বুধবার , ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ |

দুই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম বাড়লো সাড়ে ৩ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক   রবিবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়লো প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে এই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে  বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। চলতি মাসেই তিন দফায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজুস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে নতুন করে প্রতি ভরিতে বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা। যা সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি হচ্ছে ৫৬ হাজার ৮৬২ টাকা। এ নিয়ে চলতি মাসেই তৃতীয়বারের মতো বাড়ল সোনার দাম। এর আগে গত ৮ আগস্ট সোনার দাম প্রতি ভরিতে বেড়েছিল এক হাজার ১৬৬ টাকা। এর মাত্র একদিন আগে ৬ অগাস্টও সব ধরনের সোনার দর একই পরিমাণ বাড়ানো হয়েছিল। সে হিসাবে মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে ভরিতে সোনার দাম বেড়েছে ৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট (এক ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ৫৬ হাজার ৮৬২ টাকা। আর প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম পড়বে ৪ হাজার ৮৭৫ টাকা।

অন্যদিকে ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দামও প্রতি ভরিতে সমপরিমাণ, অর্থাৎ এক হাজার ১৬৬ টাকা করে বেড়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট সোনার দাম ৫৪ হাজার ৪১৭ টাকা, প্রতি গ্রামের দাম পড়বে ৪ হাজার ৬৭৫ টাকা। আর ১৮ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ৪৯ হাজার ৫১৩ টাকা, প্রতি গ্রাম ৪ হাজার ২৪৫ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৬০ টাকা। সে হিসাবে সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি গ্রাম সোনার দাম পড়বে ২ হাজার ৫০০ টাকা। রুপার দামও পুনঃনির্ধারণ করেছে বাজুস। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম ১১৬৬ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ৯৩৩ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রতি গ্রাম রুপার দাম পড়বে ৮০ টাকা।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। সোনার দাম গত আট বছর সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় রয়েছে। এ কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাজুজ অফিসের এক কর্মকর্তা দৈনিক দেশকালকে বলেন, যেহতু দেশে স্বর্ণ উৎপাদন হয় না তাই বিশ্ববাজারের উপর নির্ভর করে স্বর্ণের দাম। এছাড়া বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে স্বর্ণের দাম ওঠানামা করে। সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারের দামের উপর ভিত্তি করে নতুন দাম নির্ধারণ করেন বাজুসের কার্যনিবার্হী সদস্যরা।

 অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ