মঙ্গলবার , ১৫ অক্টোবর ২০১৯ |

চল্লিশেও নজরকাড়া সঞ্জয়-পত্নী

দেশকাল বিনোদন ডেস্ক:   রবিবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

২০০৩ সালে পরিচালক প্রকাশ ঝা’র ‘গঙ্গাজল’ ছবিতে আইটেম ডান্স দিয়ে দর্শকদের নজরে এসেছিলেন মান্যতা দত্ত। বলিউডে প্রতিষ্ঠা পেতে তারপর বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। তবে জনপ্রিয়তা মেলেনি সেভাবে।

কিন্তু বলিউডে তার কাজ যতটা না তাকে জনপ্রিয়তা দিয়েছে, তার চেয়ে তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে আলোচিত, সমালোচিত ও বিতর্কিত নায়ক সঞ্জয় দত্তের স্ত্রী হিসাবে। তবে বলিউডের আইটেম গার্ল হিসেবে যেভাবে যাবতীয় বিতর্ক সামলেছেন দুই সন্তানের মা মান্যতা, তা সত্যিই তারিফযোগ্য। ভক্তদের তাক লাগিয়ে দেবে বর্তমানের ৪০ বছর বয়সী মান্যতার মেকওভারও।

১৯৭৯ সালে মুম্বাইয়ের একটা মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েছিল মান্যতার। তার আসল নাম দিলনেওয়াজ শেখ। ইন্ডাস্ট্রিতে তাকে অনেকে সারা খান বলেও ডাকতেন। কমল রশিদ খানের ‘দেশদ্রোহী’ ছবিতে তার নাম হয়েছিল মান্যতা। তারপর থেকে তাকে মান্যতা বলেই চেনেন দর্শক। দুবাইয়ে বেড়ে উঠেছেন মান্যতা। ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি ভীষণ ঝোঁক ছিল তার। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের চাপ তার কাঁধে এসে পড়ায় খুব বেশি দিন ইন্ডাস্ট্রিতে থাকতে পারেননি। পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে হয়েছিল তাকে।

মান্যতার প্রথম বিয়ে হয়েছিল মিরাজ উর রহমানের সঙ্গে। মিরাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০০৬ সালে সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রযোজক নিতিন মনমোহন তাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। ২০০৮ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে মান্যতার বিয়ে হয়। এর দুই বছর পর যমজ (এক ছেলে, এক মেয়ে) সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কয়েকদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় দত্ত বলেন, মান্যতাকে পেয়ে তিনি ধন্য। সব কাজে সব পরিস্থিতিতে তিনি স্ত্রীকে পাশে পান।

সঞ্জয়ের জীবনে মান্যতার গুরুত্ব ব্যাপক। তার ডায়েট, ফিটনেস, টাকাপয়সা এমনকি ফিল্ম বাছার সিদ্ধান্তেও মান্যতার মতামত মেনে চলেন সঞ্জয়। তবে সঞ্জয় দত্তের দুই বোন প্রিয়া ও নম্রতা মান্যতাকে তাদের পরিবারের সদস্য হিসাবে কখনো মেনে নেননি। মান্যতা বর্তমানে সঞ্জয় দত্তের প্রযোজনা সংস্থার সিইও। ব্যবসার কাজে মাঝে মধ্যেই লন্ডন, দুবাই উড়ে যান তিনি। এমনকি বিভিন্ন সামাজিক প্রচারেরও মুখ তিনি। মান্যতা সঞ্জয় দত্তের তৃতীয় স্ত্রী।

১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণে নাম জড়ায় সঞ্জয়ের। বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র রাখার অপরাধে দীর্ঘ সময় পুণের জেলে কাটিয়েছেন তিনি। এই পুরো সময়টা ছেলে-মেয়ে, সংসার, ব্যবসা সামলেছেন স্ত্রী মান্যতাই। পাশে থেকে সঞ্জয়ের মনের জোরও বাড়িয়েছিলেন।  আনন্দ বাজার প্রত্রিকা

 বিনোদন থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ