বৃহস্পতিবার , ২১ নভেম্বর ২০১৯ |

গাড়ি ভাসছে সমুদ্র সৈকতে !

  সোমবার , ০১ July ২০১৯

চঞ্চল দাশগুপ্ত, কক্সবাজার : 
কক্সবাজারের কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়কের সংস্কারকাজে ধীর গতির কারণে জরুরী প্রয়োজনে বিকল্প পথ হিসেবে সমুদ্র সৈকত দিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বর্ষায় বৃষ্টি শুরু হওয়ায় এ ভোগান্তি আরো বেড়ে গেছে। জানা যায়.মেরিন ড্রাইভের স্টার্টিং পয়েন্ট কক্সবাজার শহরের কলাতলী মোড় থেকে বেইলি হ্যাচারি মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৩শ মিটার সড়ক বিগত ২০০০ সালে সামুদ্রিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেলে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে সড়ক যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০০৫-০৬ সালে কলাতলী গ্রামের ভেতর দিয়ে চলে যাওয়া সংকীর্ণ সড়কটিকে সামান্য প্রশস্ত করে মেরিন ড্রাইভের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে পৌর কর্তৃপক্ষ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ সড়কটির সংস্কার কাজ করতে গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনমাসের জন্য এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখতে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে কক্সবাজার পৌরসভা। এসময় ভ্রমণে আসা পর্যটক, রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত এনজিও সংস্থার যানবাহন শহরের লিংক রোড থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কোর্টবাজার হয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু সেই চারমাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কাজও সম্পন্ন হয়নি। মূলত পর্যটন বিকাশের জন্য মেরিন ড্রাইভ সড়কটি তৈরি করা হলেও এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কারণে এ সড়কের গুরুত্ব হাজার গুণ বেড়ে গেছে। ক্যাম্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিদিন প্রায় ১২শ প্রাইভেটকারসহ শত শত যানবাহন এখন সাগরের বালুচর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিন বালুচরে আটকে পড়ার পরে অসংখ্য দামি গাড়ি সাগরের জোয়াড়ে পানিতে ভেসে যাচ্ছে।পরে ভাটা হলে ওইসব গাড়ির ভাঙা বডি উদ্ধার করা হয়। এরকম ১ জুলাই সৈকতের বালুচরে আটকে পড়ে এনজিও’র  একটি নোহা গাড়ি সাগরের জোয়ারে ডুবে যায়।ফলে এ সড়কে চলাচল করা এনজিও সংস্থা,পর্যটক ও স্থানীয়দের যেন ভোগান্তির শেষ নেই।  তবে এ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বলছেন,বার বার প্রকল্পের ডিজাইন পরিবর্তন এবং সড়কের ড্রেইন নির্মাণে এলাকাবাসীর জমি না ছাড়ার কারণে প্রকল্পের কাজে এ ধীরগতি।চুক্তিতে একবছর সময় থাকলেও আগামী  কয়েক মাসের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করা যাবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

 নগর-মহানগর থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ