না থাকার কারনে গ্রামেএম্বুলেন্স বা গাড়ী ঢুকতে পারে নাঅনেকদিনধরে আমরা এই নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের দাবী জানালেওঅদ্যাবধি ব্রীজ নির্মান হয়নিব্রীজনির্মান বর্তমানে এ এলাকার প্রানের দাবীতে পরিনতহয়েছে। এ ব্যাপারে,৮নংপঞ্চপুকুর ইউ,পি চেয়ারম্যান হবিবর রহমান সরকার জানান,এলাকাবাসীও ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা ভাবনা করে নীলফামারী-২ আসনের মাননীয়সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুরের সাথে কথা হয়েছে তিনি নদীর উপড়ে দ্রুতব্রিজ নির্মান করার ব্যবস্থা করবেনকিন্তুআশায় বুকে বেধে থাকি, এখন পর্যন্তব্রীজ নির্মানের কোন নমুনা আমি ও এলাকাবাসী দেখেনিতিনিআরো বলেন, এমপিসাহেব যখন মন্ত্রী ছিলেন তখন থেকে কথা দেয়, কিন্তুআদো ব্রীজে নমুনা পাইনিজেলাএলজিইডি নির্বাহী ও উপজেলা প্রকৌসুলীর কাছে যোগাযোগ করা হলে, কিন্তুব্রীজ নির্মানের বিষয় আশারুপ কিছুই বলতে পারবোনা এমপি সাহেব ব্যাপারআমি আপনাদের (সাংবাদিক)মাধ্যমে মাননীয়প্রধানমন্ত্রী ও সড়ক ও সেতু মন্ত্রীরকাছে আকুল আবেদন যেন দ্রুতগতিতে এই ব্রীজটি নির্মান করে কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীরাসহসাধারণ মানুষের চলাচলের ভোগান্তির হাত থেকে উদ্ধার করে এলাকারসাধারণ মানুষের কাছে আমি বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছি  সদরউপজেলা প্রকৌশল কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, রংপুরবিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের আওতায় এঅর্থ বছরেই ব্রীজের কাজ শুরু হবে বলেতিনি আশা করেন এ ব্যাপার সদর উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা মামুন ভুইয়া, মোবাইলফোনেে বলেন, এ ব্রীজের বিষয় এমপি মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে, অতিতাড়াতাড়ি আমরা সুফল পাবো 

 

  

 

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ