বুধবার , ২২ মে ২০১৯ |

 ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধি,
শরীয়পুর সখিপুর থানায় ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিয়া -কে আগুনে পুড়িয়ে নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে শনিবার   সখিপুর থানা রোডে ডা. আব্দুর রাজ্জাক -এর আহ্বানে সখিপুরের স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সহ সর্বস্থরের জনগণ হত্যাকারী সিরাজউদ্দৌলা ও নুরুদ্দিন সহ হত্যার সাথে জড়িত সকলের ফাসির দাবিতে মানববন্ধন পালন করা হয়। মানবন্ধন পালনকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানববন্ধনের আহ্বায়ক ছাত্র ও পেশাজীবি ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আব্দুর রাজ্জাক, ডিরেক্টর বাংলাটেক- ইঞ্জিনিয়ার আলাউদ্দিন, সখিপুর ডায়াগনেষ্টিক হসপিটাল লিঃ এর ডাইরেক্টর শামীম মাহবুব মালত ও চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, শরিফিয়া প্রাইমারি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব আক্তার সরকার। মানববন্ধনের আহ্বায়ক ডা. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে যৌন হয়রানি ও ইভটিজিং মূলক কোন হয়রানির সুষ্ঠু বিচার হয় না। এতে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান যানান, যাতে দেশের মধ্যে যৌন হয়রানিমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্ছার ভূমিকা পালন করা হয় এবং সুষ্ঠু আইন পাশ করা হয়। উপস্থিতির মধ্যে অন্যান্যরা বলেন, বাংলাদেশের নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে যৌন হয়নানির স্বীকার হতে হয়। প্রধান মন্ত্রীর কাছে দাবী, যৌন নির্যাতনে এমন আইন করা হোক যেন নারীদের নির্যাতন করতে ভয় পায়। বক্তারা আরো বলেন, নুসরাত আমাদের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে। সে মৃত্যুর শেষ পর্যন্ত দোষীদের শাস্তি চেয়েছে। তাই আমাদের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে নারী নির্যাতনকারীরা কোন ক্রমেই রেহাই না পায় তার জন্য প্রতিবাদ করতে হবে। গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারীরা। পরিবারের অভিযোগ, ২৭ মার্চ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা তার কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে স্বজনদের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের চাপ দিয়েও প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় নুসরাতকে আগুনে পোড়ানো হয়। আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে মারা যায়।

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ