বৃহস্পতিবার , ২১ নভেম্বর ২০১৯ |

ওয়াসার খোড়াখুড়িতে নাকাল চট্টগ্রামবাসী

  বৃহস্পতিবার , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: 
চট্টগ্রাম নগীরর ১১ কিলোমিটার এলাকায় ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের লক্ষ্যে সড়ক খোড়াখুড়ির কারণে সৃষ্ট যানজট ও ধুলাবালির কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। নগীরর বিভিন্ন এলাকা সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে পরিপাটি পিচের সড়কটি কেটে মাটির সড়কে রুপান্তর করেছে। এমনকি ফুটপাতের ওপর মাটির স্তুপ, কংক্রীট, ইট পাথর জমা করে রেখেছে। যার কারনে এসব এলাকায় একটু বৃষ্টি হলে তা হাঁটু পরিমাণ কাদাতে পরিণত হয়ে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে নারী-শিশু সহ সাধারণ জনগণ। এরপরও বেহাল রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে লোকজনকে। অনেকে আবার রাস্তার খারাপ অবস্থা ও যানজট এড়াতে হেটেঁই গন্তব্য যেতে দেখা গেছে। নগরীর নন্দনকানন, জামালখান, চকবাজার, মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়ক এ চলাচলকারীরা বেশি বিপাকে পড়েছে। বিশেষ করে চকবাজার-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সেভরন, ফর্টিস, সার্জিস্কোপ, পার্কভিউ, ডেল্টা, একুশে, ডক্টরসসহ অন্তত ১৫টি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের রোগীরা নিয়মিত যাতায়াত করেন। একই দশা পাঁচলাইশ থানার মোড় থেকে লিটল জুয়েলস স্কুল এবং কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে অলি খাঁ মসজিদ পর্যন্ত এলাকার সড়কের। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কগুলোতে ওয়াসার ব্যাপক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। দুর্ভোগের কবল থেকে রেহাই মিলছে না, স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদেরও। ফলে প্রায় সব রুটে যানবাহনের ধীরগতি এবং ধুলাবালি থেকে রেহাই মিলছে না নগরবাসীর।
চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ উন্নীতকরণ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের পরিচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীর কাছে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ করতেই ১১ কিলোমিটার এলাকায় ট্রান্সমিশন পাইপলাইন স্থাপন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পাপলাইন স্থাপন করার জন্য সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে, দুর্ভোগ হচ্ছে এটি ঠিক। তবে দুর্ভোগ কমাতে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছি আমরা। ইতোমধ্যে প্রকল্পের অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাজ শেষ করা হবে। পানিসংকট দূর করতে ওয়াসা এসব প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্প কাজ শেষ হলে নগরে কোনো পানি সংকট থাকবে না। তবে কাজের কারণে মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। সম্পূর্ণ কাজ শেষ হলে নগরবাসীর এসব উন্নয়ন ভোগ করতে পারবে। 

 নগর-মহানগর থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ