শুক্রবার , ১৯ এপ্রিল ২০১৯ |

দেশকাল অনলাইন- কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলারবারপাড়া ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের আশি বছরের বৃদ্ধা  আস্কুনী বেগম তার সন্তান হত্যার বিচারচান।  গতকাল উপজেলার বিজয়পুর বাজারেরপূর্বপাশে রাস্তায় হেঁটে হেঁটে মানুষের দাঁড়ে দাঁড়ে গিয়ে তার সন্তান সাহেব আলী(সাহস মিয়া) রকি দোষ ছিল আর কেন তাকে এত নির্মম ভাবে হত্যাকরা হয়েছে তার জবাব চান সমাজের সকল মানুষের কাছে। গত ২৮ শে মার্চ বৃহস্পতি বার রাতথেকে সাহেব আলী মিয়া নিখোঁজ হন ৩ রা এপ্রিল বিজয়পুর বাজারের মজুমদার দীঘিতে অজ্ঞাতব্যাক্তির লাশ  ভেসে উঠে, দুপুরদুইটার দিকে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে। হত্যাকারীরা সাহেবআলীর মুখ থেতলে দেওয়ার কারণে  তার মুখেরঅবস্থা নষ্ট হয়ে যায় এবং চোখ সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ কেটে ফেলে পাষন্ডরা।মুখ মন্ডল চেনা যায়নি বলে সাহেব আলীর লাশকে বেওয়ারীশ হিসেবে দাফন করা হয় বলে যানিয়েছেনএলাকাবাসী। বিজয়পুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. তোতা মিয়া জানান সাহেব আলী (সাহসমিয়া) পেশায় দিনমজুর হলেও যেকোন অন্যায় দেখলেই কঠোর প্রতিবাদ করতেন আর এ কারণেইএলাকাবাসী তাকে সাহস বলে ডাকতো, এ সময় তিনিও এই হত্যা কান্ডের সুষ্টতদন্ত সহ দায়ী ব্যাক্তিদের শাস্তি দাবি করেন।এই মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মামলারতদন্ত কর্মকর্তা এস আই সুরঞ্জিত জানান,যে মৃত ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তার মুখমন্ডল দেখে তার পরিচয় নিশ্চিতহওয়া যায়নি তাই যারা ঐ মৃত ব্যাক্তির আত্বীয় পরিচয় দিয়েছেন আমরা তাদের ডিএনএপরীক্ষার জন্য সংস্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি এবং ডিএনএ এক হলে  এই ব্যাক্তি সাহেব আলী কিনা তা নিশ্চিত হওয়াযাবে। তবে এ ছাড়াও আমরা এই বিষয়ে তদন্ত চলমান রেখেছি।


 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ