সোমবার , ২২ July ২০১৯ |

বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ

ভারতের দারুণ বোলিং, উইলিয়ামসন-টেইলরের লড়াই

অনলাইন স্পোর্টস ডেস্ক   মঙ্গলবার , ০৯ July ২০১৯

মেঘলা আকাশ, নতুন উইকেট। বৃষ্টির শঙ্কা আছে পরের দিকে। প্রতিপক্ষের পেস আক্রমণ দারুণ। নিউ জিল্যান্ড তবু নিল আগে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ জয়ের মতো ব্যাটিং তারা সেভাবে করতে পারল না। ভারতের দারুণ বোলিংয়ের সামনে লড়াই যা করলেন কেবল কেন উইলিয়ামসন ও রস টেইলর।

বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালের প্রথম ভাগে ভারত খেলল ফেভারিটের মতোই। ম্যানচেস্টারে মঙ্গলবার নিউ জিল্যান্ড ৪৬.১ ওভারে ৫ উইকেটে ২১১ রান করার পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এবারের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি ছিল বেশ রান প্রসবা। সেমি-ফাইনালের উইকেট যদিও একটু মন্থর মনে হয়েছে। এরপরও ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপকে চ্যালেঞ্জ জানাতে কিউইদের বোলিং হতে হবে দুর্দান্ত।

বিশ্বকাপে এবার এই মাঠে আগের সব ম্যাচই জিতেছে আগে ব্যাট করা দল। তবে দিনের প্রেক্ষাপটে নিউ জিল্যান্ডের সিদ্ধান্ত জাগাল প্রশ্ন। বিশেষ করে, শুরুর সহায়ক কন্ডিশনে ভারতের টপ অর্ডারে ছোবল মারার সুযোগ যেখানে ছিল। আগে ব্যাট করে বড় স্কোর করে ভারতকে চাপে ফেলার কাজটিও করতে পারেনি তারা। বরং শুরুতে ভুগেছে তারা জাসপ্রিত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বর কুমারের আগুনে বোলিংয়ে।

নিউ জিল্যান্ডের ভোগান্তির শুরু ম্যাচের প্রথম বল থেকেই। ভুবনেশ্বরের বলে জোরালো আবেদনে বেঁচে যান মার্টিন গাপটিল। ভারত হারায় রিভিউ। তবে ভারতীয় বোলাররা হারায়নি ছন্দ। বুমরাহ ও ভুবেনেশ্বরের দুর্দান্ত প্রথম স্পেলে হাঁসফাঁস করতে থাকে কিউই ব্যাটসম্যানেরা।

প্রথম ৩ ওভারে রান ছিল ১। চতুর্থ ওভারে বুমরাহ বলে বিরাট কোহলির দারুণ ক্যাচে ফেরেন গাপটিল। প্রথম ম্যাচের পর থেকে নিজেকে হারিয়ে খোঁজা অভিজ্ঞ ওপেনার এই ম্যাচেও করেছেন ১৪ বলে ১ রান। ৭ ওভার শেষে নিউ জিল্যান্ডের রান ছিল ১০। বুমরাহর বলে হেনরি নিকোলসের ড্রাইভে অষ্টম ওভারে আসে ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি।

নতুন বলের দুই বোলারের স্পেল শেষে একটু স্বস্তি পায় নিউ জিল্যান্ড। নিকোলস ও উইলিয়ামসন আস্তে আস্তে রান বাড়াতে থাকেন। গড়ে ওঠে জুটি। ৮৯ বলে দুজনের ৬৮ রানের জুটি ভাঙে রবীন্দ্র জাদোর দারুণ ডেলিভারিতে। ২৮ রান করে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে বোল্ড হন নিকোলস।

টেইলরের সঙ্গে মিলে এরপর উইলিয়ামসন গড়েছেন আরেকটি জুটি। তবে ভারতের আঁটসাঁট বোলিং ও উইকেটের মন্থরতা মিলিয়ে গতি খুব বাড়াতে পারছিলেন না তারা। ১৪তম ওভারের পর টানা ১৩ ওভারে আসেনি কোনো বাউন্ডারি। ১০২ বলে ৬৫ রানের জুটি শেষ হয় উইলিয়ামসনের বিদায়ে। ৯৫ বলে ৬৭ করে কিউই অধিনায়ক ক্যাচ দেন যুজবেন্দ্র চেহেলের থমকে আসা একটি বলে।

এরপর লড়াই চালিয়ে গেছেন টেইলর। জিমি নিশাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমরা পারেননি লম্বা সময় সঙ্গ দিতে। ইনিংসের একমাত্র ছক্কায় চেহেলকে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টেইলর ফিফটি স্পর্শ করেন ৭৩ বলে। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধের সময় টেইলরের রান ৮৫ বলে ৬৭। হয়তো শেষ দিকে ঝড় তোলার চেষ্টা করতেন। কিন্তু তা হতে দিল না বৃষ্টি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড: ৪৬.১ ওভারে ২১১/৫ (গাপটিল ১, নিকোলস ২৮, উইলিয়ামসন ৬৭, টেইলর ৬৭*, নিশাম ১২, ডি গ্র্যান্ডহোম ১৬, ল্যাথাম ৩*; ভুবনেশ্বর ৮.১-১-৩০-১, বুমরাহ ৮-১-২৫-১, পান্ডিয়া ১০-০-৫৫-১, জাদেজা ১০-০-৩৪-১, চেহেল ১০-০-৬৩-১)।

 খেলাধূলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ