সোমবার , ২১ অক্টোবর ২০১৯ |

‘খালেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো, ভর্তির প্রয়োজন নেই’

অনলাইন ডেস্ক   শুক্রবার , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রিমান্ডে থাকা যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। পরীক্ষার পর রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানিয়েছেন, খালেদকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই।
বুকে ব্যাথা অনুভূত হওয়ায় শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খালেদকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তার শারীরিক পরীক্ষা করেন। ইসিজি ও এক্সরে-ও করানো হয়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নূরে আলম বলেন, খালেদের যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, সেগুলোর রিপোর্ট ভালো। তাকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভর্তির কোনো প্রয়োজন নেই।

এর আগে, অস্ত্র ও মাদকের মামলায় খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষ হলে আজ শুক্রবার খালেদকে ফের আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-৩-এর সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন। তিনি মামলাগুলোতে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নতুন করে রিমান্ড আবেদন করেন।

এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আগে মামালর তদন্ত কর্মকর্তা যা জিজ্ঞাসা করার, করে ফেলেছেন। নতুন করে জিজ্ঞাসা করার কিছু নেই। এই দুই মামলায় জিজ্ঞাসা করতে হলে আদালত আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসা করার আদেশ দিতে পারেন। আমরা এই রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আসামির জামিন প্রার্থনা করছি।

পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে আদালতকে বলেন, অন্যান্য আসামি ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তথ্য জানা ও তাদের গ্রেফতারের জন্য আসামিকে ফের রিমান্ডে নেওয়া হোক। দুই পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক অস্ত্র ও মাদকের মামলায় পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর খালেদের গুলশানের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ের তিনটি ও মতিঝিল থানায় আরও একটি মামলা দায়ের করে সেগুলোতে গ্রেফতার দেখানো হয়।

আটকের সময় খালেদের বাসা থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করা আরও দুইটি অস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও দুই প্যাকেটে ৫৮২ পিস ইয়াবা জব্দ করে র‌্যাব। এছাড়া তার বাসার ওয়াল শোকেস থেকে ১০ লাখ ৩৪ হাজার নগদ টাকা এবং চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা সমমূল্যের মার্কিন ডলারও জব্দ করা হয়।

একইদিন (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফকিরাপুলে খালেদের ইয়ং মেনস ক্যাসিনোতেও অভিযান চালান র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১৪২ জন নারী-পুরুষকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৩১ জনকে একবছর ও বাকি ১১১ জনকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ক্যাসিনো থেকে জুয়ার প্রায় সাড়ে ২৪ লাখ টাকা জব্দ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বিপুল পরিমাণ মদ, বিয়ার, সিগারেট ও নেশাজাতীয় বিভিন্ন দ্রব্য জব্দ করা হয় ওই ক্যাসিনো থেকে।

 রাজধানী থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ