শনিবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমগুলোতে হানিপ্রীত ইনসান ও ‘বাবা’র অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক। 
সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। 

‘বাবা’ রাম রহিম, হানিপ্রীত ইনসান ও প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত
বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।
বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেওয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন। 

সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।

 পাঁচমিশালি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ