বৃহস্পতিবার , ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ |

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক   বুধবার , ১০ July ২০১৯

ফাইল ছবি

বাংলাদেশেআশ্রয়নেওয়াবাস্তুচ্যুতরোহিঙ্গাদেরদ্রুতমিয়ানমারেফেরারপথতৈরিকরতেআন্তর্জাতিকসম্প্রদায়েরপ্রতিআহ্বানজানিয়েছেনপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা।বুধবারঢাকারহোটেলইন্টারকন্টিনেন্টোলেঢাকামিটিংঅবদ্যগ্লোবালকমিশনঅনঅ্যাডাপটেশনেরউদ্বোধনীঅনুষ্ঠানেতারআহ্বানআসে।মার্শালআইল্যান্ডসেরপ্রেসিডেন্টহিলদাসিহেইন, গ্লোবালকমিশনঅনঅ্যাডাপটেশনেরচেয়ারম্যানজাতিসংঘেরসাবেকমহাসচিববানকি-মুনএবংবিশ্বব্যাংকেরসিইওক্রিস্টালিনাজর্জিওভাওউপস্থিতছিলেনঅনুষ্ঠানে।  

প্রধানমন্ত্রীবলেন, আপনারা সকলে অবগত আছেন, আমরা কক্সবাজার জেলায় মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকেআশ্রয় দিয়েছি। কক্সবাজারের যেসব এলাকায় রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে সেগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং তাদের উপস্থিতি এসব এলাকাকে আরো অনিরাপদ ঝুঁকিপূর্ণ করেতুলেছে। এসব বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দেখভাল করার পাশাপাশি অতি দ্রুততার সঙ্গে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য আমি বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

গ্লোবালকমিশন অন অ্যাডাপটেশন বিশ্বব্যাপীজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কীভাবে কাজ করা যায় সে দিকনির্দেশনাও দেনবাংলাদেশের সরকারপ্রধান। তিনিবলেন, অনুমিত সময়ের আগেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়তে শুরু করেছে। প্রভাব মোকাবিলায়বিনিয়োগে বিশ্বকে আরো বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে। বর্তমানে এই বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-উদ্ভাবন অর্থায়নের যুগেজলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় আমাদের অনেক সুযোগ রয়েছে যা সকলে সহজেকাজে লাগাতে পারি। তথাপি আমি বলতে চাই, অভিযোজনের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেজন্য সুষ্ঠু প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অভিযোজনপ্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সবাইকে সজাগ থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ করেন তিনি।

শেখহাসিনা বলেন, গ্লোবাল কমিশন অব অ্যাডাপটেশননের সহযোগিতায়আমরা জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সঠিক অভিযোজন কৌশলের পাশাপাশি সাশ্রয়ী পন্থা ঝুঁকি নিরসনব্যবস্থার সুবিধা পেতে চাই। আগামী সেপ্টেম্বরে ক্লাইমেট চেইঞ্জ সামিটে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের সুপারিশগুলোর জন্য আমরা অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। ওই সভায় এলডিসিভুক্তদেশসমূহ এবং বাংলাদেশর পক্ষ থেকে আমাকে বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীবলেন, অভিযোজন প্রক্রিয়ায় অগ্রগামী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখানে একটি আঞ্চলিক অভিযোজন কেন্দ্র স্থাপনের দাবি রাখে। আমি বাংলাদেশে একটি আঞ্চলিক অভিযোজন কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করতে আপনাদের অনুরোধ জানাচ্ছি।

 জাতীয় থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ