বৃহস্পতিবার , ০৫ অক্টোবর ২০১৭

পরিবারে আর কতজন প্রতিবন্ধী হলে ভাতা পাবে আমেনা বেগম

নিজস্ব প্রতিবেদক   বৃহস্পতিবার , ০৫ অক্টোবর ২০১৭

রবিউল হাসান, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা :
আমেনা বেগম বয়স ৪০ বছর। স্বামী খলিলুর রহমান ছিলেন একজন কৃষক । বিগত ৩ বছর পূর্বে রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বামী মারা যান। আমেনা বেগমের দুই ছেলে। বড় ছেলের নাম ওসমান গনি (১৯) পেশায় একজন দিন মজুর। ছোট ছেলে সালমান (১৫) জন্মগতভাবে শারিরীক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। বিধবা আমেনা বেগমের বিয়ের পূর্বে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে তার বাম পা ও হাত চিকন হয়ে যায়। বিধবা নিজেও একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে ১৫ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে সালমানকে নিয়ে অনাহারে-অর্থাহারে জীবন-যাপন করছেন। তিনি এই প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসে কয়েক বার গিয়েও প্রতিবন্ধী ভাতা করাতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ডুমুরিয়া  গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের বিধবা স্ত্রী আমেনা বেগম সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবে এসে কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, পরিবারের আর কতজন প্রতিবন্ধী হলে আমরা ভাতা পাবো?। তার ছোট ছেলে সালমান জন্মগতভাবে দৃষ্টি, মূক, বধির ও শারিরীক প্রতিবন্ধী। সাবেক সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ড. রহিমা খাতুন বিগত দুই বছর পূর্বে তার বাড়ীতে গিয়ে দেখে তাদেরকে প্রতিবন্ধী ভাতা করিয়ে দেয়ার আশ^াস দিলেও এখনো হয়নি। এই বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন জানান, আগামীতে বরাদ্দ এলে এই পরিবারের একজনকে প্রতিবন্ধী ভাতা করিয়ে দেওয়া হবে। 

 উপ-সম্পাদকীয় থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ