সোমবার , ২১ অক্টোবর ২০১৯ |

জেলায় বিচারকদের আবাসন সংকট ও সমস্যার দৃশ্যপট

  শনিবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এ.কে.এম শামছুল হক রেনু

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯টি জেলা ছিল। ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত দেশে জেলা হয় ২১টি। অন্য সবগুলো ছিল মহকুমা বা সাবডিভিশন। তদোপরি ভারত ও পাকিস্তানে এখনও মহকুমা বা সাবডিভিশন ব্যবস্থাপনাটি বহাল রয়েছে। তখন দেশে ৪টি বিভাগ ছিল। ১৯৮৪ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহকুমাকে জেলা ঘোষণা করা হয়। ফলশ্রæতিতে দেশে মহকুমা বা সাবডিভিশন বলতে আর কিছু অবশিষ্ট থাকেনি। বর্তমানে দেশে ৬৪টি জেলা ও ৮টি বিভাগ রয়েছে। বিভাগগুলো হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ।

ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে মহকুমার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন মহকুমা প্রশাসক (এসডিও)। পুলিশ বিভাগে মহকুমা পুলিশ অফিসার (এসডিপিও), বিচার বিভাগে মহকুমা মুন্সেফ, স্বাস্থ্য বিভাগে মহকুমা মেডিকেল অফিসার (এসডিএমও)। পরবর্তী সময় মহুকমা জেলায় রূপান্তরিত বা আপগ্রেড হলে জেলার বিচার বিভাগে জেলা ও দায়রা জজ এবং পরবর্তী সময় সচিব পদমর্যাদায় অলংকিত করা হয়। জেলা জজ, ডিসি বা জেলা প্রশাসক, এসপি বা পুলিশ সুপার এবং সিএস বা সিভিল সার্জন জেলার বিশেষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিগণিত। ডিসিকে জেলার চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা ও হৃদপিন্ড বলা হয়ে থাকে। এছাড়া পদাধিকার বলে তিনি জেলার অনেক প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

জেলার বিচার বিভাগে রয়েছে জেলা ও দায়রা জজ, জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারক, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা জজ, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল যুগ্ম জেলা জজ। অপরদিকে বিচারক মাসদার হোসেন মামলার আলোকে শত বাধা বিপত্তি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অতিক্রম করে উচ্চ আদালতের আদেশে ২০০৭ সালে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের আংশিক পৃথকীকরণ হয়। যার ফলে নির্বাহী বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতার অবসান হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম), এসিজেএম ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে নি¤œ আদালতের ফৌজদারী মামলার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। যদিও নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার আগ পর্যন্ত নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেটগণ নি¤œ আদালতের ফৌজদারি কোর্টের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ডিসি তা তদারকি করতেন। বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর সিজেএম কোর্টসহ অন্যান্য বিচারিক আদালত তদারকি করে থাকেন সচিব পদ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত জেলা ও দায়রা জজ। যদিও মোবাইল কোর্ট ও এডিএম কোর্টে কিছু ধারার মামলা এখনও বিদ্যমান।

১৯৮৪ সালে এক আদেশে যখন মহকুমা (সাবডিভিশন) বিলুপ্ত করে সকল মহকুমাকে পর্যায়ক্রমে জেলা ঘোষণা করা হয়, তখন কিছু ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। প্রথমটি ছিল অফিস আদালতের জায়গার সমস্যা, দ্বিতীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন সংকট, তৃতীয়টি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় যানবাহন সমস্যা, অফিসের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সমস্যাসহ আরও কিছু প্রাত্যহিক সমস্যা।

জানা যায়, দেশের অধিকাংশ জেলায় এখনও সিজেএম কোর্ট, এসিজেএম কোর্ট ও জেএম কোর্টের নিজস্ব পরিসরে অফিস না থাকাতে যথেষ্ট অসুবিধা পোহাতে হচ্ছে। দেশের কোনো কোনো জেলায় এ সমস্যার আংশিক সমাধান হলেও অনেক জেলাতে এ সমস্যা এখনও লেগেই রয়েছে। এছাড়া অনেক জেলায় জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে সিজেএম কোর্ট (জুডিসিয়াল কোর্ট) পরিচালিত হলেও তা ডিসিদের মর্জির ওপর নির্ভর করা হয়ে থাকে। এসব জেলায় জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনে যে কোন সময় সিজেএম, এসিজেএম, জেএম কোর্ট ও পুলিশ কোর্টের কার্যক্রম অন্যত্র স্থানান্তরের কথা বলা হলে এ উপাখ্যানটি একেবারে অযৌক্তিকও নহে। জেলা প্রশাসন ও বিচার বিভাগ প্রজাতন্ত্রের অধীন হওয়াতে এ ধরণের সমস্যার উদ্ভব হলেও অনেক সময় হাত পাঁচ মিলিয়ে এমনিভাবে চলে আসছে। যদিও বিচার বিভাগের কার্যক্রম চলার ব্যাপারে তাদের নিজস্ব পরিসরে কোর্টের স্থান হওয়াকে অনেকেই গুরুত্ব অনুধাবন করে থাকে।

জানা যায়, দেশের পুরাতন ও নতুন জেলাগুলোতে জেলা জজ, ডিসি, এসপি ও সিভিল সার্জনের আবাসন সুবিধা রয়েছে। প্রায় জেলাতেই গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য “ডরমেটরি” থাকলেও নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, সিজেএম, যুগ্ম জেলা জজদের সরকারি আবাসন নেই বললেই চলে। এছাড়া এসিজেএম, জেএম  ও সহকারী জজ ও বিচার বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের আবাসন সংকটের আহাজারির তো শেষই নেই। তদোপরি অনেক জেলার এডিসি, এডিএম, সহকারী কমিশনার, পুলিশের এডিশনাল এসপিসহ জেলায় আরও অনেক বিভাগের কর্মকর্তাদের আবাসন সংকটের নিধারুন ব্যথা, বেদনা চোখে পড়ার মতো। অনেক জেলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জন্য বিভিন্ন বাহারী নামের দৃশ্যপটে আবাসন কোয়ার্টার থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল বা সীমিত। বদলী জনিত কারণে জেলা প্রশাসনের কারও কোনো আবাসন, কোয়ার্টার ও ডরমেটরির কোনো কক্ষ খালি হওয়ার সংবাদের সাথে সাথে তা পূর্ণ হয়ে যায়। জানা যায়, খালি হওয়া সরকারি আবাসন, কোয়ার্টার ও ডরমেটরিতে একটি কক্ষের জন্য অনেক সময় বিচার বিভাগ, প্রশাসন বিভাগ, পুলিশ বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের ৮/১০ জনের চাহিদা চলে আসে। অনেক সময় এর সমাধানের লক্ষ্যে লটারীর মাধ্যমেও নাকি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

বিচার বিভাগ বলতে এখানে শুধু জেলার জজ কোর্ট, সিজেএম ও জেএম কোর্টকেই বুঝানো হয়নি। জেলার সহকারি জজ আদালত ও জেলায় কোনো দেওয়ানী চৌকি থাকলে তাদের আবাসন সংকট ও দৃশ্যমান সমস্যার কথাও বলা হয়েছে।
আরও জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জজ কোর্ট ও সিজেএম কোর্টের কর্মকর্তাদের যেমন আবাসন সংকট তেমনি এসব অফিসের চেয়ার, টেবিল, আলমিরা, ফাইলপত্র রাখার র‌্যাকেরও যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এ সমস্যা নতুন জেলা হওয়ার পর থেকেই বিদ্যমান। তারপরও এমনি সমস্যার মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীরা কাজ করে যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জের জজ কোর্ট, ডিসি ও এসপি অফিস প্রায় পাশাপাশি। জেলা হওয়ার অনেক বছর অতিবাহিত হলে প্রায় ২ বছর আগে ডিসি অফিসের প্রবেশ পথে মনোরম তোরণ (গেইট) লক্ষ্য করা যায়। অনেক দিন পর পুলিশ সুপারের অফিসে প্রবেশের পথে এবং সর্বশেষ প্রায় কয়েক মাস পূর্বে জজ কোর্টের প্রবেশের পথে মনোরম তোরন লক্ষ্য করা যায়। জজ কোর্টের তোরনে গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে রাখা হয়েছে। বলা চলে তিনটি তোরনই (গেইট বা প্রবেশ পথ) পথচারী থেকে নিয়ে জনসাধারণ ও সুশীল সমাজকে যথেষ্ট মুগ্ধ করে থাকে।

কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, জজ কোর্টের মনোরম তোরন পাড় হয়ে জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশকালে, বিচারক, বিচারপ্রার্থী, অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের অবর্ননীয় কষ্ট ও চলাচলের ভোগান্তির কথা যেন ভুলার নয়। তাই কবির কন্ঠে বলব, কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশী বিষে দংশেনি যারে। জজ কোর্ট প্রাঙ্গন সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা ও পানিতে থৈ থৈ করে। বৃষ্টি হলে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় না গুছিয়ে জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে যাওয়া আসার সুযোগ নেই। তদোপরি দাপ্তরিক কাজে বা জজ কোর্টে কর্মরত কোনো স্বজন বা কারও সাথে দেখা করতে গেলে কোনো মতেই হাঁটু পর্যন্ত কাদা পরিস্কার না করে কারও কক্ষে যেন ঢোকার ফোরসত থাকেনি। বর্ষাকালে এ দৃশ্যপট ও সমস্যা যেন কিশোরগঞ্জ জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের জনৈক কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানা যায়, এর সমাধানে জজ কোর্ট কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে দুঃখ ও আক্ষেপ করে জনৈক কর্মকর্তা বললেন, বিচার বিভাগের সম্মানিত বিচারক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অন্য সব বিভাগের চেয়ে ব্যতিক্রম ও যথেষ্ট সংযমী ও ধৈর্যশীল। তা না হলে জেলার সর্বোচ্চ বিচারালয় প্রাঙ্গনে কাদা ও সামান্য বৃষ্টি হলে এমনভাবে পানি জমে থাকার কথা নয়। যেহেতু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর সমাধানে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, আশা করি অচিরেই এ দুঃখ, কষ্ট ও যাতনার অবসান হবে।

ময়মনসিংহ জজ কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত জনৈক কর্মকর্তা জানালেন, জজ কোর্টের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালতের নাজির ও স্টেনোগ্রাফার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে থাকে। অপরদিকে সিজেএম কোর্টের নাজির, হিসাবরক্ষক, রেকর্ড কিপার, স্টেনোগ্রাফার ও কম্পিউটার অপারেটর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে থাকে। কিন্তু বেতনের স্কেল লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের বেঞ্চ সহকারীর চেয়ে সিজেএম কোর্টের বেঞ্চ সহকারী ও রেকর্ড কিপারের বেতন বেশি। যা বেতন স্কেলের ক্ষেত্রে বৈষম্য বলা চলে। যদিও সিজেএম ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সমমর্যদার পদে অধিষ্ঠিত। এ সমস্যাগুলো আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যাবশ্যক বলে তার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এছাড়া চাকরি জীবনের সুখ দুঃখের কথা জানিয়ে বলেছেন, বিচার বিভাগের অধিকাংশ বিচারক ও কর্মকর্তা খুবই ন¤্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সহনশীল। অন্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মতো নয়। সম্পূর্ণ পৃথক সত্তা ও অবয়বে চাকরির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবসরে যায়।

যাক, সে প্রতিক‚লতা ও সমস্যাকে সামনে রেখে দেশের ৬৪ মহকুমাকে জেলায় রূপান্তরিত করা হলেও এ সমস্যার সমাধান এতদিনেও আলোর মুখ দেখেনি। তদোপরি চারটি নতুন বিভাগেও অসংখ্য সমস্যা। জেলা ও বিভাগের এতকিছু সমস্যা সমাধান না হলেও এরই মধ্যে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অনেক উপজেলাকে জেলায়, অনেক জেলাকে বিভাগের দাবী এবং দেশে একটি প্রদেশ করার কথা নিয়েও কেহ কেহ দাবী জানিয়ে আসছে। দেশে ইতোমধ্যে ৬৪ মহকুমাকে আপগ্রেড করে জেলা করা হলেও এখনও অনেক সংকট ও সমস্যা বিদ্যমান। অনেকে মনে করে, এসবের সমাধান না করে আরও নতুন জেলা ও বিভাগ হলে সৃষ্ট সংকটের সমাধানতো হবেই না বরং কিশোরগঞ্জ জজ কোর্ট প্রাঙ্গনের কাদা ও সামান্য বৃষ্টির থৈ থৈ পানিতে যে ভোগান্তি হচ্ছে তেমনিভাবে আরও সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।

এসব সংকট ও দৃশ্যপটের পরিসমাপ্তি হয়ে যাতে নতুন আলোর বার্তা পরিস্ফুটিত হয় ইহাই জনপ্রত্যাশা। যদি এসব সংকট ও সমস্যা লেগেই থাকে, আর যদি কোন অভাজন ও ভোক্তভোগীদের কেহ বলে থাকে হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ, লাভ মি মাদার লেট মি ক্রাই (খড়াব সব সড়ঃযবৎ ষবঃ সব পৎু) অর্থাৎ ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। তবে হয়তো বলার কোন কিছুই আর অবশিষ্ট নাও থাকতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, কোনো সংকট ও সমস্যা জিয়ে না রেখে সমাধানই মুখ্যম ও আলোর পথের দিশারী। দেশে শাসন, প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভাগসহ অনেক দফতর, পরিদফতর, অধিদফতর, বিভাগ, প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষ থাকলেও খাদ্যে ভেজাল, ঔষধে ভেজাল, দুধে ভেজাল, তেলে ভেজাল, ডেঙ্গু দমনে কীটনাশকে ভেজাল রোধে বিচারক ও বিচার বিভাগের গুরুত্ব অপরিসীম। সংগত কারণেই জেলার বিচারক ও অন্যান্য বিভাগের আবাসন সংকট ও জনস্বার্থে প্রাসঙ্গিক সমস্যা নিরসন কল্পে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অমনোযোগীতা, অসহযোগীতা ও বৈষম্য পরিহার পূর্বক সকলের জন্য সম অধিকার ও দৃষ্টি অনাবিল প্রত্যাশা।


 উপ-সম্পাদকীয় থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ