সোমবার , ২৬ আগষ্ট ২০১৯ |

শিক্ষকের স্বাক্ষর জালের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   শুক্রবার , ০৯ আগষ্ট ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

বেকায়দায় ফেলতে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে। সরাইল উপজেলার দেওড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুনিজুর রহমান স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সরাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি রুজু করেছেন।

সাধারণ ডায়রীতে অভিযোগ করা হয় যে, অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক বেলায়েত খাঁ শিক্ষক ও কর্মচারী তথ্য বিবরণীতে শিক্ষক মুনিজুর রহমান এবং শিক্ষিকাদ্বয় শিরীন আক্তার এবং ফারহানা বেগমের স্বাক্ষর জাল করে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করে।

অ্যাডহক কমিটির কোনো নিয়োগের এখতিয়ার না থাকলেও আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক বেলায়েত খাঁ এনটিআরসিতে শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগের আবেদন করেন। পরবর্তীতে এনটিআরসি তিনজন শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়। এই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে্ আবশ্যিক শিক্ষক দেখিয়ে মো. মুনিজুর রহমান এবং ফারহানা বেগমকে অতিরিক্ত শিক্ষক হিসেবে দেখায় শিক্ষক এবং কর্মচারী তথ্য বিবরণীতে। কিন্তু মুনিজুর রহমান, শিরীন আক্তার এবং ফারহানা বেগম উক্ত তথ্য বিবরণীতে স্বাক্ষর করেননি। পরে অ্যাডহকের সাবেক সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক নিজেরা তাদের স্বাক্ষর দিয়ে উক্ত তথ্যবিবরণী পূরণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেয়।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সংক্ষুব্ধ শিক্ষক মুনিজুর রহমান দেশের সর্বোচ্চ আদালতে হাইকোর্টে রিট করলে মহামান্য আদালত এনটিআরসি’র সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিও স্কিম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে রুল নিসি জারি করে। যোগাযোগ করা হলে অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক বেলায়েত খাঁ তাদের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

উল্লেখ্য, ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের নিকটাত্মীয় অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়া।তিনি একজন ক্ষুদ্র সার কারবারি। বিদ্যালয়ের সন্নিকটেই তার দোকান। সভাপতি থাকাকালীন তিনি গেঞ্জি-লুঙ্গি পরে বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়তেন। শিক্ষক/শিক্ষিকাদের সাথে তিনি প্রায়ই দুর্ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ